ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • g৯৯ ১/৮ পৃষ্ঠা ১৯-২০
  • যিহোবার সাক্ষীদের পক্ষে রাশিয়ার বিচার পরিষদ রায় দেয়

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • যিহোবার সাক্ষীদের পক্ষে রাশিয়ার বিচার পরিষদ রায় দেয়
  • ১৯৯৯ সচেতন থাক!
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • আমাদের বিশ্বাসের পক্ষ সমর্থন করা
    ১৯৯৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • যিহোবার সাক্ষিরা কি সত্য খ্রিস্টান?
    চিরকাল জীবন উপভোগ করুন!—ঈশ্বরের কাছ থেকে শিখুন
  • প্রাচীনেরা, ধার্মিকতায় বিচার করুন
    ১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • এক সুদীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে বিজয়লাভ!
    ২০১১ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
১৯৯৯ সচেতন থাক!
g৯৯ ১/৮ পৃষ্ঠা ১৯-২০

যিহোবার সাক্ষীদের পক্ষে রাশিয়ার বিচার পরিষদ রায় দেয়

যিহোবার সাক্ষীদের সম্বন্ধে যখন রেডিও, টি.ভি. আর খবরের কাগজে ঠিক-ঠিক খবর প্রকাশ করা হয় তখন তারা খুব খুশি হন। এছাড়াও, যিহোবার সাক্ষীরা তাদের নিজেদের বিষয়ে, বাইবেলের শিক্ষার বিষয়ে ও তাদের কাজ সম্বন্ধে ঠিক-ঠিক তথ্য জানাতে চান। কিন্তু, সাক্ষীদের সম্বন্ধে ভুল বা অপবাদমূলক কিছু ছাপা হলে, তারা তাদের ধর্মীয় ও নাগরিক অধিকারকে সমর্থনের জন্য মাঝে মাঝে সরকারের কাছে আপিল করেন। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটা ঘটনা লক্ষ্য করুন।

১৯৯৭ সালের ১লা আগস্ট, সেন্ট পিটার্সবার্গে রাশিয়ার এক জনপ্রিয় সংবাদপত্র, কমসোমোলস্কায়া প্রাভদা-য় একটা প্রবন্ধ ছাপানো হয়েছিল যেখানে যিহোবার সাক্ষীদের সম্বন্ধে ডাহা মিথ্যা কথা লেখা হয়। প্রবন্ধের শিরোনাম ছিল “পিটার্সবার্গ সম্প্রদায় একটা বড় আশ্রম বানাবে।” ওই প্রবন্ধের লেখক ওলেগ্‌ জেসোরিন সেখানে দাবি করেন যে যিহোবার সাক্ষীরা তাদের শিক্ষার দ্বারা অন্যেদের বিপদে ফেলেন এবং তারা রাশিয়ার সংবিধানের বিরুদ্ধে কাজ করেন। এছাড়াও, ওই প্রবন্ধে রক্তের ব্যবহার ও পারিবারিক সম্পর্কের বিষয়ে সাক্ষীদের বাইবেল ভিত্তিক বিশ্বাসকে বিকৃত করে তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়াও এই প্রবন্ধে যিহোবার সাক্ষীদেরকে একটা “সম্প্রদায়” বলে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এতে আরও বলা হয়েছে যে কেউ কেউ তাদেরকে “সবচেয়ে বিপদজনক সম্প্রদায়” বলে মনে করেন।

রাশিয়াতে যিহোবার সাক্ষীদের আঞ্চলিক ধর্মীয় সংগঠনের প্রশাসনিক কেন্দ্র, এই বিতর্কের জন্য রাশিয়ান ফেডারেশন জুডিশিয়াল চেম্বারের কাছে এই বিষয়ে আপিল করেছে যে তারা যেন এই প্রবন্ধে লেখা বিষয়গুলোকে আবারও পরীক্ষা করে দেখেন যেগুলোকে যিহোবার সাক্ষীরা মিথ্যে অভিযোগ বলে মনে করেন। ১৯৯৮ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি যিহোবার সাক্ষীদের প্রতিনিধিরা বিচার পরিষদের এক সভায় উপস্থিত হন এবং তারা সেই পরিষদের সদস্য, সাংবাদিক ও উকিলদের অনেক প্রশ্নের উত্তর দেন। যিহোবার সাক্ষীরা আসলে কী বিশ্বাস করেন ও কী শেখান তা যাচাই করে দেখার জন্য বিচার পরিষদের সদস্যেরা খুব মন দিয়ে যিহোবার সাক্ষীদের বই-পত্রিকা পরীক্ষা করেন। বিশেষ করে তারা পারিবারিক সুখের রহস্য (ইংরাজি) বইটা খুব ভালভাবে পড়েছিলেন।

রাশিয়ান ফেডারেশন বিধান সভার এক সদস্য ভি. ভি. বরসিওফ্‌ বলেছিলেন যে “সম্প্রদায়” কথাটাকেই ভাল চোখে দেখা হয় না। মি. বরসিওফ্‌ বলেছিলেন: “[এইভাবে] কারও সম্বন্ধে যা ইচ্ছা তাই বলা খুবই ক্ষতিকারক। যাইহোক, বিচার পরিষদ যে যিহোবার সাক্ষীদের আবেদনকে মেনে নিয়েছেন তা সত্যিই উল্লেখযোগ্য। সরকারের অনুমোদনপ্রাপ্ত কোন ধর্মীয় সংগঠনের বিরুদ্ধে এমন মনোভাব প্রকাশ করা ও তাদের সম্বন্ধে অপমানজনক কথাবার্তা লেখা বন্ধ করা উচিত।”

সব সাক্ষ্য শোনার পর বিচার পরিষদ এই সিদ্ধান্তে এসেছিল যে কমসোমোলস্কায়া প্রাভদা-য় প্রকাশিত প্রবন্ধটা বেআইনী এবং নীতিবর্জিত; এছাড়াও, পরিষদ দেখেছিল যে এই প্রবন্ধের কোন ভিত্তি নেই এবং এটা মিথ্যা কথায় ভরা। বিচার পরিষদ বলেছিল, “লেখক কোন ঘটনাই পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেননি . . . বরং গুজবকে তিনি সত্যি বলে বর্ণনা করেছেন আর তা করে তিনি সাংবাদিকের অধিকারকে লঙ্ঘন করেছেন।” বিচার পরিষদ দেখে যে সংবাদপত্রে যিহোবার সাক্ষীদের বিষয়ে পুরো ভুল খবর ছাপানো হয়েছে অথচ যিহোবার সাক্ষীরা দেশের আইন মেনে চলেন এবং তারা তাদের বিশ্বাসে বিশ্বাসী নন এমন পরিবারের সদস্য ও অন্যান্যদের সঙ্গেও শান্তি বজায় রাখার জন্য তাদের লোকেদের শিখিয়ে থাকেন।

শেষ সাক্ষ্য শোনার এক ঘন্টা পর বিচার পরিষদ এই রায় দেন:

“১. ‘পিটার্সবার্গ সম্প্রদায় একটা বড় আশ্রম বানাবে’ প্রবন্ধটা ‘গণমাধ্যম সম্বন্ধে’ রাশিয়ান ফেডারেশন আইনের ৪, ৪৯ ও ৫১ ধারা লঙ্ঘন করেছে।

“২. বলা হয় যে ছাপানো তথ্যের জন্য দায়ী রাশিয়ান ফেডারেশনের রাজ্য কমিটি, কমসোমোলস্কায়া প্রাভদা সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় সমিতিকে লিখিত হুশিয়ারি পাঠানোর বিষয়ে চিন্তা করবে।

“৩. সাংবাদিক, ওলেগ্‌ জেসোরিনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হবে।

“৪. এই মিথ্যা খবর ছেপে যিহোবার সাক্ষীদের ধর্মীয় সংগঠনের সুনাম নষ্ট করায় কমসোমোলস্কায়া প্রাভদা সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় সমিতিকে তাদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।”

বিচার পরিষদের এই রায়, ধর্মীয় পণ্ডিত ও দর্শনের ছাত্র, সারগেই ইভানেনকুর সিদ্ধান্তের সঙ্গে মিলে যায়। মি. ইভানেনকু যিহোবার সাক্ষী ছিলেন না কিন্তু যিহোবার সাক্ষীদের বিভিন্ন বিশ্বাস খুব মন দিয়ে পরীক্ষা করার ও তাদের সঙ্গে মেলামেশা করার পর, ১৯৯৭ সালের ফেব্রুয়ারি ২০-২৬ সংখ্যার মস্কো সংবাদ-এ তিনি এক প্রবন্ধ লিখেছিলেন।a মি. ইভানেনকু লিখেছিলেন: “যিহোবার সাক্ষীরা অন্যদের চেয়ে আলাদা কারণ তারা বাইবেল অনুযায়ী চলার জন্য সংকল্পবদ্ধ। . . . যিহোবার সাক্ষীদের সংবিধান হল বাইবেল, এটাই তাদের আইন আর এটাকেই তারা সত্য বলে মানেন। বাইবেলের সত্যের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের জন্য ও নিজেদের ক্ষতির দিকে নজর না দিয়ে তাদের বিশ্বাসকে রক্ষা করার জন্য সব কিছু করতে রাজি থাকার কারণে যিহোবার সাক্ষীরা আমাদের দেশের অন্য নাগরিকদের কাছে এক উদাহরণ।”

বিচার পরিষদের রায় ও মি. ইভানেনকুর মতামত আরও একবার প্রমাণ করে যে যিহোবার সাক্ষীরা সমাজের জন্য বিপদজনক নন বরং সরল মনের লোকেদের এর থেকে ভাল হয়। যিহোবার সাক্ষীরা ‘যে কেহ তাহাদের অন্তরস্থ প্রত্যাশার হেতু জিজ্ঞাসা করে, তাহাকে উত্তর দিতে তাহারা সর্ব্বদা প্রস্তুত থাকেন। কিন্তু মৃদুতা ও ভয় সহকারে উত্তর দেন।’—১ পিতর ৩:১৫.

[পাদটীকাগুলো]

a মি. ইভানেনকুর লেখা যার শিরোনাম ছিল “আমরা কী যিহোবার সাক্ষীদের ভয় পাব?” প্রবন্ধটার অনেক অংশ তার অনুমতি নিয়ে ১৯৯৭ সালের ২২শে আগস্ট সচেতন থাক! (ইংরাজি) পত্রিকার ২২-৭ পৃষ্ঠায় ছাপানো হয়েছিল।

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার