ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৫ ৮/১৫ পৃষ্ঠা ৩-৪
  • এক বিপজ্জনক পরিবেশের মধ্যে কিভাবে আপনি বেঁচে থাকতে পারেন?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • এক বিপজ্জনক পরিবেশের মধ্যে কিভাবে আপনি বেঁচে থাকতে পারেন?
  • ১৯৯৫ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখা
  • পুলিশ বাহিনী তাদের ভবিষ্যৎ কী?
    ২০০২ সচেতন থাক!
  • এক বিশৃঙ্খল জগতে অপরাধের মোকাবিলা করা
    ১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
১৯৯৫ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৫ ৮/১৫ পৃষ্ঠা ৩-৪

এক বিপজ্জনক পরিবেশের মধ্যে কিভাবে আপনি বেঁচে থাকতে পারেন?

“আমি সবসময় ভয়গ্রস্ত ছিলাম। আমি লিফ্‌টে ভয় পেতাম। আমার গাড়িতে আমি ভয় পেতাম। আমি আমার অ্যাপার্টমেন্টে ভয় পেতাম। সর্বত্র অপরাধ ছড়িয়ে ছিল। লোকেদের জিনিস সর্বদা অপহরণ করা হত,” মারিয়া বলেন। আপনি কি এই ব্রাজিলীয় মহিলাটির মত অনুভব করেন, আপনার পরিবেশ সম্বন্ধে ভয় পান, বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে?

গোয়েন্দা কাহিনী পড়া হয়ত রোমাঞ্চকর হতে পারে, কিন্তু বাস্তব জীবনে প্রায়ই এর আনন্দদায়ক পরিণতি হয় না। একটি অপরাধের সমাধান হয়ত নাও হতে পারে। অথবা হত্যাকান্ডের ঘটনাগুলির পরিপ্রেক্ষিতে কাউকে স্বামী, পিতা অথবা পুত্র, স্ত্রী, মাতা অথবা কন্যা ছাড়া জীবনযাপন করতে হয়। আপনার এলাকাতে কি দৌরাত্ম্যমূলক অপরাধ বেড়েই চলেছে? আপনি কি এমন এক শান্তিময় পরিবেশে থাকার আকাঙ্ক্ষা করেন যেখানে আপনার পরিবার নিরাপদে থাকতে পারবে? অথবা, যদি অপরাধ-সঙ্কুল এলাকাতে আপনার ছেলেমেয়েকে বড় করতে আপনাকে বাধ্য করা হয়, তাহলে আপনি বাঁচার জন্য কী করতে পারেন?

এটি সত্য যে, এমন সব শহরও রয়েছে যেখানে খুব অল্পসংখ্যক অপরাধের ঘটনা শুনতে পাওয়া যায়। অনেক দেশেতে, লোকেরা এখনও গ্রাম্য শান্তিতে অথবা শান্তিপূর্ণ গ্রামগুলিতে বাস করে। কিন্তু পূর্বে যে সব এলাকাগুলিকে অপরাধ-মুক্ত বলে মনে করা হত সেখানে দ্রুতগতিতে পরিস্থিতির পরিবর্তন হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, ৫০ বছর আগে ব্রাজিলে, জনসংখ্যার শতকরা ৭০ ভাগ গ্রামে বাস করত। এখন ৭০ শতাংশ শহরগুলিতে বাস করে। কাজের সুযোগসুবিধাগুলি আসার সাথে সাথে শহুরে সমস্যাগুলি, যেমন অপরাধ এবং দৌরাত্ম্যও এসেছে। আপনি বিপজ্জনক পরিবেশে থাকুন বা নাই থাকুন, আপনাকে তবুও কাজে বা স্কুলে যেতেই হবে এবং বাড়ির বাইরেও অনেক কাজ আপনাকে করতে হবে।

প্রচলিত “প্যানিক সিনড্রোম”-কে স্বীকার করে, রিও ডি জেনিরো পুলিশের মুখ্য সচিব জানান যে সামাজিক অন্যায় এবং সংগঠিত অপরাধ হল এর বৃদ্ধির কারণ। তিনি এও মনে করেন যে সংবাদপত্র এবং টেলিভিশন ব্যাপক প্রসারিত ভয়ের সূচনা করে, “জনগণের মনোভাবকে মর্মান্তিক খবর দ্বারা প্রভাবিত করে।” ড্রাগের প্রতি আসক্তি, পরিবারের ভাঙন এবং ত্রুটিপূর্ণ ধর্মীয় শিক্ষাও বৃদ্ধিরত অরাজকতাকে আরও বাড়তে সাহায্য করে। আর ভবিষ্যতের জন্য কী রয়েছে? দৌরাত্ম্যমূলক দৃশ্যগুলির ধারাবাহিক সরবরাহ যা বইয়ে এবং সিনেমার পর্দায় আমোদপ্রমোদ হিসাবে তুলে ধরা হয়, এর ফলে লোকেরা কি অন্যদের প্রতি কম অনুভূতিশীল হয়ে পড়বে? যে সব এলাকাগুলিকে অপরাধ-মুক্ত বলে গণ্য করা হয় সেগুলিও কি বিপজ্জনক হয়ে উঠবে?

যেহেতু আক্রান্ত ব্যক্তির কাছে অপরাধ একেবারেই কৌতুকের বিষয় নয়, তাই আমাদের সুরক্ষিত থাকার এক প্রবল ইচ্ছা রয়েছে। সুতরাং অবাক হওয়ার বিষয় নয় যে চিন্তিত নাগরিকেরা রাস্তায় আরও বেশি পুলিশ অফিসার এবং আরও কঠোর জেলের মেয়াদ এমনকি মৃত্যুদন্ড পর্যন্ত দাবি করে! ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও, কেউ কেউ আত্ম-রক্ষার জন্য বন্দুক কাছে রাখে। অন্যেরা চান যে কর্তৃপক্ষেরা যেন বন্দুক বেচাকে নিয়ন্ত্রণে রাখেন। কিন্তু অপরাধ যে ছেয়ে যাচ্ছে এই দুঃসংবাদ থাকা সত্ত্বেও হতাশ হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। প্রকৃতপক্ষে, জোহান্সবার্গ, মেক্সিকো সিটি, নিউ ইয়র্ক, রিও ডি জেনিরো এবং সাও পাওলোর মত বড় শহরের বহু বাসিন্দাদের জিনিস কখনও চুরি হয়নি। আসুন আমরা পরীক্ষা করে দেখি যে বিপজ্জনক পরিবেশের মধ্যে লোকেরা কিভাবে অপরাধের সাথে মোকাবিলা করছে।

ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখা

অপরাধ-সঙ্কুল এলাকা সম্বন্ধে বলতে গিয়ে একজন লেখক “কঠোর পরিস্থিতি থাকা সত্ত্বেও, হাজার হাজার ব্রাজিলবাসীদের দক্ষতা এবং অধ্যবসায় তাদের সাহায্য করেছে কিছুটা পরিমাণে মর্যাদা ও শোভনতা নিয়ে বেঁচে থাকতে” তার উপর মন্তব্য করেন। রিও ডি জেনিরোতে ৩৮ বছর থাকার পর জরজে বলেন: “আমি বিশেষ রাস্তা ও এলাকাগুলি এড়িয়ে চলি এবং কোন কৌতুহল দেখাই না। বেশি রাত পর্যন্ত রাস্তায় থাকাও আমি এড়িয়ে চলি এবং অতিরিক্ত ভীতি প্রদর্শন করি না। যদিও আমি সতর্ক থাকি, আমি লোকেদের এমনভাবে দেখি যেন তারা সৎ, তাদের সাথে মর্যাদাপূর্ণ ও সম্মানের সাথে ব্যবহার করি।”

হ্যাঁ, অহেতুক ঝঞ্ঝাট এড়িয়ে চলুন। অন্য লোকের সমস্যাগুলির সাথে নিজেকে জড়িয়ে ফেলবেন না। অতিরিক্ত ভয় যে আপনার স্নায়ুর উপর প্রভাব ফেলতে পারে তা কখনও কমজোর হিসাবে ভাববেন না, যা হয়ত ভদ্র লোকেদেরও অযৌক্তিকভাবে কাজ করতে প্ররোচিত করতে পারে। বিপজ্জনক এলাকাগুলিতে তার কাজ সম্বন্ধে ওডার মন্তব্য করেন: “আমি ইতিবাচক চিন্তা করার চেষ্টা করি, মন্দ বিষয়গুলির ভয়ে আমার মনকে ভরিয়ে তুলি না যা হয়ত অপ্রয়োজনীয় চাপ ও উদ্বেগের সৃষ্টি করতে পারে। আমি সকলের প্রতি সম্মান দেখানোর চেষ্টা করি।” সতর্কতা অবলম্বন ও সন্দেহজনক লোকেদের কাছ থেকে দূরে থাকা ছাড়াও তিনি যোগ দেন, যে একজনের অনুভূতিকে নিয়ন্ত্রিত করতে আরেকটি সহায়ক বিষয় হল: “সর্বোপরি, যিহোবার ঈশ্বরের উপর আমি আস্থা গড়ে তুলি, এই মনে রেখে যে তাঁর দৃষ্টির অগোচরে কিছুই নেই এবং যা কিছু হয় তা তাঁর অনুমতি ব্যতিরেকে হয় না।”

তবুও, কেউ অনবরত ভয়ের মধ্যে বাস করতে চায় না। এছাড়াও, কে এই বিষয়টিকে অস্বীকার করতে পারে যে অতিরিক্ত ভয় ও চাপ মানসিক এবং দৈহিক স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর? তাই, যারা, যে কোন সময়ে তাদের উপর আক্রমণ হতে পারে বলে ভয় করে তাদের জন্য কী আশা রয়েছে? যেহেতু অনেকে ভীত যে অপরাধের আরও চরম পরিস্থিতি সম্মুখে রয়েছে, তাই এর পরিপ্রেক্ষিতে আমরা কি কখনও অপরাধের শেষ দেখব? আমরা আপনাকে পরবর্তী প্রবন্ধ “ভয় কখন শেষ হবে?” তা পড়তে আমন্ত্রণ জানাই।

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার