প্রচুর বীজ বোনা প্রচুর আশীর্বাদ নিয়ে আসে
১ ঈশ্বরের বাক্যে যে-চমৎকার প্রতিজ্ঞাগুলোর কথা বলা রয়েছে আমরা সকলেই সেগুলোর পরিপূর্ণতা দেখার অপেক্ষায় আছি। এমনকি এখনও, যিহোবা অনেক আশীর্বাদ করেন, যা আমাদের জীবনে আনন্দ বাড়ায়। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমরা কতখানি উপকৃত হব, তা নির্ভর করে আমরা কতটা আপ্রাণ চেষ্টা করছি তার ওপর। যেমন প্রেরিত পৌল এর বিষয়ে বলেছিলেন, “যে ব্যক্তি প্রচুর বীজ বোনে, সে প্রচুর শস্যও কাটবে।” (২ করি. ৯:৬, NW) দুটো ক্ষেত্রের বিষয় বিবেচনা করুন, যেখানে এই নীতিটা খাটে।
২ আমাদের ব্যক্তিগত পরিচর্যা: যখনই আমরা লোকেদের সুসমাচার জানানোর সুযোগ পাই, আমাদের এই সাক্ষ্য দান অনেক আশীর্বাদ নিয়ে আসে। (হিতো. ৩:২৭, ২৮) প্রশংসার বিষয় যে, সহায়ক ও নিয়মিত অগ্রগামী সহ অনেকেই পরিচর্যায় বেশি করে অংশ নিয়ে প্রচুর বীজ বুনছেন। যারা আগ্রহ দেখান তাদের সেই আগ্রহকে বাড়াতে তাদের কাছে মনে করে ফিরে গিয়ে এবং যখনই সুযোগ আসে একটা বাইবেল অধ্যয়নের প্রস্তাব দিয়ে আমরা সকলেই প্রচুর বীজ বুনতে পারি। (রোমীয় ১২:১১) এভাবে আমরা প্রাণপণ চেষ্টা করলে উৎসাহজনক অভিজ্ঞতাগুলো লাভ করব এবং আমাদের পরিচর্যায় আরও বেশি আনন্দ পাব।
৩ ঈশ্বরের রাজ্যকে সমর্থন করা: পৌল ‘প্রচুর বীজ বোনা’ সম্বন্ধে তার মন্তব্যে বস্তুগত দান করার বিষয়টাকে জড়িত করেছিলেন। (২ করি. ৯:৬, ৭, ১১, ১৩) ঈশ্বরের রাজ্যকে সমর্থন করার জন্য আজকে, আমরা শারীরিক ও বস্তুগত উপায়ে অনেক কিছু করতে পারি। কিংডম হলগুলো নির্মাণের কাজে আমরা সাহায্য করতে এবং সত্য উপাসনার এই জায়গাগুলোকে পরিষ্কার রাখা ও দেখাশোনার কাজে স্বেচ্ছায় নিজেদের বিলিয়ে দিতে পারি। এ ছাড়া, স্থানীয় কিংডম হলের খরচের জন্য ও সেইসঙ্গে শিক্ষামূলক এবং শিষ্য তৈরির কাজে আর্থিকভাবে দান দিতে পারি। আমরা যখন সবাই নিজের নিজের অংশ করি, তখন ঈশ্বরের দেওয়া এই কাজের ওপর যিহোবার অপরিমেয় আশীর্বাদ দেখে আমরা কতই না আনন্দিত হই!—মালাখি ৩:১০; লূক ৬:৩৮.
৪ ঈশ্বরের বাক্য আমাদের ‘পরের উপকার করিতে, সৎক্রিয়ারূপ ধনে ধনবান্ হইতে, দানশীল হইতে, সহভাগীকরণে তৎপর হইতে’ উৎসাহ দেয়। যেহেতু আমরা এই পরামর্শে মনোযোগ দিই, তাই আমরা এখনই অনেক আশীর্বাদ উপভোগ করি। আর একই সময়ে, আমরা ‘[নিজেদের] নিমিত্ত ভাবীকালের জন্য উত্তম ভিত্তিমূলস্বরূপ নিধি [এবং] প্রকৃত জীবন প্রস্তুত করি’ যা আসতে চলেছে।—১ তীম. ৬:১৮, ১৯.