বিশ্ব নিরীক্ষা ডাইনী-সন্ধান প্রথা এখনও আছে
ডাইনী রূপে কলঙ্কিত হওয়ার জন্য, দুই মাসের মধ্যে ভারতের উপজাতীয় পশ্চাদ্ভূমিতে ডজন খানেকেরও বেশী স্ত্রীলোকদের ক্ষিপ্ত জনতা হত্যা করে বলে ইণ্ডিয়া টুডে রিপোর্ট করে। “অন্যান্য প্রচুর স্ত্রীলোকদের সবচেয়ে পাশবিক রীতিতে প্রহার, অত্যাচার, অপমানিত করা, নগ্নরূপে পরিক্রমা করান হয় ও তাদের গ্রাম থেকে বার করে দেওয়া হয়।” ঘটনাটি শুরু হয় এক ধর্ম্মীয় শোভাযাত্রা যখন গ্রামে গ্রামে যাচ্ছিল তখন। এর জন্য সামাজিক উন্নয়ন আন্দোলন করা আরম্ভ হয় ও অপরাধ হ্রাস পায়। কিন্তু সেই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী কিছু স্ত্রীলোকেরা “ভরপ্রাপ্ত” হয়ে যায় ও বিশেষ কয়েকজন গ্রামবাসীদের ডাইনী বলে শনাক্ত করে যারা স্থানীয় সমস্যার জন্য দায়ী। নিজেকে নির্দোষ প্রতিপন্ন করার “পরীক্ষা” যেমন যদি সে কাউকে হত্যা করেছে বলে অভিযুক্ত করা হয় তাহলে তাকে সেই মৃত ব্যক্তিকে পুনরুত্থান করতে ব্যর্থ হওয়ার অর্থ, তৎক্ষণাৎ প্রতিশোধ। বলা হয় ডাকিনীবিদ্যাই হল এর মূল কারণ এবং এক নৃবিজ্ঞানী অনুযায়ী, “উপজাতীয় সমাজে অস্বাভাবিক শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহার করা, নজর লাগা থেকে বাঁচানো, তাদের ইচ্ছানুযায়ী লক্ষ্যে পৌঁছান এবং তাদের নিজেদের ইচ্ছা অপরের প্রতি চাপানোর এক প্রবল মতামত থেকে এর উদ্ভব হয়।” (g93 7/22)
নারী গোয়েন্দা
“পরবর্তী শার্লক হোম হয়ত একজন মহিলাই হবেন,” বলে জাপানের আসাহি ইভনিং নিউজ্। টোকিও-র নতুন একটি স্কুলে তিনশো ছাত্রেরা গোয়েন্দা হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ নিচ্ছে এবং তাদের মধ্যে দুই-তৃতিয়াংশ হলেন মহিলারা, যাদের বেশির ভাগেরই বয়স ২০-র ঘরের প্রথম থেকে ৪০-শের ঘরের প্রথমের মধ্যে। বিভিন্ন কারণের জন্য গোয়েন্দাগিরি তাদের আকর্ষিত করে। রিপোর্ট করা হয় যে ৪৬-বছর-বয়স্ক একজন মহিলা স্কুলে নাম লিখান কারণ “তিনি প্রথাগত প্রশিক্ষণে পরিতৃপ্ত ছিলেন না যেখানে স্ত্রীলোকদের কিভাবে ফুল সাজাতে হয় ও কিভাবে ঠিক করে কিমোনো পরতে হয় তা শিখানো হয়।” অন্যদের কাছে এই শিক্ষা হল একটি শখ ছাড়া আরও কিছু। স্কুলের অর্দ্ধেকেরও বেশি গৃহিনীরা তাদের স্বামীদের এই সম্পর্কে বলেননি। এদের মধ্যে কিছু জন তাদের প্রতারক সাথীদের পরীক্ষা করার জন্য দক্ষতা অর্জন করছে। (g93 8/8)
পিতারাও দোষী
বেশ কিছু দিন ধরে, যেসব বস্তুর জন্য শিশুরা বিকলাঙ্গ হতে পারে সেগুলি এড়াতে সম্ভাব্য মায়েদের সাবধান করে দেওয়া হয় যেমন আ্যলকোহল ও ধূমপান, এবং পুষ্টিযুক্ত আহার গ্রহণ করতে বলা হয়। “এখন একইভাবে সাবধান করা হচ্ছে সম্ভাব্য বাবাদেরও,” বলে ইউ. ইস. নিউজ্ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট। “নতুন গবেষণা জানায় যে কোন পুরুষ রাসায়নিক পদার্থের সান্নিধ্যে এলে তা শুধুমাত্র তার সন্তানের পিতা হওয়ার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে তা নয়, কিন্তু তার সন্তানের ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যকেও প্রভাবিত করে।” প্রমাণ দেখায় যে পুরুষেরা “তাদের স্ত্রীদের গর্ভস্রাব এবং শিশুদের বিভিন্ন বিকলাঙ্গতা, ক্যান্সার ও বৃদ্ধিতে দেরি হওয়ার এই উভয় কারণের জন্য অনেকটা দায়ী থাকে যা পূর্বে অতটা জানা যায়নি।” এখন স্পষ্ট হচ্ছে যে ওষুধ ও অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্য (ধূমপান করার বর্জ্য পদার্থও), এর সাথে যে আহারে যথেষ্ট শাক-সবজি ও ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফলমূল থাকে না তা শুক্রকে ক্ষতি করে। টক্সিকোলজিস্ট ডেভ্রা লি ডেভিস্ বলেন: “অনেক দিন ধরেই আমরা মায়েদের প্রতিই দৃষ্টিপাত করেছিলাম। স্বাস্থ্যবান শিশুর জন্য বাবার গুরুত্ব উপলব্ধি করা হয়নি।” (g93 7/22)
আরেকটি ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রকোপ?
“কোন সন্দেহই নেই যে, হয়ত পরবর্তী কিছু বছরের মধ্যে পৃথিবীব্যাপী ইনফ্লুয়েঞ্জা দেখা দিলে তা একটি মহামারী হবে,” বলে নিউ ইয়র্ক টাইমস্ ম্যাগাজিন। বিজ্ঞানীদের মতানুসারে ইনফ্লুয়েঞ্জার মহামারী হওয়ার সময় ঘনিয়ে এসেছে যেমন ১৯১৮ সালে হয়েছিল যা ২ কোটি থেকে ৪ কোটি জীবন নাশ করে। “যদি একবার হয় তাহলে আবার হওয়ার প্রচুর সম্ভাবনা আছে,” বলেন জন আর. লা মন্টেন, যিনি হলেন বেথ্সডা, মেরিল্যান্ড-এর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ আ্যলার্জি এণ্ড ইনফেকশাস্ ডিজিজেস্-এর প্রধান। যাইহোক, ভাইরাসের মিউটেশনের জন্য পৃথিবীব্যাপী যে ইনফ্লুয়েঞ্জা হয় তা খুবই বিরল। এই শতাব্দীতে তা মাত্র তিনবার হয়েছে: তথা-কথিত স্প্যানিশ ফ্লু ১৯১৮ সালের, ১৯৫৭ সালের এশিয়ান ফ্লু এবং ১৯৬৮ সালের হং কং ফ্লু; এবং পরবর্তী দুটি অপেক্ষাকৃত মৃদু ছিল। যেহেতু ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস প্রায় ও হঠাৎ পরিবর্তিত, হয় তাই সঠিক প্রতিষেধক তৈরির আগে সেটি মারাত্মকরূপে দেখা দিতে পারে। প্রবন্ধটি পরিসমাপ্তি করে: “যদি ইতিহাস আমাদের পথপ্রদর্শক হয় তাহলে আমরা হয়ত সেই সকল আ্যন্টিজেনের বিরাট পরিবর্তনই আশা করতে পারি—এত বড় পরিবর্তন যা মারাত্মক ইনফ্লুয়েঞ্জা দিয়ে সারা পৃথিবীকে ছেয়ে ফেলতে পারে—এই শতাব্দী শেষ হওয়ার আগেই।” (g93 7/22)
একে অপরের কানের দুল পরা—এক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি
“রক্ত দ্বারা দূষিত কানের দুল হেপাটাইটিস্ বি ও হিউম্যান ইমিউনোডেফিশিয়েন্সি ভাইরাস [সহ] বিভিন্ন জীবাণুর সংক্রমণের সম্ভাব্য উৎস,” বলে দাবি করেন ফিলিপ ডি. ওয়ালসন্ এবং মাইকেল টি. ব্র্যাডি, ওহাইও স্টেট ইউনিভারসিটি এবং চিলড্রেনস্ হসপিটাল-এর ডাক্তারেরা। মার্কিনী চিকিৎসা পত্রিকা পেডিয়াট্রিকস্-এ প্রকাশিত যুগ্ম পত্রে, জীবাণুমুক্ত না করা কানের দুল একে অপরে পরার বিস্তর প্রচলনের প্রতি চিন্তা প্রকাশ করা হয়। কিশোর-কিশোরী ও যুবক-যুবতী যারা একে অপরের কানের দুল পরে তারা হয়ত যৌন ক্রিয়া সম্পর্কীত ও একে অপরের ইঞ্জেকশন ব্যবহারের জন্য স্বাস্থ্যের ক্ষতি সম্পর্কে অবগত আছে—কিন্তু এই সম্পর্কে হয়ত জানে না। এই জন্য “রক্ত সম্বন্ধীয় রোগ হওয়ার খুব সম্ভাবনা আছে,” বলেন দুজন ডাক্তারই। তারা সুপারিশ করেন চিকিৎসকেরা যেন “তাদের রোগীদের এই অভ্যাস থেকে বিরত থাকতে বলেন।” (g93 8/8)
পর্যাপ্ত খাদ্য, তবুও অপুষ্টি
বিশ্বের জনসংখ্যা প্রচণ্ডভাবে বৃদ্ধি পেলেও, দরিদ্র দেশগুলিতে বর্তমানে যত জন অপুষ্টিতে ভোগে ২০ বছর আগে তার থেকে ১৫ কোটিরও বেশি লোক ভুগত। “জনসংখ্যার বৃদ্ধির সাথে সাথে খাদ্য সরবরাহ ও কৃষকেরা তাদের ফলনও বৃদ্ধি করেছে ও মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে,” বলেন জন লুপিএন্, ইউ এন ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অরগানাইজেশন-এর পরিচালক। “এখন প্রত্যেককে খাদ্য দেওয়ার জন্য যথেষ্ট খাদ্য আছে, যদি তা, যাদের প্রয়োজন তাদের কাছে পৌঁছান যায়।” দুঃখের বিষয়, দ্যা ইকনমিস্ট রিপোর্ট করে, “দরিদ্র দেশগুলিতে অনুমান মত ৭৮০ [কোটি] লোক, তাদের জনসংখ্যার পাঁচ জনের মধ্যে একজন খাওয়ার জন্য যথেষ্ট খাদ্য পায় না। প্রায় ২০০ কোটি লোক তাদের পেট ভরার মত যথেষ্ট খাদ্য পেলেও কিন্তু তাদের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের অভাব থেকে যায়। . . . প্রায় ৪০,০০০ জন ছোট ছেলেমেয়ে প্রতি দিন মারা যায়, অংশত কারণ অপুষ্টি তাদের সকল ধরনের রোগের সংক্রমণ প্রবণ করে তোলে।” অপরপক্ষে, অতিরিক্ত পুষ্টিও ক্ষতিসাধন করছে, রোগের সৃষ্টি করছে যেমন সমাজের ধনী শ্রেণীদের মধ্যে হৃদ্রোগ এবং বিশেষ ধরনের ক্যান্সার। (g93 7/22)
ক্ষতিকারক মনোরঞ্জন
“হলিউডের লজ্জার বিষয়, অশালীন ভাষা, নগ্নতা, যৌন বিষয়, দৌরাত্ম্য ও হত্যার বিষয়বস্তু দ্বারা পরিপূর্ণ চলচ্চিত্র ক্রমাগত প্রদর্শনের জন্য।” এই বক্তব্যটি ইউ এস্ এ টুডে নামক সংবাদপত্রে সাম্প্রতিক প্রকাশিত সম্পূর্ণ পৃষ্ঠার এক বিজ্ঞাপনের অংশমাত্র। বিজ্ঞাপন অনুসারে, এক প্রধান টিভি নেটওয়ার্ক “এমন কার্যক্রমের অনুমতি দিয়েছে যেগুলি যুবকযুবতীদের কাছে খুব জনপ্রিয়, ছোট নাটক দেখায় এই সমস্ত বিষয়ের উপর যেমন হস্তমৈথুন, মৃত ব্যক্তিদের সাথে কবরস্থানের কর্মচারীদের যৌন সঙ্গম,” ও অন্যান্য আপত্তিজনক বিষয়। বিজ্ঞাপনটি বলে যে টিভি-র কার্যক্রম দেখার জন্য “সাধারণত ১৬ বছরের ছেলেমেয়েরা ২,০০,০০০ বেশি দৌরাত্ম্যের বিষয় ও ৩৩,০০০ হত্যাকাণ্ডেরও বেশি ঘটনা দেখেছে।” (g93 8/8)
পয়সা খায় যারা
পয়সা গিলে ফেলার জন্য, প্রতি বছর হাজার হাজার ছোট ছেলেমেয়েদের ব্যয়সাপেক্ষ এক্স-রে করাতে হাসপাতালের এমারজেন্সি ঘরে নিয়ে আসা হয়। বেশির ভাগ পয়সা সহজেই দেহের মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসে, কিন্তু মাঝে মাঝে পয়সা অন্ননালীতে আটকে যায়, যে জন্য আভ্যন্তরীণ রক্তপাত, সংক্রমণ এবং অনেক সময় মৃত্যুও হয়, যখন পয়সা অন্ননালীকে ছিদ্র করে। বিমান বন্দরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেক সময় যেমন ব্যবহার করে থাকে, সেইরূপ একটি সাধারণ ও সহজে হাতে ধরা যায় এমন ধাতু-আবিষ্কারক যন্ত্রের পরিকল্পনা করা হয়েছে যাতে চিকিৎসকেরা গিলে ফেলা পয়সাটি কোথায় আছে তা বুঝতে পারেন। ডা. সাইমন রস্, ইলিনয়েস-এর পেডিয়াট্রিক এমারজেন্সি-র পরিচালক এবং এই যন্ত্রের আবিষ্কারকদের মধ্যে একজন বলেন, এই যন্ত্রটি এমারজেন্সি ঘরে যাওয়া বন্ধ করতে পারে, “যেখানে তা খুঁজে বার করতে খরচ হতে পারে ৩০০ ডলারেরও বেশি।” জার্নাল অফ পেডিয়াট্রিক্স অ্যান্ড পেডিয়াট্রিক এমারজেন্সি কেয়ার বলে যে এই কৌশল হয়ত খুব তাড়াতাড়ি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হবে, এর কার্যকারীতা ও কম খরচের জন্য। (g93 8/8)
ক্যাফেইনের উপর দোষারোপ করা
যারা প্রচণ্ড কফি খায় তারা হঠাৎ কফি খাওয়া বন্ধ করে দিলে প্রায়ই মাথার যন্ত্রণা, অবসাদ, ক্লান্তি, উদ্বেগ এবং এমনকি পেশীর ব্যথা, বমি-বমি ভাব ও বমি হয় বলে অভিযোগ করে। এখন, জন হপ্কিনসন্ ইউনিভারসিটি-র গবেষকেরা জানতে পেরেছেন যে যারা প্রতিদিন মাত্র এক বা দু কাপ কফি বা চা খায় অথবা দু বোতল ক্যাফেইনযুক্ত সোডা লিমনেড খায় আর তারা দুই দিন এই সকল না খেলে তাদের ক্ষেত্রেও এই একই লক্ষণ দেখা যায়। এইগুলি বন্ধ করার ফলে প্রতিক্রিয়া এত প্রবল হয় যে তারা মনে করে তাদের ডাক্তারের কাছে যেতেই হবে। এইরূপ বোধ করে সেই সকল লোকেরাও যারা শনি-রবিবার অফিসের কফি মেশিনের সংস্পর্শে আসে না, যারা ক্যাফেইনহীন সোডা খেতে আরম্ভ করে অথবা যারা রোগী, যাদের অপারেশনের আগে উপোস করতেই হয়। ডাক্তারদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে রোগীদের ক্যাফেইন গ্রহণ করার রেকর্ড নিতে যারা মাথার যন্ত্রণা ও ক্যাফেইন-উইথড্রয়াল প্রফাইলের অন্যান্য লক্ষণগুলি সম্বন্ধে অভিযোগ করে থাকে। যারা ক্যাফেইন নেওয়া বন্ধ করতে চান তাদের তা ধীরে ধীরে বন্ধ করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই গবেষণা এই প্রশ্নও তোলে যে, ক্যাফেইন ও তাহলে কফিকেও কি শারীরিকরূপে নেশাকর পদার্থ হিসাবে শ্রেণীভুক্ত করা যায়। (g93 7/22)
কলম্বিয়ায় গর্ভপাত
কলম্বিয়াতে, প্রায় দেড় কোটি মহিলারা অন্তত একবার গর্ভপাত করেছে। সেই সংখ্যা হল সেই দেশের সন্তান ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন সকল মহিলার ২০ শতাংশ। বহু স্ত্রীলোকেরা গর্ভপাত-সম্বন্ধীয় জটিলতার জন্য মারা যায়। কলম্বিয়ার পত্রিকা সিমোনা বলে যে “বোগোটা-র মেটারনাল-ইনফেনটাইল ইনস্টিটিউট-এ, গর্ভপাতের ফলে মায়েদের মৃত্যু বেশি হয়।” গণনা করা হয় যে কলম্বিয়াতে প্রতি বছর প্রায় ৪,০০,০০০ গর্ভপাত করা হয়। এটি হল প্রতি ঘন্টায় গড়ে প্রায় ৪৫টি গর্ভপাত। (g93 8/8)