অবশেষে—সকলের জন্য ন্যায়বিচার
“আমরা আহত আর্তস্বর, উৎকণ্ঠিত আর্তনাদ ও মরিয়া হয়ে ওঠা কণ্ঠস্বরকে . . . নতুন করে শোনার জন্য আমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করব। . . . বাকি যা রয়েছে তা হল কেবল আইনকে সক্রিয় করে তোলা: অবশেষে এই বিষয়টি নিশ্চিত করা যে ঈশ্বরের সম্মুখে সকলে যেমন সম মর্যাদা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছেন, তেমনই মানুষের সম্মুখেও সকলে সম মর্যাদা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছেন।”—যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি রিচার্ড মিলহৌস নিক্সন, উদ্বোধনী বক্তৃতা, জানুয়ারি ২০, ১৯৬৯.
রাজা, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান মন্ত্রিরা যখন তাদের আসনে বসেন তখন তারা সকলেই ন্যায়বিচারের বিষয়ে বড় বড় কথা বলে থাকেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, রিচার্ড নিক্সনও এর ব্যতিক্রম ছিলেন না। কিন্তু ইতিহাসের নির্মম সত্যের আলোয় তার এই জোরালো বাক্যগুলি তাদের স্বতন্ত্রতা হারিয়েছিল। যদিও তিনি ‘আইনকে সক্রিয় করার জন্য’ অঙ্গীকার করেছিলেন কিন্তু পরবর্তী সময়ে নিক্সনই আইনভঙ্গের দোষে অভিযুক্ত হয়েছিলেন এবং তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। তাই তিন দশক পরেও, ‘আহত, উৎকণ্ঠিত এবং মরিয়া কণ্ঠের’ আর্তনাদ শোনা গিয়েছিল।
অসংখ্য সদুদ্দেশ্যপরায়ণ নেতারা যেমন আবিষ্কার করেছেন যে এইধরনের কণ্ঠস্বর শোনা এবং তাদের ক্ষোভের উদ্দেশে কিছু বলা সহজ কাজ নয়। ‘সকলের জন্য ন্যায়বিচার’ এক ছলনাময় লক্ষ্য হিসাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাসত্ত্বেও, অনেক শতাব্দী আগে কৃত একটি প্রতিজ্ঞা আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে—ন্যায়বিচার সম্বন্ধীয় এক অদ্বিতীয় প্রতিজ্ঞা।
ঈশ্বর, তাঁর ভাববাদী যিশাইয়ের মাধ্যমে তাঁর লোকেদের আশ্বাস দিয়েছিলেন যে তিনি তাদের কাছে তাঁর নিজের মনোনীত এক “দাস” প্রেরণ করবেন। “আমি তাঁহার উপরে আপন আত্মাকে স্থাপন করিলাম,” যিহোবা তাদের বলেছিলেন। “তিনি জাতিগণের কাছে ন্যায়বিচার উপস্থিত করিবেন।” (যিশাইয় ৪২:১-৩) কোন মানব শাসকই এইধরনের এক ব্যাপক ঘোষণা করতে সাহস পান না, যেটির অর্থ হল প্রত্যেক জাতির জন্য স্থায়ী ন্যায়বিচার। এই প্রতিজ্ঞাটির উপর কি আস্থা রাখা যায়? এইধরনের এক অসাধারণ প্রাপ্তি কি কখনও বাস্তবে পরিণত হতে পারে?
আস্থা রাখার মত একটি প্রতিজ্ঞা
একটি প্রতিজ্ঞার নির্ভরযোগ্যতা যিনি তা করেন তার মতই হয়। এই ক্ষেত্রে, একমাত্র সর্বশক্তিমান ঈশ্বরই ঘোষণা করেন যে তাঁর “দাস” বিশ্বব্যাপী ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবেন। রাজনীতিবিদদের মত যিহোবা হালকাভাবে কোন প্রতিজ্ঞা করেন না। ‘মিথ্যাকথা বলা তাঁহার অসাধ্য,’ বাইবেল আশ্বাস দেয়। (ইব্রীয় ৬:১৮) “আমি যা সংকল্প করেছি তা ঘটবেই,” ঈশ্বর দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেন।—যিশাইয় ১৪:২৪, আজকের ইংরাজি সংস্করণ।
এই প্রতিজ্ঞার প্রতি আমাদের দৃঢ়প্রত্যয় পুনরুজ্জীবিত হয় যখন আমরা ঈশ্বরের মনোনীত “দাস” যীশু খ্রীষ্টের নথির প্রতি দৃষ্টি দিই। যিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবেন তিনি অবশ্যই ন্যায়বিচার ভালবাসেন এবং ন্যায়ভাবে জীবনযাপন করেন। ‘ধার্ম্মিকতাকে প্রেম ও দুষ্টতাকে ঘৃণা করেন’ এমন ব্যক্তি হিসাবে যীশু এক নিষ্কলঙ্ক নথি রেখে গিয়েছেন। (ইব্রীয় ১:৯) তিনি যা বলেছিলেন, যেভাবে জীবনযাপন এবং মৃত্যুবরণ করেছিলেন সমস্ত কিছু প্রমাণ করেছিল যে তিনি প্রকৃতই এক ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি ছিলেন। যীশুর মৃত্যুর সময়ে, এক রোমীয় সেনাপতি যিনি স্পষ্টতই যীশুর কষ্টভোগ এবং তাঁর মৃত্যুদণ্ডের সাক্ষী ছিলেন, তিনি বলতে প্রণোদিত হয়েছিলেন: “সত্য, এই ব্যক্তি ধার্ম্মিক ছিলেন।”—লূক ২৩:৪৭.
নিজে ধার্মিক জীবনযাপন করা ছাড়াও যীশু অবিচারকে প্রতিরোধ করেছিলেন, যা তাঁর দিনে অত্যন্ত পরিব্যাপ্ত ছিল। তিনি ধ্বংস অথবা বিপ্লব করার দ্বারা তা করেননি বরং যারা শুনবেন তাদের প্রকৃত ন্যায়বিচার শিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে তা করেছিলেন। প্রকৃত ন্যায়বিচার এবং ধার্মিকতা কিভাবে অনুশীলন করা উচিত সেই বিষয়ে পর্বতে দত্ত তাঁর উপদেশ এক দক্ষতাপূর্ণ ব্যাখ্যা।—মথি ৫-৭ অধ্যায়।
যীশু যা প্রচার করতেন তা পালনও করেছিলেন। যিহূদী সমাজে “অস্পৃশ্য” দুর্দশাগ্রস্ত কুষ্ঠরোগীদের তিনি অবজ্ঞার চোখে দেখেননি। পরিবর্তে, তিনি তাদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন, তাদের স্পর্শ করেছিলেন এবং এমনকি আরোগ্যও করেছিলেন। (মার্ক ১:৪০-৪২) দরিদ্র ও নিপীড়িত সহ সকল ব্যক্তি, যাদের সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করেছিলেন তারা তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। (মথি ৯:৩৬) “হে পরিশ্রান্ত ও ভারাক্রান্ত লোক সকল, আমার নিকটে আইস, আমি তোমাদিগকে বিশ্রাম দিব,” তিনি তাদের বলেছিলেন।—মথি ১১:২৮.
সর্বোপরি, তাঁকে কলুষিত অথবা বিরক্ত করতে পারে এমন অবিচারকে যীশু অনুমোদন করেননি। তিনি মন্দের পরিশোধে কখনও মন্দ করেননি। (১ পিতর ২:২২, ২৩) এমনকি অতি যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতিতেও তিনি তাঁর স্বর্গীয় পিতার কাছে সেই সৈনিকদের জন্য প্রার্থনা করেছিলেন যারা তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। “পিতঃ, ইহাদিগকে ক্ষমা কর,” তিনি আবেদন জানিয়েছিলেন, “কেননা ইহারা কি করিতেছে, তাহা জানে না।” (লূক ২৩:৩৪) নিশ্চিতরূপে, যীশু ‘জাতিগণের কাছে ন্যায়বিচার প্রচার করিয়াছিলেন।’ (মথি ১২:১৮) ঈশ্বর যে এক ন্যায়পূর্ণ জগৎ প্রতিষ্ঠা করতে ইচ্ছুক সে সম্বন্ধে তাঁর নিজ পুত্রের জীবন্ত উদাহরণ ছাড়া আর কোন বড় প্রমাণ আমাদের থাকতে পারে?
অবিচারকে দমন করা যায়
অবিচারকে যে দমন করা যায় তার জীবন্ত প্রমাণ আজকের জগতে প্রচুররূপে বিদ্যমান। ব্যক্তিগতভাবে এবং সেইসঙ্গে সাংগঠনিকভাবে যিহোবার সাক্ষীরা কুসংস্কার, পক্ষপাতিত্ব, জাতিভেদ এবং দৌরাত্ম্যকে জয় করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করে থাকেন। নিচের উদাহরণটি বিবেচনা করুন।
পেড্রোa মনে করতেন স্পেনের বাস্ক কান্ট্রি, যে অঞ্চলে তিনি বাস করতেন সেখানে ন্যায়বিচার আনার একমাত্র উপায় ছিল ধ্বংসাত্মক কাজ। এই উদ্দেশ্যে তিনি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের একজন সদস্য হয়েছিলেন যার ফলে তিনি ফ্রান্সে আধা-সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। তার প্রশিক্ষণ শেষ হয়ে যাওয়ার পর, তাকে একটি সন্ত্রাসবাদী দল গঠন করার এবং পুলিশদের বাসভবনগুলিকে ধ্বংস করে দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছিল। তার দলটি বিস্ফোরণের প্রস্তুতি নেওয়ার সময়ই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছিলেন। তিনি ১৮ মাস কারাগারে ছিলেন কিন্তু আটক অবস্থায়ও তিনি তার রাজনৈতিক কার্যকলাপ চালিয়ে গিয়েছিলেন, অনশন ধর্মঘট করেছিলেন এবং একবার একটি ঘটনায় ইচ্ছা করে তার কব্জি কেটেছিলেন।
পেড্রো ভেবেছিলেন যে তিনি ন্যায়বিচারের জন্য সংগ্রাম করছিলেন। তারপর তিনি যিহোবা এবং তাঁর উদ্দেশ্য সম্বন্ধে জানতে পেরেছিলেন। পেড্রো কারাবাসের সময়ে তার স্ত্রী যিহোবার সাক্ষীদের সঙ্গে বাইবেল অধ্যয়ন করতে শুরু করেছিলেন এবং যখন তিনি মুক্তি পেয়েছিলেন তখন তার স্ত্রী তাকে তাদের একটি সভাতে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তিনি ওই সভাটি এত উপভোগ করেছিলেন যে বাইবেল অধ্যয়ন করানোর জন্য অনুরোধ করেছিলেন, যা তাকে তার দৃষ্টিভঙ্গি এবং জীবনযাত্রায় ব্যাপক পরিবর্তন আনতে পরিচালিত করেছিল। পরিশেষে, ১৯৮৯ সালে পেড্রো ও তার স্ত্রী উভয়েই বাপ্তাইজিত হয়েছিলেন।
“যিহোবাকে ধন্যবাদ জানাই যে সন্ত্রাসবাদী হিসাবে আমি প্রকৃতপক্ষে কাউকে হত্যা করিনি,” পেড্রো বলেন। “এখন আমি লোকেদের প্রকৃত শান্তি ও ন্যায়বিচারের বার্তা—ঈশ্বরের রাজ্যের সুসমাচার ঘোষণা করার জন্য, ঈশ্বরের আত্মার খড়্গ বাইবেল ব্যবহার করি।” বর্তমানে যিহোবার সাক্ষীদের একজন প্রাচীন হিসাবে সেবারত পেড্রো, কিছুদিন পূর্বে সেই বাসভবনগুলি পরিদর্শন করেছিলেন যেগুলি তিনি ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন। এইবার তিনি সেখানে বসবাসকারী পরিবারগুলির কাছে শান্তির বার্তা প্রচার করার উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন।
যিহোবার সাক্ষীরা এই পরিবর্তনগুলি করে থাকেন কারণ তারা এক ধার্মিক জগতের জন্য আকুল আকাঙ্ক্ষী। (২ পিতর ৩:১৩) এটি পরিপূর্ণ করার জন্য যদিও তারা ঈশ্বরের প্রতিজ্ঞায় সন্দেহাতীতভাবে আস্থা রাখেন, তবুও তারা উপলব্ধি করেন যে ন্যায়বিচারের সীমারেখা অনুযায়ী জীবনযাপন করা তাদের কর্তব্য। ঈশ্বর চান যে আমরা যেন আমাদের অংশ পূর্ণ করি আর সেই বিষয়ে বাইবেল সন্দেহের কোন অবকাশই রাখে না।
ধার্মিকতার বীজ বপন করা
এটি সত্য যে অবিচারের মুখোমুখি হলে, আমরা হয়ত এই বলে আর্তনাদ করতে প্রণোদিত হই: “বিচারকর্ত্তা [“ন্যায়বিচারক,” “NW”] ঈশ্বর কোথায়?” এটিই ছিল মালাখির দিনের যিহূদীদের আর্তনাদ। (মালাখি ২:১৭) ঈশ্বর কি তাদের অভিযোগকে গুরুত্বপূর্ণরূপে নিয়েছিলেন? পরিবর্তে এটি তাঁকে “ক্লান্ত” বোধ করিয়েছিল কারণ অন্যান্য বিষয়গুলি ছাড়াও, তারা তাদের বৃদ্ধা স্ত্রীদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকের ন্যায় আচরণ করছিল, তুচ্ছ অজুহাত দেখিয়ে তাদের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ করছিল। যিহোবা সেই স্ত্রীদের জন্য তাঁর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন, ‘তাহাদের যৌবনকালীন স্ত্রীর . . . প্রতি তাহারা বিশ্বাসঘাতকতা করিয়াছে; কিন্তু তাহারা তাহাদের সখী ও তাহাদের নিয়মের স্ত্রী।’—মালাখি ২:১৪.
আমরা নিজেরাই যদি অবিচার করি তাহলে কি ন্যায়সংগতভাবে আমরা অবিচারের জন্য অভিযোগ করতে পারি? অপর দিকে আমরা যদি আমাদের হৃদয় থেকে কুসংস্কার এবং জাতিভেদ উপড়ে ফেলে, সকলের প্রতি পক্ষপাতশূন্য ও প্রেমপূর্ণ হয়ে এবং মন্দের পরিশোধে মন্দ না করে, যীশুকে অনুকরণ করার চেষ্টা করি, তাহলে আমরা দেখাই যে ন্যায়বিচারকে আমরা প্রকৃতই ভালবাসি।
বাইবেল পরামর্শ দেয় যে আমরা যদি ন্যায়বিচার লাভ করতে চাই তবে আমাদের ‘ধার্ম্মিকতায় বীজ বপন করতে’ হবে। (হোশেয় ১০:১২) এটি যত ক্ষুদ্রই মনে হোক না কেন, অবিচারের উপরে ব্যক্তিগত প্রতিটি বিজয়ই গুরুত্বপূর্ণ। মার্টিন লুথার কিং, জুনিয়র তার বার্মিংহাম কারাগার থেকে পত্র-তে লিখেছিলেন, “যে কোন স্থানের অবিচারই, সর্বত্র ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে হুমকিস্বরূপ।” যারা “ধর্মের অনুশীলন” করেন সেই লোকেদের ঈশ্বর তাঁর আসন্ন ধার্মিক নতুন জগতের উত্তরাধিকারী করার জন্য নির্বাচিত করেন।—সফনিয় ২:৩.
ন্যায়বিচারের জন্য মানব প্রতিজ্ঞার নড়বড়ে ভিত্তির উপর আমরা আমাদের প্রত্যাশা গড়ে তুলতে পারি না কিন্তু আমাদের প্রেমময় সৃষ্টিকর্তার বাক্যে আমরা আস্থা রাখতে পারি। সেই জন্যই যীশু তাঁর অনুগামীদের ঈশ্বরের রাজ্য আসার জন্য ক্রমাগত প্রার্থনা করতে বলেছিলেন। (মথি ৬:৯, ১০) সেই রাজ্যের নিযুক্ত রাজা যীশু, “আর্ত্তনাদকারী দরিদ্রকে, এবং দুঃখী ও নিঃসহায়কে উদ্ধার করিবেন। তিনি দীনহীন ও দরিদ্রের প্রতি দয়া করিবেন, তিনি দরিদ্রগণের প্রাণ নিস্তার করিবেন।”—গীতসংহিতা ৭২:১২, ১৩.
স্পষ্টতই, অবিচার স্থায়ী নয়। সমস্ত পৃথিবীর উপর খ্রীষ্টের শাসন চিরতরে অবিচারকে জয় করবে, যেভাবে ঈশ্বর তাঁর ভাববাদী যিরমিয়ের মাধ্যমে আমাদের আশ্বাস দেন: “এমন সময় আসছে যখন আমি আমার প্রতিজ্ঞা পূর্ণ করব . . . সেই সময় আমি দায়ূদের বংশের এক ধার্মিক ব্যক্তিকে রাজা হিসাবে মনোনীত করব। সেই রাজা দেশে ধার্মিকতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবেন।”—যিরমিয় ৩৩:১৪, ১৫, টিইভি।
[পাদটীকাগুলো]
a একটি বিকল্প নাম।