নতুন সীমা সম্মেলন কার্যক্রম
এই কলুষিত পুরোনো জগতের শেষ সময়ে আমাদের আধ্যাত্মিক বস্ত্র পরে থাকা এবং আমাদের খ্রিস্টীয় পরিচয় রক্ষা করা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। (প্রকা. ১৬:১৫) তাই, ২০০৬ সালের পরিচর্যা বছরের সীমা সম্মেলন কার্যক্রমের মূলভাব ‘নূতন মনুষ্যকে পরিধান করুন’ খুবই উপযুক্ত।—কল. ৩:১০.
প্রথম দিন: প্রথম সিম্পোজিয়াম “নতুন ব্যক্তিত্বের বিভিন্ন দিক প্রকাশ করা” তুলে ধরবে যে, কীভাবে নতুন ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলার প্রচেষ্টা করা আমাদের জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে উপকৃত করে থাকে। কীভাবে আমরা নতুন ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলার প্রচেষ্টা করি? এই বিষয়টা প্রথম দিনের শেষ দুটো বক্তৃতায় বিবেচনা করা হবে, যেগুলো হল, “সঠিকভাবে ধ্যান করার জন্য নিজেকে শাসন করুন” এবং “যে-শিক্ষা নতুন ব্যক্তিত্বকে গঠন করে।”
দ্বিতীয় দিন: কীভাবে নতুন ব্যক্তিত্ব আমাদের জিহ্বার ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে, তা “জ্ঞানবানদের জিহ্বা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা করা” নামক দ্বিতীয় সিম্পোজিয়ামে বিবেচনা করা হবে। জনসাধারণের উদ্দেশে বক্তৃতার মূলভাব হল “আপনি কি পাপাত্মাকে জয় করছেন?” যা শয়তানের কলাকৌশল সম্বন্ধে সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরবে। সম্মেলনের শেষ দুটো বক্তৃতা “জগৎ থেকে নিজেকে নিষ্কলঙ্করূপে রক্ষা করুন” এবং “প্রতিদিন আমাদের ভিতরের মনুষ্যকে নতুনীকৃত করা” আমাদের সেই মনোভাব এবং আচরণ, যা ঈশ্বরের ধার্মিক পথের সঙ্গে সংঘাত সৃষ্টি করে, তা এড়িয়ে চলতে এবং যিহোবার প্রতি আমাদের উপাসনায় স্থির থাকতে সাহায্য করবে।
নতুন ব্যক্তিত্ব পরিধান এবং তা রক্ষা করার জন্য এই উৎসাহ পেতে আমরা কত অধীর আগ্রহ নিয়েই না অপেক্ষা করে আছি!