নতুন সীমা অধিবেশন কার্যক্রম
১ ১৯৯৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে যেটি শুরু হবে সেই নতুন সীমা অধিবেশন কার্যক্রমের বিষয়বস্তু হবে “দান করার মহান সুখকে উপভোগ করুন।” (প্রেরিত ২০:৩৫) সুখকে “মঙ্গল এবং সন্তোষের এক অবস্থা” বলে বর্ণনা করা হয়েছে। আজকের দিনে অধিকাংশ লোক জীবন থেকে যেটুকু আনন্দ তারা পেতে পারে তা পাবার চেষ্টা করে এবং যখন তারা তা করে, প্রায়ই তা হয় ক্ষণস্থায়ী। সেটি প্রকৃত সুখ নয়। কিন্তু, যিহোবা আমাদের শিক্ষা দেন কিভাবে আমরা নিজেদের চিরকালের জন্য উপকৃত করতে পারি। (যিশা. ৪৮:১৭; ১ যোহন ২:১৭) নতুন সীমা অধিবেশন কার্যক্রম জোর দেবে কিভাবে আমরা আধ্যাত্মিকভাবে, দান করার দ্বারা মহান সুখকে লাভ করতে পারি।
২ আমরা ব্যবহারিক উপায়গুলি শিখব যাতে করে ক্ষেত্রে আমরা পরিচর্যায় নিজেদের প্রদান করতে পারি। কিছু বক্তৃতা ভ্রমণ অধ্যক্ষদের দ্বারা দেওয়া হবে যেগুলির শিরোনাম হল: “অধার্মিকতার ধন দিয়ে মিত্রতা ক্রয় করা,” ‘মনুষ্যদিগের নানা বরের’ ঐশিক ব্যবস্থাকে সম্মান করুন’ এবং “প্রকৃত সুখের অনেক দিকগুলি অভিজ্ঞতা করুন।” যারা এই অধিবেশনে বাপ্তাইজিত হতে ইচ্ছুক, তাদের পরিচালক অধ্যক্ষের সাথে কথা বলতে হবে যাতে করে তিনি তাদের সাথে বাপ্তিস্মের প্রশ্নগুলি পুনরালোচনা করার জন্য প্রাচীনদের ব্যবস্থা করেন। নৈতিক দিক দিয়ে কলুষতামুক্ত সম্পর্ক রক্ষা করে যিহোবার সেবা করা নতুন বাপ্তাইজিত ব্যক্তিদের জন্য মহান সুখ নিয়ে আসবে।
৩ যিহোবার কর্তৃত্বের প্রতি সঠিক স্বীকৃতি প্রদানও প্রকৃত সুখ এবং নিরাপত্তা নিয়ে আসে। সকল লোকের তা জানা প্রয়োজন। তাই, সীমা অধিবেশনে জনসাধারণের বক্তৃতার বিষয়বস্তুটি হবে “ঈশ্বরের সুখী লোকেদের সাথে একতাবদ্ধ হোন।” যারা সত্যের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে তাদের সকলকে এই বক্তৃতায় আসার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে নিশ্চিত হোন। এই জগতে মনুষ্য শাসনের অধীনে যেটি শয়তানের ক্ষমতার অধীনে শুয়ে আছে, সেখানে তারা প্রকৃত নিরাপত্তা এবং চিরস্থায়ী সুখ খুঁজে পায় না। (উপ. ৮:৯) কিন্তু যিহোবার সুখী লোকেদের সাথে মেলামেশা করে তারা কী আনন্দই না খুঁজে পাবে!—গীত. ১৪৪:১৫খ।
৪ এই বিধিব্যবস্থার অত্যন্ত মন্দ পরিস্থিতি সত্ত্বেও, যারা আধ্যাত্মিকভাবে দান করে মহান সুখকে উপভোগ করে তারা কখনও সুখী ঈশ্বরের দ্বারা নিরাশ হবে না। (১ তীম. ১:১১) নতুন সীমা অধিবেশন কার্যক্রম এটি সত্য বলে প্রদর্শন করবে। এটিতে অনুপস্থিত থাকবেন না!