ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w০৫ ৯/১ পৃষ্ঠা ৩২
  • প্রাচীন জার্মান ভাষার বাইবেল ঈশ্বরের নাম ব্যবহার করে

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • প্রাচীন জার্মান ভাষার বাইবেল ঈশ্বরের নাম ব্যবহার করে
  • ২০০৫ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
২০০৫ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w০৫ ৯/১ পৃষ্ঠা ৩২

প্রাচীন জার্মান ভাষার বাইবেল ঈশ্বরের নাম ব্যবহার করে

ঈশ্বরের ব্যক্তিগত নাম যিহোবা, ১৯৭১ সালে জার্মান ভাষায় প্রকাশিত পবিত্র শাস্ত্রের নতুন জগৎ অনুবাদ বাইবেলের মধ্যে সাত হাজারেরও বেশি বার রয়েছে।a কিন্তু, এটিই প্রথম জার্মান ভাষার বাইবেল ছিল না, যেখানে ঐশিক নাম ব্যবহার করা হয়েছে। সম্ভবত, বিশিষ্ট রোমান ক্যাথলিক ঈশ্বরতত্ত্ববিদ ইয়হান ইকের দ্বারা প্রায় ৫০০ বছর আগে প্রকাশিত জার্মান ভাষার বাইবেলই ছিল প্রথম বাইবেল, যেটির মধ্যে যিহোবা নাম পাওয়া গিয়েছিল।

ইয়হান ইক ১৪৮৬ সালে দক্ষিণ জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ২৪ বছর বয়সে ইঙ্গোশ্টাট বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈশ্বরতত্ত্বের অধ্যাপক হয়েছিলেন, যে-পদে তিনি ১৫৪৩ সালে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত অধিষ্ঠিত ছিলেন। ইক, মার্টিন লুথারের সমসাময়িক ব্যক্তি ছিলেন আর তারা কিছু সময়ের জন্য বন্ধু ছিল। কিন্তু, পরে লুথার সংস্কার আন্দোলনে বিশিষ্ট ব্যক্তি হয়ে উঠেছিলেন, অন্যদিকে ইক ক্যাথলিক গির্জার একজন সমর্থক হয়েছিলেন।

বাভ্যারিয়ার ডিউক জার্মান ভাষায় বাইবেল অনুবাদ করার জন্য ইককে নিযুক্ত করেছিলেন এবং ১৫৩৭ সালে সেই অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। কির্খলিখেস হান্টলেকসিকন অনুসারে, তার অনুবাদ মূল পাঠ্যাংশকে যথাসম্ভব মেনে চলেছিল আর এটি “এযাবৎ যতগুলো স্বীকৃতি পেয়েছে তার চেয়ে বেশি স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য।” ইকের অনুবাদে, যাত্রাপুস্তক ৬:৩ পদে এভাবে লেখা আছে: “আমিই প্রভু/যিনি অব্রাহাম/ইস্‌হাক/ও যাকোবের কাছে সর্বশক্তিমান ঈশ্বর হিসেবে দেখা দিয়েছিলাম: আর আমার নাম আদোনাই/এটি আমি তাদের কাছে প্রকাশ করিনি।” ইক পদের মার্জিনে লিখিত টীকায় আরও মন্তব্য করেছিলেন: “নামটি হল আদোনাই যিহৌয়া।” অনেক বাইবেল পণ্ডিত মনে করে যে, সেই সময়ই জার্মান ভাষার বাইবেলে প্রথমবারের মতো ঈশ্বরের ব্যক্তিগত নাম ব্যবহার করা হয়েছিল।

যাই হোক, হাজার হাজার বছর ধরে ঈশ্বরের ব্যক্তিগত নাম পরিচিত ও ব্যবহৃত হয়ে এসেছে। সবচেয়ে প্রথমে এটি ইব্রীয় ভাষায় লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল, যেখানে একমাত্র সত্য ঈশ্বরকে শনাক্ত করতে “যিহোবা” নামটি ব্যবহার করা হয়েছিল। প্রায় ২০০০ বছর আগে, ঈশ্বরের নাম জানানোর বিষয়ে যিশু যে-বিবৃতি দিয়েছিলেন, তা গ্রিক ভাষায় লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল। (যোহন ১৭:৬) তখন থেকে এই নামটি অসংখ্য ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে আর শীঘ্রই গীতসংহিতা ৮৩:১৮ পদের পরিপূর্ণতাস্বরূপ, সকলেই জানবে যে, যাঁর নাম যিহোবা তিনিই হলেন সমস্ত পৃথিবীর ওপরে পরাৎপর।—যাত্রাপুস্তক ৩:১৫.

[পাদটীকা]

a যিহোবার সাক্ষিদের দ্বারা ১৯৬১ সালে প্রথমে ইংরেজি ভাষায় প্রকাশ করা হয়েছিল। এখন সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ৫০টিরও বেশি ভাষায় পাওয়া যায়।

[৩২ পৃষ্ঠার চিত্র]

ইকের বাইবেলের ১৫৫৮ সালের একটি সংস্করণ, যেটিতে যাত্রাপুস্তক ৬:৩ পদের মার্জিনে লিখিত রেফারেন্সে যিহোবা নাম রয়েছে

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার