ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯২ ৮/১ পৃষ্ঠা ৩-৫
  • ১৯১৪ যে বৎসরটি জগতকে শিহরিত করে

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • ১৯১৪ যে বৎসরটি জগতকে শিহরিত করে
  • ১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • হঠাৎ, অগাষ্টে
  • ক্রিসমাসে শেষ হয়ে যাবে
  • আমূল পরিবর্তন
  • ১৯১৪ সালের বংশ—কেন গুরুত্বপূর্ণ
    ১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯২ ৮/১ পৃষ্ঠা ৩-৫

১৯১৪ যে বৎসরটি জগতকে শিহরিত করে

“১৯১৪-১৮ যে মহা যুদ্ধ তা এক পোড়া দাগের মত যা পৃথিবীকে সেই সময় থেকে আমাদের সময়কে আলাদা করেছে। অনেক জীবনকে মুছে ফেলেছে . . . , বিশ্বাসকে ধ্বংস করেছে, চিন্তাধারা বদল করেছে, এবং নিরাময়ের অসাধ্য সপ্নভঙ্গের এক ক্ষত রেখে গেছে, ইহা দুই যুগের মধ্যে দৈহিক ও মানসিক এক বিরাট ব্যবধান সৃষ্টি করেছে।”—দ্যা প্রাওড টাওয়ার—এ পোর্টরেট অফ দ্যা ওয়ার্ল্ড বিফোর দ্যা ওয়ার ১৮৯০-১৯১৪। থেকে নেওয়া, বাই বারবারা টাচম্যান।

“ইহা প্রায়—কিন্তু এখন সম্পূর্ণ নয়—ইতিহাসের এক অঙ্গ, সেই সহস্র সহস্র লোকদের জন্য যারা এই অতি গুরুত্বপূর্ণ বিংশ শতাব্দীর শুরুতে অল্পবয়স্ক ছিল এবং এখনও জীবিত আছে।—লিন মেকডোনাল্ড দ্বারা লেখা ১৯১৪ বই থেকে নেওয়া, ১৯৮৭তে মুদ্রিত।

কেন ১৯১৪ সালে আগ্রহী হবেন? আপনি হয়ত বলবেন যে, ‘ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে আমি চিন্তিত,’ ‘অতীত সম্বন্ধে নয়।’ এই সমস্যাগুলি যা হল বিশ্বব্যাপী দূষন, পরিবারে ভাঙ্গন, অপরাধের বৃদ্ধি, মানসিক অসুস্থতা, এবং বেকার সমস্যা, এই সবের জন্য মানুষের ভবিষ্যৎ বিবর্ণ মনে হতে পারে। অনেকে যারা ১৯১৪ সালের যে গুরুত্ব তা অনুসন্ধান করেছেন, যাহাহোক, ভবিষ্যতের জন্য আশার এক উত্তম ভিত্তি খুজে পেয়েছেন।

বহু দশক ধরে দ্যা ওয়াচটাওয়ার ব্যাখ্যা করে আসছে যে ১৯১৪ সাল থেকে মানবজাতি তাহাই অনুভব করছে যাকে বলা হয় “যাতনার আরম্ভ মাত্র।” এই উক্তি যীশুর মহৎ ভবিষদ্বাণীর আংশিক পূর্ণতার অংশ গঠন করে যা মানুষের এই মন্দ পরিস্থিতির শেষ হবার পূর্বে ঘটবে।—মথি ২৪:৭, ৮.

আজ, মানবজাতির এক ক্ষুদ্র অংশ ১৯১৪ সালের সেই নাটকীয় ঘটনার কথা এখন স্মরণ করতে পারেন। সেই বয়স্ক বংশ কি শেষ হয়ে যাবে ঈশ্বর এই পৃথিবীকে ধ্বংস হওয়া থেকে রক্ষা করার পূর্বে? বাইবেলের ভবিষদ্‌বাণী অনুসারে নয়। “ঐ সকল ঘটনা দেখিলে জানিবে,” যীশু প্রতিজ্ঞা করেন, “জানিও সে দ্বারে উপস্থিত। আমি তোমাদিগকে সত্য কহিতেছি, এই কালের লোকদের লোপ হইবে না, যে পর্য্যন্ত না এ সমস্ত সিদ্ধ হয়।”—মথি ২৪:৩৩, ৩৪, NW.

১৯১৪ সালের এত ঐতিহাসিক গুরুত্ব কেন আছে তা উপলব্ধি করার জন্য, বিবেচনা করুন জগতের পরিস্থিতি ১৯১৪ সালের মাঝামাঝি সময় পর্য্যন্ত। সেই সময়ের পূর্বে, রাজারা যেমন রাশিয়ার জার নিকোলাস, র্জামানির কাইসার উইলহেম, এবং অষ্ট্রিয়ার সম্রাট ফ্রানজ্‌ যোসেফ অনেক আধিপত্য রাখতেন। এরা প্রত্যেকে ৪০ লক্ষের অধিক যোদ্ধাদের যে কোন সময় যুদ্ধেক্ষেত্রে পাঠাতে পারতেন। তাদের পুর্বপিতারা এক চুক্তি সাক্ষর করেন যাকে বলা হয় হোলি অ্যালায়েন্স, যার দ্বারা ঘোষণা করা করা হয় যে ঈশ্বর তাদের পরিচালিত করেছেন “খ্রীষ্টীয় জাতির” বিভিন্ন অংশকে পরিচালনা করতে।

দ্যা অ্যানসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা অনুসারে, এই দলিল “১৯ শতাব্দীতে ইউরোপীয় কূটনীতিকে শক্তিশালিভাবে প্রভাবিত করে। ইহাকে ব্যবহার করা হয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বিপক্ষতা করার জন্য যাতে রাজাদের যে তাথাকথিত ঐশিক অধিকার আছে তা প্রশ্রয় দেওয়া যায়। “আমরা খ্রীষ্টীয় রাজারা,” কাইজার উইলহেম জার নিকোলাসকে লেখেন, “আমাদের কেবল একটি শুদ্ধ দায়িত্ব রয়েছে, যা স্বর্গ থেকে আমাদের উপর অর্পিত, তা হল আমরা যেন [ঐশিক রাজাদের যে আধিকার] তার মান ধরে রাখি।” এর অর্থ কি এই যে ইউরোপের রাজারা কোনভাবে ঈশ্বরের রাজ্যের সাথে জড়িত ছিল? (তুলনা করুন ১ করিন্থীয় ৪:৮) আর সেই গির্জ্জাগুলি সম্বন্ধেই বা কি যারা রাজাদের সমর্থন করে? খ্রীষ্টত্বতের এই প্রকাশ্য ঘোষণা কি অকৃত্রিম ছিল? এই সকল প্রশ্নের উত্তর পরিষ্কার হয় ১৯১৪ সালের পরের বৎসরগুলিতে।

হঠাৎ, অগাষ্টে

“ইউরোপের ১৯১৪ সালের বসন্তকাল ও গ্রীষ্মকাল কাটে এক অসাধারণ প্রশান্তিতে,” লেখেন বৃটিশ স্টেটম্যান উইনস্টান চার্চিল। লোকেরা স্বাধারনতঃ ভবিষৎ সম্বন্ধে খুব আশাবাদী ছিলেন। লুইস সাইণ্ডার তার বই ওয়ার্ল্ড ওয়ার ১ লেখেন, “১৯১৪ সালের জগত পূর্ণ ছিল আশায় ও অঙ্গীকারে।”

সত্য, বহু বৎসর ধরে র্জামানি ও ব্রিটেনের মধ্যে তীব্র দন্দ্ব ছিল। যাহাহোক, যেমন ঐতিহাসক জি. পি. গুছ বর্ণনা করেন তার বইয়ে আনডার সিক্স রেনস: “১৯১৪ সালে এক ইউরোপীয় দন্দ অনেক কম মনে হয় ১৯১১, ১৯১২ অথবা ১৯১৩ সালের থেকে . . . দুই সরকারের সমন্ধ বিগত বৎসরগুলি থেকে অনেক ভাল মনে হয়।” উইনস্টান চার্চিলের মতে, যিনি তখন বৃটেনের একজন কেবিনেট মেমবার ছিলেন: “জার্মানি মনে হয় যেন আমাদের সাথে, একইভাবে শান্তির কথা চিন্তা করছে।”

যাহাহোক, সারাজিভো যিনি ছিলেন অস্ট্রিয়-হাঙ্গেরী সাম্রাজের যুবরাজ তাকে জুন ২৮, ১৯১৪ সালে হত্যা করা হয়, আর তার সাথে দেখা দেয় দিগন্তে এক কাল মেঘ। একমাস পরে, সম্রাট ফ্রানজ্‌ যোষেফ সারবিয়ার সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করেন এবং তারপর তার সৈন্যদের আদেশ দেন সেই দেশে প্রবেশ করতে। এরমধ্যে, অগাস্ট ৩, ১৯১৪ রাত্রে, কাইজার উইলহেমর আদেশে, এক বিরাট র্জামান সৈন্যদল বেলজিয়াম রাজ্যে অনুপ্রবেশ করে এবং যুদ্ধ করে ফ্রানসের দিকে যেতে থাকে। পরের দিন বৃটেন র্জামানির বিপক্ষে যুদ্ধ ঘোষণা করে। জার নিকোলাস, তিনি আদেশ দেন তার বৃহত রুশ সৈন্যদলকে র্জামানি ও অস্ট্রিয়-হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে। সেই হোলি অ্যালায়েন্স ইউরোপের রাজাদের তাদের মহাদেশকে পারস্পরিক রক্তস্নানে পতিত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারিনি। কিন্তু আরও বড় শিহরণ আশা তখন বাকী ছিল।

ক্রিসমাসে শেষ হয়ে যাবে

যুদ্ধের আরম্ভ লোকের আশাকে নিরুৎসাহিত করতে পারিনি। অনেকে বিশ্বাস করে যে তা এক ভাল জগত নিয়ে আসবে, এবং বিরাট লোকের ভীড় একত্রিত হয় সারা ইউরোপে এর জন্য তাদের সমর্থন দেখাতে। “১৯১৪ সালে কেউ,” লেখেন এ. জে. পি. টেলার তার বই দ্যা স্ট্রাগাল ফর মাসটারি ইন ইউরোপ—১৮৪৮-১৯১৮, “যুদ্ধের যে বিপদ তা খুব গুরুত্বপূর্ণভাবে নেয় কেবল সৈন্য সামন্তের ক্ষেত্রে . . . কেউ আশা করেনি এক সামাজিক অঘটন।” এর পরিবর্তে, অনেকে ভাববাণী করে যে তা কিছু মাসে শেষ হয়ে যাবে।

কিন্তু, ইউরোপীয়রা তাদের ১৯১৪ সালের ক্রিসমাস উদযাপন করার পূর্বে, এক রক্তক্ষয়ী অচল অবস্থা সৃষ্টি হয় এবং তা গঠিত হয় ৭০০ কি. মি. লাইনের ট্রেনচে যা শুরু হয় সুইজারলেণ্ডে দক্ষিনে এবং চলে বেলজিয়ামের উত্তরদিকের উপকূল অবধি। ইহাকে বলা হয় ওয়েষ্টার্ন ফ্রন্ট, র্জামান অথার হার্বাট সুলজবাক্‌ তার ডায়রিতে ১৯১৪ সালের শেষে এই বিষয় লিপিবদ্ধ করেন। সেই লেখা এইরূপ পড়ে: “এই যুদ্ধ ক্রমাগত ভাবে চলছে, যখন নাকি ভাবা হয়েছিল যে ইহা কেবলমাত্র কিছু সপ্তাহ ধরে চলবে, এখন তার কোন শেষ নজরে আসছে না।” একই সময়, ইউরোপের অন্যদিকে, রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলে রাশিয়া, র্জামানী, অস্ট্রিয়-হাঙ্গেরী, এবং সারবিয়ার সৈন্যদলের মধ্যে। এই যুদ্ধ শীঘ্রই ইউরোপের বাইরে ছড়িয়ে পড়ে, এবং যুদ্ধ দেখা যায় মহাসাগরে ও আফ্রিকায়, মধ্যে প্রাচ্যে, এবং পেসিফিক দ্বীপপুঞ্জে।

চার বৎসর পর ইউরোপ সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়। র্জামানি, রাশিয়া, এবং অস্ট্রিয়-হাঙ্গেরি প্রত্যেকে প্রায় দশ থেকে বিশ লক্ষ সৈন্য হারায় রাশিয়া তার রাজাদের শাসন হারায় ১৯১৭ সালের বলশেভিক বিপ্লবে। ইউরোপের রাজাদের ও তাদের সমর্থনকারী পাদ্রীদের জন্য ইহা কি বিপর্য্যয় না বোঝায়! বর্তমান ঐতিহাসিকরা এখন তাদের বিস্ময় প্রকাশ করে। তার বই রয়েল সানসেট, গরডান ব্রুকসের্পাড প্রশ্ন করেন: “ইহা কি করে সম্ভব যে শাসকেরা হয় রক্তের দ্বারা বা বিবাহের দ্বারা পরস্পরের সাথে যুক্ত এবং যারা সকলে তাদের রাজ্যত্ব বহাল রাখতে উৎসর্গিকৃত, কি করে নিজেদের অনুমতি দিল যাতে তারা পিছনে এক ভ্রাতৃঘাতক রক্তস্নানে লিপ্ত হয় যা তাদের অনেককে অস্থিত্ব থেকে মুছে ফেলে এবং যারা বেঁচে যায় তাদের সকলকে দুর্বল করে?

ফ্রানসের প্রজাতন্ত্র প্রায় দশ লক্ষ সৈন্য হারায়, এবং বৃটিশ সাম্রাজ্য, যার রাজার ক্ষমতা যুদ্ধের পূর্বেই খুব দুর্বল হয়ে পড়েছিল, প্রায় ৯০০,০০০ হারায়। সর্বশুদ্ধ প্রায় ৯ মিলিয়ান সৈন্য মারা যায়, এবং আরও ২১ মিলিয়ান আহত হয়। যুদ্ধে রত না হয়ে যে ক্ষতি হয়, সেই সম্বন্ধে দ্যা ওয়ার্ল্ড বুক অ্যানসাক্লোপিডিয়া বলে: “কেউ জানে না যে কত অসামরিক ব্যক্তিরা মারা গেছে রোগ, ক্ষুধা, এবং অন্য যুদ্ধ জনিত কারণের জন্য। অনেক ঐতিহাসকেরা বিশ্বাস করে যে যত সৈন্য মারা গেছে ততধিক অসামরিক ব্যক্তিরাও মারা গেছে।” ১৯১৮ সালে স্প্যানিস জ্বরের মহামারীতে সারা বিশ্বে আরও ২১,০০০,০০০ জীবন হানি হয়।

আমূল পরিবর্তন

মহাযুদ্ধের পরে জগত আর সেই একরকম হয়নি, যেমন তাকে তখন বলা হত। যেহেতু খ্রীষ্টীয় জগতের অনেক গির্জ্জা এতে উৎসাহের সাথে অংশ নেয়, অনেক ব্যক্তি যাদের বিশ্বাস ভঙ্গ হয় তাদের দৃষ্টি ধর্ম্মের পরিবর্ত্তে নিরীশ্বরবাদের প্রতি স্থাপন করে। অন্যরা তাদের দৃষ্টি নিবধ্য করে জাগতিক ধন ও সুখ লাভের আশায়। পণ্ডিত মরিশ ইক্সষ্টিনের কথা অনুসারে তার বই রাইটস অফ স্প্রিং, যে ১৯২০ দশকে “আনন্দবাদ ও আত্মরতি আতিমাত্রায় পরিলক্ষিত হয়।”

“সেই যুদ্ধ” পণ্ডিত ইক্সষ্টিন বর্ণনা করেন, “নৈতিক মানকে আক্রমণ করে।” উভয় দিকের লোকদের শিক্ষা দেওয়া হয় ধর্ম, মিলিটারি, এবং রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারা যে হত্যা নৈতিকভাবে ভাল। ইহা, ইক্সষ্টিন স্বীকার করেন, “ছিল নৈতিক যে মান তার উপর সব থেকে বরর্বর আক্রমণ যার মূল দাবি করা হয় যে যুডিয়-খ্রীসচান নীতির উপর স্থাপিত।” “ওয়েষ্টার্ন ফ্রন্টে,” তিনি যোগ দেন, “পতিতালয় খুব দ্রুত সামরিক ক্যাম্পের অংশ হয় . . . আমাদের দিকেও নারী ও পুরুষের নৈতিক মানের বস্ত্র হরণ হয়। পতিতা বৃত্তি দারুণভাবে বেড়ে যায়।”

সত্যই, ১৯১৪ সাল অনেক পরিবর্তন নিয়ে আশে। তা এক উত্তম জগত তৈয়ারি করতে পারেনি, এবং সেই যুদ্ধ “আরও সব যুদ্ধকে শেষ করার যুদ্ধে” পরিণত হয়নি, যেমন অনেকে আশা করেছিল। এর পরিবর্তে যেমন ঐতিহাসক বারবারা টাচম্যান লক্ষ্য করেন: “যে আশা ও উদ্দীপনা সম্ভবে ছিল ১৯১৪ সাল অবধি তা সব আস্তে আস্তে চাপা পড়ে যায় এক বৃহৎ ভ্রান্তির সাগরে।”

যাহাহোক, কেহ কেহ যারা ১৯১৪ সালের সেই দুঃখদায়ক ঘটনা দেখে তারা সেই বৎসরের ঘটনা সকল দেখে আশ্চর্য্য হয়নি। বাস্তবে, যুদ্ধ শুরু হবার আগে, তারা আশা করছিল “এক ভয়ঙ্কর সমস্যার কাল।” এরা কারা ছিল? তারা কি জানত যা অন্যরা জানত না? (w92 5/1)

[৫ পৃষ্ঠার বাক্স]

ব্রিটিশ আশাবাদিতা ১৯১৪ সালে

“প্রায় এক শতাব্দী ধরে কোন শত্রু আমাদের দ্বীপের কাছে আসেনি . . . এই শান্তিময় উপকূলে কোন সমস্যার কথা ভাবাও কষ্টকর ছিল। . . . এর আগে লনডনকে এত বেশী সাফল্যপূর্ণ দেখায়নি। আগে কখনও এত কিছু করার, দেখার, শোনার মূল্য বোধ হয়নি। বৃদ্ধ কি যুবক কারোর কোন সন্দেহ ছিলনা যে তারা যার সাক্ষী ছিল, ১৯১৪-এর সেই অতুলনীয় কাল, বাস্তবে ছিল, এক যুগের অন্ত।”—বিফোর দ্যা ল্যাম্পস ওয়েন্ট আওট, বাই গডফ্রে মারকাস।

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার