ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৩ ৯/১ পৃষ্ঠা ৩-৮
  • খ্রীষ্টীয় পরিবার আধ্যাত্মিক বিষয়কে প্রথম স্থান দেয়

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • খ্রীষ্টীয় পরিবার আধ্যাত্মিক বিষয়কে প্রথম স্থান দেয়
  • ১৯৯৩ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • উপশিরোনাম
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • খ্রীষ্ট—আধ্যাত্মিকতার এক নিঁখুত উদাহরণ
  • যে বিপদগুলি এড়িয়ে চলা উচিৎ
  • কথার চেয়ে কাজের মাহাত্ব বেশি
  • উদ্দেশ্যপূর্ণ পারস্পরিক ভাববিনিময় আধ্যাত্মিকতা বাড়িয়ে তোলে
  • আধ্যাত্মিকতার সন্ধানে
    ২০০৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • আপনি কি একজন প্রাণিক মনুষ্য, না কি একজন আধ্যাত্মিকমনা ব্যক্তি?
    আমাদের খ্রিস্টীয় জীবন ও পরিচর্যা—সভার জন্য অধ্যয়ন পুস্তিকা ২০১৯
  • একজন আধ্যাত্মিকমনা ব্যক্তি হিসেবে উন্নতি করে চলুন!
    প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে (অধ্যয়ন)—২০১৮
  • প্রকৃত আধ্যাত্মিকতা কীভাবে আপনি তা অর্জন করতে পারেন?
    ২০০৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
আরও দেখুন
১৯৯৩ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৩ ৯/১ পৃষ্ঠা ৩-৮

খ্রীষ্টীয় পরিবার আধ্যাত্মিক বিষয়কে প্রথম স্থান দেয়

“তোমরা সকলে সমমনা, পরদুঃখে দুঃখিত, ভ্রাতৃপ্রেমিক, স্নেহবান্‌ ও নম্রমনা হও।”—১ পিতর ৩:৮.

১. আমাদের প্রত্যেকের সামনে কী বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে এবং আমাদের সিদ্ধান্ত কিভাবে আমাদের ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করবে?

মানবজাতির সবচেয়ে পুরনো সমাজব্যবস্থা, পরিবারের প্রতি উপরের এই শাস্ত্রটি কত উপযুক্তরূপে প্রযোজ্য! আর এই বিষয়গুলিতে পিতা-মাতাদের নেতৃত্ব নেওয়া কত গুরুত্বপূর্ণ! তাদের গঠনমূলক এবং অপ্রীতিকর গুণাবলি সাধারণত তাদের ছেলেমেয়েদের মধ্যে দেখা যায়। তবুও, নিজের পথ বেছে নেওয়ার সুযোগ পরিবারের সকলের সামনেই থাকে। খ্রীষ্টান হিসাবে আমরা আধ্যাত্মিক অথবা জাগতিক ব্যক্তি হওয়ার সুযোগ বেছে নিতে পারি। আমরা ঈশ্বরকে খুশি করতে অথবা দুঃখ দেওয়ার পথ বেছে নিতে পারি। সেই সুযোগ হয় আমাদের একটি আশীর্বাদ, অন্তহীন জীবন এবং শান্তি—অথবা একটি অভিশাপ, অনন্ত ধ্বংসে নিয়ে যেতে পারে।—আদিপুস্তক ৪:১, ২; রোমীয় ৮:৫-৮; গালাতীয় ৫:১৯-২৩.

২. (ক) পিতর কিভাবে পরিবারের প্রতি তার চিন্তা প্রকাশ করেছিলেন? (খ) আধ্যাত্মিকতা কী? (ফুটনোট দেখুন।)

২ স্বামী-স্ত্রীদের কিছু সদুপদেশ দেওয়ার পরে, ১ পিতর ৩ অধ্যায়ে, ৮ পদে প্রেরিত এই কথাগুলি বলেছেন। পিতর সত্যিই খ্রীষ্টীয় পরিবারের যাতে মঙ্গল হয়, সেই বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন। তিনি জানতেন যে বিভিন্ন সদস্যদের মধ্যে গভীর আধ্যাত্মিকতা হল একটি একতাবদ্ধ, স্নেহশীল পরিবারের চাবিকাঠি।a সুতরাং, ৭ পদে তিনি ইঙ্গিত করেছিলেন যে স্বামীদের প্রতি তার উপদেশ যদি উপেক্ষা করা হয়, তাহলে তার ফল হবে স্বামীদের এবং যিহোবার মাঝে এক আধ্যাত্মিক বাধাস্বরূপ। স্বামীরা যদি তাদের স্ত্রীদের প্রয়োজন সম্বন্ধে অবহেলা করেন অথবা নির্দয় ব্যবহারে তাদের জর্জরিত করেন, তাহলে তাদের প্রার্থনায় কোন ফল হবে না।

খ্রীষ্ট—আধ্যাত্মিকতার এক নিঁখুত উদাহরণ

৩. পৌল কিভাবে স্বামীদের জন্য খ্রীষ্টের উদাহরণ তুলে ধরেছিলেন?

৩ একটি পরিবারের আধ্যাত্মিকতা ভাল উদাহরণের উপর নির্ভর করে। স্বামী যদি একজন সক্রিয় খ্রীষ্টান হন, তাহলে আধ্যাত্মিক গুণাবলি প্রদর্শন করতে তিনি নেতৃত্ব নেবেন। স্বামী যদি বিশ্বাসী না হন, তাহলে সাধারণত মাই সেই দায়িত্ব গ্রহণ করার চেষ্টা করেন। দুটি ক্ষেত্রেই, যীশু খ্রীষ্ট অনুকরণযোগ্য একটি নিখুঁত নমুনা রেখেছেন। তাঁর আচার-ব্যবহার, তাঁর কথাবার্তা এবং তাঁর চিন্তাধারা, সবসময়ে গঠনমূলক এবং সতেজক ছিল। খ্রীষ্টের প্রেমময় জীবনের দিকে, প্রেরিত পৌল বার বার পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, তিনি বলেছেন: “স্বামী স্ত্রীর মস্তক, যেমন খ্রীষ্টও মণ্ডলীর মস্তক; তিনি আবার দেহের ত্রাণকর্ত্তা; স্বামীরা, তোমরা আপন আপন স্ত্রীকে সেইরূপ প্রেম কর, যেমন খ্রীষ্টও মণ্ডলীকে প্রেম করিলেন, আর তাহার নিমিত্ত আপনাকে প্রদান করিলেন।”—ইফিষীয় ৫:২৩, ২৫, ২৯; মথি ১১:২৮-৩০; কলসীয় ৩:১৯.

৪. আধ্যাত্মিকতা সম্বন্ধে যীশু কী উদাহরণ স্থাপন করেছিলেন?

৪ আধ্যাত্মিকতা এবং প্রেম, করুণা ও সমবেদনার সাথে মস্তকপদ ব্যবহারের নিদর্শন হিসাবে যীশু অতুলনীয় ছিলেন। তিনি আত্মত্যাগী ছিলেন, আত্মতুষ্টিকারী ছিলেন না। তিনি সবসময়ে তাঁর পিতার গৌরব করেছিলেন এবং তাঁর সর্বোচ্চ পদমর্যাদাকে সম্মান দিয়েছিলেন। তিনি তাঁর পিতার নির্দেশ পালন করেছিলেন, যার ফলে তিনি বলতে পেরেছিলেন: “আমি আপনা হইতে কিছুই করিতে পারি না; যেমন শুনি তেমনি বিচার করি; আর আমার বিচার ন্যায্য, কেননা আমি আপনার ইচ্ছা পূর্ণ করিতে চেষ্টা করি না, কিন্তু আমার প্রেরণকর্ত্তার ইচ্ছা পূর্ণ করিতে চেষ্টা করি।” “আমি আপনা হইতে কিছুই করি না, কিন্তু পিতা আমাকে যেমন শিক্ষা দিয়াছেন, তদনুসারে এই সকল কথা কহি।”—যোহন ৫:৩০; ৮:২৮; ১ করিন্থীয় ১১:৩.

৫. যীশু, তার অনুগামীদের জন্য খাদ্যের ব্যবস্থা করে স্বামীদের জন্য কী উদাহরণ রেখেছেন?

৫ স্বামীদের জন্য এই সব কিছু কী অর্থ রাখে? এর অর্থ যে সমস্ত বিষয়ে তাদের সামনে নমুনা হওয়া উচিৎ খ্রীষ্ট, যিনি সবসময়ে তাঁর পিতার বশ্যতা স্বীকার করেছিলেন। উদাহরণস্বরূপ, যিহোবা যেমন সমস্ত প্রাণী-জগতের জন্য খাদ্যের ব্যবস্থা করেছেন, ঠিক তেমনভাবেই যীশু তাঁর শিষ্যদের জন্য খাদ্যের ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি তাদের মৌলিক জাগতিক প্রয়োজনগুলির প্রতি অবহেলা করেননি। প্রথমে ৫,০০০ এবং পরে আরও ৪,০০০ জনের জন্য অলৌকিকভাবে খাদ্যের ব্যবস্থা করে দিয়ে, তিনি তাদের প্রতি তাঁর যত্ন এবং তাঁর দায়িত্ববোধের প্রমাণ দিয়েছেন। (মার্ক ৬:৩৫-৪৪; ৮:১-৯) ঠিক একইভাবে আজও, পরিবারের দায়িত্ববোধসম্পন্ন মস্তকেরা তাদের পরিবারের সদস্যদের শারীরিক প্রয়োজনের যত্ন নেন। কিন্তু সেইখানেই কি তাদের দায়িত্বের শেষ?—১ তীমথিয় ৫:৮.

৬. (ক) পরিবারের কোন্‌ গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনগুলির যত্ন নেওয়া উচিৎ? (খ) স্বামীরা এবং পিতারা কিভাবে বিচক্ষণতা দেখাতে পারেন?

৬ যীশু যেমন উল্লেখ করেছিলেন, পরিবারের লোকেদের অন্য, আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রয়োজন হয়। তাদের আধ্যাত্মিক এবং আবেগজনিত চাহিদা আছে। (দ্বিতীয় বিবরণ ৮:৩; মথি ৪:৪) পরিবারে এবং মণ্ডলীতে, আমরা একে অপরের সংস্পর্শে আসি। গঠনমূলক হয়ে উঠতে প্রেরণা পেতে, আমাদের সঠিক নির্দেশনার প্রয়োজন হয়। এই ক্ষেত্রে, স্বামী এবং পিতাদের একটি মুখ্য ভূমিকা আছে—যদি তারা প্রাচীন অথবা পরিচারক দাস হয়, তাহলে সেই ভূমিকা আরও বড়। যে পরিবারে মাত্র একজন অভিভাবক আছেন, সন্তানদের সাহায্য করার সময়ে তাদেরও একই গুণাবলির প্রয়োজন হয়। পরিবারের সদস্যেরা কী বলছে শুধুমাত্র তাই নয়, কিন্তু কী বলছে না, তাও পিতামাতাদের বোঝা উচিৎ। এর জন্য বিচক্ষণতা, সময় এবং ধৈর্যের দরকার হয়। পিতর কেন স্বামীদের বলেছিলেন নিজেদের স্ত্রীদের সমাদর করতে এবং তাদের সাথে জ্ঞানপূর্বক বাস করতে, তার একটি কারণ এখান থেকে বোঝা যায়।—১ তীমথিয় ৩:৪, ৫, ১২; ১ পিতর ৩:৭.

যে বিপদগুলি এড়িয়ে চলা উচিৎ

৭, ৮. (ক) আধ্যাত্মিকরূপে জাহাজ-ডুবি হওয়া এড়িয়ে যেতে হলে, একটি পরিবারের কী প্রয়োজন? (খ) খ্রীষ্টীয় জীবনযাত্রা ভালভাবে শুরু করা ছাড়াও আর কিসের প্রয়োজন আছে? (মথি ২৪:১৩)

৭ পরিবারের আধ্যাত্মিকতার বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? ব্যাপারটি চিত্রিত করার জন্য, আমরা জিজ্ঞাসা করতে পারি যে বিপজ্জনক চড়ার মধ্যে দিয়ে জাহাজ চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময়ে সেই জাহাজের চালকের কেন পথ-নির্দেশক চার্টের প্রতি গভীর মনোযোগ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ? উনিশ্‌শো বিরানব্বই সালের আগস্ট মাসে, কুইন এলিজাবেথ্‌ ২ (QE2) নামে একটি প্রমোদ-তরীকে, লুকানো পাথর এবং বালির চর-সমেত সমুদ্রের একটি অগভীর জায়গা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে নাবিকেরা প্রায়ই ভুল করে থাকে। একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেছিলেন: “এই জায়গাটার জন্য অনেক লোকে চাকরি হারিয়েছে।” QE2 জলের নিচে একটি চড়ায় ধাক্কা খায়। এই ভুল খুবই ব্যয়সাপেক্ষ প্রমাণিত হয়। জাহাজের কাঠামোর প্রায় এক তৃতীয়াংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং মেরামত করাবার জন্য বেশ কয়েক সপ্তাহের জন্য জাহাজটি ব্যবহার করা যায় না।

৮ একইভাবে, পরিবারের “চালক” যদি মনোযোগসহকারে চার্টের সঙ্গে তুলনীয় ঈশ্বরের বাক্য পরীক্ষা না করেন, তাহলে তার পরিবার সহজেই আধ্যাত্মিক দিক দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একজন প্রাচীন অথবা পরিচারক দাসের জন্য তার অর্থ হতে পারে, মণ্ডলীতে পরিচর্যার সুযোগ হারানো এবং হয়ত পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের গুরুতর ক্ষতি। সুতরাং, প্রত্যেক খ্রীষ্টানের সাবধান থাকা উচিৎ তিনি যেন পূর্বেকার অধ্যয়নের অভ্যাস এবং উদ্যোগের উপরে নির্ভর করে, আধ্যাত্মিকরূপে নিজের প্রতি সন্তুষ্টিবোধের বশবর্তী না হয়ে পড়েন। আমাদের খ্রীষ্টীয় জীবনযাত্রায়, ভালভাবে শুরু করাই যথেষ্ট নয়; এই যাত্রা সফলভাবে শেষ করাও অবশ্যই উচিৎ।—১ করিন্থীয় ৯:২৪-২৭; ১ তীমথিয় ১:১৯.

৯. (ক) ব্যক্তিগত অধ্যয়ন কতটা গুরুত্বপূর্ণ? (খ) কোন্‌ কোন্‌ উপযুক্ত প্রশ্ন আমরা নিজেদের করতে পারি?

৯ আধ্যাত্মিক চড়া, পাথর এবং বালির প্রবাল এড়িয়ে চলতে হলে, নিয়মিতভাবে ঈশ্বরের বাক্যের অধ্যয়ন করে আমাদের পথ-নির্দেশক “চার্টের” সঙ্গে পরিচিত থাকতে হবে। যে মৌলিক অধ্যয়ন আমাদের সত্যে নিয়ে এসেছিল, শুধুমাত্র তার উপরে আমরা নির্ভর করতে পারি না। অধ্যয়ন এবং পরিচর্যার নিয়মিত এবং ভারসাম্যপূর্ণ একটি কার্যক্রমের উপরে আমাদের আধ্যাত্মিক শক্তি নির্ভর করছে। উদাহরণস্বরূপ, এই সংখ্যাটি হাতে নিয়ে আমরা যখন মণ্ডলীর প্রহরীদুর্গ অধ্যয়নে উপস্থিত থাকব, তখন আমরা নিজেদের জিজ্ঞাসা করতে পারি, ‘আমি, অথবা আমরা পরিবারগতভাবে শাস্ত্র পদগুলি দেখে এবং সেগুলির প্রয়োগ সম্বন্ধে চিন্তা করে কি সত্যিই এই প্রবন্ধটি অধ্যয়ন করেছি? অথবা আমরা শুধুমাত্র উত্তরগুলির নিচে দাগ দিয়েছি? এমনকি, সভায় আসবার আগে আমরা কি প্রবন্ধটি পড়তেও অবহেলা করেছি?’ এই প্রশ্নগুলির সদুত্তর দিলে আমরা ভেবে দেখবার জন্য বহু বিষয় পাব এবং উন্নতি করার ইচ্ছা আমাদের মধ্যে জেগে উঠবে—যদি তা প্রয়োজন হয়।—ইব্রীয় ৫:১২-১৪.

১০. আত্ম-পরীক্ষা করা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

১০ এইরকম আত্ম-পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ কেন? কারণ আমরা যে জগতে বাস করছি তা শয়তানের মনোভাব দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, যে জগত চতুরতার সাথে বহুভাবে ঈশ্বর এবং তাঁর প্রতিজ্ঞার উপরে আমাদের বিশ্বাস ভঙ্গ করতে চায়। এই জগত আমাদের এত ব্যস্ত রাখতে চায়, যাতে আধ্যাত্মিক বিষয়ের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার কোন সময় আমাদের না থাকে। সুতরাং, আমাদের নিজেদের জিজ্ঞাসা করা উচিৎ, ‘আমার পরিবার কি আধ্যাত্মিকরূপে দৃঢ়? একজন বাবা অথবা মা হিসাবে যতটা দৃঢ় আমার হওয়া উচিৎ, আমি কি ততটা সবল? ধার্মিকতা এবং আনুগত্যতার উপরে নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নিতে যে আধ্যাত্মিক শক্তি আমাদের মনকে পরিচালিত করে, তা কি পরিবারগতভাবে আমরা প্রদর্শন করছি?’—ইফিষীয় ৪:২৩, ২৪.

১১. খ্রীষ্টীয় সভাগুলি আধ্যাত্মিক দিক দিয়ে উপকারী কেন? একটি উদাহরণ দিন।

১১ যে সভাগুলিতে আমরা উপস্থিত হই, তার প্রত্যেকটি থেকে আমাদের আধ্যাত্মিকতা যেন আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। শয়তানের মারমুখী জগতে বেঁচে থাকার চেষ্টায় বহু ঘন্টা কাটাবার পরে, কিংডম হলে অথবা মণ্ডলীর বুক স্টাডিতে ব্যয় করা সেই মূল্যবান ঘন্টাগুলি যেন আমাদের সতেজ করে তোলে। উদাহরণস্বরূপ, সর্বমহান পুরুষ যিনি কখনও জীবিত ছিলেন বইটি অধ্যয়ন করা কত উৎসাহের বিষয় ছিল! বইটি থেকে যীশু, তাঁর জীবন এবং তাঁর পরিচর্যা সম্বন্ধে আরও ভালভাবে আমরা জানতে পেরেছি। উল্লিখিত শাস্ত্রগুলি আমরা ভালভাবে পড়েছি, ব্যক্তিগতভাবে আরও তথ্য জানতে চেষ্টা করেছি এবং যীশু যে উদাহরণ রেখে গেছেন তা থেকে অনেক কিছু শিখেছি।—ইব্রীয় ১২:১-৩; ১ পিতর ২:২১.

১২. ক্ষেত্রের পরিচর্যা কিভাবে আমাদের আধ্যাত্মিকতার পরীক্ষা করে?

১২ আমাদের আধ্যাত্মিকতা পরীক্ষা করার একটি ভাল উপায় হল খ্রীষ্টীয় পরিচর্যা। প্রায়ই উদাসীন অথবা বিরূপ জনতার সামনে রীতি-অনুযায়ী এবং রীতি-বহির্ভুত উপায়ে সাক্ষ্য দেওয়ায় রত থাকার জন্য আমাদের প্রয়োজন হয় সঠিক প্রেরণা, ঈশ্বরের প্রতি প্রেম এবং আমাদের প্রতিবেশীদের প্রতি ভালবাসা। অবশ্যই, কেউই উপেক্ষিত হতে আনন্দ পায় না এবং আমাদের ক্ষেত্রের পরিচর্যায় তা হতে পারে। কিন্তু আমাদের মনে রাখা উচিৎ যে সুসমাচারকে প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে, ব্যক্তিগতভাবে আমাদের নয়। যীশু বলেছিলেন: “জগৎ যদি তোমাদিগকে দ্বেষ করে, তোমরা ত জান, সে তোমাদের অগ্রে আমাকে দ্বেষ করিয়াছে। তোমরা যদি জগতের হইতে তবে জগৎ আপনার নিজস্ব ভাল বাসিত; কিন্তু তোমরা ত জগতের নহ, বরং আমি তোমাদিগকে জগতের মধ্য হইতে মনোনীত করিয়াছি, এই জন্য জগৎ তোমাদিগকে দ্বেষ করে। . . . কিন্তু তাহারা আমার নামের জন্য তোমাদের প্রতি এই সমস্ত করিবে, কারণ আমাকে যিনি পাঠাইয়াছেন, তাঁহাকে তাহারা জানে না।”—যোহন ১৫:১৮-২১.

কথার চেয়ে কাজের মাহাত্ব বেশি

১৩. কিভাবে একজন মাত্র ব্যক্তি সম্পূর্ণ পরিবারের আধ্যাত্মিকতার ক্ষতি করতে পারে?

১৩ কোন পরিবারে, একজন ছাড়া সকলেই বাড়িতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা যদি বজায় রাখে, তাহলে কী হয়? বৃষ্টির দিনে, অন্যমনস্ক একজন ছাড়া আর সকলে সাবধান থাকে যাতে বাড়ির মধ্যে তারা কাদা না নিয়ে আসে। সর্বত্র কাদার ছাপ সেই একজনের অসতর্কতার প্রমাণ দেয় এবং অন্যদের জন্য অতিরিক্ত কাজের সৃষ্টি করে। একই বিষয় আধ্যাত্মিকতার প্রতিও প্রযোজ্য। মাত্র একজন স্বার্থপর অথবা অবহেলাপূর্ণ ব্যক্তি সমস্ত পরিবারের সুনাম নষ্ট করতে পারে। একমাত্র বাবা-মা নয়, পরিবারের সকলের উচিৎ খ্রীষ্টের মনোভাব প্রদর্শন করতে চেষ্টা করা। অনন্ত জীবনকে দৃষ্টিতে রেখে সকলে যদি একসঙ্গে কাজ করে, তাহলে তা কত আনন্দের বিষয় হয়! (আত্ম-ধার্মিকতা নয়), আধ্যাত্মিকতা তখন সেই পরিবারের মনোবৃত্তি হয়ে ওঠে। সেইরকম পরিবারে আধ্যাত্মিক বিষয়ের প্রতি অবহেলা খুবই কম দেখা যায়।—উপদেশক ৭:১৬; ১ পিতর ৪:১, ২.

১৪. কোন্‌ পার্থিব প্রলোভন শয়তান আমাদের সামনে নিয়ে আসে?

১৪ প্রতিদিন আমাদের জীবন বজায় রাখতে, আমাদের প্রত্যেকের কিছু শারীরিক প্রয়োজনীয়তা আছে। (মথি ৬:১১, ৩০-৩২) কিন্তু প্রায়ই আমাদের চাহিদা আমাদের প্রয়োজনের থেকে বড় হয়ে দেখা দেয়। উদাহরণস্বরূপ, শয়তানের জগত সবরকমের যন্ত্রপাতি-সরঞ্জাম আমাদের হাতের কাছে এনে দেয়। সবসময়ে, সব বিষয়ে আমরা যদি সবচেয়ে আধুনিক জিনিসের জন্য দাবি করি, তাহলে আমরা কখনোই সন্তুষ্ট হব না, কারণ সেই আধুনিক বস্তুটি শীঘ্রই পুরনো হয়ে যাবে এবং আরও নতুন, আরও উন্নত একটি মডেল তৈরি হবে। ব্যবসা-জগত একটি চক্র গড়ে তুলেছে যেটি কখনও থামে না। তারা চেষ্টা করে ক্রমাগত আরও বেশি টাকা রোজগার করতে আমাদের প্রলুব্ধ করতে যাতে আরও বেশি অভিলাষ আমরা চরিতার্থ করতে পারি। এর জন্য আমরা “নানাবিধ মূঢ় ও হানিকর অভিলাষ” অথবা “মূর্খ ও বিপজ্জনক উচ্চাশায়” জড়িয়ে পড়তে পারি। যার ফলে আমাদের জীবন ভারসাম্যহীন হয়ে পড়তে পারে এবং আধ্যাত্মিক কাজের জন্য সময় ক্রমশ কমে আসতে পারে।—১ তীমথিয় ৬:৯, ১০; দ্যা যেরুসালেম বাইবেল।

১৫. পরিবারের মস্তক যে উদাহরণ স্থাপন করেন, তা কিভাবে গুরুত্বপূর্ণ?

১৫ এখানেও, একটি খ্রীষ্টীয় পরিবারের মস্তকের দ্বারা স্থাপিত উদাহরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জাগতিক এবং আধ্যাত্মিক দায়িত্বের প্রতি তার ভারসাম্যপূর্ণ মনোভাবের দ্বারা পরিবারে অন্যদের উদ্দুদ্ধ হওয়া উচিৎ। পিতা যদি মুখে অতি উত্তম উপদেশ দেন কিন্তু তারপরে তার নিজের কথা অনুযায়ী চলতে না পারেন, তাহলে তা ক্ষতিকারক হবে। জীবনের প্রতি আমি-যা-বলি-তা-কর-কিন্তু-যা-করি-তা-কোর-না মনোভাব রাখলে, ছেলেমেয়েরা শীঘ্রই তা বুঝতে পারবে। একইভাবে, একজন প্রাচীন অথবা পরিচারক দাস, যিনি অন্যদের ঘরে-ঘরে পরিচর্যা করতে উৎসাহ দেন, কিন্তু নিজে তার পরিবারের সাথে খুব অল্পই সেই কাজে যোগ দেন, তিনি শীঘ্রই তার পরিবারের কাছে এবং মণ্ডলীতে বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবেন।—১ করিন্থীয় ১৫:৫৮; তুলনা করুন মথি ২৩:৩.

১৬. কোন্‌ কোন্‌ প্রশ্ন আমরা নিজেদের জিজ্ঞাসা করতে পারি?

১৬ সুতরাং, আমাদের জীবন পরীক্ষা করে দেখলে আমরা লাভবান হব। আধ্যাত্মিক উন্নতি বিসর্জন দিয়ে আমরা কি জাগতিক সাফল্য লাভের চেষ্টায় মগ্ন রয়েছি? জগতে কি আমরা উপরে উঠছি কিন্তু মণ্ডলীতে পিছিয়ে পড়ছি? পৌলের উপদেশ মনে রাখবেন: “এই কথা বিশ্বসনীয়, যদি কেহ অধ্যক্ষপদের আকাঙ্ক্ষী হন, তবে তিনি উত্তম কার্য্য বাঞ্ছা করেন।” (১ তীমথিয় ৩:১) চাকরিতে উন্নতির তুলনায় মণ্ডলীতে দায়িত্ববোধ, আমাদের আধ্যাত্মিকতাকে বেশি ইঙ্গিত করে। সতর্কভাবে আমাদের ভারসাম্য রাখতে হবে যাতে আমাদের নিয়োগকর্তারা যেন আমাদের নিয়ন্ত্রণ না করেন, যেন আমরা তাদের প্রতি উৎসর্গীকৃত, যিহোবার প্রতি নয়।—মথি ৬:২৪.

উদ্দেশ্যপূর্ণ পারস্পরিক ভাববিনিময় আধ্যাত্মিকতা বাড়িয়ে তোলে

১৭. একটি পরিবারে প্রকৃত ভালবাসা গড়ে উঠতে কী সাহায্য করে?

১৭ লক্ষ লক্ষ ঘর আজ শুধুমাত্র থাকবার জায়গা হয়ে উঠেছে। কিভাবে? পরিবারের সদস্যেরা শুধু খাওয়া এবং শোয়ার জন্য সেখানে আসে, তারপর তারা তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে যায়। কদাচিৎ তারা খাওয়ার টেবিলে বসে একে অপরের সঙ্গ উপভোগ করে। পরিবারের মধ্যে নিবিড় সম্পর্কের অভাব রয়েছে। এর ফল? পারস্পরিক ভাববিনিময়ের অভাব, কোনরকম গুরুত্বপূর্ণ কথাবার্তার অভাব। আর এর থেকে অন্যান্য সদস্যদের প্রতি আগ্রহের অভাব গড়ে উঠতে পারে, হয়ত তাদের জন্য প্রকৃত উদ্বেগেরও অভাব দেখা দিতে পারে। আমরা যখন একে অপরকে ভালবাসি, তখন আমরা কথা বলার এবং শুনবার সময় করে নিই। আমরা উৎসাহ দিই, সাহায্য করি। আধ্যাত্মিকতার এই দিকটির সঙ্গে স্বামী-স্ত্রী এবং পিতা-মাতা ও সন্তানদের মধ্যে উদ্দেশ্যপূর্ণ ভাববিনিময় জড়িত।b মনের কথা জানিয়ে অন্যদের আনন্দ, অভিজ্ঞতা এবং সমস্যা ভাগ করে নিতে তাদের প্ররোচিত করতে সময় এবং বিচক্ষণতার প্রয়োজন হয়।—১ করিন্থীয় ১৩:৪-৮; যাকোব ১:১৯.

১৮. (ক) পারস্পরিক ভাববিনিময়ের বিরুদ্ধে প্রায়ই কোন্‌ বিষয়টি বাধা হয়ে দাঁড়ায়? (খ) উদ্দেশ্যপূর্ণ সম্পর্ক কোন্‌ কোন্‌ বিষয়কে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে?

১৮ স্বচ্ছল পারস্পরিক ভাববিনিময়ের জন্য সময় এবং প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়। এর অর্থ কথা বলার জন্য এবং একে অপরের কথা শোনার জন্য সময় করে নেওয়া। এই বিষয়ে সবচেয়ে বড় বাধাগুলির মধ্যে একটি হচ্ছে সেই সময়গ্রাহী যন্ত্রটি, যাকে অনেক বাড়িতে সম্মানের চোখে দেখা হয়—টিভি। আপনার সামনে একটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে—টিভি কি আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করে, না আপনি টিভিকে নিয়ন্ত্রণ করেন? টিভিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কঠোর প্রচেষ্টার প্রয়োজন—যার অন্তর্ভুক্ত সেটিকে বন্ধ করে দেওয়ার ক্ষমতা। কিন্তু তা করলে, পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং আধ্যাত্মিক ভাই-বোনেদের সাথে কথা বলার পথ খুলে যাবে। উদ্দেশ্যপূর্ণ সম্পর্ক-স্থাপনের জন্য প্রয়োজন প্রকৃত ভাববিনিময়, একে অপরকে বোঝা, পারস্পরিক চাহিদা এবং আনন্দ সম্বন্ধে জানা, একে অপরকে বলা যে আমাদের প্রতি যে সমস্ত স্নেহশীল কাজ করা হয়েছে, সেই জন্য আমরা কত কৃতজ্ঞ। আরেক কথায় বলা যায়, যে উদ্দেশ্যপূর্ণ কথাবার্তা দেখায় যে আমরা অন্যদের হাল্কাভাবে নিচ্ছি না।—হিতোপদেশ ৩১:২৮, ২৯.

১৯, ২০. আমরা যদি পরিবারের সকলের জন্য চিন্তা করি, তাহলে আমাদের কী করা উচিৎ?

১৯ সুতরাং, পরিবারের মধ্যে আমরা যদি অন্যদের জন্য চিন্তা করি—আর তার অন্তর্ভুক্ত অবিশ্বাসী সদস্যদেরও যত্ন নেওয়া—তাহলে আমাদের আধ্যাত্মিকতা বজায় রাখতে ও বাড়িয়ে তুলতে আমরা অনেক কিছু করতে পারব। পরিবারের মধ্যে, আমরা পিতরের উপদেশ পালন করব: “অবশেষে বলি, তোমরা সকলে সমমনা, পরদুঃখে দুঃখিত, ভ্রাতৃপ্রেমিক, স্নেহবান্‌ ও নম্রমনা হও। মন্দের পরিশোধে মন্দ করিও না, এবং নিন্দার পরিশোধে নিন্দা করিও না; বরং আশীর্ব্বাদ কর, কেননা আশীর্ব্বাদের অধিকারী হইবার নিমিত্তই তোমরা আহূত হইয়াছ।”—১ পিতর ৩:৮, ৯.

২০ যদি আমাদের আধ্যাত্মিকতা বজায় রাখতে আমরা চেষ্টা করি, তাহলে এখনই আমরা যিহোবার আশীর্বাদ পেতে পারি এবং ভবিষ্যতেও একটি পরমদেশ পৃথিবীতে অনন্ত জীবনের উপহারের মাধ্যমে আমরা তাঁর আশীর্বাদ পেতে পারি। পরিবারগতভাবে, একে অপরকে আধ্যাত্মিক দিক দিয়ে সাহায্য করতে আমরা আরও কিছু করতে পারি। পরের প্রবন্ধটি পরিবারগতভাবে একত্রে কাজ করার উপকার সম্বন্ধে আলোচনা করবে।—লূক ২৩:৪৩; প্রকাশিত বাক্য ২১:১-৪. (w93 9/1)

[পাদটীকাগুলো]

a আধ্যাত্মিকতার ব্যাখ্যা দেওয়া হয় “ধর্মীয় নীতিবোধের প্রতি আকর্ষণ অথবা সজাগ মনোভাব রাখা: আধ্যাত্মিক হওয়ার গুণ অথবা অবস্থা।” (ওয়েব্‌স্টারর্স নাইন্থ নিউ কলেজিয়েট ডিক্‌শনারী) একজন আধ্যাত্মিক ব্যক্তি হলেন জাগতিক, জান্তব ব্যক্তির ঠিক বিপরীত।—১ করিন্থীয় ২:১৩-১৬; গালাতীয় ৫:১৬, ২৫; যাকোব ৩:১৪, ১৫; যিহূদা ১৯.

b পরিবারে পারস্পরিক ভাববিনিময় সম্বন্ধে আরও তথ্যের জন্য, সেপ্টেম্বর ১, ১৯৯১ সালের প্রহরীদুর্গের (ইংরাজি) পৃষ্ঠা ২০-২ দেখুন।

আপনার কি মনে আছে?

▫ আধ্যাত্মিকতা কী?

▫ পরিবারের মস্তক কিভাবে খ্রীষ্টের উদাহরণ অনুকরণ করতে পারেন?

▫ আমাদের আধ্যাত্মিকতার প্রতি বিপদ কিভাবে আমরা এড়িয়ে চলতে পারি?

▫ কোন্‌ বিষয় একটি পরিবারের আধ্যাত্মিকতার ক্ষতি করতে পারে?

▫ উদ্দেশ্যপূর্ণ পারস্পরিক ভাববিনিময় কেন গুরুত্বপূর্ণ?

[Pictures on page 5]

মণ্ডলীর বুক স্টাডিতে উপস্থিত থাকলে পরিবারের আধ্যাত্মিকতা আরও দৃঢ় হয়ে ওঠে

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার