যারা কারাগারে রয়েছে তাদের কাছে আধ্যাত্মিক স্বাধীনতা নিয়ে আসা
“আমরা আপনার জন্য অপেক্ষা করছি।” “গত কয়েক রাত ধরে আমি আপনার আগমন সম্বন্ধে স্বপ্ন দেখেছি।” “নিয়মিতভাবে আমাদের পরিদর্শন করতে কাউকে নিযুক্ত করার জন্য ধন্যবাদ।” “প্রতি ও প্রত্যেকটি আশীর্বাদের জন্য যা আমরা অযাচিতভাবে যিহোবা ও তাঁর সংগঠন থেকে পেয়ে থাকি এবং সঠিক সময়ে প্রদত্ত আধ্যাত্মিক খাদ্যের জন্য আমরা আমাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই।”
এই সমস্ত কৃতজ্ঞতাপূর্ণ অভিব্যক্তিগুলি প্রকাশের কী কারণ ছিল? এগুলি হল মেক্সিকোর বিভিন্ন কারাগারে বন্দীদের অভিব্যক্তিগুলির মধ্যে কয়েকটি। যিহোবার সাক্ষীদের থেকে তারা যে সৌজন্য পেয়ে থাকে তা তারা উপলব্ধি করে, যেটি এমনকি কারাগারে থাকার সময়েও তাদের জন্য আধ্যাত্মিক স্বাধীনতা এনেছে। মেক্সিকোতে ৪২টি কারাগার রয়েছে যেখানে সেই কারাবাসীদের আধ্যাত্মিক প্রয়োজনের জন্য যিহোবার সাক্ষীরা নিয়মিতভাবে পরিচর্যা করে। এই স্থানগুলিকে বলা হয় সেন্ট্রো রিডাপটেশন্ সোশাল (সামাজিক পুনর্বাসন কেন্দ্র)। এর মধ্যে কিছু কারাগারে, এমনকি খুব উত্তম ফলসহ নিয়মিতভাবে খ্রীষ্টীয় সভাগুলি হয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, সাম্প্রতিক এক গণনায়, এই স্থানগুলিতে প্রায় ৩৮০ জন ব্যক্তি সভাগুলিতে উপস্থিত ছিল। এই সময় গড়ে ৩৫০টি বাইবেল অধ্যয়ন পরিচালনা করা হয়েছিল। সাঁইত্রিশ জন প্রচার শুরু করার জন্য যোগ্য ছিল এবং ৩২ জন তাদের জীবন যিহোবার কাছে উৎসর্গ করেছিল, তা জলে বাপ্তিস্ম নেওয়ার মাধ্যমে শনাক্ত করে।
কিভাবে কাজটি সম্পাদিত হয়েছে
যিহোবার সাক্ষীরা কিভাবে তাদের প্রচার কাজ এই স্থানগুলিতে করে থাকে? প্রথমে তারা কারাগারে প্রবেশের জন্য লিখিত স্বীকৃতিপত্রের আবেদন করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের কাছে যায়, পরিদর্শনের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে—যে কারাবন্দীরা কিভাবে তাদের জীবনের মান উন্নত করবে এবং ঈশ্বরকে তাঁর সন্তোষজনক পথে সেবা করবে সেই সম্পর্কে শেখানো।
কর্তৃপক্ষেরা প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের অনুমতি দিয়েছেন। এই আধিকারিকেরা বাইবেল নির্দেশনাকে যা সেই কারাবাসীদের প্রদান করা হয়, উপলব্ধি করে। কারাগারের কর্তৃপক্ষেরা লক্ষ্য করেছেন যে যিহোবার সাক্ষীরা এই স্থানগুলিতে প্রদত্ত নিরাপত্তার নিয়মাবলীগুলিকে মেনে চলে। তারা এই পরিদর্শনরত পরিচর্যাকারীদের অফিসগুলিতে, খাবারের কক্ষে ও কর্মকক্ষে তাদের সভাগুলি পরিচালনা করার জন্য অনুমতি দিয়েছেন। দক্ষিণপূর্ব মেক্সিকোর একজন ভ্রমণ অধ্যক্ষ দ্বারা বর্ণিত নিম্নের অভিজ্ঞতাটিতে যেমন দেখা যায়, এমনকি এর এক স্থানে সাক্ষীদেরকে একটি ছোট কিংডম হল নির্মাণের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।
“১৯৯১ সালের প্রারম্ভে আমরা ওয়াক্সাকা, তেওয়ানতেপেকের কারাগারে পরিদর্শন করা শুরু করেছিলাম, যেখানে বৃহৎ আধ্যাত্মিক ক্ষুধা খুঁজে পাই। আমরা শীঘ্র ২৭টি বাইবেল অধ্যয়ন আরম্ভ করি। কারাবন্দীদের আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে, মণ্ডলীর ৫টি সভার ব্যবস্থা করা হয়। এদের মধ্যে একজন কারাবন্দী, যিনি যিহোবার প্রতি মহৎ প্রেম দেখান, তিনি এই কারাগারের মধ্যে একটি ছোট কিংডম হল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন যাতে করে সভাগুলির জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান থাকতে পারে। তিনি কারাগারের পরিচালকের কাছে অনুমতি চাওয়ার জন্য গিয়েছিলেন এবং কর্তৃপক্ষেরা অত্যন্ত সহযোগী ছিলেন। ১৯৯২ সালের ডিসেম্বরের শুরুতে, ছয়জন কারাবন্দী সুসমাচারের প্রকাশক হিসাবে যোগ্য হয়। অগ্রগতি প্রদর্শনের কারণে, কারাগারের ভিতরে স্মরণার্থক সভা পালনের আয়োজন করা হয়। স্মরণার্থক সভার প্রতীকচিহ্নগুলি—রুটি ও দ্রাক্ষারস—নিয়ে আসার জন্য আমরা কারাগার পরিচালকের কাছে অনুমতি চাই আর চার-ঘন্টা আলোচনার পর, অনুমতি প্রদান করা হয়েছিল।
“১৯৯৩ সালের ৩রা এপ্রিল এইরকম ঘটে যে (স্মরণার্থক সভা উদ্যাপনের তিন দিন আগে), কয়েকজন কারাবন্দীদের মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। যখন একজন যিনি এক প্রকাশক ছিলেন তার ছাড়পত্র পান, তিনি কারাগার পরিচালকের সাথে কথা বলতে চেয়েছিলেন যেন তাকে স্মরণার্থক সভা উদ্যাপন পর্যন্ত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। এটি পরিচালককে প্রকৃতই অবাক করেছিল, যেহেতু এটি খুব সাধারণ অনুরোধ নয়, কিন্তু এই কারাগারে স্মরণার্থক সভায় কারাবন্দীটির উপস্থিত থাকার আগ্রহের পরিপ্রক্ষিতে, তিনি আবেদনটি মঞ্জুর করেন। স্মরণার্থক সভায় ৫৩ জন ব্যক্তি উপস্থিত ছিল, যারা কার্যক্রমের সমাপ্তিতে আনন্দে অশ্রুপাত করেছিল। আমরা এই দলটিকে ‘ফ্রিডম শেরসো’ নামে ডাকতে সম্মত হয়েছি,’ কারণ তারা আধ্যাত্মিক অর্থে স্বাধীন।”
এই স্থানগুলিতে যিহোবার সাক্ষীদের কাজকে খুবই উপলব্ধি করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি সংশোধনী কক্ষে এক ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি কারাবাসীদের দ্রুত পুনর্বাসনের “চিকিৎসা” হিসাবে যিহোবার সাক্ষীদের সভাগুলিতে উপস্থিত থাকার জন্য প্রকাশ্যে সুপারিশ করেন।
এক সফল পুনর্বাসন কার্যক্রম
যিহোবার সাক্ষীদের কার্যাবলী বহু কারাবন্দীদের সম্পূর্ণ পুনর্বাসনের ফলস্বরূপ হয়েছে। যদিও এটি প্রায়ই সত্য যে যারা কারাগারে রয়েছে মুক্তি পাওয়ার পর তারা আবার অপরাধী জীবনে ফিরে যায়, কিন্তু যারা সত্যই ঈশ্বরের বাক্যের বার্তা গ্রহণ করেছে, তারা সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। তাদের পরিবর্তন আমাদের প্রেরিত পৌলের কথাগুলি স্মরণ করিয়ে দেয়: “কি ব্যভিচারী . . . কি চোর কি লোভী কি মাতাল কি কটুভাষী কি পরধনগ্রাহী, তাহারা ঈশ্বরের রাজ্যে অধিকার পাইবে না। আর তোমরা কেহ কেহ সেই প্রকার লোক ছিলে; কিন্তু তোমরা প্রভু যীশু খ্রীষ্টের নামে ও আমাদের ঈশ্বরের আত্মায় আপনাদিগকে ধৌত করিয়াছ, পবিত্রীকৃত হইয়াছ, ধার্ম্মিক গণিত হইয়াছ।”—১ করিন্থীয় ৬:৯-১১.
তাদের ব্যক্তিত্বের এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন স্পষ্ট হয় যখন তারা তাদের অনুভূতিগুলি প্রকাশ করে। মিগেল, যিনি ক্যাম্পেক্ শহরে ক্যাম্পেক্ কারাগারে আছেন তিনি এইভাবে ব্যক্ত করেন: “আজকে আমি আনন্দের সাথে বলতে পারি যে আমি নিজেকে অপর মেষের একজন হিসাবে মনে করি যাদের আশা সম্পর্কে ২ পিতর ৩:১৩ এবং মথি ৫:৫ পদগুলিতে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।” যোশী, যিনি ক্যাম্পেক্ কারাগার, কোবেনে আছেন তিনি মন্তব্য করেছিলেন: “যদিও আমি একজন কারাবন্দী এবং আমার অপরাধ হয়ত অত্যন্ত গুরুতর, কিন্তু আমি জানি যে যিহোবা অত্যন্ত করুণাময় এবং আমার প্রার্থনা ও বিনতিগুলি শোনেন। তিনি আমার পাপ সকল ক্ষমা করতে পারেন এবং ঈশ্বরের রাজ্য সম্পর্কে সুসমাচারে অংশগ্রহণ করে আমাকে বাকি জীবন অতিবাহিত করার সুযোগ দিতে পারেন। আমরা আমাদের প্রাচীনদের প্রতি কৃতজ্ঞ, যে তারা কারাগারে আমাদের পরিদর্শনের জন্য সময় দিয়েছে, যাতে করে আমরা ঈশ্বরের রাজ্য বিষয়ক প্রতিজ্ঞাগুলি থেকে উপকার লাভ করতে পারি। আশীর্বাদগুলি কতই না মনোরম! আমি কি বলতে পারি যে আমি একজন কারাবন্দী? না, যিহোবা আমাকে প্রয়োজনীয় আধ্যাত্মিক স্বাধীনতা প্রদান করেছেন।”
সেটি কী যা সমস্ত হত্যাকারী, ধর্ষণকারী, দুষ্কর্মকারী, চোর এবং অন্যান্যদের ধার্মিক জীবনযাপনকারী খ্রীষ্টানে পরিবর্তিত করে? এই একই লোকেদের মতানুসারে, এটি ঈশ্বরের বাক্যের রূপান্তরিত করার ক্ষমতা এবং প্রকৃত ধার্মিক ব্যক্তিদের সাথে উত্তম সংসর্গের কারণ। সিনালোয়া, মাজাতলানের সংশোধনী কক্ষের কারাবাসী তিবুরসিওর ঘটনাটি, এই পুনর্বাসন কার্যক্রমের সাফল্যকে বর্ণনা করে। তিনি সিনালোয়া, কংকোর্ডিয়ার কারাগারে ছিলেন, যেখানে হিংস্র মেজাজের কারণে তার সমস্যা ছিল। তার স্ত্রী একজন যিহোবার সাক্ষী ছিলেন আর তিনি তার সাথে সাংঘাতিভাবে খারাপ আচরণ করতেন, এমনকি যখন তিনি তার সাথে কারাগারে দেখা করতে আসা চালিয়ে যেতে থাকেন। তিনি ধৈর্য ধরেন এবং তার সাথে দেখা করতে আসতে থাকেন, তাই তিনি তাকে আপনি পরমদেশ পৃথিবীতে অনন্তকাল বেঁচে থকতে পারেন বইটি তার জন্য আনতে বলেন, যেটি তিনি নিজেই অধ্যয়ন করতে শুরু করেন।a তারপর তিনি বলেন যেন কেউ কারাগারে এসে তার সাথে অধ্যয়ন করেন। তিনি আধ্যাত্মিক উন্নতি করতে শুরু করেন এবং অন্যান্যদের সাথে তার সম্পর্কগুলি আরও ভালর দিকে পরিবর্তন করতে আরম্ভ করেন। তাকে মাজাতলান কারাগারে স্থানান্তরিত করা হয়, যেখানে বাইবেল অধ্যয়নকারী একটি দল রয়েছে এবং এখন তিনি একজন প্রকাশক। তিনি মন্তব্য করেন: “নিকট ভবিষ্যতে আমি মুক্তি পাব আর সমস্ত অধিবেশন ও মণ্ডলীর সভাগুলিতে যোগদান করতে সমর্থ হব এই আশা নিয়ে বর্তমানে, আমার স্ত্রী ও সন্তান এবং আমার সহ কারাবাসী সঙ্গীদের সাথে, এই স্থানে বাইবেলের সত্যগুলি শুনতে পারায় আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।”
এছাড়াও, কন্রাডো, যিনি তার জীবনকে পরিবর্তন করতে সমর্থ হওয়ায় অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। তার এমন অত্যধিক মাত্রায় বৈবাহিক সমস্যা ছিল যে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যায়। তাই তিনি নেশাকর ওষুধে সান্ত্বনা খোঁজার চেষ্টা করেন। এক সময়ে, তিনি নেশাকর ওষুধের ব্যবসায়ী হন। মারিজুয়ানা ও কোকেন পাচার করার সময়ে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং তার কারাদণ্ড হয়েছিল। সেই কারাগারে একটি দল যিহোবা সাক্ষীদের সাথে বাইবেল অধ্যয়ন করত এবং তাকে তাদের সাথে অধ্যয়ন করতে আমন্ত্রণ জানান হয়। তিনি এইভাবে তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন: “যে ভাবে শৃঙ্খলার সাথে সভাগুলি পরিচালিত করা হত, প্রকাশনাদির মাধ্যমে কার্যক্রমের পরীক্ষা এবং এই বিষয়টি যে সমস্ত কিছুই বাইবেলের উপর ভিত্তি করে ছিল, আমাকে অত্যন্ত প্রভাবিত করেছিল। তখনই আমি একটি বাইবেল অধ্যয়নের জন্য অনুরোধ জানাই এবং সভাগুলিতে যোগ দিতে আরম্ভ করি।” সেটি ছিল ১৯৯৩ সালের জানুয়ারি। বর্তমানে কন্রাডো কারামুক্ত এবং খ্রীষ্টীয় মণ্ডলীতে ক্রমাগত উন্নতি করে চলেছেন।
আইলাস মারিয়াস
মেক্সিকোতে চারটি দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি ভয়ঙ্কর কারাগার আছে যাকে বলা হয় আইলাস মারিয়াস। কারাবন্দীরা দণ্ডণীয় দ্বীপের উপর দিয়ে প্রায়ই যাতায়াত করতে পারত যেখানে তারা কারাবদ্ধ ছিল। কেউ কেউ সেখানে তাদের স্ত্রী ও সন্তানদের সাথে বসবাস করত।
একটি ছোট মণ্ডলী স্থাপন করা হয়েছে। তিনজন ভাই মাজাতলান থেকে সেখানে, সভাগুলি পরিচালনাতে সাহায্য করা ও সাহিত্যাদি প্রদান ও উৎসাহ প্রদানের জন্য মাসে একবার সেখানে আসেন। কখনও কখনও সেখানে সীমা অধ্যক্ষ তাদের পরিদর্শনে যান। সেখানকার গড় উপস্থিতি ২০ থেকে ২৫ এর মধ্যে। সেখানে চার জন বাপ্তাইজিত এবং দুই জন অবাপ্তাইজিত প্রকাশক আছে। ভ্রমণ অধ্যক্ষ রিপোর্ট করেন যে “কিছুজন রবিবারে সভাগুলিতে যোগদানের জন্য ১৭ কিলোমিটার [১০ মাইল] হেঁটে আসে এবং তাদের নাম ডাকার সময় উপস্থিত থাকার জন্য তারা সভা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত ফিরে যায়। দ্রুত হাঁটলেও দুই ঘন্টারও বেশি সময় লাগে ফিরে যেতে।” একজন ভাই যিনি ঐ কারাগারে সত্য শিখেছেন, সম্প্রতি বলেছিলেন: “আমি শীঘ্র বেরিয়ে যাওয়ায় আগ্রহী ছিলাম, কিন্তু এখন তা হতে পারে যখন যিহোবা ইচ্ছা করবেন, যাইহোক না কেন এই কারাগারের ভিতরে আমার প্রচুর কাজ করার আছে।”
আমরা দেখে আনন্দিত যে যারা যিহোবাকে সন্তুষ্ট করার পথ অনুসন্ধান করে, সেই আন্তরিক ব্যক্তিদের স্বাধীন করতে সত্য তার শক্তি ব্যবহার করছে। যারা কারাগারের মধ্যে সত্য শিখেছে, এদের মধ্যে বারজনেরও বেশি, মুক্তি পেয়েছে, বাপ্তাইজিত হয়েছে, এবং বর্তমানে ঈশ্বরের দাস হিসাবে মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করছে এমনকি কিছুজন মণ্ডলীর প্রাচীনও হয়েছে। লোকেদের হৃদয় সুস্থ এবং সংশোধন করতে বাইবেলের যে শক্তি আছে তা নাটকীয়ভাবে প্রদর্শিত হয়ে চলেছে। এই লোকেরা, যারা তাদের অপকর্ম করার কারণে কারাবন্দী হয়েছিল যখনই তারা ঈশ্বরের বাক্যের আলোর পথে প্রবেশ করে তারা সেই প্রকৃত স্বাধীনতা অভিজ্ঞতা করে, যা যীশু প্রতিজ্ঞা করেন যখন তিনি বলেছিলেন: “তেমারা সেই সত্য জানিবে, এবং সেই সত্য তোমাদিগকে স্বাধীন করিবে।”—যোহন ৮:৩২; গীতসংহিতা ১১৯:১০৫.
[পাদটীকাগুলো]
a ওয়াচটাওয়ার বাইবেল অ্যান্ড ট্র্যাক্ট সোসাইটি দ্বারা প্রাকাশিত।
[২৩ পৃষ্ঠার চিত্র]
অনেকে খ্রীষ্টীয় সত্যগুলি থেকে উপকৃত হয় যা তারা কারাগারে শিখেছিল