ডমিনিকান গণতন্ত্র—এখনও আবিষ্কারের অপেক্ষায়
এক যুবক ব্যক্তি হিসাবে, ক্রিস্টোফার কলোম্বাস সমুদ্র ভ্রমণে যান, যা অবশেষে তাকে দ্বীপগুলি আবিষ্কার করতে পরিচালিত করে যা বর্তমানে ওয়েস্ট ইণ্ডিজ নামে পরিচিত। ১৪৯২ সালের ডিসেম্বর মাসে, তার প্রধান জাহাজ, সান্টা মারিয়া এস্পানোলা নামক দ্বীপের পূর্ব তীরে নোঙ্গর বাঁধে যা বর্তমানে হিসপানোলিয়ার দ্বীপ বলে পরিচিত, যা হাইতি ও ডমিনিকান গণতন্ত্রের অংশ। সেখানে কলোম্বাস প্রথম ইউরোপীয় উপনিবেশ গড়ে তোলেন, শীঘ্র দূর্গ নির্মাণ করে তার নাম দেন লা নাভিড্যাড। এই দ্বীপটি তার আরও আবিষ্কারের কেন্দ্র হয়ে ওঠে।
কলোম্বাস দেখেন যে দ্বীপটিতে আকর্ষণীয় সুপুরুষ, বিশ্বাসযোগ্য এবং অতিথিপরায়ণ টাইনো ইণ্ডিয়ানেরা লোক বাস করেন। অনুমান করা হয় যে সেই সময়ে তারা ১,০০,০০০ জন ছিল। কিন্তু, আক্রমণকারীদের নিষ্ঠুর ব্যবহারের জন্য, যাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্বর্ণ অন্বেষণ করা, স্থানীয় অধিবাসীরা দ্রুত হ্রাস পেতে থাকে। রিপোর্ট করা হয় যে ১৫৭০ সালের মধ্যে মাত্র ৫০০ জন টাইনো ইণ্ডিয়ানেরা বেঁচে ছিল।
বর্তমানে, ডমিনিকান গণতন্ত্র বিভিন্ন জাতি ও বর্ণের লোকের দ্বারা পরিপূর্ণ, যাদের পূর্বসূরীগণ এখানে এসে বসতি স্থাপন করেন। তবুও, তাদের দেখে মনে হয় যে তাদের মধ্যে টাইনোদের মত উত্তম গুণগুলি আছে, তারা সাধারণত বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহজসাধ্য লোক। এই দুটির সাথে তাদের ঈশ্বরের প্রতি আন্তরিক বিশ্বাস ও বাইবেলের প্রতি সম্মানের জন্য এই দেশে যিহোবার সাক্ষীদের প্রচার ও শিক্ষার কাজ অত্যার্শ্চজনকভাবে সফলকামী হয়েছে।
ভিন্ন প্রকারের আবিষ্কার
প্রথম ওয়াচ টাওয়ার মিশনারী, লিনার্ট ও ভার্জিনিয়া জনসন্ একনায়ক ট্রুজিলোর সময়ে ডমিনিকান গণতন্ত্রে এসে পৌঁছান। তারা আনন্দের সাথে আবিষ্কার করেন যে অনেকে তাদের বাইবেলের বার্তার প্রতি দ্রুত ও ইতিবাচকরূপে সাড়া দিচ্ছে। যাইহোক, তা আধিকারিক এবং তাদের ধর্মীয় পরামর্শদাতাদের অপ্রসন্ন করে। শীঘ্রই তাড়নার ঢেউ ওঠে, প্রাথমিক ডমিনিকান সাক্ষীদের বিশ্বাসকে তীব্রভাবে পরীক্ষা করা হয়। এখনও, মৃত্যু পর্যন্ত—তাদের সততা ও বিশ্বস্ততার কথা—প্রায়ই আলোচনা করা হয়।
বর্তমানে সেই দেশে প্রায় ১৬,০০০ জন যিহোবার সাক্ষীবৃন্দ সুপরিচিত। কিছু দিন আগে, দেশব্যাপী পাঁচটি টেলিভিশন নেটওয়ার্কে যিহোভাস্ উইটনেসেস্—দ্যা অরগানাইজেশন বিহাইণ্ড দ্যা নেম ভিডিওটি দেখানো হয়।a
এটি সাক্ষীদের কাজ সম্বন্ধে শুধুমাত্র বড় বড় শহরগুলিতেই যে ঘোষণা করে তা নয় কিন্তু ছোট ছোট নগর ও গ্রামেও করে। লোকেদের কাছে পৌঁছাবার জন্য এবং এই সুদূর অঞ্চলে রাজ্যের সুসমাচার বয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুনর্সাক্ষাৎ হিসাবে তারা এক বিশেষ প্রচার অভিযান সংগঠিত করে।
লোকেদের কাছে পৌঁছাবার জন্য আশীর্বাদগুলি
বহু অল্পবয়সী, কর্মশক্তিপূর্ণ এবং উদ্যমী স্বেচ্ছাসেবক সাক্ষীরা এই সুদূর অঞ্চলগুলিতে দুই মাস ধরে প্রচার করার জন্য এগিয়ে আসে। তাদের প্রচেষ্টা উত্তমরূপে পুরস্কৃত হয়। একটি এলাকায় দুই জন সাক্ষী অসাধারণ আগ্রহ দেখে। যেহেতু সেই সময়টি ছিল বাৎসরিক যীশুর মৃত্যু স্মরণার্থকের সময় তাই তারা ব্যবস্থা করে এবং লোকেদের আসতে আমন্ত্রণ জানায়। হলটি লোকেদের দ্বারা পরিপূর্ণ হয়ে যায় এবং তারা সভা পরিচালনা করে। সেটি শেষ হওয়ার পর, তারা দেখে আশ্চর্য হয়ে যায় যে হলের বাইরে আরও এক দল লোক অপেক্ষা করছে হলের ভিতরে আসার জন্য। তাই তারা তাদের ভিতরে আসতে আমন্ত্রণ জানায় এবং কার্যক্রমের পুনরাবৃত্তি করে। সেই এলাকায় এখন একটি মণ্ডলী আছে।
লোকেদের উদার ও বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, তাদের অনেক সময় পরিবারের সদস্য ও অন্যান্যদের কাছে তারা যা বাইবেলের সত্য শিখছে তা জানাতে পরিচালিত করে। এক বাইবেল ছাত্র আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে পড়ে যখন সে অবশেষে ঘরে-ঘরে পরিচর্যায় অংশ গ্রহণ করার জন্য যোগ্য হয়। সে তার পাড়ায় ইতিমধ্যেই পাঁচটি বাইবেল অধ্যয়ন পরিচালনা করছিল কিন্তু পরিচর্যায় বৃহত্তর অংশ নিতে আরও খুশি হয়।
অনেক এলাকা রয়েছে যেখানে নিয়মিত রাজ্য ঘোষকেরা যেতে পারেন না, সেইক্ষেত্রে লোকেদের বাসে অথবা শহরে যারা ব্যবসা করতে বা কেনা-কাটা করতে আসে তাদের কাছে প্রচার করতে প্রচেষ্টা করা হয়। এর ফলে আনন্দপূর্ণ প্রতিফল পাওয়া গেছে, যা শাখা অফিসে পাওয়া এক পত্র সম্পর্কিত একটি অভিজ্ঞতা দ্বারা বিবৃত হয়। তাতে গ্রামাঞ্চলের দুটি পুরুষ বাইবেল অধ্যয়ন করতে চায় বলে অনুরোধ জানায়। যখন সাক্ষীরা তাদের সাথে দেখা করতে যান, তারা গিয়ে দেখেন যে “লোকগুলো” হল ১০ এবং ১১ বছরের। কিন্তু তারা কিভাবে বাইবেল অধ্যয়নের ব্যবস্থা সম্বন্ধে জানল? সেই গ্রাম থেকে একজন ব্যক্তি কিছু ব্যবসার জন্য রাজধানীতে আসে। তার রাস্তায় এক সাক্ষীর সাথে দেখা হয়, যিনি তাকে একটি ট্র্যাক্ট দেন ও বিনামূল্যে বাইবেল অধ্যয়ন করার জন্য আমন্ত্রণ জানান। গ্রামে ফিরে এসে সে ১২ বছরের পাড়ার মেয়েকে ট্র্যাক্টটি দেয় এবং বাইবেল অধ্যয়নের ব্যবস্থাপনা সম্বন্ধে বলে। সেই মেয়েটি আবার সেই বিষয়টি দুটি ছেলেকে বলে যারা তৎক্ষণাৎ চিঠিটি লেখে। ছেলে দুটি, মেয়েটি, লোকটি ও তার দুটি ছেলেমেয়ের সাথে বাইবেল অধ্যয়ন শুরু হয়।
অল্পবয়সীরা উত্তমরূপে সাড়া দেয়
অবশ্যই, অল্পবয়সীরা, যারা সত্যে বড় হয়েছে ও অন্যেরা উভয়েই, ঈশ্বরের প্রতি তাদের উপাসনাকে গম্ভীররূপে গ্রহণ করেছে। উদাহরণস্বরূপ, টামার ও তার ছোট বোন কেলা দুজনেই ১০ বছর বয়সে বাপ্তাইজিত হয় এবং ১১ বছর বয়সে পূর্ণ-সময়ের অগ্রগামীর পরিচর্যায় পদার্পণ করে। ওয়েন্ডি কারোলিনা যখন ১২ বছরের ছিল তখন সে তার উৎসর্গীকরণ জলে বাপ্তিস্ম গ্রহণ করার মাধ্যমে চিহ্নিত করে, আর দুই বছর পরে, ১৯৮৫ সালে, সে নিয়মিত অগ্রগামীর কাজ করতে আরম্ভ করে। আজ সে একজন কার্যকারী শিক্ষক, পূর্ণ সময়ের পরিচর্যা উপভোগ করে চলেছে। কিশোর হোভানি ১০ বছর বয়সে বাপ্তিস্মিত হয় এবং ১১ বছর বয়সে নিয়মিত অগ্রগামী হয়ে, এখন চারটি গৃহ বাইবেল অধ্যয়ন পরিচালনা করছে। যখন দশ-বছর-বয়সী রে দেখে যে পুরনো বইয়ের দোকানে যিহোবার সাক্ষীদের দ্বারা প্রকাশিত একটি পুস্তিকা আছে, রে তা কেনার জন্য তার মাকে অনুরোধ করে। সে প্রথম থেকে শেষ পাতা পর্যন্ত সেটি পড়ে। তার আরও বাইবেল সাহিত্যের অন্বেষণ তাকে অবশেষে শাখা অফিসের সাথে যোগাযোগ করতে পরিচালিত করে। বর্তমানে সে পূর্ণ-সময়ের সেবা উপভোগ করছে এবং তার মাও ঈশ্বরকে সেবা করছেন।
এই অল্পবয়স্কদের ও অন্যান্যদের আধ্যাত্মিক বিষয়গুলির মূল্য উপলব্ধি করতে কী সাহায্য করেছে? অনেক ক্ষেত্রে পিতামাতার উত্তম পরিচালনা এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। হোস্ওয়ের ক্ষেত্রে ঠিক তাই হয়, যার খ্রীষ্টীয় পিতামাতারা হলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা। যখন ভ্রমণকারী অধ্যক্ষ পরামর্শ দেন যে পিতামাতাদের চেষ্টা করা উচিত যেন তাদের ছেলেমেয়েদের মধ্যে একজনকে অন্তত পূর্ণ-সময়ের পরিচর্যা গ্রহণ করতে সাহায্য করা, তখন তারা হোস্ওয়ের প্রতি মনোযোগ দেন। উল্লেখযোগ্য ছাত্র হওয়ার জন্য, হোস্ওয়েকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য সরকারি বৃত্তি প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে দেড় বছর ব্যয় করার পর সে ডমিনিকান গণতন্ত্রে যিহোবার সাক্ষীদের প্রধান কার্যালয়ের নির্মাণকার্যে যোগদান করার আমন্ত্রণ গ্রহণ করে। যিহোবার সেবা তাদের ছেলেকে দেওয়ার জন্য তার পিতামাতা গভীর তৃপ্তি প্রকাশ করেন।
অন্য দেশ থেকে “আবিষ্কারকেরা”
“শস্য প্রচুর বটে, কিন্তু কার্য্যকারী লোক অল্প,” যীশুর কথাগুলি এখানকার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যেতে পারে। (মথি ৯:৩৭) প্রচুর প্রয়োজন ও উত্তম সাড়া প্রদান অন্যান্য দেশের সাক্ষীদের আধুনিক দিনের ধন আবিষ্কার করার জন্য পরিচালিত করেছে—আন্তরিক সত্য সন্ধানীদের।
প্রতিবেশী দ্বীপ পুয়েরতো রিকো থেকে সাক্ষী পরিবারেরা আসেন যারা ডমিনিকান গণতন্ত্রের বিভিন্ন অঞ্চলে সেবা করে তৃপ্তি পেয়েছেন। এক পরিবারের মস্তক বলেন: “যারা সাড়া দান করে তাদের কাছে আপনার বিশ্বাস ও আশা প্রকাশ করতে সমর্থ হওয়া সত্যকে প্রকৃতই সজীব করে তোলে!” এখানকার প্রয়োজনীয়তা সম্বন্ধে জানতে পেরে সুইডেনের সিসিলিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিয়া, আরও কয়েকজন পূর্ণ-সময়ের প্রচারকদের সাথে কাজ করতে এখানে আসে। তারা সুদূর অঞ্চলে কাজ করছে যেখানে তারা উন্নত প্রকৃতির মনোভাব ও মৃদু পরিবেশ খুঁজে পায়। অনুরূপে, পাইন আবরিত উঁচু পাহাড় অঞ্চলে, দুই কানাডাবাসী পরিবার ডমিনিকান পরিবারের সাথে যোগ দেয় যারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরে এসেছে। তারা এক ছোট মণ্ডলীর অংশ, এমন সব লোকেদের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম যাদের বিগত দশ বছরে যিহোবার সাক্ষীরা দর্শন করেননি।
আল্ফ্রেডো ও লুরডিস্ এবং তাদের পাঁচটি ছেলেমেয়ে নিউ ইয়র্ক শহর থেকে ফিরে আসে এবং ভ্রমণকারীদের জন্য সমুদ্রতীরবর্তী এক সুন্দর নগরের একটি মণ্ডলীর সাথে মেলামেশা করছে। সহৃদয়যুক্ত ব্যক্তিদের খুঁজে পেতে এবং মণ্ডলীকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পেরে তারা আনন্দিত। অস্ট্রিয়ার কম্পিউটার অপারেটর রোলাণ্ড ও তার স্ত্রী ইয়াটা, এই দেশের উষ্ণ, শুষ্ক দক্ষিণাংশে বসতি স্থাপন করেন। তাদের আসার পর একটি নতুন মণ্ডলী গঠিত হতে দেখে তারা আনন্দিত হয়। পার্শ্ববর্তী এক শহরে, ক্যালিফোর্নিয়া থেকে তিনজন ভগ্নীর দল ও এক দম্পতি, জানায় যে তাদের কাছে বাইবেল অধ্যয়ন করার জন্য এত অনুরোধ আসে যে তারা প্রত্যেকটি অধ্যয়ন পরিচালনা করতে পারে না। তাই তারা আগ্রহী ব্যক্তিদের স্থানীয় কিংডম হলের সভায় উপস্থিত হতে এবং বাইবেল অধ্যয়ন করার জন্য ওয়েটিং লিস্টে তাদের নাম লিখাতে উৎসাহ দেয়। ইয়াটার ছোট ভাই স্টিফান উত্তরপূর্বের সামানা নামক এক অপূর্ব নগরে একটি ছোট্ট মণ্ডলীতে সেবা করে যাচ্ছে। মাত্র দুই বছরে সেখানে রাজ্য প্রকাশকদের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়।
এরা ও অন্যান্যেরা যারা সাহায্য করতে আসে তাদের প্রেম ও উৎসাহ প্রকৃতই প্রশংসনীয়। নতুন দেশে ভিন্ন সংস্কৃতি ও আচার ব্যবহারের সাথে মানিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জই তারা গ্রহণ করেনি, অনেকক্ষেত্রে তারা মেষতুল্য ব্যক্তিদের আধ্যাত্মিক প্রয়োজনীয়তার যত্ন নিতে নতুন ভাষা শেখার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে। তাদের প্রচেষ্টার জন্য স্থানীয় লোকেদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে।
কিছু ডমিনিকান পরিবার বৃহৎ শহরের আরাম ত্যাগ করে গ্রামাঞ্চলে এসেছে। আন্তরিক সত্যানুসন্ধানীদের প্রকৃত ধনরূপে আবিষ্কার করার আনন্দ পেয়ে সকলে প্রচুর পরিমাণে আশীর্বাদ পেয়েছে।
পঞ্চদশ শতাব্দীর ধন অনুসন্ধানীরা টাইনোদের প্রতি আশীর্বাদ নয় কিন্তু দাসত্ব ও কষ্ট আনে। এমনকি কলোম্বাস নিজেও পাশ্চাত্য জগতের ধন থেকে উপকৃত হননি। তাকে অবশেষে গ্রেপ্তার করে তার আবিষ্কৃত দ্বীপ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং স্পেনে আসামী হিসাবে নিয়ে যায়।
বর্তমানে, এক ভিন্ন প্রকৃতির আবিষ্কারার্থে অভিযান চলছে এবং আরও বেশি মূল্যবান ধন পাওয়া যাচ্ছে। সহৃদয় ব্যক্তি যারা রাজ্য সুসমাচারে সাড়া দান করে তাদের অন্বেষণ করতে যিহোবার লোকেরা ব্যস্ত আছে। যারা প্রতিফলে ক্রমবর্ধক জনতা এক স্বাধীনতা উপভোগ করছে যা একমাত্র ঈশ্বরের বাক্য প্রদান করতে পারে। (যোহন ৮:৩২) তারা সেই সময়ের অপেক্ষায় আছে যখন এই পর্বতে সমৃদ্ধ দেশ, অপূর্ব জলপ্রপাত, সুন্দর সমুদ্রতট এবং মুগ্ধকর গুহাগুলি শুধুমাত্র পরমদেশ দ্বীপ হবে না কিন্তু নতুন জগতের অংশ হবে যা সমস্ত পৃথিবীকে পরিবেষ্টন করবে।—২ পিতর ৩:১৩.
[পাদটীকাগুলো]
a ওয়াচ টাওয়ার বাইবেল অ্যান্ড ট্র্যাক্ট সোসাইটি দ্বারা প্রস্তুত করা হয়েছিল।
[২৪ পৃষ্ঠার মানচিত্র]
(পুরোপুরি ফরম্যাট করা টেক্সটের জন্য এই প্রকাশনা দেখুন)
ডমিনিকান গণতন্ত্র
[২৪, ২৫ পৃষ্ঠার চিত্র]
অল্পবয়স্কেরা পূর্ণ-সময়ের সেবা করে আধ্যাত্মিক বিষয়ের মূল্য আবিষ্কার করে