আমাদের পাঠক-পাঠিকাদের থেকে
স্ট্রোক “স্ট্রোকের সঙ্গে মোকাবিলা করা” (ফেব্রুয়ারি ৮, ১৯৯৮, ইংরাজি) ধারাবাহিক প্রবন্ধগুলো ছিল আমার প্রার্থনার উত্তর। কয়েক বছর আগে আমি ও আমার স্বামী যখন সম্মেলনে ছিলাম তখন আমার স্বামীর স্ট্রোক হয়। তিনি যখন আমাকে কিছু লিখে দেবার চেষ্টা করেন তখন তার হাত ফসকে যায়; তার ডান দিক পুরো অবশ হয়ে যায়। প্রবন্ধটা আমার জন্য যে কত করেছে তা আমি বলে বোঝাতে পারব না। যিহোবা যে আমাদেরকে ভুলে যাননি তা জানা আমাদের জন্য খুবই সান্ত্বনাজনক।
এফ. এস. এইচ., যুক্তরাষ্ট্র
এই পত্রিকা পাওয়ার কয়েক ঘন্টা আগে আমি আমার স্ত্রীকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম যে স্ট্রোক হওয়ার পর আমার কেমন লাগছিল কিন্তু আমি ঠিকমতো বোঝাতে পারিনি। এর মধ্যে আমি তিন বার পত্রিকাটা পড়ে ফেলেছি। আমার স্ত্রীও এটা পড়েছেন।
আর. জেড., ইতালি
গত বছর আমার বাবা স্ট্রোকে মারা যান। তিনি অনেক বছর ধরে যিহোবার একজন বিশ্বস্ত সেবক ছিলেন। বাবা মারা যাওয়ার আগে যে রকম ব্যবহার করেছিলেন তা বুঝতে এই প্রবন্ধটা আমাকে সাহায্য করেছে। এই প্রবন্ধে সুন্দরভাবে বলা হয়েছে যে স্ট্রোক হলে কোন্ কোন্ আবেগগত পরিবর্তন হয় আর স্ট্রোক হলে সেই ব্যক্তির অন্যদেরকে তার কথা বোঝানো কেন সমস্যা হয়। আর এটা পড়ে আমি এখন ভালভাবে বুঝেছি যে আমার বাবা কত কষ্টই না পেয়েছিলেন।
ভি. সি., যুক্তরাষ্ট্র
এক বছর আগে আমার স্ট্রোক হয়েছিল আর এখনও আমার বাঁ দিকটা দুর্বল। স্ট্রোক সম্বন্ধে যে ভুল ধারণা ও ভয় রয়েছে এই প্রবন্ধগুলো তা দূর করে দেবে। বয়স্ক ব্যক্তিদেরই যে শুধু স্ট্রোক হয় এই ধারণা একেবারেই ঠিক নয়। আমার স্ট্রোক হয় যখন আমার বয়স ছিল ৪৭ বছর।
এ. এ., ইংল্যান্ড
এই প্রবন্ধ আমাকে আমার মেয়ে লুসিয়ার অবস্থা খুব ভালভাবে বুঝতে সাহায্য করেছে। মাত্র দুই মাস বয়সে এক দুর্ঘটনায় সে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছিল। সে তার অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে না। কেন সে তা পারে না সেই বিষয়টা বুঝতে এই প্রবন্ধ আমাকে সাহায্য করেছে।
এন. কে., স্লোভাকিয়া
আমি একটা পুনর্বাসন কেন্দ্রের নার্স এবং স্ট্রোকের রোগীদের দেখাশোনা করার অভিজ্ঞতা আমার অনেক হয়েছে। এই প্রবন্ধের যে বিষয়টা আমার সবচেয়ে বেশি ভাল লেগেছে তা হল স্ট্রোকের রোগীর পরিবারের ওপর দিয়ে যে ঝড় বয়ে যায় তা এখানে খুবই সহানুভূতির সঙ্গে বলা হয়েছে।
এল. সি., যুক্তরাষ্ট্র
আমার মা কিছু দিনের জন্য রক্তশূন্যতায় ভুগেছিলেন। শারীরিক দিক দিয়ে তিনি প্রায় সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠলেও মানসিক দিয়ে তিনি অসুস্থ ছিলেন। তিনি খুবই দৃঢ় আর আত্মবিশ্বাসী ছিলেন কিন্তু ইদানীং তিনি মনের দিক থেকে খুবই কমজোরি হয়ে পড়েছেন। এই রোগ মনের উপরও যে কতখানি প্রভাব ফেলে তা সুন্দরভাবে বর্ণনা করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আর. কে., ইতালি
দুই বছর আগে আমার মার দুবার স্ট্রোক হয়। প্রথমবারে তিনি স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন আর দ্বিতীয় বার তার ডান দিক অবশ হয়ে গিয়েছিল। মাঝে মাঝে আমি ধৈর্য হারিয়ে ফেলে বিরক্ত হয়ে তাকে দুঃখ দিয়ে কথা বলে ফেলি। আপনাদের প্রবন্ধ আমাকে আরও সহানুভূতিশীল হতে সাহায্য করেছে।
আর. টি. এস., ব্রাজিল