ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • ijwfq প্রবন্ধ ৪৪
  • যিহোবার সাক্ষিরা কী বিশ্বাস করে?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • যিহোবার সাক্ষিরা কী বিশ্বাস করে?
  • যিহোবার সাক্ষিদের সম্বন্ধে প্রায়ই জিজ্ঞাস্য প্রশ্ন
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • যিহোবার সাক্ষীরা কী বিশ্বাস করে?
    যিহোবার সাক্ষীরা কী বিশ্বাস করে?
  • ঈশ্বরের রাজ্য কী?
    বাইবেল প্রকৃতপক্ষে কী শিক্ষা দেয়?
  • অনন্ত সুখ স্বর্গে নাকি এই পৃথিবীতে?
    ২০০০ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • যে সরকার পরমদেশ নিয়ে আসবে
    যে সরকার পরমদেশ নিয়ে আসবে
আরও দেখুন
যিহোবার সাক্ষিদের সম্বন্ধে প্রায়ই জিজ্ঞাস্য প্রশ্ন
ijwfq প্রবন্ধ ৪৪
দু-জন যিহোবার সাক্ষি একজন মহিলার কাছে প্রচার করছে

যিহোবার সাক্ষিরা কী বিশ্বাস করে?

আমাদের যিহোবার সাক্ষি বলা হয়। আমরা খ্রিস্টান হিসেবেও পরিচিত। আমরা যিশুর দেওয়া শিক্ষাগুলো মেনে চলি। আমরা সেটাই করার চেষ্টা করি, যেমনটা যিশু বলেছিলেন। আর এমনটা শুরুর দিকে তাঁর শিষ্যেরাও করত। এই প্রবন্ধে তুলে ধরা হয়েছে যে, আমরা কী বিশ্বাস করি।

  1. ১. ঈশ্বর। আমরা বিশ্বাস করি, একজনই সত্য ঈশ্বর রয়েছেন, যিনি সমস্ত কিছু সৃষ্টি করেছেন। আর তাঁর নাম হল যিহোবা। (গীতসংহিতা ৮৩:১৮; প্রকাশিত বাক্য ৪:১১) প্রাচীন কালে অব্রাহাম ও মোশির মতো ধার্মিক ব্যক্তিরা যিহোবাকেই তাদের ঈশ্বর বলে বিশ্বাস করতেন। এমনকী তিনি যিশুরও ঈশ্বর।—যাত্রাপুস্তক ৩:৬; ৩২:১১; যোহন ২০:১৭.

  2. ২. বাইবেল। বাইবেল ৬৬টা বই নিয়ে গঠিত। এটিতে “পুরাতন নিয়ম” এবং “নূতন নিয়ম” অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, ঈশ্বর পুরো বাইবেল মানুষের জন্য লিখিয়েছেন। (যোহন ১৭:১৭; ২ তীমথিয় ৩:১৬) আমাদের সমস্ত বিশ্বাসের ভিত্তি হল বাইবেল। অধ্যাপক জেসন ডেভিড বেদুন, যিনি লোকদের ধার্মিক বিশ্বাস নিয়ে অধ্যয়ন করেন, লিখেছিলেন যে, যিহোবার সাক্ষিরা “বাইবেলে থেকে গবেষণা না করেই আগে থেকে বাইবেলের শিক্ষাগুলোর বিষয়ে কোনো ধারণা তুলে ধরে না। এর পরিবর্তে, বাইবেলে যা লেখা আছে, তারা সেই অনুযায়ী শিক্ষা দেয় এবং কাজ করে।”a

    আমরা বিশ্বাস করি, পুরো বাইবেল হল ঈশ্বরের বাক্য। কিন্তু, আমরা এটা বিশ্বাস করি না যে, এটিতে লেখা সমস্ত কথার কেবল আক্ষরিক অর্থ রয়েছে। এটিতে লেখা অনেক শব্দ এবং কথাগুলোর রূপক অর্থও রয়েছে।—প্রকাশিত বাক্য ১:১.

  3. ৩. যিশু। আমরা যিশুর পদচিহ্ন অনুসরণ করি এবং তার দেওয়া শিক্ষাগুলো মেনে চলি। আমরা এও বিশ্বাস করি, যিশু হলেন আমাদের উদ্ধারকর্তা এবং ঈশ্বরের পুত্র। (মথি ২০:২৮; প্রেরিত ৫:৩১) তাই, এটা খুবই যুক্তিযুক্ত যে, আমরা খ্রিস্টান হিসেবে পরিচিত। (প্রেরিত ১১:২৬) আমরা বাইবেল থেকে শিখেছি, যিশু সর্বশক্তিমান ঈশ্বর নন আর বাইবেলে কোথাও ত্রিত্বের শিক্ষার বিষয়ে উল্লেখ নেই।—যোহন ১৪:২৮.

  4. ৪. ঈশ্বরের রাজ্য। খ্রিস্টীয় জগতের কেউ কেউ মনে করে, ঈশ্বরের রাজ্য তাদের হৃদয়ে রয়েছে। কিন্তু বাইবেল জানায়, এটা এক বাস্তব সরকার, যেটা স্বর্গ থেকে পৃথিবীর উপর শাসন করবে। এই সরকার পৃথিবীর সমস্ত সরকারকে সরিয়ে দেবে। আর এরপর পৃথিবীতে সেটাই হবে, ঠিক যেমনটা ঈশ্বর চান। (দানিয়েল ২:৪৪; মথি ৬:৯, ১০) এটা খুব শীঘ্রই ঘটবে। কারণ বাইবেলে অনেক আগে থেকেই লেখা রয়েছে যে, বর্তমানে আমরা “শেষকালে” বাস করছি।—২ তীমথিয় ৩:১-৫; মথি ২৪:৩-১৪.

    যিশু হলেন ঈশ্বরের রাজ্যের রাজা। তিনি ১৯১৪ সাল থেকে শাসন করতে শুরু করে দিয়েছেন।—প্রকাশিত বাক্য ১১:১৫.

  5. ৫. উদ্ধার। যিশু আমাদের জন্য নিজের জীবন দিয়েছেন। এর ফলে আমরা পাপ ও মৃত্যুর হাত থেকে উদ্ধার লাভ করতে পারব। (মথি ২০:২৮; প্রেরিত ৪:১২) কিন্তু, উদ্ধার লাভ করার জন্য আমাদের যিশুর উপর বিশ্বাস করতে হবে। আর আমাদের জীবনধারা পরিবর্তন করতে এবং বাপ্তিস্ম নিতে হবে। (মথি ২৮:১৯, ২০; যোহন ৩:১৬; প্রেরিত ৩:১৯, ২০) একজন ব্যক্তি তার কাজের মাধ্যমে দেখাতে পারেন যে, তিনি যিশু খ্রিস্টকে বিশ্বাস করেন। (যাকোব ২:২৪, ২৬) তবে, এই উদ্ধার আমরা নিজেদের ক্ষমতায় লাভ করতে পারি না, ‘ঈশ্বরের মহাদয়ার’ কারণেই লাভ করতে পারি।—গালাতীয় ২:১৬, ২১.

  6. ৬. স্বর্গ। যিহোবা ঈশ্বর, যিশু খ্রিস্ট এবং বিশ্বস্ত স্বর্গদূতেরা স্বর্গে থাকে।b (গীতসংহিতা ১০৩:১৯-২১; প্রেরিত ৭:৫৫) যিশুর সঙ্গে ১,৪৪,০০০ জন ব্যক্তি স্বর্গ থেকে শাসন করবে।—দানিয়েল ৭:২৭; ২ তীমথিয় ২:১২; প্রকাশিত বাক্য ৫:৯, ১০; ১৪:১, ৩.

  7. একজন মহিলা এবং একটি ছোট্ট মেয়ে একসঙ্গে বাগানে কাজ করছে

    ৭. পৃথিবী। ঈশ্বর পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, যাতে মানুষ চিরকাল এখানে বাস করতে পারে। (গীতসংহিতা ১০৪:৫; ১১৫:১৬; উপদেশক ১:৪) খুব শীঘ্রই এই পৃথিবী এক সুন্দর বাগানের মতো হয়ে যাবে। যারা ঈশ্বরের প্রতি বাধ্যতা দেখিয়ে চলে, শুধুমাত্র তারাই সেখানে থাকতে পারবে। তারা আর কখনো অসুস্থ হবে না এবং চিরকাল এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকবে।—গীতসংহিতা ৩৭:১১, ৩৪.

  8. ৮. দুঃখকষ্ট। বাইবেল জানায়, সবচেয়ে প্রথমে ঈশ্বরের একজন স্বর্গদূত তাঁর অবাধ্য হয়েছিল এবং তাঁর বিরুদ্ধে কাজ করেছিল। (যোহন ৮:৪৪) আর তখন থেকেই দুঃখকষ্ট শুরু হয়েছিল। সেই স্বর্গদূতকে শয়তান ও “দিয়াবল” বলা হয়েছে। সে প্রথম নারী-পুরুষ আদম ও হবাকে ঈশ্বরের বিরুদ্ধে যাওয়ার জন্য প্ররোচিত করেছিল। আর সে এই দাবি করেছিল যে, মানুষ ঈশ্বরকে ছাড়াই সুখী হতে পারে। আদম ও হবা যখন শয়তানের কথা অনুযায়ী কাজ করেছিল, তখন এর পরিণতি খুব খারাপ হয়েছিল আর এই কারণে এখনও পর্যন্ত সমস্ত মানুষ দুঃখকষ্ট ভোগ করছে। (আদিপুস্তক ৩:১-৬; রোমীয় ৫:১২) শয়তানের দাবিকে মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য ঈশ্বর কিছু সময়ের জন্য দুঃখকষ্ট থাকতে দিয়েছেন। কিন্তু, খুব তাড়াতাড়ি তিনি এই দুঃখকষ্ট চিরকালের জন্য দূর করে দেবেন।

  9. ৯. মৃত্যু। যারা মারা যায়, তাদের আর কোনো অস্তিত্ব থাকে না। (গীতসংহিতা ১৪৬:৪; উপদেশক ৯:৫, ১০) অনেকে মনে করে, খারাপ লোকদের অগ্নিময় নরকে পুড়িয়ে কষ্ট দেওয়া হয়। কিন্তু বাইবেল বলে, নরক বলে কোনো জায়গা নেই।

    খুব শীঘ্রই ঈশ্বর কোটি কোটি লোককে আবার জীবিত করবেন। (প্রেরিত ২৪:১৫) এরপর তাদের যিহোবা সম্বন্ধে শেখার সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু, যারা তাঁর সম্বন্ধে শিখতে চাইবে না, তাদের চিরকালের জন্য শেষ করে দেওয়া হবে।—প্রকাশিত বাক্য ২০:১৪, ১৫.

  10. এক স্বামী-স্ত্রী এবং তাদের দু-জন সন্তান বাইরে সময় কাটাচ্ছে

    ১০. পরিবার। ঈশ্বর একেবারে শুরুতে স্থির করেছিলেন যে, একজন পুরুষ একজন নারীকে বিয়ে করবে। আর আমরাও এটা মেনে চলি। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কেউ একজন যদি অন্য কারো সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করে, একমাত্র তা হলেই তারা বিবাহবিচ্ছেদ করতে পারে। (মথি ১৯:৪-৯) আমরা পুরোপুরি নিশ্চিত যে, স্বামী-স্ত্রীরা এবং সন্তানেরা যদি বাইবেলে দেওয়া পরামর্শ মেনে চলে, তা হলে তারা সুখী হতে পারবে।—ইফিষীয় ৫:২২–৬:১.

  11. ১১. উপাসনা। আমরা ক্রুশ কিংবা কোনো মূর্তির উপাসনা করি না। (দ্বিতীয় বিবরণ ৪:১৫-১৯; ১ যোহন ৫:২১) নীচে দেওয়া বিষয়গুলো আমাদের উপাসনার অংশ:

    • ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করা।—ফিলিপীয় ৪:৬.

    • বাইবেল পড়া এবং এটিতে লেখা বিষয়গুলো ভালোভাবে বোঝা।—গীতসংহিতা ১:১-৩.

    • বাইবেল থেকে যা শিখি, তা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করা।—গীতসংহিতা ৭৭:১২.

    • একসঙ্গে প্রার্থনা করা, বাইবেল নিয়ে অধ্যয়ন করা, গান গাওয়া, ঈশ্বরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা এবং একে অন্যকে উৎসাহিত করা।—কলসীয় ৩:১৬; ইব্রীয় ১০:২৩-২৫.

    • সমস্ত জাতিকে ঈশ্বরের “রাজ্যের সুসমাচার” জানানো।—মথি ২৪:১৪.

    • প্রয়োজনের সময় অন্যদের সাহায্য করা।—যাকোব ২:১৪-১৭.

    • কিংডম হল (যেখানে আমরা সভা করি) এবং অন্যান্য বিল্ডিং—যেখানে আমাদের সংগঠনের বিভিন্ন কাজ করা হয়—নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।—গীতসংহিতা ১২৭:১.

    • ত্রাণকাজে সাহায্য করা।—প্রেরিত ১১:২৭-৩০.

    যিহোবার সাক্ষিদের সভা
  12. ১২. আমাদের সংগঠন। আমরা ছোটো ছোটো দল হিসেবে মিলিত হই, যেটাকে মণ্ডলী বলা হয়। প্রতিটা মণ্ডলীর দেখাশোনা করার জন্য প্রাচীনদের নিযুক্ত করা হয়। তারা এই কাজের জন্য কোনো টাকাপয়সা পায় না। আমাদের সংগঠনে কোনো পাদরি নেই, যেমনটা গির্জায় থাকে। (মথি ১০:৮; ২৩:৮) আমরা কারো কাছ থেকে তাদের আয়ের দশমাংশ চাই না কিংবা আমাদের সভাতে লোকদের কাছ থেকে চাঁদা তুলি না। (২ করিন্থীয় ৯:৭) আমাদের সমস্ত কাজ দানের মাধ্যমে চলে আর কে কতটা দান করে, সেই বিষয়ে কোনো ঘোষণা করা হয় না।

    অভিজ্ঞ খ্রিস্টানদের একটা ছোটো দল আমাদের বিশ্বপ্রধান কার্যালয়ে কাজ করে। এই দলকে পরিচালকগোষ্ঠী বলা হয়। তারা পুরো পৃথিবীতে থাকা যিহোবার সাক্ষিদের নির্দেশনা দিয়ে থাকে।—মথি ২৪:৪৫.

  13. ১৩. একতা। সারা পৃথিবীতে থাকা যিহোবার সাক্ষিদের বিশ্বাস একই। (১ করিন্থীয় ১:১০) আমরা সবার সঙ্গে সমানভাবে আচরণ করি, তা তাদের জাতি, সংস্কৃতি কিংবা সামাজিক পদমর্যাদা যা-ই হোক না কেন। (প্রেরিত ১০:৩৪, ৩৫; যাকোব ২:৪) যদিও আমরা সবাই একই শিক্ষা মেনে চলি, তবে আমাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা রয়েছে। আমরা বাইবেল থেকে যা শিখি, সেটার উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি।—রোমীয় ১৪:১-৪; ইব্রীয় ৫:১৪.

  14. ১৪. আমাদের আচার-আচরণ। আমরা সবার প্রতি প্রেম দেখানোর জন্য প্রচেষ্টা করি আর সবার ভালোর জন্য চিন্তা করি। (যোহন ১৩:৩৪, ৩৫) আমরা খেয়াল রাখি যেন এমন কোনো কাজ না করি, যেটার কারণে ঈশ্বর দুঃখ পাবেন। সেইজন্য আমরা রক্ত নিই না। (প্রেরিত ১৫:২৮, ২৯; গালাতীয় ৫:১৯-২১) আমরা সকলের সঙ্গে শান্তিতে থাকার চেষ্টা করি এবং যুদ্ধে অংশ নিই না। (মথি ৫:৯; যিশাইয় ২:৪) আমরা সরকারের নিয়মকানুন মেনে চলি। তবে, সরকার যখন আমাদের এমন কিছু করতে বলেন, যেটা ঈশ্বরের আইনের বিরুদ্ধে, তখন আমরা সরকারের বাধ্য হই না।—মথি ২২:২১; প্রেরিত ৫:২৯.

  15. ১৫. অন্যদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক। যিশু তাঁর শিষ্যদের বলেছিলেন, “তুমি তোমার প্রতিবেশীকে নিজের মতো ভালোবাসবে।” কিন্তু, তিনি এও বলেছিলেন যে, খ্রিস্টানেরা যেন “এই জগতের অংশ” না হয়। (মথি ২২:৩৯; যোহন ১৭:১৬) তাই, “আমরা সকলের প্রতি ভালো কাজ” করার চেষ্টা করি, কিন্তু রাজনৈতিক বিষয়গুলোতে নিরপেক্ষ থাকি এবং অন্যান্য ধর্ম থেকে নিজেদের আলাদা রাখি। (গালাতীয় ৬:১০; ২ করিন্থীয় ৬:১৪) তবে, আমরা প্রত্যেকের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান দেখাই।—রোমীয় ১৪:১২.

আপনার মনে যদি যিহোবার সাক্ষিদের নিয়ে আরও কোনো প্রশ্ন থাকে, তা হলে আপনি আমাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে আমাদের সম্বন্ধে আরও তথ্য জানতে পারেন কিংবা আমাদের কোনো শাখা অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনি চাইলে আপনার কাছাকাছি কোনো কিংডম হলে যেতে পারেন, যেখানে আমাদের সভা হয় অথবা সরাসরি কোনো যিহোবার সাক্ষির সঙ্গে কথা বলতে পারেন।

a অনুবাদের সত্যতা (ইংরেজি) বইয়ের ১৬৫ পৃষ্ঠা দেখুন।

b কিছু স্বর্গদূত মন্দ হয়ে গিয়েছিল, তাই তাদের স্বর্গ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল।—প্রকাশিত বাক্য ১২:৭-৯.

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার