ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • g৯৮ ১/৮ পৃষ্ঠা ২৯
  • বিশ্ব নিরীক্ষা

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • বিশ্ব নিরীক্ষা
  • ১৯৯৮ সচেতন থাক!
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • টোকিওর ভ্রমণকারী কাকেরা
  • প্রাকৃতিক সম্পদ হুমকির সম্মুখীন
  • মাতৃদুগ্ধ পান করা উভয় সংকটে
  • বিশ্বের স্বাস্থ্যবিধির অবনতি হচ্ছে
  • অসাধারণ বন্ধুত্ব
  • গুটেনবার্গ বাইবেল আবিষ্কৃত
  • গুটেনবার্গ—যেভাবে তিনি পৃথিবীকে ধনবান করেছিলেন!
    ২০০১ সচেতন থাক!
  • এক সৈন্যবাহিনী এগিয়ে আসছে!
    ২০০৩ সচেতন থাক!
  • মায়ের দুধের সপক্ষে প্রমাণ
    ১৯৯৪ সচেতন থাক!
১৯৯৮ সচেতন থাক!
g৯৮ ১/৮ পৃষ্ঠা ২৯

বিশ্ব নিরীক্ষা

টোকিওর ভ্রমণকারী কাকেরা

জাপানের টোকিওতে, কাকেরা প্রতিদিন শহর ও শহরতলির মধ্যে ভ্রমণ করার অভ্যাস গড়ে তুলেছে, দ্যা ডেইলি ইয়োমিউরি বিবৃতি দেয়। পাখি বিশেষজ্ঞগণ বলেন যে কয়েক বছর আগেই এটি শুরু হয়, যখন টোকিওর পার্কগুলিতে ও মন্দির এলাকায় কাকেদের সংখ্যা এত বৃদ্ধি পায় যে কাকেরা অন্য কোন জায়গায় তাদের বাসা বাঁধতে বাধ্য হয়েছিল। এরপরই এরা শহরতলির জীবনের সুবিধাগুলি আবিষ্কার করেছিল। কিন্তু, একটি বিষয়ের অভাব এরা বোধ করেছিল, তা হল শহুরে লোভনীয় খাবার—আবর্জনা ও অপ্রয়োজনীয় বাড়তি খাদ্য। “বেতনভোগী কর্মচারীদের অনুরূপ, ভ্রমণকারী আদর্শ” গড়ে তোলার মাধ্যমে এরা সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠেছে। খাদ্যের অন্বেষণে এরা সকাল বেলা শহুরে এলাকাগুলিতে উড়ে যায়,” দ্যা ডেইলি ইয়োমিউরি বলে, “তারপর সন্ধ্যাবেলায় এরা আবার শহরতলিতে ফিরে আসে।”

প্রাকৃতিক সম্পদ হুমকির সম্মুখীন

উদ্ভিদ ও প্রাণীতে সমৃদ্ধ ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলের প্রায় ৬৫০ প্রজাতির উদ্ভিদ ও ৭০ প্রজাতির প্রাণীর জীবন, বর্তমানে আশঙ্কাগ্রস্ত বলে তালিকাবদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশের সীমানার কাছে অবস্থিত মেঘালয় রাজ্যের অস্থায়ী বাস্তব্যতন্ত্র, ১৮টি ‘তাৎক্ষণিক মনোযোগের প্রয়োজন স্থান’ এর একটি হিসাবে চিহ্নিত হয়ে এসেছে, যেখানে জীবের বৈচিত্র্যতা ঝুঁকির সম্মুখীন। দি এশিয়ান এইজ এর বিবৃতি অনুযায়ী বাস্তব্যতন্ত্র, অন্যান্য কারণগুলি ছাড়াও মানুষের ধ্বংস ও বেআইনি শিকারের কারণে আক্রমণের সম্মুখীন হয়েছে। ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলের সাতটি রাষ্ট্রের জীবের বৈচিত্র্যতা, দেশের অন্যান্য অংশের চেয়ে বাস্তুসংস্থানিক দিক দিয়ে অধিক অস্থায়ী ও স্পর্শকাতর স্থান হিসাবে বিবেচিত হয়।

মাতৃদুগ্ধ পান করা উভয় সংকটে

“দুই দশক ধরে, চিকিৎসক এবং গণ স্বাস্থ্য সংস্থাগুলি অধিক দরিদ্র দেশগুলির নতুন মায়েদের প্রতি এই একই পরামর্শ প্রদান করে এসেছে: স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য আপনাদের শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ান,” দ্যা নিউ ইয়র্ক টাইমস বলে। “কিন্তু বিশ্বব্যাপী এইডস এর প্রাদুর্ভাব এখন সেই সহজ সমীকরণকে উল্টে দিচ্ছে। গবেষণাগুলি দেখাচ্ছে যে এইডস ভাইরাসে আক্রান্ত মায়েরা তাদের বুকের দুধের মাধ্যমে লক্ষণীয় হারে এটিকে বিস্তার করতে পারেন। . . . সম্প্রতি রাষ্ট্র সংঘ হিসাব করেছে যে এইচ.আই.ভি. ভাইরাসে আক্রান্ত সমস্ত শিশুর এক-তৃতীয়াংশ তাদের মায়ের দুধের মাধ্যমে এটি পেয়েছে।” এর বিকল্প হচ্ছে শিশু খাদ্য, কিন্তু সেটির আবার সমস্যা রয়েছে। অনেক দেশে সেই খাদ্য যোগাতে মায়েদের সামর্থের অভাব অথবা বোতল জীবাণুমুক্ত করার আর বিশুদ্ধ জলেরও অভাব রয়েছে। ফলস্বরূপ শিশুরা ডায়রিয়া ও জলশূন্যতা আর সেই সাথে শ্বাসসংক্রান্ত ও পরিপাকজনিত রোগে ভোগে। দরিদ্র পরিবারগুলি উপাদানের চেয়ে অনেক বেশি জল মেশায় যা শিশুদের অপুত্ত্রষ্টর কারণ। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এই দুটি বিষয়ে ভারসাম্য আনার জন্য কঠোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশ্বব্যাপী প্রতিদিন এইচআইভি সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ১,০০০ এরও বেশি নতুন শিশু ও সন্তানদের পাওয়া যাচ্ছে।

বিশ্বের স্বাস্থ্যবিধির অবনতি হচ্ছে

“প্রায় ৩০০ কোটি লোক, অর্থাৎ বিশ্বের জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি লোকের এমনকি ন্যূনতম স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার তৈরি করার সামর্থ নেই,” দ্যা নিউ ইয়র্ক টাইমস্‌ বিবৃতি দেয়। ইউনিসেফ (ইউনাইটেড ন্যাশনস্‌ চিলড্রেনস্‌ ফান্ড) এর দ্বারা পরিচালিত জাতির উন্নতি নামক বার্ষিক সমীক্ষা, এই তথ্যগুলি ছাড়াও আরও প্রকাশ করে যে “বিশ্বব্যাপী যে বিষয়গুলি ভালর দিকে নয়, কেবল অবনতির দিকে যাচ্ছে, স্বাস্থ্যবিধির পরিসংখ্যান সেগুলির মধ্যে রয়েছে।” উদাহরণস্বরূপ, কিছু দেশ যেগুলি দরিদ্রদের জন্য বিশুদ্ধ জল সরবরাহ করায় উন্নতি করেছে, যখন আবর্জনা নিষ্কাশনের বিষয়টি আসে তখন তাতে অত্যন্ত ঘাটতি দেখা যায়। এই মৌলিক স্বাস্থ্যবিধানের অভাব, নতুন মহামারী বিস্তৃতিতে ও পুরনো রোগগুলির নবজীবন লাভে লক্ষণীয় অবদান রাখে, বিবৃতিটি জানায়। গণনা করা হয় যে প্রতি বছর ২০ লক্ষেরও বেশি শিশু অস্বাস্থ্যকর অবস্থার সাথে যুক্ত অসুস্থতার দরুণ মারা যায়। এই বিষয়ের লেখক, আক্তার হামিদ খান বলেন: “আপনার মধ্যযুগীয় স্বাস্থ্যবিধি থাকলে, মধ্যযুগীয় রোগগুলিও থাকবে।”

অসাধারণ বন্ধুত্ব

ব্ধপপড়ে ও আফ্রিকার অ্যাকাসিয়া গাছের বন্ধুত্ব দেখে বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত বিস্মিত হয়েছেন। গাছগুলি ব্ধপপড়েদের খাদ্য ও আশ্রয় প্রদান করে। অপরদিকে ব্ধপপড়ে, যে কীটপতঙ্গগুলি গাছের ক্ষতি সাধন করে সেগুলিকে আক্রমণ করে আর যে প্রাণীরা এর পাতা ব্ধছড়ে খায় তাদের হুল ফুটিয়ে দেয়। আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় যে গাছগুলি তাদের অস্তিত্বের জন্য এই প্রতিরক্ষার উপর নির্ভরশীল। কিন্তু গাছগুলির তাদের ফুলের পরাগায়নের জন্য উড়ন্ত কীটপতঙ্গেরও প্রয়োজন রয়েছে। তাহলে পরাগ বহনকারী কীটপতঙ্গগুলি কিভাবে তাদের কাজ করার সুযোগ পায়? বিজ্ঞান বিষয়ক পত্রিকা প্রকৃতি (ইংরাজি) অনুসারে, গাছের “ফুলগুলি যখন উৎপাদনের চূড়ান্ত মুহূর্তে থাকে” তখন এগুলি এক প্রকারের রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত করে, যা ব্ধপপড়েদের নিবৃত্ত করে বলে মনে হয়। এই বিষয়টি, “চূড়ান্ত মুহূর্তে” কীটপতঙ্গদের ফুলগুলির কাছে আসার সুযোগ করে দেয়। তারপর ফুলগুলি পরাগিত হয়ে যাওয়ার পর, ব্ধপপড়েরা আবার তাদের পাহারার কাজে ফিরে যায়।

গুটেনবার্গ বাইবেল আবিষ্কৃত

যোহান্স গুটেনবার্গ কর্তৃক পঞ্চদশ শতাব্দীতে মুদ্রিত বাইবেলের একটি অংশ জার্মানির রেন্ডস্‌বার্গের একটি গির্জার দলিলপত্রাদির সংরক্ষণাগারে আবিষ্কৃত হয়েছে। ১৯৯৬ সালের প্রথম দিকে এর আবিষ্কারের পর, ১৫০ পৃষ্ঠা সম্বলিত বাইবেলের অংশটি যে প্রকৃতই গুটেনবার্গ, তা নিশ্চিত করার আগে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করা হয়েছিল, উইসবাডেনার কুয়েরার বিবৃতি দেয়। বিশ্বব্যাপী ৪৮টি গুটেনবার্গ বাইবেল রয়েছে বলে জানা যায়, যেগুলির মধ্যে ২০টি সম্পূর্ণ। “যোহান্স গুটেনবার্গের দ্বারা মুদ্রিত বিখ্যাত দুই-খণ্ডের বাইবেলটি, বই মুদ্রণের ক্ষেত্রে প্রথম দক্ষতাপূর্ণ কাজ হিসাবে বিবেচিত হয়,” সংবাদপত্রটি বলে। সাম্প্রতিক আবিষ্কারের “সেই অস্পৃষ্ট শিকলসহ মূল বইটি এখনও রয়েছে, যার দ্বারা এটির চুরি রোধ করতে বাইবেলটিকে মঞ্চের সাথে বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।”

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার