ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৫ ১০/১৫ পৃষ্ঠা ৩-৪
  • ভয়—মিত্র না শত্রু?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • ভয়—মিত্র না শত্রু?
  • ১৯৯৫ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • আপনার হৃদয়ে যিহোবার প্রতি ভয় গড়ে তুলুন
    ২০০১ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • যিহোবার ভয়েতে আনন্দ খুঁজে পাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষালাভ করা
    ১৯৯৫ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • যিহোবাকে ভয় করুন ও তাঁর আজ্ঞা সকল পালন করুন
    ২০০১ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • যিহোবাকে ভয় কর ও তাঁর পবিত্র নামের গৌরব কর
    ১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
আরও দেখুন
১৯৯৫ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৫ ১০/১৫ পৃষ্ঠা ৩-৪

ভয়—মিত্র না শত্রু?

“কিভাবে আমি মরতে চাই সে বিষয়ে আমি চিন্তা করি। আমি গুলিবিদ্ধ হতে চাই না, কিন্তু তাই যদি হতে হয়, তাহলে আমি চাই যে সেটি যেন আমার মাথার ঠিক এই স্থানে এসে লাগে, যাতে করে আমি সঙ্গে সঙ্গে মরতে পারি।”

একটি ১৪ বছর বয়সের মেয়ের মুখ থেকে লস্‌ এঞ্জেল্‌স্‌ টাইমস্‌ এর এক সংবাদদাতা এই উক্তিটি শোনেন। সাম্প্রতিক হত্যাকান্ডে—যেখানে যুবকেরা প্রাপ্তবয়স্ক ও অন্যান্য যুবকযুবতীদের উভয়কেই হত্যা করেছে, সেই সম্বন্ধে তিনি ছাত্রদের এক সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন। সেই রিপোর্টটির নামকরণ ছিল: “এক ভয়াবহ জগৎ।”

আপনি নিশ্চয়ই জানেন যে অনেকে এক ভয়াবহ জগতে বাস করছে। কিসের ভয়? কোন একটি নির্দিষ্ট ভয়কে আলাদা করে উল্লেখ করা কঠিন হবে। লক্ষ্য করে দেখুন ঐ সন্নিহিত বাক্সটির মধ্যে আপনি এমন কোন বিষয় খুঁজে পান কি না যার সম্বন্ধে আপনার বন্ধুরা অথবা আপনার এলাকার বহু লোকেরা ভয় পায়। ঐ বাক্সটি নেওয়া হয়েছে ২২শে নভেম্বর, ১৯৯৩ সালের নিউজউইক পত্রিকা থেকে এবং এটি “১০ থেকে ১৭ বছর বয়সের ৭৫৮টি ছেলেমেয়ে ও তাদের অভিভাবকদের” উপর নেওয়া এক সমীক্ষার ফল।

এখন যদি ঐ যুবকযুবতীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়, তারা হয়ত ভয়ের আরেকটি বাড়তি কারণ দেখাবে, যেমন ভূমিকম্প। জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে, লস্‌ এঞ্জেল্‌সে এক ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্প হওয়ার পর, টাইম পত্রিকা জানায়: “দুর্ঘটনা ঘটার পর মানসিক চাপ সংক্রান্ত অস্বাভাবিকতার যে লক্ষণ তার অন্তর্ভুক্ত হল বিগত অভিজ্ঞতাগুলিকে অবচেতন মনে ফিরিয়ে আনা, ভয়ঙ্কর নিশাস্বপ্ন দেখা, অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন এবং নিজের জীবনের উপর নিয়ন্ত্রণের অভাব প্রযুক্ত রাগ।” একজন ব্যবসায়ী যিনি ঐ এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তিনি বলেন: “ক্ষতি হওয়াটা বড় কিছু ব্যাপার নয়। ভীতিই হল আসল বিষয়। আপনি নিচে শুতে যাবেন টঠস্থ হয়ে। আপনি ঘুমোতে পারবেন না। রাতের পর রাত আপনি বসে অপেক্ষা করবেন। এটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।”

এপ্রিল ১১, ১৯৯৫ সালে, টোকিও থেকে আসা একটি রিপোর্ট এর নামকরণ ছিল “ধারাবাহিকভাবে আসা দুর্ঘটনাগুলি জাপানবাসীদের ভীতসন্ত্রস্ত করে তুলেছে।” এটি জানায়: নার্ভ গ্যাসের আক্রমণ . . . বিশেষভাবে জাপানীদের মানসিকতার উপর এক গভীর আঘাত হেনেছে, কারণ এটি ধারাবাহিক ঘটনাগুলির এক অংশ হিসাবে উপস্থিত হয়েছিল যা সমষ্ঠিগতভাবে ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে এক নতুন মৌলিক অনিশ্চয়তার সূচনা করে। . . . লোকেরা রাস্তায় আর নিরাপদ বোধ করে না যে রাস্তাগুলি একসময় দিনে অথবা রাতে সুরক্ষিত স্থান হিসাবে পরিচিত ছিল।” আর কেবলমাত্র বৃদ্ধেরাই যে ভয় পান তা নয়। “অধ্যাপক ইশিকাওয়া [সাজা বিশ্ববিদ্যায়ের] বলেন যে উদ্বিগ্নতা . . . বিশেষকরে ছড়িয়ে পড়েছে অল্পবয়সী লোকেদের মধ্যে, যাদের প্রায়ই ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে কোন নিশ্চিত ধারণা থাকে না।”

প্রমাণ দেখায় যে “অভূতপূর্ব ভীতির ঘটনাগুলি মস্তিষ্কের রাসায়নিক প্রক্রিয়াকে বদলে দিতে পারে যার ফলে বহু দশক পরেও কোন বিশেষ পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে, প্রতিক্রিয়াস্বরূপ নিজেদের মধ্যে যে বৃক্করসের সৃষ্টি হয় তার প্রতি লোকেরা অতীবমাত্রায় স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে।” বিজ্ঞানীরা বোঝবার চেষ্টা করেছেন যে কিভাবে একটি মস্তিষ্ক এক ভয়াবহ পরিস্থিতির ব্যাখ্যা করে—আমরা কিভাবে খুঁটিনাটি বিষয়ের মূল্যায়ন করি এবং ভয়ের সাথে সাড়া দিই। অধ্যাপক যোষেফ লেডু লিখেছিলেন: “স্নায়ু সম্বন্ধীয় পথগুলি যার মাধ্যমে কোন এক পরিস্থিতি একটি প্রাণীকে ভয় করতে শেখায়, তা আবিষ্কার করার দ্বারা আমরা আশা করি যে স্মরণশক্তির এই বিশেষ সাধারণ প্রণালী সম্বন্ধে স্পষ্ট ধারণা দিতে পারব।”

কিন্তু, আমাদের মধ্যে অধিকাংশই ভীতির এই রাসায়নিক অথবা স্নায়ুসংক্রান্ত কারণের প্রতি আগ্রহী নই। বাস্তবিকভাবে আমরা হয়ত এই প্রশ্নগুলির যে উত্তর তার প্রতি বেশি আগ্রহী হব যেমন, কেন আমরা ভয় পাই? আমাদের কিধরনের প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত? এমন কোন ভয় আছে যা উত্তম?

আপনি হয়ত স্বীকার করবেন যে অনেক সময় ভয় আপনাকে সাহায্য করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, কল্পনা করুন আপনি আপনার বাড়ির দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন আর লক্ষ্য করলেন যে চারিদিক অন্ধকার। দরজা খোলা, যদিও আপনি বের হওয়ার আগে তা ভাল করে বন্ধ করেছিলেন। জানালা থেকে আপনি চলমান কয়েকটি ছায়া দেখতে পেলেন। আপনি সঙ্গে সঙ্গে সচেতন হয়ে উঠলেন এই ভেবে যে নিশ্চয়ই ভিতরে কিছু ঘটছে। হতে পারে কোন চোর অথবা ছুরি হাতে কোন ব্যক্তি ভিতরে অনধিকার প্রবেশ করেছে।

এইধরনের বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে মূর্খের মত এগিয়ে যাওয়ার থেকে আপনার সহজাত ভীতিই হয়ত আপনাকে রক্ষা করতে পারে। সম্ভাব্য ক্ষতির মুখোমুখি হওয়ার আগে, এই ভয়ই হয়ত আপনাকে সাহায্য করতে পারে পূর্বাহ্ণিক সতর্কতা অবলম্বন করতে অথবা কারও সাহায্য নিতে। এইধরনের অনেক উদাহরণ রয়েছে: যেমন উচ্চ বৈদ্যুতিক পরিমাণ সম্বন্ধীয় চিহ্ন; আপনার এলাকায় আসন্ন ঝড় আসার বিষয় রেডিও মারফৎ ঘোষণা; জনাকীর্ণ রাস্তার মধ্যে দিয়ে গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় আপনার গাড়ি থেকে আসা এক কর্কশ যান্ত্রিক আওয়াজ।

এক এক ক্ষেত্রে এই ভয়ের অনুভূতি অবশ্যই এক বন্ধুর আকার ধারণ করতে পারে। এটি আমাদের নিজেদের রক্ষা করতে অথবা বিজ্ঞতার সাথে কাজ করতে সাহায্য করতে পারে। যদিও আপনি খুব ভাল মতো জানেন যে সর্বদা অথবা অতিরিক্ত ভয় কখনই বন্ধু হতে পারে না। এটি এক শত্রু হয়ে ওঠে। এর ফলে নিঃশ্বাসের কষ্ট, হৃদকম্পন, অচৈতন্যতা, উদ্বিগ্নতা, বমনেচ্ছা এবং একজনকে তার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির প্রতি উদাসীন করে তুলতে পারে।

আপনি হয়ত এটা জেনে আগ্রহী হবেন যে বাইবেল নির্দিষ্ট ভাবে জানায় যে আমাদের এই সময়, পৃথিবীতে ঘটা কিছু ভয়াবহ ঘটনার এবং এক গভীর ভীতির দ্বারা চিহ্নিত হবে। কেন তা হবে আর এর দ্বারা আপনার জীবন ও চিন্তাধারা কিভাবে প্রভাবিত হওয়া উচিত? এছাড়াও কেন এটা বলা যায় যে বাইবেলের দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে, এমন এক দৈনন্দিন ভীতির অস্তিত্ব আছে যা বিশেষকরে সাহায্যকারী ও উত্তম? আসুন তা দেখা যাক।

[৩ পৃষ্ঠার বাক্স]

যখন জিজ্ঞাসা করা হয় যে কোন্‌ বিষয়টি তাদের ও তাদের পরিবারকে উদ্বিগ্ন করে তোলে, তখন প্রাপ্তবয়স্কেরা ও ছোট ছেলেমেয়েরা জানায় যে তারা এই বিষয় ভয় পায়:

ছেলেমেয়েরা বাবামায়েরা

৫৬% পরিবারের সদস্যদের উপর দৌরাত্ম্যমূলক অপরাধ ৭৩%

৫৩% একজন প্রাপ্তবয়স্কের চাকুরি হারানো ৬০%

৪৩% খাদ্য যোগাড় করতে অসমর্থ ৪৭%

৫১% ডাক্তার ডাকার সামর্থের অভাব ৬১%

৪৭% আশ্রয় যোগাড় করতে অসমর্থ ৫০%

৩৮% পরিবারের সদস্যদের মধ্যে নেশাকর ওষুধ সম্বন্ধীয় সমস্যা ৫৭%

৩৮% তাদের পরিবার একসাথে থাকে না ৩৩%

উৎস: নিউজউইক, নভেম্বর ২২, ১৯৯৩

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার