ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • g৯৯ ১/৮ পৃষ্ঠা ১০-১৩
  • সেতুগুলো—না থাকলে আমাদের কী হতো?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • সেতুগুলো—না থাকলে আমাদের কী হতো?
  • ১৯৯৯ সচেতন থাক!
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • আগেকার দিনের সেতু
  • সেতু আর আমাদের বদলাতে থাকা চাহিদা
  • বিভিন্ন রকমের সেতু
  • টাওয়ার ব্রিজ লন্ডনের প্রবেশপথ
    ২০০৭ সচেতন থাক!
  • ভাস্কো দা গামার নামে সেতু
    ১৯৯৯ সচেতন থাক!
  • সিডনি—এক প্রাণবন্ত বন্দর শহর
    ১৯৯৯ সচেতন থাক!
  • এই সভাঘরে তোমার গৌরব হোক
    আনন্দের সঙ্গে যিহোবার উদ্দেশে গান করুন
১৯৯৯ সচেতন থাক!
g৯৯ ১/৮ পৃষ্ঠা ১০-১৩

সেতুগুলো—না থাকলে আমাদের কী হতো?

“প্রশংসা কর সেই সেতুর যেখানে পড়েছে তোমার চরণ।”—জর্জ কোলম্যান, উনবিংশ শতাব্দীর ইংরেজ নাট্যকার।

আপনার কি মনে আছে যে শেষ কবে আপনি একটা সেতু পার হয়েছিলেন? আপনি কি সেটাকে ভালভাবে খেয়াল করেছিলেন? প্রতিদিন হাজার হাজার লোকেরা সেতু পার হয়। আর আমরা ব্যাপারটাকে ধর্তব্যের মধ্যেই আনি না। আমরা মনের আনন্দে সেতুর ওপর দিয়ে হাঁটি, গাড়ি চালাই কিংবা এর নিচ দিয়েও চলাচল করি আর সেটাকে ভালভাবে খেয়াল না করেই। কিন্তু আপনি কি কখনও দাঁড়িয়ে একটু ভেবেছেন সেতুটা যদি এখানে না থাকতো তাহলে কী হতো?

এমন অনেক নদী, খাদ কিংবা জলাশয় আছে যেগুলো পার হওয়া প্রায় অসম্ভব কিন্তু সেতুর দৌলতে হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ ও জীবজন্তু তা পার হয়েছে। আর সেতু ছাড়া কায়রো, লন্ডন, মস্কো, নিউ ইয়র্ক, সিডনির মতো শহরগুলোর কথা তো ভাবাই যায় না। সত্যিই সেতুগুলোর অনেক পুরনো ইতিহাস আছে।

আগেকার দিনের সেতু

আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের কথা। বাবিলনের রানি নিটোক্রিস ইউফ্রেটিস নদীর ওপর একটা সেতু তৈরি করেছিলেন। কেন করেছিলেন? গ্রিক ইতিহাসবেত্তা হেরোডোটাস উত্তর দেন: “[বাবিলন শহর] একটা নদীর কারণে আলাদা আলাদা দুভাগে বিভক্ত ছিল। আগের রাজাদের সময়, যদি কেউ এপার থেকে ওপারে যেতে চাইতেন, তাহলে তাকে নৌকায় করে পার হতে হতো; আর আমার মনে হয় এই ব্যাপারটা খুবই কঠিন ছিল।” সেতু বানানোর জন্য নিটোক্রিস কাঠ, পোড়া ইট, পাথর, লোহা ও সীসা ব্যবহার করেছিলেন আর প্রাচীন কালের এক বিখ্যাত নদীর উপর সেতু তৈরি করেছিলেন।

কখনও কখনও সেতুগুলোর জন্য পৃথিবীর ইতিহাস বদলে গিয়েছে। পারস্যের মহান দারিয়াবস তার সৈন্যসামন্ত নিয়ে যখন সিদিয়ার লোকেদের ওপর হামলা চালিয়েছিলেন, তখন এশিয়া থেকে ইউরোপে যে পথে সবচেয়ে তাড়াতাড়ি যাওয়া যায় সেই পথেই তিনি যেতে চেয়েছিলেন। এর মানে হল, তার ৬,০০,০০০ সৈন্যকে বসপোরাস প্রণালী পার করানো। ঘন কুয়াশা এবং উত্তাল ঢেউয়ের জন্য নৌকায় করে সেই প্রণালী পার হওয়া বিপদজনক ছিল, তাই দারিয়াবস অনেকগুলো নৌকাকে একটার সঙ্গে আরেকটা বেঁধে ৯০০ মিটার লম্বা এক অস্থায়ী ভাসমান সেতু বানিয়েছিলেন। সেই প্রণালী পার হতে দারিয়াবসকে যতটা কষ্ট করতে হয়েছিল আজকে আপনাকে ততটা কষ্ট করতে হবে না। আজ আপনি আরাম করে আপনার গাড়িতে বসে তুরস্কের ইস্তানবুলের বসপোরাস সেতুগুলোর ওপর দিয়ে দু-মিনিটের মধ্যে সেই একই দূরত্ব পার হতে পারবেন।

আপনি যদি বাইবেলের ছাত্র হয়ে থাকেন, তবে আপনার সেই ঘটনার কথা মনে আছে যখন সেতুর অভাবে পৃথিবীর ইতিহাস বদলে গিয়েছিল। রাজা নবূখদ্‌নিৎসর যখন সোর দ্বীপকে আক্রমণ করেছিলেন, তখন কী হয়েছিল তা মনে করুন। ১৩ বছর ধরে তিনি সেই শহর জয় করার চেষ্টা করেও পারেননি, আর এর একটা কারণ ছিল যে সেই দেশ থেকে এই দ্বীপে যাওয়ার জন্য কোন সেতু ছিল না। (যিহিষ্কেল ২৯:১৭-২০) এর পরের তিনশ বছর পর্যন্ত কেউ সেই শহর জয় করতে পারেনি, যে পর্যন্ত না মহান আলেকজান্ডার দ্বীপে যাওয়ার জন্য একটা রাস্তা বানান।

প্রথম শতাব্দীতে, ‘অনেক পথ দিয়েই রোমে যাওয়া যেত’ কিন্তু নিজেদের সাম্রাজ্যকে যুক্ত করার জন্য রোমীয়দের সেতু ও রাস্তার প্রয়োজন ছিল। একেকটা আট টন ওজনের পাথর দিয়ে রোমীয় স্থপতিরা তোরণাকৃতি সেতু তৈরি করেছিলেন আর সেগুলো এত মজবুত করে তৈরি করা হয়েছিল যে এর কয়েকটা আজ পর্যন্ত, প্রায় দুই হাজার বছর কেটে যাওয়ার পরও মজবুত আছে। সেখানকার কৃত্রিম জলপ্রণালী এবং পথগুলোই আসলে সেতু ছিল।

মধ্য যুগে, সেতুগুলো কখনও কখনও দুর্গ হিসাবে কাজ করত। সা.কা. ৯৪৪ সালে, স্যাক্‌সন জাতির লোকেরা ডেনমার্কের আক্রমণকে ঠেকানোর জন্য লন্ডনের টেমস্‌ নদীর উপরে একটা কাঠের সেতু তৈরি করে। প্রায় তিনশ বছর পর, এই কাঠের সেতুর জায়গায় ওল্ড লন্ডন ব্রিজ তৈরি করা হয় যার কথা ইতিহাসে ও স্কুলের বাচ্চাদের কবিতায় বার বার পাওয়া যায়।

যখন ১ম এলিজাবেথ ইংল্যান্ডের রানি হন, তখন ওল্ড লন্ডন ব্রিজ কেবল পাথরের এক দুর্গই ছিল না। সেই সেতুর ওপরে অনেক বিল্ডিং তৈরি করা হয়েছিল। নিচের তলায় অনেক দোকান ছিল। আর ওপরের তলাগুলোয়? সেখানে ধনী ব্যবসায়ী এবং রাজসভার সদস্যেরাও বাস করতেন। লন্ডন ব্রিজ লন্ডন সমাজের এক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিণত হয়েছিল। সেখানকার দোকান ও বাসভবনগুলো থেকে যে ভাড়া পাওয়া যেত তা দিয়ে সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ করা হতো আর লন্ডন ব্রিজ দিয়ে পার হওয়ার জন্য টোল নেওয়া হতো!

যখন ইউরোপীয়রা কাঠ ও পাথর দিয়ে সেতু তৈরি করতে ব্যস্ত ছিল তখন দক্ষিণ আমেরিকার ইনকাস উপজাতি দড়ি দিয়ে সেতু তৈরি করছিল। এর এক জলন্ত প্রমাণ হল সান লুইস রে সেতু, যেটা পেরুর আপুরিম্যাক নদীর ওপরে বানানো হয়েছিল। ইনকাসরা একরকম গাছের আঁশ বের করে সেগুলোকে একসঙ্গে পাকিয়ে মোটা করে দড়ি তৈরি করেছিল যা একজন মানুষের মতো পুরু হতো। তারা দড়িগুলোকে নদীর এপার থেকে ওপার পর্যন্ত পাথরের স্তম্ভগুলোর ওপর বিছিয়ে দিয়েছিল। এরপর দুই প্রান্তের দড়িগুলো শক্ত করে আটকানোর পর তারা একটা পথ তৈরির জন্য কাঠের তক্তা পেতে দিয়েছিল। এই সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীরা প্রতি দুবছর অন্তর অন্তর দড়িগুলোকে বদলাত। এই সেতু এত মজবুত করে বানানো হয়েছিল এবং এটাকে এত ভালভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হতো যে সেটা পাঁচশ বছর ধরে টিকে ছিল!

সেতু আর আমাদের বদলাতে থাকা চাহিদা

সেতুগুলোকে এমনভাবে তৈরি করতে হতো যাতে সেগুলো ভূমিকম্প, ঝড়ো হাওয়া এবং তাপমাত্রার ওঠানামা সত্ত্বেও টিকে থাকে। আর আমরা দেখেছি যে আজ পর্যন্ত স্থপতিরা সেতু বানানোর জন্য কাঠ, ইট বা পাথর ব্যবহার করেন। উনবিংশ শতাব্দীর শেষে যখন মোটর গাড়ি চালু হয়, তখন ভারী যানবাহন চলাচলের জন্য আগের সেতুগুলোকে আরও মজবুত ও বড় করার প্রয়োজন পড়ে।

আর যখন বাষ্পীয় ইঞ্জিনওয়ালা রেলগাড়ি তৈরি হয়, তখন সেতু বানানোয় ও তার নকশা তৈরিতে অনেক উন্নতি হয়েছিল। রেলগাড়ির জন্য যে রাস্তাগুলো সবচেয়ে উপযোগী ছিল সেখানে প্রায়ই বড় খাল অথবা গভীর খাদ ছিল। ফাঁকা জায়গার ওপর কি কোন সেতু বানানো সম্ভব আর সেতুগুলো কি বড় বড় রেলগাড়ির ওজন বইতে পারবে? সেই সময় থেকে ঢালাই লোহা দিয়ে সেতুগুলো বানানো শুরু হয়। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকের সবচেয়ে বিখ্যাত সেতুটি হল নর্থ ওয়েলসের মেনাই স্ট্রেইটের উপর ঝুলন্ত সেতু, যেটার নকশা করেছিলেন স্কটিশ স্থপতি থমাস টেলফোর্ড আর ১৮২৬ সালে এটা বানানো শেষ হয়েছিল। এটা ১৭৬ মিটার লম্বা আর এখনও এটাকে ব্যবহার করা হয়! কিন্তু ঢালাই লোহা সহজেই ভেঙে যায় ফলে প্রায়ই সেতুগুলো ভেঙে যেত। ১৮০০ দশকের শেষের দিকে ইস্পাতের উৎপাদন শুরু হয়। দীর্ঘস্থায়ী ও নিরাপদ সেতু তৈরির জন্য এই ধাতুতে সবরকমের উপাদান ছিল।

বিভিন্ন রকমের সেতু

মূলত সাত রকমের সেতু রয়েছে। (ওপরের বাক্স দেখুন।) এখানে আমরা শুধু দুরকম সেতুর বিষয়ে দেখব।

ক্যান্টিলিভার সেতুগুলোতে নদীর দুই প্রান্তে দুটো বিরাট স্তম্ভ থাকে। সুইমিংপুলের কিনারায় যেমন থাকে, অনেকটা সেভাবেই প্রতিটা স্তম্ভে বিম লাগানো হয়। সেতু তৈরি পুরো করার জন্য বিমগুলোকে মাঝখানে একটা মজবুত বিমের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

যে নদীতে প্রচণ্ড ঢেউ থাকে কিংবা যে নদীগর্ভ খুব নরম থাকে, সেসব নদীতে প্রায়ই ক্যান্টিলিভার সেতু বানানো হয় কারণ এই সেতুর পিলারগুলোকে নদী গর্ভে পোঁতার দরকার হয় না। ক্যান্টিলিভার সেতু খুবই মজবুত বলে এখানে সহজেই ভারী যানবাহন, যেমন রেলগাড়ি চলতে পারে।

আপনি হয়তো সার্কাসের খেলোয়াড়কে একটা টানা দড়ির ওপর দিয়ে হেঁটে যেতে দেখেছেন। আপনি কি জানেন যে তিনি আসলে একটা সেতুর ওপর দিয়ে হাঁটছিলেন—একটা ঝুলন্ত সেতুর ওপর দিয়ে? আজকে কিছু ঝুলন্ত সেতু ও সেই টানা দড়ির মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। একটা মজবুত তারকে দুই প্রান্তে শক্ত করে আটকিয়ে এগুলো তৈরি করা হয় আর তারের সঙ্গে একটা ঝুড়ি ঝুলানো হয়। যাত্রীরা সেই ঝুড়ির মধ্যে বসেন এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না অন্য পারে গিয়ে পৌঁছান ততক্ষণ সামান্য নিচু হয়ে কোণাকুণিভাবে নিজেকে সামনের দিকে ধাক্কা দিতে থাকেন ও সেতু পার হয়ে যান। পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গার লোকেরা সাধারণত দড়ির সেতুই বেশি ব্যবহার করেন।

দড়ির তৈরি কোন সেতুর উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার কথা ভাবতেই আপনি হয়তো ভয় পাচ্ছেন। লোহার শিকল ও ইস্পাতের তার উদ্ভাবনের পর, বড় বড় ঝুলন্ত সেতুও তৈরি হতে থাকে যার ওপর দিয়ে ভারী যানবাহন যাতায়াত করতে পারে। আজকালকার ঝুলন্ত সেতুগুলো প্রায় ১২০০ মিটার বা তার চেয়েও বেশি লম্বা হয়ে থাকে। ঝুলন্ত সেতুতে সাধারণত ইস্পাতের তৈরি দুটো পিলার থাকে যেগুলোর প্রত্যেকটা একটা স্তম্ভকে আটকে রাখে। অসংখ্য তার দিয়ে তৈরি ইস্পাতের পাতগুলো নিচে সেতু থেকে নিয়ে স্তম্ভের সঙ্গে বেঁধে দেওয়া হয়। এই পাতগুলোই যানবাহন ও সেতুর পুরো ভার বহন করে। যদি ঠিক করে বানানো যায়, তবে ঝুলন্ত সেতুই বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ সেতু বলে প্রমাণিত হয়।

এই পর্যন্ত আপনি হয়তো সেতুগুলোকে কোন গুরুত্বই দেননি। কিন্তু, এখন যখন আপনি কোন সেতুর ওপর দিয়ে যাচ্ছেন, নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন: ‘এই সেতুর সম্বন্ধে আমি কী জানি? এটা কবে বানানো হয়েছে?’ সেতুটাকে ভাল করে দেখুন। এটা কি ক্যান্টিলিভার, ঝুলন্ত না অন্য কোন সেতু? এই নকশাকেই কেন বেছে নেওয়া হয়েছে?

আর সেতু পার হওয়ার সময় নিচের দিকে তাকান ও ভাবুন: ‘এটা না থাকলে আমার কী হতো?’

[১২ পৃষ্ঠার বাক্স//চিত্র]

সেতুর নকশা

১. গার্ডার সেতু সাধারণত রাজপথের জন্য ব্যবহার করা হয়। এই সেতুগুলো স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। এই সেতুগুলো প্রায় ৩০০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।

২. .ট্রাস সেতু ত্রিকোণাকৃতি কাঠামোর মাধ্যমে দাঁড়িয়ে থাকে। এই সেতুগুলো সাধারণত রেলপথের জন্য ব্যবহার করা হয় এবং গভীর গিরিখাত, নদী ও অন্যান্য দুর্গম জায়গা পার হওয়ার জন্য এগুলো বানানো হয়।

৩. তোরণাকার সেতুর প্রতিটা স্তম্ভ তোরণের মতো। এই সেতু প্রাচীনকালের যে ধরনের সেতুগুলো বানানো হতো সেগুলোর একটা। রোমীয়রা তাদের কৃত্রিম জলপ্রণালী ও রাস্তায় ব্যবহারের জন্য এইরকম সেতু তৈরি করেছিল আর এই সেতুতে তোরণগুলোকে দৃঢ়ভাবে আটকানোর জন্য একটা পাথর ব্যবহার করা হতো। এই সেতুগুলোর বেশ কয়েকটা এখনও রয়েছে।

৪. ক্যাবল-স্টেইড সেতু প্রায় ঝুলন্ত সেতুর মতোই। কিন্তু এই সেতুতে ক্যাবলগুলো সরাসরি স্তম্ভের সঙ্গে যুক্ত।

৫. অস্থায়ী সেতুগুলোকে জাহাজ চলাচলের জন্য ওপরে ওঠানো কিংবা পাশে সরানো যায়। লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজ হল এর উদাহরণ।

৬. ক্যান্টিলিভার সেতু সম্বন্ধে এই প্রবন্ধে আলোচনা করা হয়েছে।

৭. ঝুলন্ত সেতুর বিষয় প্রবন্ধে আলোচনা করা হয়েছে।—ওয়ার্ল্ড বুক এনসাইক্লোপিডিয়া, ১৯৯৪.

[১৩ পৃষ্ঠার তালিকা]

কয়েকটা বিখ্যাত সেতু

ঝুলন্ত

স্টোরবেল্ট ডেনমার্ক ১,৬২৪ মি

ব্রুকলিন আমেরিকা ৪৮৬ মি

গোল্ডেন গেইট আমেরিকা ১,২৮০ মি

জিয়ানগিন ইয়াংজি চীন ১,৩৮৫ মি

ক্যান্টিলিভার

ফোর্থ (দুই স্তম্ভ) স্কটল্যান্ড ৫২১ মি প্রতিটা

কুইবেক কানাডা ৫৪৯ মি

হাওড়া ভারত ৪৫৭ মি

স্টিল আর্ক

সিডনী হারবার অস্ট্রেলিয়া ৫০০ মি

বার্কনাফ জিম্বাবোয়ে ৩২৯ মি

ক্যাবল-স্টেইড

পন ডে নরমান্ডি ফ্রান্স ৮৫৬ মি

স্কারসানডেট নরওয়ে ৫৩০ মি

[১০ পৃষ্ঠার চিত্র]

স্পেনের আলমেরিয়াতে প্রাচীন তোরণাকার সেতুর ওপরে আজকের গার্ডার সেতু

[১৩ পৃষ্ঠার চিত্র]

ব্রুকলিন সেতু, নিউ ইয়র্ক, আমেরিকা (ঝুলন্ত)

[১৩ পৃষ্ঠার চিত্র]

টাওয়ার ব্রিজ, লন্ডন, ইংল্যান্ড (অস্থায়ী)

[১৩ পৃষ্ঠার চিত্র]

সিডনি হারবার সেতু, অস্ট্রেলিয়া (তোরণাকার)

[১৩ পৃষ্ঠার চিত্র]

সেটো ওহাসি, জাপান (ক্যাবল-স্টেইড)

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার