ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • km ২/০৩ পৃষ্ঠা ১
  • শেষ যতই এগিয়ে আসছে, সংযমশীল হোন

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • শেষ যতই এগিয়ে আসছে, সংযমশীল হোন
  • ২০০৩ আমাদের রাজ্যের পরিচর্যা
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • আধ্যাত্মিক লক্ষ্যগুলোকে আপনার সৃষ্টিকর্তার গৌরব করায় ব্যবহার করুন
    ২০০৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • তোমার আধ্যাত্মিক লক্ষ্যগুলোতে যেভাবে পৌঁছানো যায়
    ২০০৬ আমাদের রাজ্যের পরিচর্যা
  • যুবক-যুবতীরা—তোমাদের আধ্যাত্মিক লক্ষ্যগুলি কী?
    ১৯৯৭ আমাদের রাজ্যের পরিচর্যা
  • অল্পবয়সিরা—তোমরা তোমাদের জীবনকে কীভাবে কাজে লাগাবে?
    ২০১০ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
আরও দেখুন
২০০৩ আমাদের রাজ্যের পরিচর্যা
km ২/০৩ পৃষ্ঠা ১

শেষ যতই এগিয়ে আসছে, সংযমশীল হোন

১ ঈশ্বরের বাক্য বার বার যিহোবার দিনের বিষয় বর্ণনা করে যে, এটা ‘চোরের ন্যায়’ অর্থাৎ হঠাৎ, মুহূর্তের মধ্যে, গোপনে আসছে। (১ থিষ. ৫:২; মথি ২৪:৪৩; ২ পিতর ৩:১০; প্রকা. ৩:৩; ১৬:১৫) “এই জন্য” যিশু বলেছিলেন, “প্রস্তুত থাক, কেননা যে দণ্ড তোমরা মনে করিবে না, সেই দণ্ডে মনুষ্যপুত্ত্র আসিবেন।” (মথি ২৪:৪৪) শেষ যতই এগিয়ে আসছে কীভাবে আমরা আধ্যাত্মিক দিক দিয়ে প্রস্তুত থাকতে পারি? অনুপ্রাণিত উপদেশে একটা মূল উপায় পাওয়া যায়: “সংযমশীল হও।”​—⁠১ পিতর ৪:⁠৭.

২ সংযমশীল হওয়ার মানে বিভিন্ন বিষয়কে যিহোবার দৃষ্টিকোণে দেখা। (ইফি. ৫:১৭) এটা আমাদের বর্তমান বিধিব্যবস্থার মধ্যে নিজেদের “বিদেশী ও প্রবাসী” হিসেবে দেখতে সাহায্য করে। (১ পিতর ২:১১) এটা আমাদের কোনটা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ তা নির্ণয় করতে, অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো স্থাপন করতে এবং উত্তম সিদ্ধান্তগুলো নিতে সাহায্য করে।​—⁠ফিলি. ১:⁠১০.

৩ আধ্যাত্মিক লক্ষ্যগুলো স্থাপন করুন: আধ্যাত্মিক লক্ষ্যগুলো স্থাপন করা ও তাতে পৌঁছানো আমাদের সংযমশীল হতে সাহায্য করে। আপনার কি এমন কিছু আধ্যাত্মিক লক্ষ্য রয়েছে যেগুলোতে পৌঁছানোর জন্য আপনি বর্তমানে চেষ্টা করছেন? আপনি কি প্রতিদিন বাইবেল পড়তে, সমস্ত খ্রিস্টীয় সভাতে উপস্থিত হতে, প্রহরীদুর্গ এবং সচেতন থাক! পত্রিকার প্রতিটা সংখ্যা পড়তে বা হয়তো পরিচর্যায় আপনার অংশগ্রহণকে আরও বাড়াতে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন? আপনি যদি আপনার জন্য উপযুক্ত লক্ষ্যগুলো স্থাপন করেন, সেগুলোতে পৌঁছানোর জন্য চেষ্টা করে চলেন এবং আপনার প্রচেষ্টায় আশীর্বাদ করার জন্য যিহোবার কাছে প্রার্থনা করেন, তা হলে আপনি হয়তো এর ফলাফল দেখে অবাক হয়ে যাবেন।

৪ একজন প্রাচীন এক অল্পবয়স্ক দম্পতিকে তাদের আধ্যাত্মিক লক্ষ্য কী, সেই সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করেছিলেন। প্রশ্নটা তাদের উপলব্ধি করতে সাহায্য করেছিল যে, তারা যদি তাদের জীবনকে সাদাসিধে রাখে এবং তাদের দুর্বহ ঋণগুলো পরিশোধ করে ফেলে, তা হলে তারা অগ্রগামীর কাজ করতে পারে। সেটাকেই তারা তাদের লক্ষ্য হিসেবে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তারা পরিশ্রম করে তাদের সব ঋণ পরিশোধ করে এবং অপ্রয়োজনীয় কাজগুলো কমিয়ে ফেলার উপায় খুঁজে পায়, যেগুলো তাদের সময় ও শক্তি কেড়ে নিচ্ছিল। ঠিক এক বছর পর, তারা তাদের সেই লক্ষ্যে পৌঁছেছিল। এর ফল কী হয়? স্বামী বলেন: “আজকে আমরা যে-অবস্থানে আছি, লক্ষ্য ছাড়া আমরা কখনোই সেই অবস্থানে আসতে পারতাম না। এখন আমরা আরও বেশি সুখী। আমাদের জীবন এখন আরও শান্তিপূর্ণ ও আরও ভাল হয়েছে। এর প্রকৃত অর্থ ও উদ্দেশ্য রয়েছে।”

৫ যিহোবার দিনের জন্য অপেক্ষা করার সময়, আসুন আমরা যেন সংযমশীল হয়ে জীবনযাপন করে আধ্যাত্মিক দিক দিয়ে প্রস্তুত থাকি, ঈশ্বরের ইচ্ছা পালন করার ওপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত রাখি।​—⁠তীত ২:​১১-১৩.

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার