ঘোষণাবলি
▪ এপ্রিল ও মে মাসের জন্য সাহিত্য অর্পণ: প্রহরীদুর্গ এবং সচেতন থাক! পত্রিকা। পুনর্সাক্ষাতে আগ্রহী কাউকে পাওয়া গেলে, সেই ব্যক্তিকে পত্রিকা রুটে অন্তর্ভুক্ত করুন। বাইবেল অধ্যয়ন শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে চান ব্রোশার অর্পণ করুন। জুন: ঈশ্বর আমাদের কাছ থেকে কী চান? অথবা জ্ঞান যা অনন্ত জীবনে পরিচালিত করে। গৃহকর্তাদের কাছে যদি এই প্রকাশনাগুলো থাকে, তা হলে মণ্ডলীতে মজুত আছে এমন উপযুক্ত একটা ব্রোশার অর্পণ করুন। জুলাই: নিচে দেওয়া ৩২ পৃষ্ঠার যে-কোন ব্রোশার অর্পণ করা যেতে পারে: ঈশ্বর কি প্রকৃতই আমাদের জন্য চিন্তা করেন?, পৃথিবীতে অনন্তজীবন উপভোগ করুন!, “দেখ! আমি সকলই নূতন করিতেছি,” আপনার কি ত্রিত্বে বিশ্বাস করা উচিত?, ঐশ্বরিক নামটি যা চিরকাল থাকবে (ইংরেজি), যে সরকার পরমদেশ নিয়ে আসবে, আমরা মরলে আমাদের কী হয়? (ইংরেজি), জীবনের উদ্দেশ্য কী—আপনি কীভাবে তা পেতে পারেন? এবং আপনার প্রিয়জন যখন মারা যায় (ইংরেজি)। সমস্ত লোকের জন্য একটি পুস্তক (ইংরেজি), আমাদের সমস্যাগুলি—সেগুলি সমাধান করতে কে আমাদের সাহায্য করবে?, বিদেহী আত্মারা—তারা কি আপনাকে সাহায্য অথবা আপনার ক্ষতি করতে পারে? তারা কি প্রকৃতই অস্তিত্বশীল? (ইংরেজি) এবং যুদ্ধবিহীন এক জগৎ কি কখনও সম্ভব? (ইংরেজি) এই ব্রোশারগুলোর যেটা যেখানে দেওয়া ঠিক হবে, লোকেদেরকে সেটা দেওয়া যেতে পারে।
▪ সারা বছরের সমস্ত জিনিসগুলোর একটা বিশেষ আবেদন ফর্ম জানুয়ারি মাসের মাসিক স্টেটমেন্টের সঙ্গে প্রত্যেকটা মণ্ডলীতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। যে-মণ্ডলীগুলো এখনও পর্যন্ত ২০০২ সালের সম্মেলন ব্যাজ কার্ড এবং ২০০৩ সালের জন্য দরকারি অন্যান্য জিনিসপত্রের অর্ডার দেয়নি, দেরি না করে তাদের এখনই আবেদন পাঠিয়ে দেওয়া উচিত। যে-মণ্ডলীগুলো কিংডম হল সাহিত্য তালিকা ব্যবস্থার মধ্যে পড়ে তারা তাদের আবেদনগুলো একমাত্র তাদের “সমন্বয়কারী মণ্ডলীর” মাধ্যমেই পাঠাবেন। সমন্বয়কারী মণ্ডলীর সচিবের এই বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া উচিত যে, তাদের সাহিত্য বিভাগ থেকে প্রত্যেক মণ্ডলীর জন্য প্রয়োজনীয় সরবরাহের আবেদন করা হয়েছে।
▪ সমস্ত পরিচালক অধ্যক্ষ এবং সচিবদের বাড়ির বর্তমান ঠিকানা এবং টেলিফোন নম্বর শাখা দপ্তরের কাছে থাকা খুবই জরুরি। যদি ঠিকানা অথবা টেলিফোন নম্বর পালটায়, তা হলে মণ্ডলীর পরিচর্যা কমিটি দেরি না করে পরিচালক অধ্যক্ষ/সচিবের পরিবর্তিত ঠিকানা ফর্ম (S-29) পূরণ করে ও স্বাক্ষর দিয়ে সোসাইটির কাছে পাঠিয়ে দেবে। যদি পিন কোড পালটায়, তা হলে সেটাও এই ফর্মে লিখে পাঠাতে হবে।
▪ মণ্ডলীর সচিবদের কাছে নিয়মিত অগ্রগামী কাজের জন্য আবেদন ফর্ম (S-205) ও সহায়ক অগ্রগামী কাজের জন্য আবেদন ফর্ম (S-205b) যথেষ্ট পরিমাণে থাকা দরকার। এগুলো সাহিত্য অর্ডার ফর্মে (S-14) চেয়ে পাঠানো যেতে পারে। অন্তত এক বছরের জন্য চলবে এমনভাবে অর্ডার দিন। নিয়মিত অগ্রগামীর সবকটা আবেদন ফর্ম ঠিকমতো পূরণ করা হয়েছে কি না, তা ভাল করে দেখুন। আবেদনকারীরা যদি তাদের বাপ্তিস্মের ঠিক দিনটা মনে করতে না পারেন, তা হলে তাদের হিসাব করে সেটা বের করা ও একটা রেকর্ড রাখা দরকার।
▪ অন্য দেশের মণ্ডলীর সভাগুলোতে, সীমা অধিবেশনে বা জেলা সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য যখনই আপনি ব্যক্তিগতভাবে পরিকল্পনা করেন, তখন সেখানকার যে-শাখা দফতর এই কাজগুলো দেখাশোনা করে সেখানে আপনি দিন, সময় ও জায়গা সম্বন্ধে তথ্য জানার জন্য আবেদন জানাতে পারেন। শাখা দফতরের ঠিকানাগুলো এই বছরের বর্ষপুস্তক (ইংরেজি) এর শেষ পৃষ্ঠায় দেওয়া আছে।
▪ যে-প্রকাশনাগুলো আবার পাওয়া যাচ্ছে:
‘ঈশ্বর-নিশ্বসিত প্রত্যেক শাস্ত্রলিপি উপকারী’ —তামিল
আমাদের পরিচর্যা সম্পাদন করতে সংগঠিত —তামিল