ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৯ ২/১ পৃষ্ঠা ৩০-৩১
  • “যিহোবা” অথবা “ইয়াওয়ে”?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • “যিহোবা” অথবা “ইয়াওয়ে”?
  • ১৯৯৯ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • বিতর্কের মূল
  • নামের মধ্যে কী রয়েছে?
  • ঈশ্বরের নামের উচ্চারণ যদি অনিশ্চিতই হয়, তাহলে কেন সেটি ব্যবহার করব?
    ২০০৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • যিহোবা কে?
    বাইবেলের প্রশ্নের উত্তর
১৯৯৯ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৯ ২/১ পৃষ্ঠা ৩০-৩১

“যিহোবা” অথবা “ইয়াওয়ে”?

“যৌগিক” “মিশ্র” এবং “অস্বাভাবিক।” এইরকম জোরালো শব্দগুলো বাইবেলের ইব্রীয় পণ্ডিতেরা কেন ব্যবহার করেছেন? কারণ ঈশ্বরের নামের ইংরাজি উচ্চারণ “যিহোবা” ঠিক কি না সেই বিষয়ে মতবিরোধ রয়েছে। একশ বছরেরও বেশি সময় ধরে, এই বিতর্ক আরও বেশি করে ছড়িয়ে পড়েছে। আজকে, বেশিরভাগ পণ্ডিত ব্যক্তিই দুটো শব্দাংশযুক্ত শব্দ “ইয়াওয়ে”-কে বেছে নিতে চান। কিন্তু, “যিহোবা” উচ্চারণ কি আসলেই খুব “অস্বাভাবিক”?

বিতর্কের মূল

বাইবেল অনুসারে, ঈশ্বর নিজেই মানবজাতির কাছে তাঁর নাম প্রকাশ করেছিলেন। (যাত্রাপুস্তক ৩:১৫) শাস্ত্রীয় সাক্ষ্যপ্রমাণ দেখায় যে ঈশ্বরের প্রাচীন দাসেরা সাবলীলভাবে এই নাম ব্যবহার করেছিলেন। (আদিপুস্তক ১২:৮; রূতের বিবরণ ২:৪) সেইসঙ্গে অন্যান্য জাতিও ঈশ্বরের নাম জানত। (যিহোশূয় ২:৯) বাবিলনের নির্বাসন থেকে ফিরে আসা যিহূদীরা বিভিন্ন জাতির লোকেদের সঙ্গে মেলামেশা করার পরেই তা বিশেষভাবে সত্যি হয়েছিল। (গীতসংহিতা ৯৬:২-১০; যিশাইয় ১২:৪; মালাখি ১:১১) দি ইন্টারপ্রিটারস্‌ ডিকশনারি অফ দ্যা বাইবেল বলে: “অনেক সাক্ষ্যপ্রমাণ দেখায় যে নির্বাসনের পরবর্তী সময়ে অনেক বিদেশিরা যিহূদীদের ধর্মে আকৃষ্ট হয়েছিল।” কিন্তু, সা.কা. প্রথম শতাব্দীর দিকে, ঈশ্বরের নাম সম্বন্ধে এক কুসংস্কার গড়ে উঠেছিল। আর শেষ পর্যন্ত, যিহূদী জাতি প্রকাশ্যে ঈশ্বরের নাম ব্যবহার করা বন্ধ করে দিয়েছিল আর কিছুজন এটাকে একেবারে উচ্চারণ করতেই মানা করেছিল। তাহলে এর সঠিক উচ্চারণ কি হারিয়ে গিয়েছিল—বা সেটা ছিল?

নামের মধ্যে কী রয়েছে?

ইব্রীয় ভাষায়, ঈশ্বরের নাম יהוה এই চারটে অক্ষরে লেখা হতো। এই চারটে বর্ণমালা ডানদিক থেকে বামদিকে পড়তে হয় এবং একে সাধারণত টেট্রাগ্রামাটন বলা হয়। বাইবেলে অনেক ব্যক্তি ও জায়গার নাম আছে যেগুলো এই ঐশিক নামের এক সংক্ষিপ্ত রূপ। তাহলে এই নামগুলো থেকে কি আমরা কোন আভাস পেতে পারি যে কিভাবে ঈশ্বরের নাম উচ্চারণ করা হতো?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ওয়াশিংটন ডি.সি.-র ওয়েসলি থিওলোজিক্যাল সেমিনারির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক জর্জ বাকাননের মতে উত্তর ছিল হ্যাঁ। অধ্যাপক বাকানন ব্যাখ্যা করেন: “প্রাচীন কালে, বাবামায়েরা তাদের ছেলেমেয়েদের নাম প্রায়ই তাদের দেবতাদের নামে রাখতেন। এটা বোঝায় যে তারা তাদের ছেলেমেয়েদের নামগুলো ঠিক সেইভাবে উচ্চারণ করতেন যেভাবে দেবতাদের নাম উচ্চারণ করা হতো। ওই চারটে অক্ষর লোকেদের নাম হিসাবে ব্যবহার করা হত আর তারা সবমসয় মাঝখানে স্বরবর্ণ জুড়ে নিতেন।”

আসুন আমরা এখন বাইবেলে পাওয়া যায় এমন কয়েকটা নাম নিয়ে আলোচনা করি যেগুলোর সঙ্গে ঈশ্বরের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ জুড়ে আছে। অধ্যাপক বাকানন বলেন, যোনাথন যেটাকে ইব্রীয় বাইবেলে ইয়োহ্‌·না·থান্‌ অথবা ইয়েহো·না·থান্‌ হিসাবে পাওয়া যায় তার মানে “ইয়াহো অথবা ইয়াহোওয়াহ্‌ দিয়েছেন।” ইব্রীয়তে ভাববাদী এলিয়ের নাম হল ই·লি·য়াহ্‌ অথবা ই·লি·য়াহু। অধ্যাপক বাকাননের মতে, এই নামের অর্থ: “ইয়াহু অথবা ইয়াহু-ওয়াহ্‌ আমার ঈশ্বর।” একইভাবে, যিহোশাফটের ইব্রীয় নাম হল ইয়েহোহ্‌-শাফট, যার অর্থ হচ্ছে ইয়াহো বিচার করেছেন।”

“ইয়াওয়ে” হিসাবে টেট্রাগ্রামেটনের শব্দাংশ দুটো উচ্চারণের সময় ও স্বরবর্ণ ঈশ্বরের নামের অংশ হিসাবে শোনা যেত না। কিন্তু বাইবেলের মধ্যে এমন অনেক নাম রয়েছে যা ঐশিক নামের সঙ্গে যুক্ত আর এই নামগুলোর মূল ও সংক্ষিপ্ত দুটো রূপেই স্বরবর্ণ রয়েছে যেমন যিহওনাথন ও যওনাথন। এইজন্য, ঐশিক নাম সম্বন্ধে অধ্যাপক বাকানন বলেন: “কোনও ক্ষেত্রেই ও অথবা ওহ্‌ স্বরবর্ণ বাদ দেওয়া হয়নি। শব্দটাকে কখনও কখনও ‘ইয়া’ হিসাবে সংক্ষিপ্ত আকারে বলা হত কিন্তু কখনওই ‘ইয়া-ওয়ে’ বলা হত না। . . . টেট্রাগ্রামেটন যখন একসঙ্গে একটা শব্দাংশে উচ্চারণ করা হতো তখন সেটা ছিল ‘ইয়াহ্‌’ অথবা ‘ইও।’ যখন এটা তিনটে শব্দাংশে উচ্চারণ করা হতো তখন এটা ‘ইয়াহোওয়া’ অথবা ‘ইয়াহুওয়া’ হিসাবে উচ্চারণ হতো। আর যদি এটাকে কখনও দুটো শব্দাংশে সংক্ষিপ্ত করা হয়ে থাকে, তাহলে সেটা ‘ইয়াহও’ হতো।”—বিব্‌লিক্যাল আর্কিওলোজি রিভিউ।

এই মন্তব্যগুলো উনবিংশ শতাব্দীর ইব্রীয় পণ্ডিত জেসেনিউস তার হিব্রু অ্যান্ড কালদি লেক্সিকন টু দি ওল্ড টেস্টামেন্ট স্ক্রিপ্‌চার্স্‌-এ দেওয়া বিবৃতিকে আমাদের বুঝতে সাহায্য করবে: “যারা মনে করেন যে יְהוָֹה [ইয়ে-হও-ওয়া] ছিল [ঈশ্বরের নামের] আসল উচ্চারণ, তাদের মতামত পুরোপুরি ভিত্তিহীন ছিল না। কারণ এর থেকে বোঝা যায় যে কেন সংক্ষিপ্ত শব্দ יְהוֹ [ইয়ে-হও] এবং יוֹ [ইয়ো] দিয়ে অনেক নাম শুরু হতো।”

এছাড়াও, তার সাম্প্রতিক অনুবাদ মোশির পাঁচটা বই (ইংরাজি) এর ভূমিকায়, এভরেট্‌ ফক্স বলেন: “[ঈশ্বরের] ইব্রীয় নামের ‘সঠিক’ উচ্চারণ পুনরুদ্ধারের প্রাচীন ও আধুনিক প্রচেষ্টাগুলো সফল হয়নি; না ‘যিহোবা’ কখনও শোনা গেছে না পণ্ডিতদের দ্বারা গৃহীত ‘ইয়াওয়ে’ শেষ পর্যন্ত প্রমাণিত হয়েছে।”

নিঃসন্দেহে এই পাণ্ডিত্যপূর্ণ বিতর্ক চলতেই থাকবে। ম্যাসোরাইটরা স্বরবর্ণকে আলাদা করে চিহ্নিত করার পদ্ধতি চালু করার আগেই যিহূদীরা সত্য ঈশ্বরের নাম উচ্চারণ করা বাদ দিয়ে দিয়েছিল। সেইজন্য, চূড়ান্তভাবে প্রমাণ করার কোনও উপায় নেই যে YHWH (יהוה) ব্যাঞ্জনবর্ণের সঙ্গে কোন্‌ স্বরবর্ণগুলো সংযুক্ত করা হতো। কিন্তু, বাইবেলের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রকৃত নামের সঠিক উচ্চারণ হারিয়ে যায়নি যা ঈশ্বরের নামের আদি উচ্চারণের এক আভাস দেয়। এই বিষয়ে, শেষপর্যন্ত অন্তত কিছু পণ্ডিত ব্যক্তি একমত হয়েছেন যে “যিহোবা” উচ্চারণ খুব “অস্বাভাবিক” নয়।

[৩১ পৃষ্ঠার চিত্র]

ঈশ্বরের নামের সবচেয়ে জনপ্রিয় উচ্চারণ “যিহোবা”

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার