ফটো, হাতে আঁকা ছবি, নির্বাক ভিডিও ও আ্যনিমেশন বাইবেলে উল্লেখিত বিভিন্ন বিস্তারিত তথ্য ব্যাখ্যা করবে।
বৈৎফগী গ্রাম, জৈতুন পর্বত ও যিরূশালেম
এই সংক্ষিপ্ত ভিডিও-তে পূর্ব দিক থেকে যিরূশালেমে যাওয়ার রাস্তা দেখানো হয়েছে, যেটা আধুনিক দিনের এট-টুর গ্রাম থেকে জৈতুন পর্বতের এক উচ্চ শৃঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত। এমনটা মনে করা হয়, এই এট-টুর গ্রামই বাইবেলে বর্ণিত বৈৎফগী গ্রাম। জৈতুন পর্বতের পূর্ব ঢালে বৈৎফগী গ্রামের পূর্ব দিকে বৈথনিয়া গ্রাম। যিরূশালেমে থাকার সময় যিশু ও তাঁর শিষ্যেরা সাধারণত বৈথনিয়া গ্রামে রাত কাটাতেন। বৈথনিয়া গ্রামটা বর্তমানে এল-আজরিয়া শহর নামে পরিচিত। এটা একটা আরবীয় নাম, যেটার অর্থ হল “লাসারের বাসস্থান।” নিঃসন্দেহে যিশু মার্থা, মরিয়ম ও লাসারের ঘরে থাকতেন। (মথি ২১:১৭; মার্ক ১১:১১; লূক ২১:৩৭; যোহন ১১:১) ভিডিওতে দেখানো এইরকম একটা রাস্তা ধরে যিশু হয়তো তাদের ঘর থেকে যিরূশালেমে যেতেন। ৩৩ সালের ৯ নিশান গর্দভশাবকের পিঠে চেপে যিশু হয়তো বৈৎফগী গ্রাম থেকে যিরূশালেমে যাওয়ার এই রাস্তা ধরেই জৈতুন পর্বত অতিক্রম করে যিরূশালেমে গিয়েছিলেন।
গোড়ালির হাড়ে বিদ্ধ পেরেক
এটা হল লোহার পেরেকবিদ্ধ মানুষের গোড়ালির হাড়ের একটা ছবি। লোহার পেরেকটা ১১.৫ সেন্টিমিটার (৪.৫ ইঞ্চি) লম্বা। ১৯৬৮ সালে যিরূশালেমের উত্তরাংশে খনন কাজ করার সময় রোমীয় সভ্যতার সময়কার এই বস্তুটা পাওয়া যায়। এটা একটা প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ যে, মৃত্যুদণ্ডের সময় একজন ব্যক্তিকে কাঠের দণ্ডে বিদ্ধ করার জন্য সাধারণত পেরেক ব্যবহার করা হতো। যিশু খ্রিস্টকে দণ্ডে বিদ্ধ করার জন্য রোমীয় সৈন্যরা হয়তো এইরকম একটা পেরেক ব্যবহার করেছিল। এই বস্তুটা একটা পাথরের বাক্সে পাওয়া গিয়েছে, যেটাকে অসুয়ারি (অস্থি সংরক্ষণাগার) বলা হয়। এই ধরনের বাক্সে একজন মৃত ব্যক্তির মাংস পচে নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর তার শুকনো হাড়গুলো রাখা হতো। এটা ইঙ্গিত দেয়, কোনো ব্যক্তিকে দণ্ডে বিদ্ধ করে হত্যা করার পর তাকে কবর দেওয়া যেতে পারত।—মথি ২৭:৩৫.