ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৪ ৮/১ পৃষ্ঠা ৮-১৩
  • যিহোবা যুক্তিবাদী!

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • যিহোবা যুক্তিবাদী!
  • ১৯৯৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • যিহোবা​—⁠সমস্ত মহাবিশ্বে যিনি সবচেয়ে বেশি মানিয়ে নেন
  • যুক্তিবাদ ঐশ্বরিক প্রজ্ঞার চিহ্ন
  • “ক্ষমাবান্‌”
  • নতুন পরিস্থিতিতে পথ পরিবর্তন করা
  • কর্তৃত্ব জারি করার ক্ষেত্রে যুক্তিবাদিতা
  • “চিত্তে বিজ্ঞ”—অথচ নম্র
    যিহোবার নিকটবর্তী হোন
  • যুক্তিবাদিতা গড়ে তুলুন
    ১৯৯৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • যিহোবার মতো যুক্তিবাদী হোন!
    প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০২৩
  • যিহোবার উদারতা এবং যুক্তিবাদিতাকে উপলব্ধি করুন
    ২০১৩ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
আরও দেখুন
১৯৯৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৪ ৮/১ পৃষ্ঠা ৮-১৩

যিহোবা যুক্তিবাদী!

“যে জ্ঞান উপর থেকে আসে, তা . . . যুক্তিবাদী.”​—⁠যাকোব ৩:​১৭, NW.

১. কেউ কেউ কিভাবে ঈশ্বরকে অযৌক্তিক দেখিয়েছে আর ঈশ্বরের প্রতি এই দৃষ্টিভঙ্গি সম্বন্ধে আপনি কি মনে করেন?

আপনি কি ধরনের ঈশ্বরের উপাসনা করেন? আপনি কি মনে করেন যে তিনি খুব কঠোর, অতি নির্মম, দৃঢ় এবং হৃদয়হীন ঈশ্বর? প্রোটেস্টান্ট ধর্ম-সংস্কারক জন্‌ ক্যালভিনের হয়ত ঈশ্বরকে তাই মনে হয়েছিল। ক্যালভিন দাবি করেছিল যে প্রত্যেকটি ব্যক্তির জন্য, ঈশ্বরের একটি “চিরকালীন এবং অপরিবর্তনশীল পরিকল্পনা আছে,” তিনি আগে থেকে ঠিক করে দেন লোকে অনন্তকাল আনন্দের সাথে বেঁচে থাকবে না চিরকাল নরকে কষ্ট পাবে। চিন্তা করুন: এই কথা যদি সত্যি হয়, তাহলে আপনি যাই করুন না কেন, যত চেষ্টাই করুন না কেন, আপনি এবং আপনার ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে ঈশ্বরের নির্ধারিত পরিকল্পনা আপনি পরিবর্তন করতে পারবেন না। এই ধরনের একজন অযৌক্তিক ঈশ্বরের প্রতি কি আপনি আকর্ষিত হবেন?​—⁠তুলনা করুন যাকোব ৪:⁠৮.

২, ৩. (ক) মানব সমিতি এবং সংগঠনগুলির অযৌক্তিকতা কিভাবে চিত্রিত করা যেতে পারে? (খ) যিহোবার স্বর্গীয় রথ সম্বন্ধে যিহিষ্কেলের দর্শন কিভাবে তাঁর মানিয়ে নেওয়ার মনোভাবকে প্রকাশ করে?

২ বাইবেলের ঈশ্বর যে খুবই যুক্তিবাদী, তা জেনে আমরা কতই না সান্ত্বনা পাই! ঈশ্বর নন, কিন্তু মানুষেই, নিজস্ব অসিদ্ধতার কবলে পড়ে, কঠোর এবং অপরিবর্তনশীল মনোভাব রাখে। মানব সমাজগুলি মালগাড়ির মত একরোখা হতে পারে। যখন কোন বিশাল মালগাড়ি সামনে কোন বাধার দিকে এগিয়ে যায়, তখন পথ পরিবর্তন করা তো অসম্ভব, থেমে যাওয়াও কিছু কম সহজ নয়। কিছু ট্রেনের সম্মুখভরবেগ এত বেশি হয়, ব্রেক করবার এক কিলোমিটারেরও বেশি পরে সেগুলি থামতে পারে! একইভাবে বিশাল একটি মালবাহী জাহাজ, ইঞ্জিন বন্ধ করার পরে, আরো প্রায় আট কিলোমিটার ভেসে আসতে পারে। যদি পিছনের দিকেও যাওয়ার চেষ্টা করা হয়, তাহলেও সেটি প্রায় তিন কিলোমিটার সামনে এগিয়ে যায়! কিন্তু এখন একটি যন্ত্রযানের কথা চিন্তা করুন যা আগের দুটির থেকে অনেক বেশি চমৎকার, যেটি ঈশ্বরের সংগঠনকে চিত্রিত করছে।

৩ প্রায় ২,৬০০ বছরেরও আগে, ভাববাদী যিহিষ্কেলকে যিহোবা একটি দর্শন দিয়েছিলেন, যার মাধ্যমে আত্মিক প্রাণীদের নিয়ে গঠিত তাঁর স্বর্গীয় সংগঠনকে চিত্রিত করা হয়েছিল। সেটি একটি বিশাল রথ ছিল, যিহোবার নিজস্ব “যান” যা সবসময়ে তাঁর নিয়ন্ত্রণে থাকে। রথটি যেভাবে চলত, তা সবচেয়ে বেশি আগ্রহজনক ছিল। বিশাল চাকাগুলি চারদিকে মুখ করে ছিল এবং সেগুলির গায়ে অসংখ্য চোখ ছিল, যাতে সেগুলি সবদিক দেখতে পায় এবং না থেমে অথবা না ঘুরেই, সঙ্গে সঙ্গে দিক পরিবর্তন করতে পারে আর এই বিশাল যানটি, মালবাহী জাহাজ বা মালগাড়ির মত জবরজংভাবে চলে না! যানটি বিদ্যুতের গতিতে চলতে পারে, এমনকি ৯০ ডিগ্রী বাঁকও নিতে পারে! (যিহিষ্কেল ১:​১, ১৪-২৮) এই অদ্ভুতদর্শন মানব-নির্মিত যন্ত্রগুলি থেকে যিহোবার রথ যতটা পৃথক, ক্যালভিন যে ঈশ্বরের প্রচার করেছিলেন, তিনি সেই ঈশ্বর থেকে ততটাই পৃথক। তিনি সম্পূর্ণরূপে মানিয়ে নিতে পারেন। যিহোবার ব্যক্তিত্বের এই বিষয়টি উপলব্ধি করলে আমরা মানিয়ে নিতে পারব এবং অযৌক্তিক হওয়ার ফাঁদ এড়িয়ে যেতে পারব।

যিহোবা​—⁠সমস্ত মহাবিশ্বে যিনি সবচেয়ে বেশি মানিয়ে নেন

৪. (ক) যিহোবার নামের মধ্যে দিয়েই কিভাবে প্রকাশ পায় যে তিনি যুক্তিবাদী? (খ) যিহোবা ঈশ্বরের কিছু উপাধি কী কী এবং সেগুলি উপযুক্ত কেন?

৪ যিহোবার নামের মধ্যেই তাঁর মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা প্রকাশ পায়। “যিহোবার” আক্ষরিক অর্থ হল “আমি সম্পন্ন করি।” এর অর্থ যে তাঁর সমস্ত প্রতিজ্ঞা সম্পন্ন করার জন্য নিজেকে পরিচালিত করেন। যখন মোশি ঈশ্বরের নাম জানতে চেয়েছিলেন, তখন যিহোবা তাঁর নামের অর্থ আরও বড় করে বলেছিলেন: আমি যে আছি সেই আছি।” (যাত্রাপুস্তক ৩:১৪) রদারহ্যামের অনুবাদ উপযুক্তরূপে বলেছে: “আমি যা চাই, তাই হব।” যিহোবার ধার্মিক উদ্দেশ্য এবং প্রতিজ্ঞা পূর্ণ করার জন্য তিনি যা হতে চান, তাই বেছে নেন অথবা তাই প্রমাণিত হন। সুতরাং, তাঁর বহু উল্লেখযোগ্য উপাধি আছে, যেমন সৃষ্টিকর্তা, পিতা সার্বভৌম প্রভু, পালক, বাহিনীগণের যিহোবা, প্রার্থনা শ্রবণকারী, বিচারকর্তা, মহান উপদেষ্টা, মুক্তিদাতা। নিজের প্রেমময় উদ্দেশ্য সম্পন্ন করার জন্য তিনি নিজেকে এই সমস্ত এবং আরও অনেক বেশি কিছু করে তুলেছেন।​—⁠যিশাইয় ৮:১৩; ৩০:২০; ৪০:২৮; ৪১:১৪; গীত ২৩:১; ৬৫:২; ৭৩:২৮; ৮৯:২৬; বিচারকর্ত্তৃগণ ১১:২৭; নিউ ওয়ার্ল্ড ট্র্যান্সলেশন, অ্যাপেন্ডিক্স ১জে-ও দেখুন।

৫. আমাদের কেন মনে করা উচিত নয় যে যিহোবার মানিয়ে নেওয়ার অর্থ হল যে তাঁর ব্যক্তিত্ব বা মূল্যবোধের পরিবর্তন হয়?

৫ এর অর্থ কি তাহলে এই যে ঈশ্বরের ব্যক্তিত্ব অথবা মূল্যবোধের পরিবর্তন হয়? না; যেমন যাকোব ১:১৭ পদ বলেছে: “যাঁহাতে অবস্থান্তর কিম্বা পরিবর্ত্তনজনিত ছায়া হইতে পারে না।” এখানে কি কোন পরস্পর-বিরোধিতা নজরে পড়ে? অবশ্যই না। উদাহরণস্বরূপ, ছেলেমেয়েদের উপকারের জন্য কোন্‌ প্রেমময় বাবা অথবা মা নিজেদের ভূমিকা পরিবর্তন করে না? এক দিনের মধ্যেই তিনি হয়ত একজন উপদেষ্টা, রাধুনী, গৃহকর্ত্রী, শিক্ষিকা, আইনপ্রনেতা, বন্ধু, কারিগর, পরিচারিকা​—⁠এবং আরও অনেক কিছু। এই সব কিছু হওয়ার জন্য বাবা-মাকে ব্যক্তিত্ব পরিবর্তন করতে হয় না; শুধুমাত্র তিনি বর্তমান প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেকে মানিয়ে নেন। যিহোবার ক্ষেত্রেও তাই, কিন্তু আরও অনেক বেশি মহত্তর অর্থে। তাঁর প্রজ্ঞার গভীরতা বাস্তবিকই অসীম!​—⁠রোমীয় ১১:⁠৩৩.

যুক্তিবাদ ঐশ্বরিক প্রজ্ঞার চিহ্ন

৬. ঈশ্বরীয় প্রজ্ঞার বর্ণনা করতে যাকোব যে গ্রীক শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন, তার আক্ষরিক অর্থ কী ছিল এবং তা কী ইঙ্গিত করছিল?

৬ এই ঈশ্বর, যিনি সর্বক্ষেত্রে নিজেকে মানিয়ে নেন, তাঁর প্রজ্ঞাকে বর্ণনা করার সময়ে শিষ্য যাকোব একটি আগ্রহজনক শব্দ ব্যবহার করেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন: “যে জ্ঞান উপর থেকে আসে, তা . . . যুক্তিবাদী।” (যাকোব ৩:১৭) এখানে তিনি যে গ্রীক শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন (ইপাইকেস), তা অনুবাদ করা কঠিন। অনুবাদকেরা “ভদ্র,” “ক্ষমাশীল,” ধৈর্যশীল” এবং সুবিবেচক” ব্যবহার করেছেন। নিউ ওয়ার্ল্ড ট্রান্সলেশনে বলা হয়েছে “যুক্তিবাদী” এবং একটি ফুটনোটে দেখানো হয়েছে যে আক্ষরিক অর্থ হল “মেনে নিতে ইচ্ছুক।”a কথাটিতে প্রত্যেকটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশ বিশদভাবে মেনে না চলা অথবা অযথা নিয়মানুবর্তী বা অদম্য না হওয়ার আভাষ রয়েছে। নিউ টেস্টামেন্ট ওয়ার্ডস্‌ বইতে, বিশেষজ্ঞ উইলিয়াম বার্কলে বলেছেন: “ইপাইকিয়ার মৌলিকতা এবং বিশিষ্টতা হল যে তা ঈশ্বরের প্রতি ইঙ্গিত করে। ঈশ্বর যদি তাঁর অধিকার অনুযায়ী চলতেন, যদি আমাদের আইনের কঠোর নীতি আমাদের প্রতি প্রয়োগ করতেন, তাহলে আমাদের কী হত? ঈশ্বর হলেন ইপাইকেসের সবচেয়ে ভাল উদাহরণ, যিনি অন্যদের সঙ্গে ইপাইকিয়ার সাথে ব্যবহার করেন।”

৭. এদন উদ্যানে যিহোবা কিভাবে যুক্তিবাদিতা দেখিয়েছিলেন?

৭ মানবজাতি যখন যিহোবার সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল, তখনকার কথা চিন্তা করুন। সেই তিনজন অকৃতজ্ঞ বিদ্রোহী​—⁠আদম, হবা এবং শয়তানকে তখনই ধ্বংস করে দেওয়া ঈশ্বরের পক্ষে কত সহজ ছিল! এইভাবে তিনি নিজেকে কত দুঃখ থেকে রক্ষা করতে পারতেন! আর কে তর্ক করতে যে তাঁর এইরকম কড়া শাস্তি দেওয়ার অধিকার ছিল না? কিন্তু, যিহোবা কখনও তাঁর স্বর্গীয় রথতুল্য সংগঠনকে কঠোর, অত্যন্ত অনমনীয় ন্যায়ের মানরক্ষাকারী হিসাবে রাখেননি! তাই সেই রথ, মানবজাতি এবং তাদের সুখী ভবিষ্যতের আশাকে পদদলিত করে এগিয়ে যায়নি। বরং, যিহোবা তাঁর রথটিকে বিদ্যুৎগতিতে নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। বিদ্রোহের ঠিক পরেই, যিহোবা একটি দীর্ঘস্থায়ী উদ্দেশ্য বর্ণনা করেছিলেন যা আদমের বংশধরদের প্রতি করুণা দেখিয়েছিল এবং আশা দিয়েছিল।​—⁠আদিপুস্তক ৩:১৫.

৮. (ক) খ্রীষ্টজগতের ভ্রান্ত যুক্তিবাদের সঙ্গে যিহোবার যুক্তিবাদের কী পার্থক্য আছে? (খ) আমরা কেন বলতে পারি যে যিহোবার যুক্তিবাদের জন্য তিনি ঐশ্বরিক নীতি বিসর্জন দেবেন না?

৮ কিন্তু যিহোবার যুক্তিবাদের অর্থ এই নয় যে তিনি ঐশ্বরিক নীতির ক্ষেত্রে বশ্যতা স্বীকার করবেন। বর্তমানে, খ্রীষ্টজগতের গির্জাগুলি মনে করতে পারে যে অনৈতিকতাকে অগ্রাহ্য করে পথভ্রষ্ট পালের সমর্থন পাওয়া হল যুক্তিবাদিতার প্রকাশ। (তুলনা করুন ২ তীমথিয় ৪:⁠৩.) যিহোবা কখনও নিজের নিয়ম ভঙ্গ করেন না, অথবা তাঁর নীতিও বিসর্জন দেন না। বরং, তিনি করুণা দেখাতে এবং মেনে নিতে, পরিস্থিতি অনুযায়ী মানিয়ে নিতে ইচ্ছুক থাকেন, যাতে সেই নীতিগুলি ন্যায্যভাবে এবং করুণাসহকারে প্রয়োগ করা যায়। ন্যায় এবং ক্ষমতা ব্যবহার করার সাথে তিনি সর্বদা প্রেম ও উপযুক্ত প্রজ্ঞা প্রদর্শন করায় সমতা রাখেন। আসুন আমরা তিনটি বিষয় বিবেচনা করি, যে ক্ষেত্রে যিহোবা যুক্তিবাদিতা দেখান।

“ক্ষমাবান্‌”

৯, ১০. (ক) “ক্ষমাবান্‌” হওয়ার সাথে যুক্তিবাদী হওয়ার কী সম্পর্ক আছে? (খ) যিহোবার ক্ষমাশীল মনোভাবের জন্য দায়ূদ কিভাবে উপকৃত হয়েছিলেন এবং কেন?

৯ দায়ূদ লিখেছিলেন: “কারণ, হে প্রভু, তুমি মঙ্গলময় ও ক্ষমাবান্‌, এবং যাহারা তোমাকে ডাকে, তুমি সেই সকলের পক্ষে দয়াতে মহান্‌।” (গীত ৮৬:⁠৫) ইব্রীয় শাস্ত্রগুলি যখন গ্রীক সংস্করণে অনুবাদ করা হয়, তখন “ক্ষমাবান্‌” কথাটির পরিবর্তে “ইপাইকেস” অথবা “যুক্তিবাদী” ব্যবহার করা হয়। বাস্তবিকই, ক্ষমাবান্‌ হওয়া এবং করুণা দেখানোর ইচ্ছা হল যুক্তিবাদী হওয়ার প্রধান বিষয়।

১০ এই বিষয়ে যিহোবা যে কত যুক্তিবাদী, দায়ূদ নিজে তা ভালভাবে জানতেন। (দ্বিতীয় বিবরণ ২২:২২; ২ শমূয়েল ১১:​১-২৭) যদি কঠোর মানব বিচারকেরা তাদের বিচার করত, তাহলে দুজনেই হয়ত প্রাণ হারাত। কিন্তু যিহোবা যুক্তবাদী (ইপাইকেস) মনোভাব রেখেছিলেন, যার সম্বন্ধে ভাইনস্‌ এক্সপোজিটরি ডিকশনারী অফ বিব্‌লিকাল ওয়ার্ডস বলেছে, “সেই সহানুভূতি প্রকাশ করা যা ‘কোন ঘটনার প্রতি করুণাবশত এবং যুক্তিপূর্ণভাবে,’ দৃষ্টি দেয়।” যে ঘটনাগুলি যিহোবার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছিল তার অন্তর্ভুক্ত হল যারা পাপ করেছিল তাদের আন্তরিক অনুতাপ এবং পূর্বে দায়ূদ নিজে অন্যদের প্রতি যে করুণা দেখিয়েছিলেন। (১ শমূয়েল ২৪:​৪-৬; ২৫:​৩২-৩৫; ২৬:​৭-১১; মথি ৫:৭; যাকোব ২:১৩) কিন্তু যিহোবা নিজেকে যাত্রাপুস্তক ৩৪:​৪-৭ পদে যেভাবে বর্ণনা করেছেন, তার সাথে সমতা রাখতে হলে দায়ূদকে শাস্তি দেওয়া যিহোবার পক্ষে যুক্তিসঙ্গত কাজ হত। তিনি ভাববাদী নাথনকে একটি কড়া ঘোষণা নিয়ে দায়ূদের কাছে পাঠিয়েছিলেন, যাতে দায়ূদ বুঝতে পারেন যে তিনি যিহোবার বাক্যকে অবজ্ঞা করেছেন। দায়ূদ অনুতাপ দেখিয়েছিলেন আর তাই তার পাপের জন্য মারা যাননি।​—⁠২ শমূয়েল ১২:​১-১৪.

১১. মনঃশির ক্ষেত্রে যিহোবা কিভাবে ক্ষমা করবার ইচ্ছা দেখিয়েছিলেন?

১১ এই বিষয়ে যিহূদার রাজা মনঃশির উদাহরণ আরও বেশি লক্ষণীয় কারণ দায়ূদের বিপরীতে, মনঃশি বহু দিন ধরে অত্যন্ত মন্দ ছিলেন। মনঃশি দেশে ঘৃণার্হ ধর্মীয় কাজকর্মকে সমর্থন করতেন, যার মধ্যে মানব-বলিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। বিশ্বস্ত ভাববাদী যিশাইয়কে “করাত দ্বারা বিদীর্ণ” করার জন্যও হয়ত তিনি দায়ী ছিলেন। (ইব্রীয় ১১:৩৭) মনঃশিকে শাস্তি দেওয়ার জন্য যিহোবা তাকে বন্দী হিসাবে বাবিলনে নিয়ে যেতে দিয়েছিলেন। কিন্তু, কারাগারে মনঃশি অনুতপ্ত হয় এবং দয়া প্রার্থনা করে। এই প্রকৃত অনুতাপের প্রতিদানে, এমনকি এই চরম ক্ষেত্রেও, যিহোবা “ক্ষমাবান্‌” হতে ইচ্ছুক ছিলেন।​—⁠২ বংশাবলি ৩৩:​৯-১৩.

নতুন পরিস্থিতিতে পথ পরিবর্তন করা

১২, ১৩. (ক) নীনবীর ক্ষেত্রে, কোন্‌ পরিবর্তনের জন্য যিহোবা নিজের কাজের ধারা পরিবির্তন করেছিলেন? (খ) যোনা কিভাবে যিহোবার তুলনায় কম যুক্তিবাদিতা দেখিয়েছিলেন?

১২ নতুন পরিস্থিতি দেখা দিলে, যিহোবা যে তাঁর নিজের কাজের ধারা পরিবর্তন করতে প্রস্তুত থাকেন, তার মাধ্যমেও তাঁর যুক্তিবাদিতা প্রকাশ পায়। উদাহরণস্বরূপ, ভাববাদী যোনা যখন প্রাচীন নীনবীর রাস্তায় প্রচার করতেন, তখন তার বার্তা বেশ স্পষ্ট ছিল: সেই সমৃদ্ধিশালী শহর ৪০ দিনের মধ্যে ধ্বংস হয়ে যাবে। কিন্তু নাটকীয়ভাবে পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়! নীনবীর লোকেরা অনুতপ্ত হয়। ​—⁠যোনা, ৩ অধ্যায়।

১৩ এই পরিবর্তনের প্রতি যিহোবা এবং যোনা যে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন তা লক্ষ্য করা আগ্রহজনক। বস্তুতপক্ষে, যিহোবা তাঁর স্বর্গীয় রথের দিক পরিবর্তন করেছিলেন। এই ক্ষেত্রে তিনি মানিয়ে নিয়েছিলেন, “যুদ্ধবীর” হওয়ার পরিবর্তে তিনি নিজেকে ক্ষমাবান্‌ করে তুলেছিলেন। (যাত্রাপুস্তক ১৫:⁠৩) অপরপক্ষে, যোনা অনেক কম মানিয়ে নিতে পেরেছিলেন। যিহোবার রথের সঙ্গে সমতা রাখবার পরিবর্তে, তিনি পূর্বে উল্লিখিত মালগাড়ি অথবা মালবাহী জাহাজের মত কাজ করেছিলেন। তিনি ধ্বংস প্রচার করেছিলেন, তাই ধ্বংস আসতেই হবে! হয়ত তিনি মনে করেছিলেন যে কোন পরিবর্তন হলে নীনবীদের সম্মুখে তাকে লজ্জিত হতে হবে। কিন্তু যিহোবা ধৈর্যের সাথে তাঁর একগুঁয়ে ভাববাদীকে যুক্তিবাদিতা এবং করুণার ক্ষেত্রে একটি স্মরণীয় শিক্ষা দিয়েছিলেন।​—⁠যোনা, অধ্যায় ৪.

১৪. ভাববাদী যিহিষ্কেলের ক্ষেত্রে যিহোবা কেন তাঁর পথ পরিবর্তন করেছিলেন?

১৪ অন্যান্য ক্ষেত্রেও যিহোবা নিজের পথ পরিবর্তন করেছেন​—⁠এমনকি সাধারণ বিষয়ের ক্ষেত্রেও। উদাহরণস্বরূপ, একবার যখন তিনি যিহিষ্কেলকে একটি ভাববাদীমূলক নাটক অভিনয় করতে বলেছিলেন, তখন তিনি যিহিষ্কেলকে বলেছিলেন যে রান্না করার জন্য মানুষের বিষ্ঠার তৈরি ঘুঁটে ব্যবহার করতে। সেই ভাববাদীর পক্ষে এই কাজটি করা সম্ভব ছিল না তাই তিনি আবেদন জানিয়েছিলেন, “আহা, প্রভু সদাপ্রভু!” আর মিনতি করেছিলেন যে তাকে যেন এতটা ঘৃণার্হ কিছু করতে বলা না হয়। ভাববাদীর মনোভাব অবান্তর বলে যিহোবা তা উপেক্ষা করেননি; বরং তিনি যিহিষ্কেলকে গরুর গোবর ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন, যা এখনও বহু দেশে জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা হয়।​—⁠যিহিষ্কেল ৪:​১২-১৫.

১৫. (ক) কোন্‌ উদাহরণগুলি দেখায় যে যিহোবা শুনতে ইচ্ছুক এবং মানুষের প্রতি সাড়া দেন? (খ) এর থেকে আমরা কী শিখতে পারি?

১৫ আমাদের ঈশ্বর যিহোবার নম্রতার কথা চিন্তা করলে সত্যিই কি আনন্দ হয় না? (গীত ১৮:৩৫) তিনি আমাদের থেকে অনেক বেশি মহান; তবুও তিনি ধৈর্যের সাথে অসিদ্ধ মানুষের কথা শোনেন এবং কখনও কখনও সেই অনুযায়ী তাঁর কাজের ধারা পরিবর্তন করেন। সদোম এবং ঘমোরার ধ্বংস সম্বন্ধে তিনি অব্রাহামকে অনেকক্ষণ আবেদন জানাতে দিয়েছিলেন। (আদিপুস্তক ১৮:​২৩-৩৩) আর বিদ্রোহী ইস্রায়েলীয়দের ধ্বংস করে মোশির বংশ থেকে একটি শক্তিশালী জাতি তৈরি করা সম্বন্ধে তাঁর প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তিনি মোশিকে আপত্তি জানাতে দিয়েছিলেন। (যাত্রাপুস্তক ৩২:​৭-১৪; দ্বিতীয় বিবরণ ৯:​১৪, ১৯; তুলনা করুন আমোষ ৭:​১-৬.) এইভাবে তিনি তাঁর মানব সেবকদের জন্য একটি নিখুঁত উদাহরণ স্থাপন করেছিলেন, যাদেরও উচিত, সম্ভব হলে এবং যুক্তিসঙ্গত হলে অন্যদের কথা শুনতে একইরকম ইচ্ছা দেখানো।​—⁠তুলনা করুন যাকোব ১:১৯.

কর্তৃত্ব জারি করার ক্ষেত্রে যুক্তিবাদিতা

১৬. যিহোবা যেভাবে তাঁর কর্তৃত্ব ব্যবহার করেন, সেই বিষয়ে তিনি বহু মানুষের থেকে পৃথক কেন?

১৬ আপনি কি কখনও লক্ষ্য করেছেন যে লোকে যত বেশি ক্ষমতা হাতে পায়, তত কম যুক্তিবাদী হয়ে পড়ে? এর পরিবর্তে, যিহোবা এই মহাবিশ্বের সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব হলেও, যুক্তিবাদিতার ক্ষেত্রে কিন্তু তিনি সবচেয়ে ভাল উদাহরণ। তিনি সবসময়ে তার কর্তৃত্ব যুক্তিবাদিতার সাথে ব্যবহার করেন। মানুষের বিপরীতে, যিহোবা তাঁর কর্তৃত্ব হলেও, যুক্তিবাদিতার ক্ষেত্রে কিন্তু তিনি সবচেয়ে ভাল উদাহরণ। তিনি সবসময়ে তাঁর কর্তৃত্ব যুক্তিবাদিতার সাথে ব্যবহার করেন। মানুষের বিপরীতে, যিহোবা তাঁর কর্তৃত্ব জারি রাখা সম্বন্ধে অনিশ্চিত, নন, তাই তিনি হিংস্রভাবে তা রক্ষা করার প্রয়োজন বোধ করেন না​—⁠যেন অন্যদের কিছুটা কর্তৃত্ব দিলে তাঁর নিজের কর্তৃত্ব বিপদাপন্ন হয়ে পড়বে। বাস্তবপক্ষে, মহাবিশ্বে যখন আর একজন মাত্র ব্যক্তি ছিল, যিহোবা তাঁর হাতে যথেষ্ট ক্ষমতা দিয়েছিলেন। বাক্যকে তিনি তাঁর প্রধান “কার্যকারী” করেছিলেন, আর তখন থেকে তাঁর প্রিয় পুত্রের মাধ্যমেই সবকিছু সৃষ্টি করেছিলেন। (হিতোপদেশ ৮:​২২, ২৯-৩১; যোহন ১:​১-৩, ১৪; কলসীয় ১:​১৫-১৭) পরে তিনি “স্বর্গে ও পৃথিবীতে সমস্ত কর্ত্তৃত্ব” তাঁকে দিয়েছিলেন।​—⁠মথি ২৮:১৮; যোহন ৫:⁠২২.

১৭, ১৮. (ক) সদোম এবং ঘমোরাতে যিহোবা কেন স্বর্গদূতেদের পাঠিয়েছিলেন? (খ) কিভাবে আহাবকে বাধ্য করা যায়, সেই বিষয়ে যিহোবা কেন স্বর্গদূতেদের মতামত চেয়েছিলেন?

১৭ একইভাবে, যিহোবা তাঁর লোকেদের এমন অনেক কিছু করতে দেন, যা তিনি নিজে অনেক বেশি ভালভাবে করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, যখন তিনি অব্রাহামকে বলেছিলেন যে “আমি নীচে [সদোমের ও ঘমোরায়] গিয়া দেখিব, আমার নিকটে আগত ক্রন্দনানুসারে তাহারা সর্ব্বতোভাবে করিয়াছে কি না,” তিনি বলতে চাননি যে নিজে গিয়ে দেখবেন। বরং, যিহোবা অধিকার ভাগ করে দেওয়া বেছে নিয়েছিলেন এবং সেই সংবাদ জানবার জন্য স্বর্গদূতেদের নিযুক্ত করেছিলেন। এই তথ্য সংগ্রহের কাজে নেতৃত্ব করার ক্ষমতা তিনি তাদের দিয়েছিলেন এবং ফিরে এসে তাঁকে জানাতে বলেছিলেন।​—⁠আদিপুস্তক ১৮:​১-৩, ২০-২২.

১৮ আরেকটি ক্ষেত্রে, যিহোবা যখন মন্দ রাজা আহাবকে শাস্তি দিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তিনি স্বর্গদূতেদের একটি স্বর্গীয় সম্মেলনে প্রস্তাব রাখতে আহ্বান জানিয়েছিলেন, যাতে সেই ধর্মভ্রষ্ট রাজাকে একটি যুদ্ধে যোগ দিতে ‘বাধ্য’ করানো যায় এবং সে প্রাণ হারায়। সবচেয়ে ভাল রাস্তা বেছে নিতে, সকল প্রজ্ঞার উৎস যিহোবার নিশ্চয় কোন সাহায্যের প্রয়োজন ছিল না! তবুও, তিনি স্বর্গদূতেদের উপদেশ দেওয়ার সুযোগ দিয়ে তাদের মর্যাদা দিয়েছিলেন এবং একজনকে সেই কাজ করার ক্ষমতা দিয়েছিলেন।​—⁠১ রাজাবলি ২২:​১৯-২২.

১৯. (ক) যিহোবা কেন সীমিত সংখ্যায় নিয়ম সৃষ্টি করেন? (খ) আমাদের কাছে থেকে কিছু আশা করার ক্ষেত্রে যিহোবা কিভাবে যুক্তিবাদিতা দেখান?

১৯ অযথা অন্যদের নিয়ন্ত্রণ করবার জন্য যিহোবা তাঁর কর্তৃত্ব ব্যবহার করেন না। এই ক্ষেত্রেও তিনি অসামান্য যুক্তিবাদিতা প্রদর্শন করেন। আইন সৃষ্টি করবার সময়ে তিনি সেগুলির সংখ্যা সীমিত রাখেন এবং তাঁর সেবকদের ‘যা লিখিত আছে, তা অতিক্রম না করতে’ বলেন, যেন তারা নিজেদের তৈরি কঠিন নিয়ম না স্থাপন করে। (১ করিন্থীয় ৪:৬; প্রেরিত ১৫:২৮; তুলনা করুন মথি ২৩:⁠৪.) তিনি কখনও তাঁর লোকেদের কাছ থেকে অন্ধ বাধ্যতা চান না, কিন্তু সাধারণত তাদের পরিচালনা করার জন্য যথেষ্ট উপদেশ দেন এবং তাদের সিদ্ধান্ত নিতে দেন, তাদের জানতে দেন যে বাধ্য হওয়ার উপকার এবং অবাধ্য হওয়ার ফল কী হতে পারে। (দ্বিতীয় বিবরণ ৩০:​১৯, ২০) অপরাধবোধ, লজ্জা বা ভয়ের দ্বারা লোকেদের বাধ্য করার পরিবর্তে, তিনি তাদের হৃদয় জয় করতে চেষ্টা করেন; তিনি চান যে লোকে প্রকৃত প্রেমবশত তাঁর সেবা করুক, বাধ্যতাবশত নয়। (২ করিন্থীয় ৯:⁠৭) এই ধরনের পূর্ণ-হৃদয়ে সেবা ঈশ্বরকে খুশি করে, তাই তিনি অযৌক্তিকভাবে “কুটিল” নন।​—⁠১ পিতর ২:১৮; হিতোপদেশ ২৭:১১; তুলনা করুন মীখা ৬:⁠৮.

২০. যিহোবার যুক্তিবাদিতা আপনাকে কিভাবে প্রভাবিত করে?

২০ যিহোবা ঈশ্বর, যাঁর কাছে অন্য যে কোন সৃষ্ট বস্তুর থেকে বেশি ক্ষমতা আছে, তিনি যে কখনও তা অযৌক্তিকভাবে, অন্যদের ভয় দেখিয়ে কাজ করাতে ব্যবহার করেন না, তা কি উল্লেখযোগ্য নয়? কিন্তু, মানুষ, অতি ক্ষুদ্র হলেও, অন্যদের উপরে কর্তৃত্ব করার নজির রেখেছে। (উপদেশক ৮:⁠৯) স্পষ্টতই, যুক্তিবাদিতা একটি মূল্যবান গুণ, যে গুণের জন্য আমরা যিহোবাকে আরও বেশি প্রেম করতে পরিচালিত হই। এইজন্যই, আমরা নিজেরাও এই গুণ প্রদর্শন করতে উৎসাহ পাই। কিভাবে আমরা তা প্রদর্শন করতে পারি? পরবর্তী প্রবন্ধ এই বিষয়ে আলোচনা করবে।

[পাদটীকাগুলো]

a অভিধান-লেখক জন পার্কহার্স্ট, ১৭৬৯ সালে কথাটিকে “মেনে নিতে ইচ্ছুক, মেনে নেওয়ার মনোভাব, ভদ্র, নম্র, ধৈর্যশীল” হিসাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন। অন্যান্য বিশেষজ্ঞরাও “মেনে নিতে ইচ্ছুক” ব্যাখ্যাটি ব্যবহার করেছেন।

আপনি কিভাবে উত্তর দেবেন?

▫ যিহোবার নাম ও তাঁর স্বর্গীয় রথের দর্শন কিভাবে তাঁর মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাকে প্রকাশ করে?

▫ যুক্তিবাদিতা কী এবং তা ঐশ্বরিক প্রজ্ঞার চিহ্ন কেন?

▫ যিহোবা যে “ক্ষমাবান্‌” তা তিনি কিভাবে দেখিয়েছেন?

▫ কখনও কখনও যিহোবা তাঁর পরিকল্পনা পরিবর্তন করেছেন কেন?

▫ যিহোবা যেভাবে কর্তৃত্ব ব্যবহার করেন, তার মধ্যে তিনি কিভাবে যুক্তিবাদিতা দেখিয়েছেন?

[৯ পৃষ্ঠার চিত্র]

যিহোবা কেন মন্দ রাজা মনঃশিকে ক্ষমা করেছিলেন?

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার