পাঠক-পাঠিকাদের থেকে প্রশ্নসকল
কোনো দুর্বল অভিষিক্ত খ্রিস্টানের পক্ষে যদি মণ্ডলীর প্রভুর সান্ধ্যভোজ উদ্যাপনে যোগ দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে, তা হলে কোনো ব্যবস্থা কি নেওয়া যেতে পারে?
হ্যাঁ, নেওয়া যেতে পারে। দুর্বল এবং হয়তো শয্যাগত হওয়ার কারণে একজন অভিষিক্ত খ্রিস্টান যখন মণ্ডলীতে উদ্যাপিত খ্রিস্টের মৃত্যুর স্মরণার্থ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন না, তখন তার কথা বিবেচনা করে কিছু করা যেতে পারে এবং করা উচিত। এইরকম এক পরিস্থিতিতে, প্রাচীন গোষ্ঠী সেই সহ বিশ্বাসীর কাছে সেই রাতের মধ্যেই সূর্যোদয়ের আগে কোনো প্রাচীন বা অন্য কোনো পরিপক্ব খ্রিস্টান ভাইয়ের মাধ্যমে প্রতীক রুটি এবং দ্রাক্ষারস নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারে।
পরিস্থিতি অনুযায়ী, পরিদর্শনার্থী প্রাচীন বা অন্য কোনো ভাই সংক্ষেপে মন্তব্য করতে এবং উপযুক্ত কয়েকটা শাস্ত্রপদ পড়তে পারেন। তিনি যিশুর দ্বারা স্থাপিত আদর্শ অনুসরণ করতে পারেন, যখন তিনি প্রভুর সান্ধ্যভোজ প্রবর্তন করেছিলেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মথি ২৬:২৬ পদ পড়া যেতে পারে এবং এরপর প্রার্থনা করে তাড়িশূন্য রুটি পরিবেশন করতে হবে। পরে পরিদর্শনার্থী ভাই মথি ২৬ অধ্যায়ের ২৭ ও ২৮ পদ পড়তে পারেন এবং এরপর আরেকবার প্রার্থনা করার পর দ্রাক্ষারস পরিবেশন করতে পারেন। প্রতিটা প্রতীকের তাৎপর্য সম্বন্ধে সংক্ষিপ্ত মন্তব্য করা যেতে পারে এবং এরপর শেষ প্রার্থনা করা উপযুক্ত হবে।
অবশ্য, মণ্ডলীতে উদ্যাপিত প্রভুর সান্ধ্যভোজে উপস্থিত থাকার জন্য উপযুক্ত সবরকমের প্রচেষ্টা করা উচিত। কিন্তু, কোনো অভিষিক্ত খ্রিস্টান যদি চরম পরিস্থিতির কারণে, হতে পারে গুরুতর অসুস্থতা, হাসপাতালে থাকায় বা অন্য কোনো কারণে নিশান মাসের ১৪ তারিখে সূর্যাস্তের পর স্মরণার্থ পালন করতে না পারেন, তা হলে কী করা যেতে পারে? এইরকম একজন অভিষিক্ত ব্যক্তি মোশির ব্যবস্থায় দেওয়া পূর্বদৃষ্টান্তটির সদ্ব্যবহার করতে পারেন এবং ৩০ দিন পর ব্যক্তিগতভাবে তা উদ্যাপন করতে পারেন।—গণনাপুস্তক ৯:৯-১৪.