“আমার যা কিছু দরকার ছিল সবই আমি পেয়েছি”
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক রিপোর্ট অনুসারে অনুমান করা হয় যে, সম্প্রতি সারা পৃথিবীতে ১২ কোটিরও বেশি লোকের ওপর হতাশা প্রভাব ফেলেছে। প্রত্যেক বছর, দশ লক্ষ লোক আত্মহত্যা করে এবং এক থেকে দুকোটি লোক তাদের জীবনকে শেষ করার চেষ্টা করে। যারা হতাশায় ভোগে তাদের জন্য কী সাহায্য রয়েছে? ডাক্তারি চিকিৎসা হয়তো কষ্টকে লাঘব করতে পারে কিন্তু আবেগগত সাহায্য খুবই দরকার। এ ছাড়া, কিছুজন যারা এইধরনের অনুভূতির অভিজ্ঞতা করছে তারা যিহোবার সাক্ষিদের বাস্তবধর্মী বাইবেল-ভিত্তিক প্রকাশনাগুলোতে বাড়তি সাহায্য পেয়েছে, যেমন ফ্রান্স থেকে পাওয়া নিচের এই চিঠিটা দেখায়।
“বেশিদিন আগের কথা নয়, বেঁচে থাকার উদ্দেশ্য আমি বুঝতে পারছিলাম না। আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাকে মৃত্যু দেন। ভিতরে ভিতরে আমি যেন মরেই গিয়েছিলাম। নির্দেশনা চেয়ে, আমি ঐকান্তিকভাবে যিহোবার কাছে প্রার্থনা করি। এ ছাড়া, আমি যিহোবার সাক্ষিদের ২০০২ সালের বর্ষপুস্তক (ইংরেজি) পড়ার সিদ্ধান্ত নিই এবং তিন দিনের মধ্যে তা শেষ করি। আমাকে বলতেই হবে যে, এটা আমাকে অনেক উৎসাহ জুগিয়েছিল এবং আমার বিশ্বাসকে দৃঢ় করেছিল।
“প্রহরীদুর্গ ও সচেতন থাক! পত্রিকাগুলোতে আমি কিছু গবেষণা করেছিলাম আর আমি কতই না অবাক হয়ে গিয়েছিলাম! ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমি এই পত্রিকাগুলো নিয়মিত পড়েছি কিন্তু আমি কখনও উপলব্ধি করিনি যে, এই প্রবন্ধগুলো কতখানি উৎসাহজনক ও আগ্রহের। এগুলো প্রেমে ভরপুর, যেটি এমন একটা গুণ যা আজকের দিনে খুবই বিরল। আমার যা কিছু দরকার ছিল সবই আমি পেয়েছি।”
বাইবেল বলে: “সদাপ্রভু ভগ্নচিত্তদের নিকটবর্ত্তী, তিনি চূর্ণমনাদের পরিত্রাণ করেন।” (গীতসংহিতা ৩৪:১৮) নিঃসন্দেহে, ‘ভগ্নচিত্ত’ অথবা ‘চূর্ণমনা’ সকলে বাইবেল থেকে উৎসাহ এবং ভবিষ্যতের জন্য এক আশা খুঁজে পেতে পারে। যাদের সান্ত্বনার সেই উৎস ঈশ্বরের কাছ থেকে উপকার লাভ করার প্রয়োজন তাদের সাহায্য করার জন্য যিহোবার সাক্ষিরা বাইবেল-ভিত্তিক সাহিত্য বিতরণ করে থাকে।