ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w20 মে পৃষ্ঠা ৮-১১
  • শেষকালে দুই জন রাজা একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করে

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • শেষকালে দুই জন রাজা একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করে
  • প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০২০
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • কারা শেষকালে “উত্তর দেশের রাজা” হয়ে ওঠে?
    প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০২০
  • “যাহা যাহা শীঘ্র ঘটিবে,” তা যিহোবা প্রকাশ করেন
    ২০১২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • বর্তমানে “উত্তর দেশের রাজা” কে?
    প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০২০
  • প্রকাশিত বাক্যে ঈশ্বরের শত্রুদের ধ্বংসের বার্তা
    প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০২২
আরও দেখুন
প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য সম্বন্ধে ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০২০
w20 মে পৃষ্ঠা ৮-১১

শেষকালে দুই জন রাজা একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করে

বিরুদ্ধে লড়াই করে এই তালিকায় দেওয়া ভবিষ্যদ্‌বাণীগুলোর মধ্যে কোনো কোনো ভবিষ্যদ্‌বাণী এমন কিছু ঘটনার বিষয়ে বলে, যেগুলো একই সময়ে ঘটে। সেইসমস্ত ভবিষ্যদ্‌বাণী এটা প্রমাণ করে যে, আমরা ‘শেষকালে’ বাস করছি।—দানি. ১২:৪.

এই তালিকায় কিছু ভবিষ্যদ্‌বাণী এবং ১৮৭০ সাল থেকে আমাদের দিন পর্যন্ত উত্তর দেশের রাজা এবং দক্ষিণ দেশের রাজার পরিচয় দেখানো হয়েছে।
  • প্রথম তালিকা, শেষকালে যে-ভবিষ্যদ্‌বাণীগুলো একে অপরের সঙ্গে জড়িত, সেই সম্বন্ধে এবং ১৮৭০ সাল থেকে ১৯১৮ সালের ঘটনা সম্বন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৯১৪ সালকে শেষকালের শুরু হিসেবে শনাক্ত করা হয়। ভবিষ্যদ্‌বাণী ১: সপ্ত মস্তকবিশিষ্ট একটা পশু, যেটা তালিকায় দেওয়া সময়ের আগে থেকে রয়েছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ে পশুর সপ্তম মস্তক আঘাত পায়। ১৯১৭ সালে সপ্তম মস্তক সুস্থ হয়ে ওঠে এবং আবারও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ভবিষ্যদ্‌বাণী ২: ১৮৭১ সালে উত্তর দেশের রাজাকে এবং ১৮৭০ সালে দক্ষিণ দেশের রাজাকে শনাক্ত করা হয়। ১৮৭১ সালে পুনরায় উত্তর দেশের রাজা আবির্ভূত হয়, এবার তা জার্মানি হিসেবে। গ্রেট ব্রিটেনকে প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ দেশের রাজা হিসেবে শনাক্ত করা হয় কিন্তু ১৯১৭ সালে অ্যাংলো-আমেরিকা বিশ্বশক্তি তার জায়গা নেয়। ভবিষ্যদ্‌বাণী ৩: ১৮৭০-রের দশক থেকে ভাই চার্ল টি. রাসেল এবং তার সহযোগীদের ‘দূত’ হিসেবে শনাক্ত করা হয়। ১৮৮০-র দশকের শুরুর দিকে ‘জায়ন্স ওয়াচ টাওয়ার’ তার পাঠকদের সুসমাচার প্রচার করার জন্য উৎসাহিত করে। ভবিষ্যদ্‌বাণী ৪: ১৯১৪ সাল থেকে শস্যছেদনের সময়। গম থেকে শ্যামাঘাস পৃথক করা হয়। ভবিষ্যদ্‌বাণী ৫: ১৯১৭ সাল থেকে লৌহ ও মৃত্তিকার চরণ আবির্ভূত হয়। এ ছাড়া, দেখানো হয়েছে: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ অর্থাৎ ১৯১৪ সাল থেকে ১৯১৮ সালের মধ্যবর্তী বিশ্বব্যাপী ঘটনাগুলো। যে-ঘটনাগুলো যিহোবার লোকেদের প্রভাবিত করে: ১৯১৪ সাল থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত ব্রিটেন ও জার্মানির বাইবেল ছাত্রদের কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়। ১৯১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বপ্রধান কার্যালয়ের ভাইদের কারাগারে বন্দি করা হয়।
    ভবিষ্যদ্‌বাণী ১.

    শাস্ত্রপদ: প্রকা. ১১:৭; ১২:১৩, ১৭, ১৮; ১৩:১-৮, ১২

    ভবিষ্যদ্‌বাণী: “পশু”পৃথিবীর লোকেদের উপর ৩,০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে শাসন করেছে। শেষকালে এটির সপ্তম মস্তক আঘাত পায়। পরবর্তী সময়ে সেই মস্তক সুস্থ হয় এবং “সমুদয় পৃথিবী” সেই পশুকে অনুসরণ করে। শয়তান ‘অবশিষ্ট লোকদের সহিত যুদ্ধ করিবার’ জন্য এই পশুকে ব্যবহার করে।

    পরিপূর্ণতা: জলপ্লাবনের পর এমন কিছু মানব সরকার আবির্ভূত হয়, যারা যিহোবার বিরোধিতা করে। এই জলপ্লাবনের ৩,০০০ বছরেরও বেশি সময় পর প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ব্রিটিশ সাম্রাজ্য খুবই দুর্বল হয়ে পড়ে। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়ার পর এটা আবারও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। বিশেষভাবে শেষকালে, শয়তান ঈশ্বরের লোকেদের উপর তাড়না নিয়ে আসার জন্য সমস্ত রাজনৈতিক ক্ষমতাকে ব্যবহার করে।

  • ভবিষ্যদ্‌বাণী ২.

    শাস্ত্রপদ: দানি. ১১:২৫-৪৫

    ভবিষ্যদ্‌বাণী: উত্তর দেশের রাজা এবং দক্ষিণ দেশের রাজা আধিপত্য বিস্তার করার জন্য একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করে।

    পরিপূর্ণতা: জার্মানি অ্যাংলো-আমেরিকার সঙ্গে লড়াই করে। ১৯৪৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং তার সহযোগীরা উত্তর দেশের রাজা হয়ে ওঠে। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হয় এবং পরবর্তী সময়ে রাশিয়া এবং তার সহযোগীরা উত্তর দেশের রাজা হয়ে ওঠে।

  • ভবিষ্যদ্‌বাণী ৩.

    শাস্ত্রপদ: যিশা. ৬১:১; মালাখি ৩:১; লূক ৪:১৮

    ভবিষ্যদ্‌বাণী: মশীহ রাজ্য স্থাপন করার আগে ‘পথ প্রস্তুত করিবার’ জন্য যিহোবা তাঁর “দূতকে” পাঠান। এই ‘দূত’ “নম্রগণের কাছে সুসমাচার প্রচার করিতে” শুরু করে।

    পরিপূর্ণতা: ১৮৭০-রের দশক থেকে ভাই সি. টি. রাসেল এবং তার সহযোগীরা বাইবেলের সত্য সম্বন্ধে ব্যাখ্যা করার জন্য উদ্যোগের সঙ্গে কাজ করেন। ১৮৮০-র দশকে তারা এই বিষয়টা তুলে ধরতে শুরু করেন যে, ঈশ্বরের দাসদের প্রচার করতে হবে। তারা কিছু প্রবন্ধ প্রকাশ করেন যেমন, “১,০০০ জন প্রচারক চাই” এবং “প্রচার করার জন্য অভিষিক্ত।”

  • ভবিষ্যদ্‌বাণী ৪.

    শাস্ত্রপদ: মথি ১৩:২৪-৩০, ৩৬-৪৩

    ভবিষ্যদ্‌বাণী: একজন ব্যক্তি জমিতে গমের বীজ বপন করেন। তারপর, সেই একই জমিতে একজন শত্রু শ্যামাঘাসের বীজ বপন করেন। শ্যামাঘাস বৃদ্ধি পায় এবং গমকে ঢেকে ফেলে। শস্য ছেদনের সময়ে গমের মধ্যে থেকে শ্যামাঘাস পৃথক করা হয়।

    পরিপূর্ণতা: ১৮৭০ সালের শুরুর দিক থেকে সত্য ও মিথ্যা খ্রিস্টানদের মধ্যে পার্থক্য দিনের পর দিন স্পষ্ট হতে থাকে। শেষকালে সত্য খ্রিস্টানদের মণ্ডলীতে একত্রিত করা হয় এবং মিথ্যা খ্রিস্টানদের থেকে পৃথক করা হয়।

  • ভবিষ্যদ্‌বাণী ৫.

    শাস্ত্রপদ: দানি. ২:৩১-৩৩, ৪১-৪৩

    ভবিষ্যদ্‌বাণী: বিভিন্ন ধাতু দিয়ে তৈরি প্রতিমার চরণ লৌহ ও মৃত্তিকার দিয়ে তৈরি।

    পরিপূর্ণতা: মৃত্তিকা সেই সাধারণ লোকেদের চিত্রিত করে, যাদের উপর অ্যাংলো-আমেরিকা বিশ্বশক্তি অর্থাৎ ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র শাসন করে। তারা এই সরকারগুলোর বিরোধিতা করে। এই লোকেদের কারণে অ্যাংলো-আমেরিকা বিশ্বশক্তি সম্পূর্ণ ক্ষমতাকে ব্যবহার করতে পারে না।

  • দ্বিতীয় তালিকা, শেষকালে যে-ভবিষ্যদ্‌বাণীগুলো একে অপরের সঙ্গে জড়িত, সেই সম্বন্ধে এবং ১৯১৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সালের ঘটনা সম্বন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে। জার্মানিকে উত্তর দেশের রাজা হিসেবে শনাক্ত করা হয় আর সে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত এই ভূমিকা পালন করে। অ্যাংলো-আমেরিকা বিশ্বশক্তিকে দক্ষিণ দেশের রাজা হিসেবে শনাক্ত করা হয়। ভবিষ্যদ্‌বাণী ৬: ১৯১৯ সালে অভিষিক্ত খ্রিস্টানরা পরিশোধিত মণ্ডলীতে একত্রিত হয়। ১৯১৯ সাল থেকে প্রচার কাজ দিনের পর দিন ক্রমাগত বৃদ্ধি পায়। ভবিষ্যদ্‌বাণী ৭: ১৯২০ সালে লিগ অব নেশন্‌স গঠিত হয় এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত এটা অস্তিত্বে থাকে। এ ছাড়া, দেখানো হয়েছে: ভবিষ্যদ্‌বাণী ১, সপ্ত মস্তকবিশিষ্ট পশু অস্তিত্বে রয়েছে। ভবিষ্যদ্‌বাণী ৫, লৌহ ও মৃত্তিকার চরণ অস্তিত্বে রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অর্থাৎ ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যবর্তী বিশ্বব্যাপী ঘটনাগুলো। যে-ঘটনাগুলো যিহোবার লোকেদের প্রভাবিত করে: ১৯৩৩ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত জার্মানিতে ১১,০০০-রেরও বেশি সাক্ষিকে কারাগারে বন্দি করা হয়। ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ব্রিটেনে প্রায় ১,৬০০ সাক্ষিকে কারাগারে বন্দি করা হয়। ১৯৪০ সাল থেকে ১৯৪৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে হিংস্র জনতা সাক্ষিদের উপর ২,৫০০ বারেরও বেশি আক্রমণ করে।
    ভবিষ্যদ্‌বাণী ৬.

    শাস্ত্রপদ: মথি ১৩:৩০; ২৪:১৪, ৪৫; ২৮:১৯, ২০

    ভবিষ্যদ্‌বাণী: “গোম . . . গোলায়” সংগ্রহ করা হয় এবং ‘বিশ্বস্ত ও বুদ্ধিমান্‌ দাসকে পরিজনের’ উপরে নিযুক্ত করা হয়। “রাজ্যের এই সুসমাচার সমুদয় জগতে” প্রচার করা শুরু হয়।

    পরিপূর্ণতা: ১৯১৯ সালে বিশ্বস্ত দাসকে ঈশ্বরের লোকেদের উপর নিযুক্ত করা হয়। সেই সময় থেকে বাইবেল ছাত্ররা আরও বেশি করে প্রচার করে চলেছে। বর্তমানে, যিহোবার সাক্ষিরা দেশ ও দ্বীপ মিলিয়ে ২০০টারও বেশি জায়গায় প্রচার করে এবং ১,০০০-রেরও বেশি ভাষায় বাইবেলভিত্তিক বিষয়বস্তু প্রকাশ করে।

  • ভবিষ্যদ্‌বাণী ৭.

    শাস্ত্রপদ: দানি. ১২:১১; প্রকা. ১৩:১১, ১৪, ১৫

    ভবিষ্যদ্‌বাণী: দুই শৃঙ্গবিশিষ্ট একটা পশু পৃথিবীর লোকেদের ‘পশুর এক প্রতিমা’ নির্ম্মাণ করতে বলে এবং সেই দুই শৃঙ্গবিশিষ্ট পশু “প্রতিমার মধ্যে নিশ্বাস” প্রদান করে।

    পরিপূর্ণতা: অ্যাংলো-আমেরিকা বিশ্বশক্তির নেতৃত্বে লিগ অব নেশন্‌স গঠিত হয়। এই সংগঠনকে অন্যান্য দেশগুলো সমর্থন করে। পরিশেষে, উত্তর দেশের রাজাও লিগ অব নেশন্‌সকে সমর্থন করে। তবে, তা কেবল ১৯২৬ থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত। লোকেরা বিশ্বাস করত যে, লিগ অব নেশন্‌স বিশ্বশান্তি নিয়ে আসতে পারবে, যেটা বাস্তবে একমাত্র ঈশ্বরের রাজ্যই নিয়ে আসতে পারে। লোকেরা এ-ও বিশ্বাস করে যে, ইউনাইটেড নেশন্‌স (ইউএন) বিশ্বশান্তি নিয়ে আসতে পারবে।

  • তৃতীয় তালিকা, শেষকালে যে-ভবিষ্যদ্‌বাণীগুলো একে অপরের সঙ্গে জড়িত, সেই সম্বন্ধে এবং ১৯৪৫ সাল থেকে ১৯৯১ সালের ঘটনা সম্বন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ও তার সহযোগীদের উত্তর দেশের রাজা হিসেবে শনাক্ত করা হয় আর সে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এই ভূমিকা পালন করে। এরপর থেকে রাশিয়া ও তার সহযোগীরা এই ভূমিকা পালন করে। অ্যাংলো-আমেরিকা বিশ্বশক্তিকে দক্ষিণ দেশের রাজা হিসেবে শনাক্ত করা হয়। ভবিষ্যদ্‌বাণী ৮: পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের ফলে মেঘ তৈরি হয়েছে, যা অ্যাংলো-আমেরিকা বিশ্বশক্তির দ্বারা ঘটানো ব্যাপক ক্ষতিকে নির্দেশ করে। ভবিষ্যদ্‌বাণী ৯: ১৯৪৫ সালে ইউনাইটেড নেশন্‌স গঠিত হয়, আগে এর জায়গায় লিগ অব নেশন্‌স ছিল। এ ছাড়া, দেখানো হয়েছে: ভবিষ্যদ্‌বাণী ১, সপ্ত মস্তকবিশিষ্ট পশু অস্তিত্বে রয়েছে। ভবিষ্যদ্‌বাণী ৫, লৌহ ও মৃত্তিকার চরণ অস্তিত্বে রয়েছে। ভবিষ্যদ্‌বাণী ৬, ১৯৪৫ সালে ১,৫৬,০০০-রেরও বেশি প্রকাশক। ১৯৯১ সালে ৪২,৭৮,০০০-রেরও বেশি প্রকাশক। যে-ঘটনাগুলো যিহোবার লোকেদের প্রভাবিত করে: ১৯৪৫ সাল থেকে ১৯৫০-এর দশক পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়নে হাজার হাজার সাক্ষিকে জোর করে সাইবেরিয়ায় পাঠানো হয়।
    ভবিষ্যদ্‌বাণী ৮.

    শাস্ত্রপদ: দানি. ৮:২৩, ২৪

    ভবিষ্যদ্‌বাণী: একজন ক্রুদ্ধ রাজা “আশ্চর্য্যরূপে বিনাশ” নিয়ে আসে।

    পরিপূর্ণতা: অ্যাংলো-আমেরিকা বিশ্বশক্তি অনেক লোককে হত্যা করেছে এবং প্রচুর ক্ষতি করেছে। উদাহরণ স্বরূপ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে যুক্তরাষ্ট্র একটা দেশের উপর দুটো পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করেছিল, যে-দেশটা ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের শত্রু ছিল। এর ফলে যে-ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, তা তার আগে কখনো হয়নি।

  • ভবিষ্যদ্‌বাণী ৯.

    শাস্ত্রপদ: দানি. ১১:৩১; প্রকা. ১৭:৩, ৭-১১

    ভবিষ্যদ্‌বাণী: দশ শৃঙ্গবিশিষ্ট ‘সিন্দূরবর্ণের’ পশু অগাধলোক থেকে উঠে আসে এবং এটা হল অষ্টম রাজা। দানিয়েল বই এই রাজাকে “ধ্বংসকারী ঘৃণার্হ বস্তু” বলে নির্দেশ করে।

    পরিপূর্ণতা: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে লিগ অব নেশন্‌স-এর পতন হয়। যুদ্ধের পর ইউএনকে “স্থাপন করা” হয়। লিগ অব নেশন্‌স-এর মতোই ইউএনকেও সেই একই সম্মান দেওয়া হয়, যা ঈশ্বরের রাজ্যের প্রাপ্য। ইউএন ধর্মের উপর আক্রমণ করবে।

  • চতুর্থ তালিকা, শেষকালে যে-ভবিষ্যদ্‌বাণীগুলো একে অপরের সঙ্গে জড়িত, সেই সম্বন্ধে এবং বর্তমান সময় থেকে আরমাগিদোনের ঘটনা সম্বন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে। রাশিয়া ও তার সহযোগীদের উত্তর দেশের রাজা হিসেবে শনাক্ত করা হয়। অ্যাংলো-আমেরিকা বিশ্বশক্তিকে দক্ষিণ দেশের রাজা হিসেবে শনাক্ত করা হয়। ভবিষ্যদ্‌বাণী ১০: জগতের নেতারা “শান্তি ও অভয়” ঘোষণা করে। তারপর, মহাক্লেশ শুরু হয়। ভবিষ্যদ্‌বাণী ১১: জাতিগুলো মিথ্যা ধর্মের সংগঠনগুলোর উপর আক্রমণ করে। ভবিষ্যদ্‌বাণী ১২: জগতের সরকারগুলো ঈশ্বরের লোকেদের উপর আক্রমণ করে। অবশিষ্ট অভিষিক্ত ব্যক্তিদের স্বর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। ভবিষ্যদ্‌বাণী ১৩: আরমাগিদোন। যিনি সাদা ঘোড়ার উপর বসে রয়েছেন, তিনি তাঁর জয় সম্পন্ন করেন। সপ্ত মস্তকবিশিষ্ট পশুকে ধ্বংস করা হয়; প্রকাণ্ড প্রতিমার চরণকে ধ্বংস করা হয়, যেটা লৌহ ও মৃত্তিকার দ্বারা নির্মিত। এ ছাড়া, দেখানো হয়েছে: ভবিষ্যদ্‌বাণী ১, সপ্ত মস্তকবিশিষ্ট পশু আরমাগিদোন পর্যন্ত অস্তিত্বে রয়েছে। ভবিষ্যদ্‌বাণী ৫, লৌহ ও মৃত্তিকার চরণ আরমাগিদোন পর্যন্ত অস্তিত্বে রয়েছে। ভবিষ্যদ্‌বাণী ৬, বর্তমানে ৮৬,৮০,০০০-রেরও বেশি প্রকাশক। যে-ঘটনাগুলো যিহোবার লোকেদের প্রভাবিত করে: ২০১৭ সালে রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ সাক্ষিদের কারাগারে বন্দি করে এবং শাখার ভবনগুলো বাজেয়াপ্ত করে।
    ভবিষ্যদ্‌বাণী ১০ ও ১১.

    শাস্ত্রপদ: ১ থিষল. ৫:৩; প্রকা. ১৭:১৬

    ভবিষ্যদ্‌বাণী: জাতিগুলো “শান্তি ও অভয়” ঘোষণা করে আর “দশ শৃঙ্গ” ও ‘পশু’ “বেশ্যাকে” আক্রমণ করে এবং তাকে ধ্বংস করে। তারপর, জাতিগুলোকে ধ্বংস করা হয়।

    পরিপূর্ণতা: জাতিগুলো হয়তো দাবি করতে পারে যে, তারা শান্তি ও অভয় নিয়ে আসতে পেরেছে। তারপর, ইউএন-এর সমর্থনকারী জাতিগুলো মিথ্যা ধর্মের সংগঠনগুলোকে ধ্বংস করবে। এভাবে মহাক্লেশ শুরু হবে। এই ক্লেশ সেই সময়ে শেষ হবে, যখন যিশু আরমাগিদোনের যুদ্ধে শয়তানের জগতের বাকি অংশকে ধ্বংস করবেন।

  • ভবিষ্যদ্‌বাণী ১২.

    শাস্ত্রপদ: যিহি. ৩৮:১১, ১৪-১৭; মথি ২৪:৩১

    ভবিষ্যদ্‌বাণী: গোগ ঈশ্বরের লোকেদের দেশে আক্রমণ করে। তারপর, স্বর্গদূতেরা “মনোনীতদিগকে” একত্রিত করে।

    পরিপূর্ণতা: উত্তর দেশের রাজা এবং অন্যান্য সরকার ঈশ্বরের লোকেদের উপর আক্রমণ করবে। এই আক্রমণ শুরু হওয়ার পর অবশিষ্ট অভিষিক্ত ব্যক্তিদের স্বর্গে একত্রিত করা হবে।

  • ভবিষ্যদ্‌বাণী ১৩.

    শাস্ত্রপদ: যিহি. ৩৮:১৮-২৩; দানি. ২:৩৪, ৩৫, ৪৪, ৪৫; প্রকা. ৬:২; ১৬:১৪, ১৬; ১৭:১৪; ১৯:২০

    ভবিষ্যদ্‌বাণী: ‘শুক্লবর্ণ অশ্বের’ উপর “যিনি বসিয়া আছেন,” তিনি গোগ এবং তার সৈন্যদের ধ্বংস করার মাধ্যমে “জয়” সম্পন্ন করেন। ‘পশুকে অগ্নিহ্রদে নিক্ষেপ’ করা হয় এবং একটা পাথর সেই প্রকাণ্ড প্রতিমাকে ধ্বংস করে।

    পরিপূর্ণতা: ঈশ্বরের রাজ্যের রাজা হিসেবে যিশু ঈশ্বরের লোকদের উদ্ধার করতে আসবেন। ১,৪৪,০০০ জন সহ-শাসক এবং স্বর্গীয়বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে যিশু সমস্ত জাতির জোটকে ধ্বংস করবেন। এভাবে শয়তানের সমগ্র রাজনৈতিক ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে।

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার