ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w০৩ ৭/১ পৃষ্ঠা ৩
  • ভালবাসা অপরিহার্য

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • ভালবাসা অপরিহার্য
  • ২০০৩ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • সেই ঈশ্বরকে ভালবাসুন, যিনি আপনাকে ভালবাসেন
    ২০০৬ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • আমাদের প্রতিবেশীকে ভালবাসা বলতে যা বোঝায়
    ২০০৬ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • প্রেমে গেঁথে উঠুন
    ২০০১ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • আপনি কতখানি প্রেম দেখান?
    ২০০১ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
আরও দেখুন
২০০৩ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w০৩ ৭/১ পৃষ্ঠা ৩

ভালবাসা অপরিহার্য

বয়স, সংস্কৃতি, ভাষা অথবা বংশ যা-ই হোক না কেন, সমস্ত মানুষের ভালবাসার জন্য প্রবল আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। সেই আকাঙ্ক্ষা যদি মেটানো না হয়, তা হলে তারা সুখী হয় না। চিকিৎসাশাস্ত্রের একজন গবেষক লিখেছিলেন: “যে-বিষয়টা আমাদের অসুস্থ ও সুস্থ করে, আমাদের দুঃখের কারণ হয় ও আনন্দ নিয়ে আসে, আমাদের কষ্ট দেয় ও আমাদের আরোগ্যের পথে পরিচালিত করে, সেটার মূলে রয়েছে ভালবাসা এবং অন্তরঙ্গতা। নতুন কোনো ওষুধের যদি একইরকম প্রভাব থাকত, তা হলে দেশের প্রায় প্রত্যেক ডাক্তারই তাদের রোগীদের জন্য সেটার বিষয়ে সুপারিশ করত। এটা সম্বন্ধে ব্যবস্থাপত্র না দেওয়া অমানবিক কাজ হবে।”

কিন্তু আধুনিক সমাজ, বিশেষ করে এর প্রচারমাধ্যম এবং জনপ্রিয় আদর্শ ব্যক্তিরা বেশির ভাগ সময়ই মানুষের উষ্ণ ও ভালবাসাপূর্ণ সম্পর্কের চাহিদার চেয়ে ধনসম্পদ, ক্ষমতা, খ্যাতি এবং যৌনতা সম্পর্কিত বিষয়গুলোর ওপর বেশি জোর দেয়। অনেক শিক্ষক জাগতিক লক্ষ্য ও বৃত্তিগুলোর ওপর জোর দেয়, সফলতাকে মূলত এই শব্দগুলোর মাধ্যমে সংজ্ঞায়িত করে। এটা ঠিক যে, শিক্ষা এবং একজনের মেধাগুলোর অনুশীলন করা গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু সেগুলোর পিছনে তাদের কি এতটা হন্যে হয়ে ছোটা উচিত যে, পরিবার এবং বন্ধুবান্ধবদের জন্য তাদের কোনো সময়ই থাকে না? একজন শিক্ষিত প্রাচীন লেখক, যিনি মানুষের স্বভাবচরিত্রের বিচক্ষণ পর্যবেক্ষক ছিলেন, তিনি এক বরস্বরূপ কিন্তু ভালবাসাহীন ব্যক্তিকে ‘শব্দকারক পিত্তল ও ঝম্‌ঝম্‌কারী করতালের’ সঙ্গে তুলনা করেছেন। (১ করিন্থীয় ১৩:১) এই ধরনের ব্যক্তিরা হয়তো ধনী এমনকি বিখ্যাতও হতে পারে কিন্তু সত্যিকার অর্থে কখনও সুখী হয় না।

যিশু খ্রিস্ট যিনি মানুষকে খুব ভালভাবে বুঝতেন এবং যাদের প্রতি তাঁর বিশেষ স্নেহ ছিল, ঈশ্বর এবং প্রতিবেশীর প্রতি ভালবাসা বা প্রেমকে তিনি তাঁর শিক্ষার মূল বিষয় বলে বিবেচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন: “তোমার সমস্ত অন্তঃকরণ, তোমার সমস্ত প্রাণ ও তোমার সমস্ত মন দিয়া তোমার ঈশ্বর প্রভুকে [“যিহোবাকে,” NW] প্রেম করিবে, . . . তোমার প্রতিবাসীকে আপনার মত প্রেম করিবে।” (মথি ২২:৩৭-৩৯) একমাত্র যারা এই কথাগুলো মেনে চলবে, তারাই সত্যিকার অর্থে যিশুর অনুসারী হবে। তাই তিনি বলেছিলেন: “তোমরা যদি আপনাদের মধ্যে পরস্পর প্রেম রাখ, তবে তাহাতেই সকলে জানিবে যে, তোমরা আমার শিষ্য।”—যোহন ১৩:৩৫.

কিন্তু, কীভাবে একজন ব্যক্তি আজকের জগতে ভালবাসা অনুশীলন করতে পারে? আর বাবামায়েরা কীভাবে তাদের ছেলেমেয়েদের ভালবাসা সম্বন্ধে শিক্ষা দিতে পারে? পরের প্রবন্ধ এই প্রশ্নগুলো নিয়ে আলোচনা করবে।

[৩ পৃষ্ঠার চিত্রগুলো]

লোভের দ্বারা পরিচালিত এক জগতে ভালবাসা অনুশীলন করা এক প্রতিদ্বন্দ্বিতা

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার