ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৪ ৭/১ পৃষ্ঠা ১২-১৭
  • কর্তৃত্বের প্রতি খ্রীষ্টীয় দৃষ্টিভঙ্গি

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • কর্তৃত্বের প্রতি খ্রীষ্টীয় দৃষ্টিভঙ্গি
  • ১৯৯৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • “ঈশ্বরের নিরূপণ ব্যতিরেকে কর্তৃত্ব হয় না”
  • প্রাথমিক খ্রীষ্টানগণ এবং রোমীয় কর্তৃপক্ষ
  • কর্তৃপক্ষের প্রতি সমুচিত সম্মান
  • খ্রীষ্টীয় গৃহের মধ্যে কর্তৃত্ব
  • মন্ডলীর মধ্যে কর্তৃত্ব
  • কাদের কর্তৃত্বকে আপনার স্বীকার করা উচিত?
    জ্ঞান যা অনন্ত জীবনে পরিচালিত করে
  • কর্তৃপক্ষকে সম্মান করা কেন উচিত?
    ২০০০ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • কেন কর্তৃপক্ষকে সম্মান করবেন?
    “ঈশ্বরের প্রেমে আপনাদিগকে রক্ষা কর”
  • যাদের কর্তৃত্ব করার অধিকার আছে তাদেরকে সম্মান করুন
    ২০০০ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
আরও দেখুন
১৯৯৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৪ ৭/১ পৃষ্ঠা ১২-১৭

কর্তৃত্বের প্রতি খ্রীষ্টীয় দৃষ্টিভঙ্গি

“ঈশ্বরের নিরূপণ ব্যতিরেকে কর্ত্তৃত্ব হয় না।”​—⁠রোমীয় ১৩:⁠১.

১. কেন বলা যেতে পারে যে যিহোবাই সর্বশক্তিমান কর্তৃপক্ষ?

সৃষ্টি-শক্তির সাথে কর্তৃত্বের সম্পর্ক আছে। সমস্ত সজীব এবং নির্জীব সৃষ্টিকে যে সর্বশক্তিমান ব্যক্তি অস্তিত্বে নিয়ে এসেছেন, তিনি হলেন যিহোবা ঈশ্বর। নিঃসন্দেহে তিনি হলেন সর্বশক্তিমান কর্তৃপক্ষ। সত্য খ্রীষ্টানেরা স্বর্গীয় দূতেদের মতই মনোভাব রাখেন, যারা বলেছিলেন: “হে আমাদের প্রভু ও আমাদের ঈশ্বর, তুমিই প্রতাপ ও সমাদর ও পরাক্রম গ্রহণের যোগ্য; কেননা তুমিই সকলের সৃষ্টি করিয়াছ, এবং তোমার ইচ্ছাহেতু সকলই অস্তিত্বপ্রাপ্ত ও সৃষ্ট হইয়াছে।”​—⁠প্রকাশিত বাক্য ৪:১১.

২. প্রাচীনকালের মানব শাসকেরা কিভাবে এক অর্থে স্বীকার করেছিল যে তাদের সহমানবের উপরে কর্তৃত্ব করার সহজাত অধিকার ছিল না এবং যীশু পন্তীয় পীলাতকে কী বলেছিলেন?

২ প্রাচীনকাল থেকে, বহু মানব শাসক যে নিজেদের ঈশ্বর অথবা ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসাবে ঘোষণা করে, কর্তৃত্ব করায় তাদের যথার্থ দেখাতে চেয়েছে, তা প্রমাণ করে যে কোন মানুষের অধিকার নেই অন্যান্য মানুষের উপরে শাসন করার।a (যিরমিয় ১০:২৩) কর্তৃত্বের একমাত্র বৈধ উৎস হলেন যিহোবা ঈশ্বর। যিহূদিয়ার রোমীয় রাজ্যপাল, পন্তীয় পীলাতকে খ্রীষ্ট বলেছিলেন: “যদি উদ্ধর্ব হইতে তোমাকে দত্ত না হইতে, তবে আমার বিরুদ্ধে তোমার কোন ক্ষমতা থাকিত না।”​—⁠যোহন ১৯:⁠১১.

“ঈশ্বরের নিরূপণ ব্যতিরেকে কর্তৃত্ব হয় না”

৩. “প্রাধান্যপ্রাপ্ত কর্ত্তৃপক্ষদের” সম্বন্ধে প্রেরিত পৌল কী বলেছিলেন এবং যীশু ও পৌলের বক্তব্য কোন্‌ প্রশ্নের উত্থাপন করে?

৩ রোমীয় সাম্রাজ্যের অধীনে বসবাসকারী খ্রীষ্টানদের প্রেরিত পৌল লিখেছিলেন: “প্রত্যেক প্রাণী প্রাধান্যপ্রাপ্ত কর্ত্তৃপক্ষদের বশীভূত হউক; কেননা ঈশ্বরের নিরূপণ ব্যতিরেকে কর্ত্তৃত্ব হয় না; এবং যে সকল কর্ত্তৃপক্ষ আছেন, তাঁহারা ঈশ্বরনিযুক্ত।” (রোমীয় ১৩:⁠১) যীশু কী বুঝাতে চেয়েছিলেন যখন তিনি বলেছিলেন যে পীলাতের ক্ষমতা “ঊর্দ্ধ্ব হইতে” দেওয়া হয়েছে? আর কিভাবে পৌল বিবেচনা করেছিলেন যে তার দিনে যে সব রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ ছিল, সেগুলি ঈশ্বর-নিযুক্ত ছিল? তারা কি বলতে চেয়েছিলেন যে এই জগতের প্রত্যেকটি রাজনৈতিক শাসককে নির্বাচিত করায় যিহোবা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী?

৪. যীশু ও পৌল শয়তানকে কী বলেছিলেন এবং শয়তানের কোন্‌ দাবি যীশু অস্বীকার করেননি?

৪ তা কিভাবে হতে পারে, কারণ যীশু শয়তানকে বলেছিলেন “এ জগতের অধিপতি” এবং প্রেরিত পৌল তাকে “এই যুগের দেব” আখ্যা দিয়েছিলেন? (যোহন ১২:৩১; ১৬:১১; ২ করিন্থীয় ৪:⁠৪) এছাড়াও, যীশুকে প্রলোভিত করার সময়ে, শয়তান তাঁকে ‘জগতের সমস্ত রাজ্যের’ উপরে “কর্তৃত্ব” দিতে চেয়েছিল, এই দাবি করে যে সেই কর্তৃত্ব তাকে দেওয়া হয়েছে। যীশু তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, কিন্তু শয়তানের যে এই কর্তৃত্ব ছিল, তা তিনি অস্বীকার করেননি।​—⁠লূক ৪:​৫-৮.

৫. (ক) কর্তৃপক্ষদের সম্বন্ধে যীশু ও পৌলের বাক্য আমাদের কিভাবে বোঝা প্রয়োজন? (খ) কী অর্থে প্রাধান্যপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষগুলি “ঈশ্বর-নিযুক্ত”?

৫ শয়তানের বিদ্রোহের পর এবং আদম ও হবাকে প্রলোভন দেখিয়ে তাদেরও যিহোবার সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করানোর পর তাকে বেঁচে থাকতে দিয়ে, যিহোবা শয়তানকে জগতের শাসনভার দিয়েছিলেন। (আদিপুস্তক ৩:​১-৬; তুলনা করুন যাত্রাপুস্তক ৯:​১৫, ১৬.) সুতরাং, যীশু ও পৌলের কথার অর্থ নিশ্চয় এই যে এদনে প্রথম মানব দম্পতি ঈশতন্ত্র অথবা ঈশ্বর-শাসন প্রত্যাখ্যান করার পর, বিচ্ছিন্ন মানবজাতিকে একটি কর্তৃত্বের কাঠামো তৈরি করতে যিহোবা অনুমতি দিয়েছিলেন, যাতে তারা একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ সমাজে বাস করতে পারে। কয়েক সময়ে, যিহোবা তাঁর উদ্দেশ্য সাধন করার জন্য, কিছু শাসক বা সরকারের পতন ঘটিয়েছেন। (দানিয়েল ২:​১৯-২১) অন্যদের তিনি ক্ষমতায় থাকতে দিয়েছেন। যে শাসকদের অস্তিত্ব যিহোবা সহ্য করেন, তাদের সম্বন্ধে বলা যায় যে “তাঁহার ঈশ্বর-নিযুক্ত।”

প্রাথমিক খ্রীষ্টানগণ এবং রোমীয় কর্তৃপক্ষ

৬. প্রাথমিক খ্রীষ্টানেরা কিভাবে রোমীয় কর্তৃপক্ষদের দেখত এবং কেন?

৬ যে যিহূদী দলগুলি ইস্রায়েল অবরোধকারী রোমীয়দের বিরুদ্ধে চক্রান্ত ও যুদ্ধ করত, প্রাথমিক খ্রীষ্টানেরা তাদের সাথে যোগ দেয়নি। যতক্ষণ পর্যন্ত, রোমীয় কর্তৃপক্ষেরা তাদের সংবিধানের মাধ্যমে সমুদ্রে এবং স্থলে শান্তি বজায় রাখত; বহু উপকারী জল-প্রণালী, রাস্তা ও সেতু তৈরি করত; এবং সাধারণত সকলের মঙ্গলসাধন করত, ততক্ষণ খ্রীষ্টানেরা মনে করত যে ‘মঙ্গলের জন্য তাদের পক্ষে তারা ঈশ্বরের পরিচারক [অথবা, “ভৃত্য,” টীকা]।’ (রোমীয় ১৩:​৩, ৪) নিরাপদ আইন-ব্যবস্থা এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল যার জন্য খ্রীষ্টানেরা বহু দূর পর্যন্ত সুসমাচার প্রচার করতে পেরেছিল, যেমন যীশু তাদের আদেশ দিয়েছিলেন। (মথি ২৮:​১৯, ২০) শুদ্ধ বিবেক নিয়েই তারা রোমীয়রা যে আয়কর ধার্য করেছিল তা দিতে পারত, তার কিছু টাকা ঈশ্বরের অনুমোদনহীন কাজে ব্যবহৃত হলেও।​—⁠রোমীয় ১৩:​৫-৭.

৭, ৮. (ক)  রোমীয় ১৩:​১-৭ পদ মনোযোগ দিয়ে পড়লে কী প্রকাশ পায় এবং প্রসঙ্গ কী দেখায়? (খ) কোন্‌ পরিস্থিতিতে রোমীয় কর্তৃপক্ষেরা “ঈশ্বরের পরিচারক” হিসাবে কাজ করেনি এবং এই ক্ষেত্রে প্রাথমিক খ্রীষ্টানেরা কী মনোভাব রেখেছিল?

৭ রোমীয় ১৩ অধ্যায়ের প্রথম সাতটি পদ মনোযোগের সাথে পড়লে বোঝা যায় যে রাজনৈতিক “প্রাধান্যপ্রাপ্ত কর্ত্তৃপক্ষগুলি” ছিল “ঈশ্বরের পরিচারক,” যাদের কাজ ছিল যারা মন্দ আচরণ করে তাদের শাস্তি দেওয়া। প্রসঙ্গ দেখায় যে কী ভাল এবং কী মন্দ, তা নির্ধারণ করবেন ঈশ্বর, প্রাধান্যপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষেরা নয়। সুতরাং, রোমীয় সম্রাট বা অন্য যে কোন রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ যদি এমন কিছু আমাদের কাছে চায় যা ঈশ্বর নিষেধ করেন, অথবা অপরপক্ষে এমন কিছু নিষেধ করে যা ঈশ্বর চান আমরা করি, তাহলে তারা আর ঈশ্বরের পরিচারক থাকে না। যীশু বলেছিলেন: “কৈসরের যাহা যাহা, কৈসরকে দেও, আর ঈশ্বরের যাহা যাহা, ঈশ্বরকে দেও।” (মথি ২২:২১) রোমীয় রাষ্ট্র যদি এমন কিছু দাবি করত যার অধিকার ঈশ্বরেরই আছে, যেমন উপাসনা অথবা কোন ব্যক্তির জীবন, তাহলে সত্য খ্রীষ্টানেরা প্রেরিতদের এই উপদেশটি পালন করত: “মনুষ্যদের অপেক্ষা বরং ঈশ্বরের আজ্ঞা পালন করিতে হইবে।”​—⁠প্রেরিত ৫:২৯.

৮ সম্রাটের উপাসনা করতে, প্রতিমাপূজা করতে, খ্রীষ্টীয় সভাগুলি পরিত্যাগ করতে এবং সুসমাচার প্রচার বন্ধ করতে অস্বীকার করার জন্য প্রাথমিক খ্রীষ্টানদের উপরে নির্যাতন এসেছিল। অনুমান করা হয় যে সম্রাট নিরোর আদেশে প্রেরিত পৌলকে হত্যা করা হয়েছিল। অন্যান্য সম্রাটেরাও, বিশেষত ডমিশিয়ান, মার্কাস অরেলিয়াস, সেপ্টিমিউস সেভেরুস, ডেসিউস এবং ডায়োক্লেশান প্রাথমিক খ্রীষ্টানদের নির্যাতন করেছিলেন। এই সম্রাটেরা ও তাদের অধীনস্ত কর্তৃপক্ষেরা যখন খ্রীষ্টানদের নির্যাতন করত, তখন অবশ্যই তারা “ঈশ্বরের পরিচারক” হিসাবে কাজ করছিল না।

৯. (ক) রাজনৈতিক প্রাধান্যপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষদের ক্ষেত্রে এখনও কোন্‌ বিষয় একই রয়েছে এবং রাজনৈতিক পশুটি কার কাছ থেকে ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব পেয়েছে? (খ) প্রাধান্যপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষদের প্রতি খ্রীষ্টীয় বশ্যতা সম্বন্ধে যুক্তিসঙ্গতভাবে কী বলা যায়?

৯ এই সবকিছুই প্রদর্শন করে যে শৃঙ্খলাবদ্ধ মানব সমাজ বজায় রাখবার মত কিছু বিষয়ে রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষেরা ‘ঈশ্বরের ব্যবস্থা’ হিসাবে কাজ করলেও, তারা সেই জাগতিক ব্যবস্থার অংশ যার দেবতা হল শয়তান। (১ যোহন ৫:১৯) তারা বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক সংস্থার অংশ, যা চিত্রিত করা হয়েছে প্রকাশিত বাক্য ১৩:​১, ২ পদের বন্য “পশুর” মাধ্যমে। পশুটি তার ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব পেয়েছে “মহানাগ,” শয়তান দিয়াবলের কাছ থেকে। (প্রকাশিত বাক্য ১২:⁠৯) যুক্তিসঙ্গতরূপেই তাই, এই ধরনের কর্তৃপক্ষের কাছে খ্রীষ্টীয় বাধ্যতা হল আপেক্ষিক, সম্পূর্ণ নয়।​—⁠তুলনা করুন দানিয়েল ৩:​১৬-১৮.

কর্তৃপক্ষের প্রতি সমুচিত সম্মান

১০, ১১. (ক) পৌল কিভাবে দেখিয়েছিলেন যে কর্তৃত্বস্থানীয় লোকেদের প্রতি আমাদের সম্মান দেখাতে হবে? (খ) “রাজাদের ও উচ্চপদস্থ সকলের নিমিত্ত” কেন এবং কিভাবে প্রার্থনা করা যায়?

১০ এর অর্থ এই নয় যে রাজনৈতিক প্রাধান্যপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষদের প্রতি খ্রীষ্টানদের অবজ্ঞাপূর্ণ, উদ্ধত মনোভাব রাখতে হবে। সত্য যে এই লোকেদের মধ্যে অনেকে ব্যক্তিগতভাবে অথবা সর্বসমক্ষে যেভাবে জীবন যাপন করে, তার জন্য তারা হয়ত ঠিক সম্মানের যোগ্য নয়। তবুও, প্রেরিতেরা তাদের উদাহরণ ও উপদেশের মাধ্যমে দেখিয়েছিলেন যে কর্তৃপক্ষস্থানীয় লোকেদের সম্মান দেখানো উচিত। পৌল যখন অজাচারী রাজা হেরোদ আগ্রিপ্প দ্বিতীয়ের সামনে এসেছিলেন, তখন তিনি উপযুক্ত শ্রদ্ধার সাথেই কথা বলেছিলেন।​—⁠প্রেরিত ২৬:​২, ৩, ২৫.

১১ পৌল এমনকি বলেছিলেন যে আমাদের প্রার্থনাতেও আমরা জাগতিক কর্তৃপক্ষদের স্মরণ করতে পারি, বিশেষত যখন তারা কোন সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে যা আমাদের জীবন ও খ্রীষ্টীয় কাজকে প্রভাবিত করতে পারে। তিনি লিখেছিলেন: “আমার সর্ব্বপ্রথম নিবেদন এই, যেন সকল মনুষ্যের নিমিত্ত, বিনতি, প্রার্থনা, অনুরোধ, ধন্যবাদ করা হয়; [বিশেষতঃ] রাজাদের ও উচ্চপদস্থ সকলের নিমিত্ত; যেন আমরা সম্পূর্ণ ভক্তিতে ও ধীরতায় নিরুদ্বেগ ও প্রশান্ত জীবন যাপন করিতে পারি। তাহাই আমাদের ত্রাণকর্ত্তা ঈশ্বরের সম্মুখে উত্তম ও গ্রাহ্য; তাঁহার ইচ্ছা এই, যেন সমুদয় মনুষ্য পরিত্রাণ পায়, ও সত্যের তত্ত্বজ্ঞান পর্য্যন্ত পঁহুছিতে পারে।” (১ তীমথিয় ২:​১-৪) কর্তৃপক্ষের প্রতি আমাদের সম্মানসূচক মনোভাব হয়ত “সমুদয় মনুষ্য”-কে বাঁচানোর আমাদের চেষ্টাকে আরও মুক্তভাবে অনুমতি দিতে তাদের পরিচালিত করবে।

১২, ১৩. (ক) কর্তৃত্ব সম্বন্ধে পিতর কোন্‌ ভারসাম্যপূর্ণ উপদেশ দিয়েছিলেন? (খ) যারা যিহোবার সাক্ষীদের বিরুদ্ধে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে সেই “নির্ব্বোধ মনুষ্যদের অজ্ঞানতাকে” কিভাবে নিরুত্তর করা যেতে পারে?

১২ প্রেরিত পিতর লিখেছিলেন: “তোমরা প্রভুর নিমিত্ত মানবসৃষ্ট সমস্ত নিয়োগের বশীভূত হও, রাজার বশীভূত হও, তিনি প্রধান; দেশাধ্যক্ষদের বশীভূত হও, তাঁহারা দুরাচারদের প্রতিফল দিবার নিমিত্ত ও সদাচারদের প্রশংসার নিমিত্ত তাঁহার দ্বারা প্রেরিত। কেননা ঈশ্বরের ইচ্ছা এই, যেন এইরূপে তোমরা সদাচরণ করিতে করিতে নির্ব্বোধ মনুষ্যদের অজ্ঞানতাকে নিরুত্তর কর। আপনাদিগকে স্বাধীন জান; আর স্বাধীনতাকে দুষ্টতার আবরণ করিও না, কিন্তু আপনাদিগকে ঈশ্বরের দাস জান। সকলকে সমাদর কর, ভ্রাতৃসমাজকে প্রেম কর, ঈশ্বরকে ভয় কর, রাজাকে সমাদর কর।” (১ পিতর ২:​১৩-১৭) কী ভারসাম্যপূর্ণ উপদেশ! ঈশ্বরের দাস হিসাবে তাঁর প্রতি সম্পূর্ণ বশ্যতা দেখাতে আমরা বাধ্য; দুষ্কর্মকারীদের শাস্তি দেওয়ার জন্য নিরূপিত রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষদের প্রতি আপেক্ষিক ও সম্মানসূচক বশ্যতাও আমাদের দেখাতে হবে।

১৩ লক্ষ্য করা হয়েছে, যে বহু জাগতিক কর্তৃপক্ষের মধ্যে যিহোবার সাক্ষীদের সম্বন্ধে অতি আশ্চর্যজনক ভুল ধারণা রয়েছে। সাধারণত এর কারণ তারা ঈশ্বরের লোকেদের প্রতি বিদ্বেষ-মনোভাবাপন্ন শত্রুদের থেকে ভুল তথ্য পেয়েছে। অথবা আমাদের সম্বন্ধে তারা যতটা জানে তা হয়ত বিভিন্ন প্রচারমাধ্যম থেকে পাওয়া, যেখানে সবসময়ে নিরপেক্ষভাবে বর্ণনা করা হয় না। আমাদের সম্মানসূচক আচরণের দ্বারা আর, যেখানে সম্ভব হবে, সেখানে কর্তৃপক্ষকে যিহোবার সাক্ষীদের কাজ ও বিশ্বাস সম্বন্ধে সঠিক চিত্রটি দেওয়ার মাধ্যমে কখনও কখনও আমরা এই ভুল ধারণা ভাঙ্গতে পারি। ব্যস্ত কর্মকর্তাদের জন্য, বিংশ শতাব্দীতে যিহোবার সাক্ষীবৃন্দ ব্রোশারটি একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়। আরও বেশি তথ্যের জন্য, তাদের যিহোবার সাক্ষীবৃন্দ​—⁠ঈশ্বরের রাজ্যের ঘোষণাকারী বইটি দেওয়া যেতে পারে। এই বইটি একটি অপূর্ব উপকরণ যার স্থান স্থানীয় এবং জাতীয় গ্রন্থাগারগুলিতে হওয়া উচিত।

খ্রীষ্টীয় গৃহের মধ্যে কর্তৃত্ব

১৪, ১৫. (ক) খ্রীষ্টীয় পরিবারের মধ্যে কর্তৃত্বের ভিত্তি কী? (খ) স্বামীদের প্রতি খ্রীষ্টীয় স্ত্রীদের আচরণ কিরকম হওয়া উচিত এবং কেন?

১৪ বলা বাহুল্য যে খ্রীষ্টানদের যদি জাগতিক কর্তৃপক্ষের প্রতি উপযুক্ত সম্মান দেখাতে হয়, তাহলে পরিবারের মধ্যে ঈশ্বর যে কর্তৃত্বের কাঠামো রেখেছেন, তার প্রতিও তাদের একই ধরনের সম্মান দেখাতে হবে। যিহোবার লোকেদের মধ্যে মস্তক ব্যবস্থার যে নীতি আছে, প্রেরিত পৌল তা নির্দিষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি লিখেছেন: “আমার ইচ্ছা এই, যেন তোমরা জান যে, প্রত্যেক পুরুষের মস্তকস্বরূপ খ্রীষ্ট, এবং স্ত্রীর মস্তকস্বরূপ পুরুষ, আর খ্রীষ্টের মস্তকস্বরূপ ঈশ্বর।” (১ করিন্থীয় ১১:৩) এটাই হল ঈশতন্ত্র, অথবা ঈশ্বর-শাসনের নীতি। এর সাথে কী জড়িত আছে?

১৫ ঈশতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা শুরু হয় পরিবার থেকে। একজন খ্রীষ্টীয় যে তার স্বামী​—⁠সে একজন সহবিশ্বাসী হোন অথবা নাই হোক​—⁠তার কর্তৃত্বের প্রতি উপযুক্ত সম্মান দেখায় না, সে ঈশতন্ত্র মেনে চলে না। পৌল খ্রীষ্টানদের উপদেশ দিয়েছিলেন: “খ্রীষ্টের ভয়ে এক জন অন্য জনের বশীভূত হও। নারীগণ, তোমরা যেমন প্রভুর, তেমনি নিজ নিজ স্বামীর বশীভূতা হও। কেননা স্বামী স্ত্রীর মস্তক, যেমন খ্রীষ্টও মণ্ডলীর মস্তক; তিনি আবার দেহের ত্রাণকর্ত্তা; কিন্তু মণ্ডলী যেমন খ্রীষ্টের বশীভূত, তেমনি নারীগণ সর্ব্ববিষয়ে আপন আপন স্বামীর বশীভূতা হউক।” (ইফিষীয় ৫:​২১-২৪) ঠিক যেমন খ্রীষ্টীয় পুরুষদের খ্রীষ্টের মস্তক অধিকারের সামনে বশ্যতা দেখাতে হবে, সেইভাবে খ্রীষ্টীয় স্ত্রীদেরও উচিত তাদের স্বামীদের ঈশ্বর-দত্ত কর্তৃত্বের প্রতি বশ্যতা দেখানোর উপকার স্বীকার করা। এইভাবে তারা গভীর পরিতৃপ্তি এবং তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ, যিহোবার আশীর্বাদ পেতে পারে।

১৬, ১৭. (ক) খ্রীষ্টীয় ঘরে বড় হয়ে ওঠা ছেলেমেয়েরা কিভাবে বর্তমানের অন্যান্য কিশোর-কিশোরীদের থেকে নিজেদের পৃথক রাখতে পারে এবং তাদের কী সহায়ক আছে? (খ) বর্তমানের ছেলেমেয়েদের জন্য যীশু কিভাবে ভাল উদাহরণ ছিলেন এবং তাদের কী করতে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে?

১৬ ঐশিক মনোভাবসমেত ছেলেমেয়েরা তাদের বাবা-মার প্রতি উপযুক্ত সম্মান দেখাতে খুশি হয়। শেষকালের কিশোর-কিশোরীদের সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে যে তারা “পিতামাতার অবাধ্য” হবে। (২ তীমথিয় ৩:​১, ২) কিন্তু খ্রীষ্টীয় ছেলেমেয়েদের ঈশ্বরের অনুপ্রাণিত বাক্য জানিয়েছে: “সন্তানেরা, তোমরা সর্ব্ববিষয়ে পিতামাতার আজ্ঞাবহ হও, কেননা তাহাই প্রভুতে তুষ্টিজনক।” (কলসীয় ৩:২০) বাবা-মার কর্তৃত্বের প্রতি সম্মান যিহোবাকে খুশি করে ও তাঁর আশীর্বাদ নিয়ে আসে।

১৭ যীশুর ক্ষেত্রে এই বিষয়টি দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। লূকের বিবরণ জানায়: “তিনি তাঁহাদের [তাঁর বাবা-মার] সঙ্গে নামিয়া নাসরতে চলিয়া গেলেন, ও তাঁহাদের বশীভূত থাকিলেন। . . . পরে যীশু জ্ঞানে ও বয়সে এবং ঈশ্বরের ও মনুষ্যের নিকটে অনুগ্রহে বৃদ্ধি পাইতে থাকিলেন।” (লূক ২:​৫১, ৫২) যীশুর বয়স তখন ১২ বছর ছিল, আর যে গ্রীক ক্রিয়াপদটি এখানে ব্যবহার করা হয়েছে তা তিনি তাঁর বাবা-মার “বশীভূত থাকিলেন” এই বিষয়টির উপরে জোর দেয়। তাই তের বছর বয়স হওয়ার পরে, তাঁর বশ্যতা থেমে যায়নি। তোমরা, কিশোর-কিশোরীরা যদি আধ্যাত্মিকভাবে উন্নতি করতে চাও এবং যিহোবা ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিদের অনুমোদন পেতে চাও, তাহলে বাড়ির মধ্যে এবং বাইরে তোমরা কর্তৃত্বের প্রতি সম্মান দেখাবে।

মন্ডলীর মধ্যে কর্তৃত্ব

১৮. খ্রীষ্টীয় মণ্ডলীর মস্তক কে এবং কাকে তিনি কর্তৃত্বভার দিয়েছেন?

১৮ খ্রীষ্টীয় মণ্ডলীর মধ্যে সুব্যবস্থার প্রয়োজন সম্বন্ধে বলতে গিয়ে, পৌল লিখেছিলেন: ঈশ্বর গোলযোগের ঈশ্বর নহেন, কিন্তু শান্তির। . . . সকলই শিষ্ট ও সুনিয়মিতরূপে [অথবা, সুব্যবস্থানুযায়ী,” টীকা, NW] করা হউক।” (১ করিন্থীয় ১৪:​৩৩, ৪০) সবকিছু ব্যবস্থা অনুযায়ী চলবার জন্য, খ্রীষ্টীয় মণ্ডলীর মস্তক, খ্রীষ্ট, বিশ্বস্ত লোকেদের হাতে কর্তৃত্বভার দিয়েছেন। আমরা পড়ি: “তিনিই কয়েক জনকে প্রেরিত, কয়েক জনকে ভাববাদী, কয়েক জনকে সুসমাচারপ্রচারক ও কয়েক জনকে পালক ও শিক্ষাগুরু করিয়া দান করিয়াছেন, পবিত্রগণকে পরিপক্ব করিবার নিমিত্ত করিয়াছেন, যেন পরিচর্য্যা-কার্য্য সাধিত হয় . . . কিন্তু প্রেমে সত্যনিষ্ঠ হইয়া সর্ব্ববিষয়ে তাঁহার উদ্দেশে বৃদ্ধি পাই, যিনি মস্তক, তিনি খ্রীষ্ট।”​—⁠ইফিষীয় ৪:​১১, ১২, ১৫.

১৯. (ক)  খ্রীষ্ট তাঁর পার্থিব পরিজনদের উপরে কাদের নিযুক্ত করেছেন এবং কাদের তিনি বিশেষ কর্তৃত্বাধিকার দিয়েছেন? (খ) খ্রীষ্টীয় মণ্ডলীতে কিভাবে কর্তৃত্বভার ভাগ করে দেওয়া হয় এবং এইজন্য আমাদের কী করার প্রয়োজন আছে?

১৯ এই শেষকালে, খ্রীষ্ট দলগতভাবে “বিশ্বস্ত ও বুদ্ধিমান দাসশ্রেণী”কে তাঁর “নিজ পরিজনের” অর্থাৎ পৃথিবীতে তাঁর সমস্ত কাজের উপরে নিযুক্ত করেছেন। (মথি ২৪:​৪৫-৪৭) প্রথম শতাব্দীর মত, এই দাসশ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব করে অভিষিক্ত খ্রীষ্টীয় ব্যক্তিদের একটি পরিচালক গোষ্ঠী, যাদের খ্রীষ্ট ভার দিয়েছেন বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে এবং অন্যান্য অধ্যক্ষদের নিযুক্ত করতে। (প্রেরিত ৬:​২, ৩; ১৫:২) পরিচালক গোষ্ঠী যথাক্রমে শাখা কমিটি, জেলা ও সীমা অধ্যক্ষ এবং পৃথিবীব্যাপী যিহোবার সীমা অধ্যক্ষ এবং পৃথিবীব্যাপী যিহোবার সাক্ষীদের ৭৩,০০০-এরও বেশি মণ্ডলীর প্রত্যেকটির প্রাচীনদের হাতে কর্তৃত্বভার দিয়েছে। এই সমস্ত একনিষ্ঠ খ্রীষ্টীয় পুরুষেরা আমাদের সমর্থন ও সম্মান পাওয়ার যোগ্য।​—⁠১ তীমথিয় ৫:১৭.

২০. কর্তৃত্বস্থানীয় সহখ্রীষ্টানদের প্রতি যারা সম্মান দেখায় না, যিহোবা যে তাদের উপরে অসন্তুষ্ট হন, কোন্‌ উদাহরণ তা দেখায়?

২০ খ্রীষ্টীয় মণ্ডলীর মধ্যে কর্তৃত্বস্থানীয় যে ব্যক্তিদের প্রতি আমরা সম্মান দেখাতে বাধ্য, তাদের সাথে জাগতিক কর্তৃপক্ষের প্রতি বশ্যতা দেখাবার বাধ্যতার একটি আগ্রহজনক তুলনা করা যায়। যে মানব আইন ঈশ্বর অনুমোদন করেন, যখন কোন ব্যক্তি তা লঙ্ঘন করে, তখন “শাসনকর্ত্তারা” যে শাস্তি দেয়, বস্তুতপক্ষে তা হল “যে মন্দ আচরণ করতে এবং জাগতিক কর্তৃপক্ষের প্রতি উপযুক্ত সম্মান দেখায় না, তখন যদি যিহোবা ক্রুদ্ধ হন, তাহলে একজন উৎসর্গীকৃত খ্রীষ্টান যদি বাইবেলের নীতিগুলিকে অবজ্ঞা করে এবং কর্তৃত্বপদে নিযুক্ত সহখ্রীষ্টানদের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রকাশ করে, তাহলে যিহোবা আরও কত বেশি অসন্তুষ্ট হন!

২১. কোন্‌ শাস্ত্রীয় উপদেশ পালন করতে আমাদের খুশি হওয়া উচিত এবং পরবর্তী প্রবন্ধে কী বিবেচনা করা হবে?

২১ বিদ্রোহী অথবা স্বাধীনচেতা মনোভাব রেখে ঈশ্বরকে অসন্তুষ্ট করার পরিবর্তে, আমরা ফিলিপ্পির খ্রীষ্টানদের দেওয়া পৌলের উপদেশ পালন করব: “অতএব, হে আমার প্রিয়তমেরা, তোমরা সর্ব্বদা যেমন আজ্ঞাবহ হইয়া আসিতেছ, তেমনি আমার সাক্ষাতে যেরূপ কেবল সেইরূপ নয়, বরং এখন আরও অধিকতররূপে আমার অসাক্ষাতে, সভয়ে ও সকম্পে আপন আপন পরিত্রাণ সম্পন্ন কর। কারণ ঈশ্বরই আপন হিতসঙ্কল্পের নিমিত্ত তোমাদের অন্তরে ইচ্ছা ও কার্য্য উভয়ের সাধনকারী। তোমরা বচসা ও তর্কবিতর্ক বিনা সমস্ত কার্য্য কর, যেন তোমরা অনিন্দনীয় ও অমায়িক হও, এই কালের সেই কুটিল ও বিপথগামী লোকদের মধ্যে ঈশ্বরের নিষ্কলঙ্ক সন্তান হও, যাহাদের মধ্যে তোমরা জগতে জ্যোতির্গণের ন্যায় প্রকাশ পাইতেছ।” (ফিলিপীয় ২:​১২-১৫) বর্তমানের কুটিল ও বিপথগামী লোকদের বিপরীতে, যারা নিজেদের উপরে কর্তৃত্ব-সমস্যা নিয়ে এসেছে, যিহোবার লোকেরা স্বতস্ফূর্তভাবে কর্তৃপক্ষের বশীভূত হয়। এইজন্য তারা প্রচুর আশীর্বাদ পায়, যেমন আমরা পরবর্তী প্রবন্ধে দেখব।

[পাদটীকাগুলো]

a আগের প্রবন্ধটি দেখুন।

পুনরালোচনা

▫ সর্বশক্তিমান কর্তৃপক্ষ কে এবং তাঁর কর্তৃত্ব যুক্তিসঙ্গত কেন?

▫ কোন্‌ অর্থে প্রাধান্যপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষেরা “ঈশ্বর-নিযুক্ত?”

▫ কখন প্রাধান্যপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষেরা আর “ঈশ্বরের পরিচারক” থাকে না?

▫ খ্রীষ্টীয় পরিবারের মধ্যে কর্তৃত্ব সম্বন্ধে কোন্‌ কাঠামো রয়েছে?

▫ খ্রীষ্টীয় মণ্ডলীর মধ্যে কিভাবে কর্তৃত্ব ভাগ করে নেওয়া হয়

[Pictures on page 12]

যীশু বলেছিলেন: “কৈসরের যাহা যাহা, তাহা কৈসরকে দেও”

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার