ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৭ ৫/১ পৃষ্ঠা ২৪-২৯
  • ঈশ্বর আমার আশ্রয় এবং শক্তি

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • ঈশ্বর আমার আশ্রয় এবং শক্তি
  • ১৯৯৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • ভবিষ্যতের জন্য অধিকতর শক্তিশালী হওয়া
  • শত্রুদের উত্তরটি ছিল—কারাগার
  • লিচ্‌টেনবার্গে
  • রেভেন্সব্রোকে
  • কষ্টকর যুদ্ধোত্তর বছরগুলি
  • আরও একবার নিষেধাজ্ঞার অধীনে এবং কারাগারে
  • যিহোবার কাছ থেকে শক্তি এবং সাহায্য
  • যিহোবা আমার আশ্রয় এবং শক্তি হয়ে থাকেন
  • যিহোবার সাহায্যে আমরা একদলীয় শাসনতন্ত্রে রক্ষা পেয়েছিলাম
    ২০০৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • আমার বাল্যকাল থেকে ধৈর্য সহকারে যিহোবার অপেক্ষা করা
    ১৯৯৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • যিহোবার প্রেমময় যত্নের ওপর নির্ভর করা
    ২০০৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • ঈশ্বরের সেবা করার জন্য আমার প্রতিজ্ঞাকে রাখা
    ১৯৯৯ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
আরও দেখুন
১৯৯৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৭ ৫/১ পৃষ্ঠা ২৪-২৯

ঈশ্বর আমার আশ্রয় এবং শক্তি

শার্লোট মূলার দ্বারা কথিত

সাম্যবাদী বিচারকটি বলেছিলেন, “হিটলারের অধীনে নয় বছর আপনাকে প্রশংসাযোগ্য করে। আপনি সত্যিই যুদ্ধের বিরুদ্ধে ছিলেন, কিন্তু এখন আপনি আমাদের শান্তির বিরুদ্ধে!”

তিনি নাৎসীদের দ্বারা আমার পূর্বের কারাবাস এবং জার্মান গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের সমাজতন্ত্রবাদ সম্বন্ধে উল্লেখ করছিলেন। প্রথমে আমি বাক্‌শক্তিহীন হয়ে পড়ি, কিন্তু পরে উত্তর দিয়েছিলাম: “অন্যান্য লোকেরা যেমন করে থাকে, একজন খ্রীষ্টান প্রকৃত শান্তির জন্য সেই একই পদ্ধতিতে প্রচেষ্টা করে না। আমি শুধুমাত্র ঈশ্বর এবং আমার প্রতিবেশীকে প্রেম করা সম্বন্ধে বাইবেলের আজ্ঞা অনুসরণ করার চেষ্টা করে থাকি। ঈশ্বরের বাক্য কথায় এবং কাজে শান্তি বজায় রাখতে আমাকে সাহায্য করে।”

সেইদিন, ১৯৫১ সালের ৪ঠা সেপ্টেম্বর, সাম্যবাদীরা আমাকে ৮ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছিল—নাৎসী সরকার যা দিয়েছিল তার থেকে এক বছর কম।

যখন আমরা যিহোবার সাক্ষীরা জাতীয় সমাজবাদী এবং সাম্যবাদীদের দ্বারা তাড়িত হচ্ছিলাম, আমি গীতসংহিতা ৪৬:১ পদে সান্ত্বনা খুঁজে পেয়েছিলাম: “ঈশ্বর আমাদের পক্ষে আশ্রয় ও বল। তিনি সঙ্কটকালে অতি সুপ্রাপ্য সহায়।” একমাত্র যিহোবা আমাকে ধৈর্য রাখতে শক্তি প্রদান করেছিলেন এবং যতই আমি তাঁর বাক্য নিজের করে নিয়েছিলাম ততই আমি শক্তিশালী হয়ে উঠেছিলাম।

ভবিষ্যতের জন্য অধিকতর শক্তিশালী হওয়া

১৯১২ সালে জার্মানীর থুরিনজিয়ার গোথা-সিব্লাবেনে আমি জন্মগ্রহণ করেছিলাম। যদিও আমার বাবামা প্রটেস্টান্ট ছিলেন, তবুও আমার বাবা বাইবেলের সত্য এবং এক ধার্মিক সরকারের অন্বেষণ করছিলেন। যখন আমার বাবামা “ফটো-ড্রামা অফ ক্রিয়েশান্‌” দেখেন, তারা রোমাঞ্চিত হয়েছিলেন।a বাবা যা অন্বেষণ করেছিলেন তা পেয়েছিলেন—ঈশ্বরের রাজ্য।

১৯২৩ সালের ২রা মার্চ, আমাদের, ছয় সন্তানসহ, বাবা এবং মা গির্জা পরিত্যাগ করেছিলেন। আমরা স্যাক্সনীর কেমনিটসে বাস করতাম এবং সেখানে বাইবেল ছাত্রদের সাথে মেলামেশা করতাম। (আমার তিনজন ভাই ও বোনেরা যিহোবার সাক্ষী হয়।)

বাইবেল ছাত্রদের সভাগুলিতে, শাস্ত্রীয় পদ ও অত্যন্ত মূল্যবান সত্যগুলি আমাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল এবং এইগুলি আমার অল্পবয়স্ক হৃদয়কে আনন্দে পরিপূর্ণ করেছিল। সর্বপ্রথম এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ ছিল রবিবারের শিক্ষাদানের বিষয়টি যা আমাদের ৫০ জনেরও বেশি খ্রীষ্টান কিশোর-কিশোরীকে দেওয়া হত এবং যা আমি ও আমার বোন ক্যাথি কিছু সময়ের জন্য পেয়েছিলাম। আমাদের দলে কিশোর কনরেট ফ্রাঙ্কি ছিলেন, যিনি পদব্রজে দীর্ঘ ভ্রমণের ব্যবস্থা করতেন এবং আমাদের সাথে গান গাওয়া অনুশীলন করতেন। পরবর্তীকালে, ১৯৫৫ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ভাই ফ্রাঙ্কি জার্মানীতে ওয়াচ টাওয়ার শাখার অধ্যক্ষ হিসাবে কাজ করেছিলেন।

২০ দশকের বছরগুলি ছিল বিক্ষোভপূর্ণ, এমনকি কখনও কখনও তা ঈশ্বরের লোকেদের পক্ষেও। কেউ কেউ যারা প্রহরীদুর্গ-কে আর “উপযুক্ত সময়ে খাদ্য” হিসাবে গ্রহণ করেনি, তারা গৃহ থেকে গৃহে প্রচার কাজের বিরুদ্ধে গিয়েছিল। (মথি ২৪:৪৫) আর তা ধর্মভ্রষ্টতায় পরিচালিত করেছিল। কিন্তু এটিই ছিল সেই যথার্থ “খাদ্য” যা আমাদের শক্তি প্রদান করেছিল, যেটি সেই সময়ে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল। উদাহরণস্বরূপ, প্রহরীদুর্গ এর এইধরনের প্রবন্ধগুলি সেই সময়ে ছিল “নির্ভীকেরা আশীর্বাদপ্রাপ্ত” (১৯১৯) এবং “কে যিহোবাকে সম্মান করবে?” (১৯২৬) আমি সাহসী কার্যক্রমের মাধ্যমে যিহোবাকে সম্মান করতে চেয়েছিলাম, তাই আমি ভাই রাদারফোর্ডের অনেক বই এবং পুস্তিকাগুলি বিতরণ করেছিলাম।

আমি ১৯৩৩ সালের মার্চ মাসে একজন যিহোবার সাক্ষী হিসাবে বাপ্তাইজিত হই। সেই বছরেই, জার্মানীতে আমাদের সুসমাচার প্রচারের কাজকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। বাপ্তিস্মের সময়ে, ভবিষ্যতের জন্য উপদেশ হিসাবে প্রকাশিত বাক্য ২:১০ পদটি প্রদান করা হয়েছিল: “তোমাকে যে সকল দুঃখ ভোগ করিতে হইবে, তাহাতে ভয় করিও না। দেখ, তোমাদের পরীক্ষার জন্য দিয়াবল তোমাদের কাহাকেও কাহাকেও কারাগারে নিক্ষেপ করিতে উদ্যত আছে, তাহাতে দশ দিন পর্য্যন্ত তোমাদের ক্লেশ হইবে। তুমি মরণ পর্য্যন্ত বিশ্বস্ত থাক, তাহাতে আমি তোমাকে জীবন-মুকুট দিব।” আমার জন্য কঠিন তাড়না প্রতীক্ষা করছে সে বিষয়ে সন্দেহ না রেখে, আমি এই পদটিকে হৃদয়ে গ্রহণ করেছিলাম। আর এটি সত্য প্রমাণিত হয়েছিল।

রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার কারণে, প্রতিবেশীদের অনেকেই আমাদের সন্দেহের চোখে দেখত। একটি রাজনৈতিক নির্বাচনের পরে, ইউনিফর্ম পরিহিত নাৎসী বাহিনীদের একজন প্রতিনিধি আমাদের ঘরের সামনে চিৎকার করে বলেছিল: “দেশদ্রোহীরা এখানে বাস করে!” ১৯৩৩ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রহরীদুর্গ এর জার্মান সংস্করণে প্রকাশিত “তাদের ভয় করো না” প্রবন্ধটি আমার কাছে বিশেষ উৎসাহজনক ছিল। এমনকি অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আমি যিহোবার একজন বিশ্বস্ত সাক্ষী হিসাবে থাকতে চেয়েছিলাম।

শত্রুদের উত্তরটি ছিল—কারাগার

১৯৩৫ সালের শরৎকাল পর্যন্ত কেমনিটসে প্রহরীদুর্গ গোপনে উৎপাদন করা সম্ভব ছিল। এরপরে প্রতিলিপিকরণ যন্ত্রটি যেটি ব্যবহার করা হত তা ওর পর্বতাঞ্চলের বেয়ারফিল্ডে আনা হয়েছিল, যেখানে এটিকে ১৯৩৬ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত সাহিত্যাদি পুনরায় উৎপাদন করতে ব্যবহার করা হয়েছিল। ক্যাথি এবং আমি সেই সমস্ত ভাইয়েদের কাছে সংখ্যাগুলি বিতরণ করি যাদের ঠিকানা বাবা আমাদের দিয়েছিলেন। কিছু সময়ের জন্য সবকিছু ভালই চলছিল। কিন্তু পরে নাৎসী গোয়েন্দা পুলিশ আমার উপর কড়া নজর রাখে এবং ১৯৩৬ সালের আগস্ট মাসে তারা আমাকে আমার ঘর থেকে কারাগারে নিয়ে যায় এবং আটক অবস্থায় রাখে, যেখানে আমাকে আদালতের বিচারের প্রতীক্ষায় থাকতে হয়।

১৯৩৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, ২৫ জন ভাই এবং ২ জন বোনকে—আমি নিজেও যার অন্তর্ভুক্ত ছিলাম—স্যাক্সনির এক বিশেষ আদালতের সামনে উপস্থিত হতে হয়েছিল। সেখানে যিহোবার সাক্ষীদের সংগঠনকে বিধ্বংসী বলে দাবি করা হয়েছিল। যে ভাইয়েরা প্রহরীদুর্গ পুনরায় উৎপাদন করেছিলেন তাদের পাঁচ বছরের জন্য কারাবরণ করতে হয়েছিল। আমাকে দুই বছরের জন্য কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

আমার শাস্তি সম্পূর্ণ হওয়ার পর ছেড়ে দেওয়ার পরিবর্তে, নাৎসী গোয়েন্দা পুলিশ আমাকে ধরে নিয়ে যায়। যিহোবার একজন সাক্ষী হিসাবে আমি আর সক্রিয় থাকব না এইরূপ একটি ঘোষণাপত্রে আমাকে স্বাক্ষর করতে বলা হয়েছিল। আমি দৃঢ়তার সাথে তা প্রত্যাখ্যান করি, যার ফলে আধিকারিক ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছিলেন, তিনি হঠাৎ লাফিয়ে ওঠেন এবং বন্দী অবস্থায় রাখতে আমার জন্য একটি গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেন। গ্রেপ্তারী পরোয়ানাটি ছবিতে দেখানো হয়েছে। আমার বাবামাকে দেখার অনুমতি না দিয়ে, অবিলম্বে আমাকে আল্‌বা নদীর কাছে লিচ্‌টেনবার্গে স্ত্রীলোকেদের জন্য একটি ছোট কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এর অল্প কিছু পরেই ক্যাথির সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়। সে ১৯৩৬ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে মোরিংয়েনের কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে ছিল, কিন্তু যখন সেই কনসেনট্রেশন ক্যাম্পটি বন্ধ হয়ে যায়, সে এবং তার সাথে অন্যান্য অনেক বোনেরা লিচ্‌টেনবার্গে আসে। আমার বাবাও বন্দী অবস্থায় ছিলেন এবং ১৯৪৫ সাল অবধি আমি তাকে আর পুনরায় দেখতে পাইনি।

লিচ্‌টেনবার্গে

অন্যান্য সাক্ষী বোনেদের সাথে তখনই আমাকে মিলিত হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি, যেহেতু তারা অন্যান্য কারণের জন্য শাস্তি ভোগ করছিল। কক্ষগুলির একটিতে, আমি কয়েদীদের দুটি দলকে লক্ষ্য করেছিলাম—সেই স্ত্রীলোকেরা যারা সাধারণতঃ টেবিলগুলিতে বসত এবং সাক্ষী বোনেরা যাদের সারাদিন চৌকিগুলিতে বসে থাকতে হত এবং কিছুই খেতে দেওয়া হত না।b

কোনভাবে ক্যাথির সাথে দেখা হওয়ার প্রত্যাশায়, আমি যে কোন কাজের দায়িত্ব নির্দ্বিধায় গ্রহণ করতাম। আর ঠিক তাই ঘটেছিল। সে অন্য দুই কারাবাসীর সাথে তার কাজে যাচ্ছিল যখন আমরা পথের মধ্যে পরস্পরের সম্মুখীন হই। অত্যধিক আনন্দিত হয়ে, আমি তাকে প্রবলভাবে জড়িয়ে ধরি। কিন্তু মহিলা রক্ষী তখনই আমাদের সম্বন্ধে রিপোর্ট করে। আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তখন থেকে আমাদের স্বেচ্ছাকৃতভাবে পৃথক রাখা হয়। এটি অত্যন্ত কষ্টকর ছিল।

লিচ্‌টেনবার্গে আরও দুটি ঘটনা আমার স্মৃতিতে রয়েছে। একবার রেডিওতে হিটলারের একটি রাজনৈতিক বক্তৃতা শোনার জন্য সমস্ত কারাবাসীদের প্রাঙ্গণে মিলিত হতে হয়েছিল। আমরা যিহোবার সাক্ষীরা তা প্রত্যাখ্যান করেছিলাম, যেহেতু এর সাথে স্বাদেশীকতামূলক অনুষ্ঠানগুলি জড়িত ছিল। ফলে রক্ষীরা আমাদের দিকে আগুন নেভানোর জন্য ব্যবহৃত জলের পাইপ স্থাপন করে, রাস্তার জলের কল থেকে শক্তিশালী জলের ফোয়ারা দিয়ে আমাদের আক্রমণ করে এবং অসহায় স্ত্রীলোকেদের, পাঁচ তলা থেকে নিচের প্রাঙ্গণ পর্যন্ত আমাদের ধাওয়া করে। সেখানে সম্পূর্ণ ভেজা অবস্থায় আমাদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল।

আরেকবার গারট্রোট ওমি এবং গারটেল বারলেনের সাথে আমাকে একত্রে বৈদ্যুতিক বাতি দিয়ে সেনাধ্যক্ষদের প্রধান কার্যালয় সাজানোর আদেশ দেওয়া হয়েছিল, যেহেতু হিটলারের জন্মদিন নিকটবর্তী হচ্ছিল। এই ছোট ছোট বিষয়ে আপোশ করার মাধ্যমে আমাদের বিশ্বস্ততা ভাঙ্গতে, নিপুণভাবে আমাদের কাজে লাগানোর প্রচেষ্টায় শয়তানের কৌশলাদি শনাক্ত করতে পেরে আমরা তা প্রত্যাখ্যান করেছিলাম। শাস্তিস্বরূপ, আমাদের প্রত্যেক যুবতী বোনকে পরবর্তী তিন সপ্তাহ একাকী একটি ছোট, অন্ধকার কক্ষে কাটাতে হয়েছিল। কিন্তু যিহোবা আমাদের সাথেই ছিলেন এবং এমনকি এইধরনের এক ভয়ঙ্কর স্থানেও নিজেকে এক আশ্রয় বলে প্রমাণিত করেছিলেন।

রেভেন্সব্রোকে

১৯৩৯ সালের মে মাসে লিচ্‌টেনবার্গের কয়েদীদের রেভেন্সব্রোক কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। সেখানে আমাকে আরও কয়েকজন অন্যান্য সাক্ষী বোনদের সাথে কাপড়জামা ধোয়ার কার্যভার দেওয়া হয়। যুদ্ধ আরম্ভ হওয়ার কিছু সময় পরে, আমাদের স্বস্তিক চিহ্ন যুক্ত পতাকা সংগ্রহ করতে বলা হয়েছিল, যেটি করতে আমরা প্রত্যাখ্যান করেছিলাম। ফলস্বরূপ, মেলক্যান আর্নস্ট এবং আমি, আমাদের দুজনকে সৈন্যনিবাসে রাখা হয়েছিল। সেটি ছিল সবচেয়ে কঠোর ধরনের শাস্তিগুলির একটি এবং এর অর্থ ছিল, আবহাওয়া যাই হোক না কেন, আমাদের প্রতিদিন এমনকি রবিবারেও কঠিন পরিশ্রমের কাজ করতে হত। সাধারণভাবে, সবচেয়ে বেশি শাস্তিদণ্ডের সময়কাল ছিল তিন মাসের, কিন্তু আমাদের সেখানে এক বছর থাকতে হয়েছিল। যিহোবার সাহায্য ছাড়া, আমি কখনও রক্ষা পেতাম না।

১৯৪২ সালে, আমাদের কারাবাসীদের জন্য শর্তগুলি কিছুটা শিথিল হয় এবং আমাকে একটি এসএস পরিবারের গৃহ-পরিচারিকা হিসাবে কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল যা ক্যাম্পের কাছেই ছিল। পরিবারটি আমাকে কিছুটা স্বাধীনতা অনুমোদন করেছিল। উদাহরণস্বরূপ, একবার যখন আমি বাচ্চাদের বেড়াতে নিয়ে যাই, বেগুনি ত্রিভুজ চিহ্ন পরিহিত দুজন কারাবাসী, যোসেফ রেওয়াল্ড এবং গটফ্রেড মেলহর্নের সাথে সাক্ষাৎ হয়, যাদের সাথে আমি উৎসাহমূলক কিছু কথাবার্তা বিনিময় করতে পেরেছিলাম।c

কষ্টকর যুদ্ধোত্তর বছরগুলি

১৯৪৫ সালে যখন মৈত্রী বাহিনী নিকটবর্তী হয়, যে পরিবারের জন্য আমি কাজ করছিলাম তারা পালিয়ে যায় এবং আমাকে তাদের সাথে যেতে হয়। অন্যান্য এসএস পরিবারের সাথে একত্রে, এক সামরিক মালপত্র বহনের গাড়িগুলির লম্বা লাইন করে তারা পশ্চিমদিকে অগ্রসর হয়েছিল।

যুদ্ধের শেষ কিছুদিন ছিল বিশৃঙ্খল এবং বিপদে পরিপূর্ণ। অবশেষে, আমাদের যুক্তরাষ্ট্রের কিছু সৈন্যদের সাথে সাক্ষাৎ হয় যারা আমাকে পরবর্তী শহরে একজন স্বাধীন ব্যক্তি হিসাবে তালিকাভুক্ত হতে অনুমোদন করেছিল। সেখানে কাদের সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল? যোসেফ রেওয়াল্ড এবং গটফ্রেট মেলহর্ন। তারা জানতে পেরেছিলেন যে সেচসেনহোসেনের কনসেনট্রেশন ক্যাম্প থেকে সমস্ত সাক্ষীরা একটি বিপজ্জনক মৃত্যু যাত্রার পরে সারেনে পৌঁছেছে। তাই আমরা তিনজন সেই শহরের উদ্দেশ্যে রওনা দিই, যেটি প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দূরে ছিল। সারেনে কনরেট ফ্রাঙ্কিসহ কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের রক্ষাপ্রাপ্ত সমস্ত বিশ্বস্ত ভাইয়েদের সাথে মিলিত হওয়া কতই না আনন্দের ছিল।

১৯৪৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের পরিস্থিতির এতদূর পর্যন্ত উন্নতি হয়েছিল যে আমি রেলগাড়ি করে ভ্রমণ করতে সক্ষম হয়েছিলাম। ফলে আমি স্বগৃহাভিমুখে যাত্রা করেছিলাম! যাইহোক, ভ্রমণে মালগাড়ির ছাদে শুয়ে এবং গাড়ির পাদানির উপর দাঁড়িয়ে সময় কেটেছিল। কেমনিটসে, আমি রেল স্টেশন থেকে যে স্থানে আমরা একটি পরিবার হিসাবে বসবাস করতাম, সেই দিকে রওনা দিই। কিন্তু রাস্তায় যেখানে নাৎসী বাহিনীরা আগে দাঁড়াত এবং চিৎকার করত, “দেশদ্রোহীরা এখানে বাস করে!” সেখানে একটি ঘরও রক্ষা পায়নি। সম্পূর্ণ আবাসিক এলাকাকে বোমা দ্বারা বিনষ্ট করা হয়েছিল। কিন্তু, আমি স্বস্তি পেয়েছিলাম এটি জেনে যে মা, বাবা, ক্যাথি এবং আমার ভাইবোনেরা এখনও জীবিত আছে।

যুদ্ধোত্তর জার্মানীর অর্থনৈতিক অবস্থা খুব খারাপ ছিল। তৎসত্ত্বেও, জার্মানীর সর্বত্র ঈশ্বরের লোকেদের মণ্ডলীগুলি বৃদ্ধি পেতে থাকে। ওয়াচ টাওয়ার সমিতি প্রচার কার্যক্রমের জন্য আমাদের সুসজ্জিত করতে কোন প্রচেষ্টাই বাদ দেয়নি। মেগডেবার্গে বেথেলের কাজ যা নাৎসীরা বন্ধ করে দিয়েছিল তা পুনরায় শুরু হয়েছিল। ১৯৪৬ সালের বসন্তকালে, আমাকে সেখানে কাজ করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এবং রান্নাঘরে কার্যভার দেওয়া হয়েছিল।

আরও একবার নিষেধাজ্ঞার অধীনে এবং কারাগারে

মেগডেবার্গ জার্মানীর সেই অংশ যেটি সাম্যবাদীদের নিয়ন্ত্রণে আসে। ১৯৫০ সালের ৩১শে আগস্ট, তারা আমাদের কাজের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে এবং মেগডেবার্গের বেথেল বন্ধ করে দেয়। এইভাবে বেথেলে আমার পরিচর্যা শেষ হয় যা এক মূল্যবান প্রশিক্ষণের সময় ছিল। আমি কেমনিটসে ফিরে এসেছিলাম, এমনকি সাম্যবাদীদের অধীনেও সত্যকে দৃঢ়ভাবে ধরে রাখতে এবং হতাশাগ্রস্ত মানবজাতির একমাত্র আশা হিসাবে ঈশ্বরের রাজ্য ঘোষণা করতে সংকল্পবদ্ধ ছিলাম।

১৯৫১ সালের এপ্রিল মাসে, আমি প্রহরীদুর্গ এর সংখ্যাগুলি সংগ্রহ করতে এক ভাইয়ের সাথে বার্লিনে গিয়েছিলাম। যখন আমরা ফিরে আসছিলাম, কেমনিটসে রেল স্টেশন অসামরিক পুলিশ দ্বারা বেষ্টিত দেখে আমরা বিস্ময়ে হতবুদ্ধি হয়ে গিয়েছিলাম। তারা নিশ্চিতভাবে আমাদের প্রত্যাশা করছিল এবং সেখানেই আমাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

বিচারের অপেক্ষায় বন্দী অবস্থায়, আমি প্রমাণপত্রগুলি বহন করছিলাম যা প্রমাণ করেছিল যে আমি নাৎসীদের দ্বারা বহু বছর বন্দী ছিলাম। ফলস্বরূপ, রক্ষীরা আমার সাথে সম্মানপূর্বক আচরণ করেছিল। মহিলা রক্ষীদের একজন প্রধান বলেছিলেন: “আপনারা যিহোবার সাক্ষীরা অপরাধী নন; কারাগার আপনাদের স্থান নয়।”

একবার তিনি আমার কক্ষে আসেন যেখানে আমি অন্য দুই বোনের সাথে ছিলাম এবং একটি বিছানার নিচে কিছু লুকিয়ে রেখে যান। তা কী ছিল? তার নিজের বাইবেল যেটি তিনি আমাদের জন্য রেখে গিয়েছিলেন। আরেকবার, তিনি বাড়িতে আমার বাবামার সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন, যেহেতু তারা কারাগারের কাছেই থাকতেন। তিনি প্রহরীদুর্গ এর সংখ্যাগুলি এবং কিছু খাবার পেয়েছিলেন ও তা সবই নিজের কাছে লুকিয়ে রেখেছিলেন এবং সমস্তই গোপনে আমার কক্ষে চালান করেছিলেন।

আরও কিছু আছে যা আমি স্মরণ করতে চাই। কখনও কখনও রবিবার সকালে, আমাদের ঐশিক গানগুলি আমরা এত উচ্চৈঃস্বরে গাইতাম যে অন্যান্য কারাবাসীরা আনন্দের সাথে প্রতিটি গান সমর্থন করত।

যিহোবার কাছ থেকে শক্তি এবং সাহায্য

১৯৫১ সালের ৪ঠা সেপ্টেম্বর আদালতের কার্যকলাপ চলাকালীন, বিচারক এই প্রবন্ধের শুরুতে উল্লেখিত মন্তব্যটি করেছিলেন। আমি আমার কারাদণ্ড ওয়েল্ডহেম, পরে হেলি এবং অবশেষে হোইনেকে অতিবাহিত করেছিলাম। একটি অথবা দুটি সংক্ষিপ্ত ঘটনা দেখাবে যে ঈশ্বর কিভাবে আমাদের, যিহোবার সাক্ষীদের কাছে এক আশ্রয় ও শক্তি হয়েছিলেন এবং কিভাবে তাঁর বাক্য আমাদের বলপ্রদান করেছিল।

ওয়েল্ডহেমের কারাগারে, সমস্ত সাক্ষী বোনেরা একত্রে একটি কক্ষে নিয়মিতভাবে আসতেন, যার ফলে আমরা খ্রীষ্টীয় সভাগুলি করতে সক্ষম হয়েছিলাম। পেন্সিল এবং কাগজ অনুমোদিত ছিল না, কিন্তু কয়েকজন বোনের কাছে কিছু কাপড়ের টুকরো ছিল এবং ১৯৫৩ সালের জন্য বার্ষিক শাস্ত্রপদ সম্বলিত একটি ছোট ব্যানার বানানো সম্ভব হয়েছিল, যেটি ছিল: “পবিত্র বিন্যাসে যিহোবার উপাসনা কর।”—গীতসংহিতা ২৯:২, আমেরিকান স্ট্যান্ডার্ড ভারসন।

মহিলা রক্ষীদের একজন হঠাৎ উপস্থিত হন এবং অবিলম্বে আমাদের সম্বন্ধে রিপোর্ট করেন। কারাগারের প্রধান আসেন এবং আমাদের দুইজন বোনকে ব্যানারটি উচুঁ করে ধরতে বলেন। তিনি জানতে চান “কে এটি তৈরি করেছে? এর মানে কী?”

বোনদের একজন স্বীকার করতে এবং আমাদের জন্য দোষ গ্রহণ করতে চেয়েছিলেন কিন্তু আমরা সকলে নিজেদের মধ্যে তাড়াতাড়ি ফিস্‌ ফিস্‌ করে কথা বলি এবং সম্মত হই যে এই দায়টি আমাদের সকলের ভাগ করে নেওয়া উচিত। সুতরাং আমরা উত্তর দিয়েছিলাম: “আমাদের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করার জন্য আমরা এটি তৈরি করেছি।” ব্যানারটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল এবং শাস্তিস্বরূপ আমাদের খাবার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। কিন্তু সম্পূর্ণ আলোচনার সময়, বোনেরা এটি উচুঁতে ধরে রেখেছিলেন যার ফলে আমরা উৎসাহমূলক পদটি দ্বারা আমাদের মনকে প্রভাবিত করতে পেরেছিলাম।

যখন ওয়েল্ডহেমের স্ত্রীলোকেদের কারাগারটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, আমরা বোনেরা হেলিতে স্থানান্তরিত হয়েছিলাম। এখানে আমাদের মোড়কগুলি গ্রহণ করতে অনুমোদন করা হয়েছিল এবং আমার বাবা যে এক জোড়া চটি পাঠিয়েছিলেন তা কী দিয়ে মোড়ানো ছিল? প্রহরীদুর্গ প্রবন্ধগুলি! আমি এখনও সেই শিরোনামগুলির কথা স্মরণ করতে পারি যেগুলি ছিল “প্রকৃত প্রেম ব্যবহারিক” এবং “মিথ্যা, জীবন হারানোর পথে পরিচালিত করে।” এগুলি এবং অন্যান্য প্রবন্ধগুলি সত্যই তৃপ্তিকর ছিল এবং যখন আমরা একে অন্যের কাছে লুকিয়ে তা পাঠাতাম, প্রত্যেকে নিজের জন্য নোট করে নিত।

এক আকস্মিক হানা দেওয়ার সময়, রক্ষীদের একজন আমার খড়ের তৈরি মাদুরের ভিতরে লুকানো ব্যক্তিগত নোটগুলি খুঁজে পেয়েছিলেন। পরে, তিনি আমাকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার জন্য ডেকে পাঠান এবং বলেন যে তিনি “১৯৫৫ সালের জন্য যিহোবার ভয়কারীদের প্রত্যাশাগুলি” নামক প্রবন্ধটির অর্থ সুস্পষ্টভাবে জানতে চান। একজন সাম্যবাদী হিসাবে, তিনি ১৯৫৩ সালে তার নেতা, স্তালিনের মৃত্যুতে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন এবং ভবিষ্যৎকে অস্পষ্ট বলে মনে হয়েছিল। আমাদের জন্য, ভবিষ্যৎ কারাগারে আমাদের অবস্থার কিছু উন্নতি নিয়ে আসবে, কিন্তু সেই বিষয়ে আমি তখনও জ্ঞাত ছিলাম না। আমি প্রত্যয়ের সাথে ব্যাখ্যা করেছিলাম যে যিহোবার সাক্ষীদের প্রত্যাশা ছিল সবচেয়ে উত্তম। কেন? আমি প্রবন্ধটির মুখ্য শাস্ত্রপদের বিষয়বস্তু থেকে উদ্ধৃতি করেছিলাম যেটি ছিল, গীতসংহিতা ১১২:৭ পদ: “সে মন্দ সংবাদে ভীত হবে না: তার হৃদয় দৃঢ়, তা যিহোবাতে নির্ভর করে।”—আমেরিকান স্ট্যান্ডার্ড ভারসন।

যিহোবা আমার আশ্রয় এবং শক্তি হয়ে থাকেন

এক গুরুতর অসুস্থতার পর, ১৯৫৭ সালের মার্চ মাসে, দুই বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বেই আমি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলাম। পূর্ব জার্মানের আধিকারিকেরা যিহোবার পরিচর্যায় আমার কার্যাবলির জন্য পুনরায় আমার উপর চাপ সৃষ্টি করে। অতএব, ১৯৫৭ সালের মে মাসে, আমি পশ্চিম বার্লিনে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিয়েছিলাম এবং সেখান থেকে আমি পশ্চিম জার্মানীতে চলে গিয়েছিলাম।

আমার শারীরিক সুস্থতা ফিরে পাওয়ার পূর্বে বেশ কয়েক বছর কেটে গিয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমার যথেষ্ট আধ্যাত্মিক ক্ষুধা রয়েছে এবং প্রহরীদুর্গ এর প্রতিটি নতুন সংখ্যার জন্য আমি প্রতীক্ষা করে থাকি। সময়ে সময়ে, আমি নিজেকে পরীক্ষা করে থাকি। আমি কি এখনও আধ্যাত্মিক-মনা রয়েছি? আমি কি উত্তম গুণাবলিগুলি উৎপন্ন করেছি? আমার বিশ্বাসের পরীক্ষাসিদ্ধ গুণ কি যিহোবাকে প্রশংসা এবং সম্মান করার একটি কারণ? সমস্ত বিষয়ে ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করাই আমার লক্ষ্য, যাতে করে তিনি চিরকাল আমার আশ্রয় এবং শক্তি হয়ে থাকেন।

[পাদটীকাগুলো]

a “ফটো-ড্রামা” স্লাইডস্‌ এবং চলমান চিত্রগুলি নিয়ে গঠিত এবং এটি ওয়াচ টাওয়ার বাইবেল অ্যান্ড ট্র্যাক্ট সোসাইটির প্রতিনিধিদের দ্বারা ১৯১৪ সাল থেকে ব্যাপকভাবে প্রদর্শিত হত।

b ১৯৪০ সালের ১লা মে, সুইজারল্যান্ডের বার্নে ওয়াচ টাওয়ার সোসাইটি দ্বারা প্রকাশিত ট্রোস্ট (সান্ত্বনা) পত্রিকার ১০ পৃষ্ঠায় বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল যে একবার লিচ্‌টেনবার্গে যিহোবার সাক্ষী বোনেরা ১৪ দিনের জন্য কোন দুপুরের খাবার পায়নি কারণ যখন নাৎসীদের স্তবগান বাজানো হচ্ছিল তারা সম্মানজনক ভঙ্গি করতে প্রত্যাখ্যান করেছিল। সেখানে ৩০০ জন যিহোবার সাক্ষী ছিল।

c যোসেফ রেওয়াল্ড সম্বন্ধে একটি বিবরণ ১৯৯৩ সালের ফেব্রুয়ারি ৮, সচেতন থাক! (ইংরাজি) পত্রিকার পৃষ্ঠা ২০-৩-এ প্রকাশিত হয়েছিল।

[২৬ পৃষ্ঠার চিত্র]

রেভেন্সব্রোকের এসএস কার্যালয়

[সজন্যে]

উপরে: Stiftung Brandenburgische Gedenkstätten

[২৬ পৃষ্ঠার চিত্র]

ক্যাম্পের বাইরে কাজ করার জন্য আমার অনুমতিপত্র

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার