বাইবেল বিতরণ করার এক বিশেষ বছর
আজকাল আগের চেয়ে আরও অনেক বেশি লোকেদের কাছে বাইবেল আছে। এই কথা আমরা ইউনাইটেড বাইবেল সোসাইটির একটা রিপোর্ট থেকে জানতে পারি কারণ ১৯৯৭ সালে যত লোকেরা বাইবেল নিয়েছিলেন, ১৯৯৮ সালে তার চেয়ে পাঁচ লাখেরও বেশি বাইবেল লোকেরা নিয়েছেন। পুরো বাইবেল বা আংশিক সব মিলিয়ে ৫৮,৫০,০০,০০০টারও বেশি বাইবেল সারা পৃথিবীতে বিতরণ করা হয়েছে। রিপোর্ট জানায়, “এটা খুবই খুশির কথা যে আজকে অনেক বেশি লোকের হাতে ঈশ্বরের বাক্য পৌঁছাচ্ছে।”
কিন্তু নিজেদের কাছে বাইবেল থাকা এক কথা আর তা পড়া আরেক কথা। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটা জরিপে দেখা গেছে যে আমেরিকায় ৯০ শতাংশেরও বেশি লোকের কাছে তাদের নিজেদের বাইবেল আছে আর তাদের প্রায় সকলেই বিশ্বাস করেন যে বাইবেল নৈতিক দিক দিয়ে শুদ্ধ ও ভাল জীবন যাপনের জন্য রাস্তা দেখায়। কিন্তু মাত্র ৫৯ শতাংশ লোক বলেছিলেন যে পরামর্শের জন্য তারা বাইবেল পড়েন। আর ২৯ শতাংশ লোকেদের মধ্যে কিছুজন স্বীকার করেছিলেন যে তারা বাইবেল সম্বন্ধে “খুব বেশি কিছু” জানেন না বা “একেবারেই” জানেন না।
যিহোবার সাক্ষিরা শুধু বাইবেল ছাপান না ও বিতরণই করেন না কিন্তু সেইসঙ্গে তারা ২৩০টারও বেশি দেশে লোকেদের ঘরে ঘরে গিয়ে বিনা পয়সায় বাইবেল শেখান। আর এই কারণে সারা পৃথিবীর লাখ লাখ লোকেরা উপকার পাচ্ছেন। এখান থেকে তারা শেখেন যে জীবনে যে সমস্যাগুলোর মুখোমুখি তারা হন সেগুলোর মোকাবিলা কীভাবে করা যায় আর তারা এও শেখেন যে কীভাবে ঈশ্বরের রাজ্য তাদের জন্য এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এনে দেবে।—যিশাইয় ৪৮:১৭, ১৮; মথি ৬:৯, ১০.
[৩২ পৃষ্ঠার চিত্রগুলো]
(ওপরে বাঁ দিক থেকে) বলিভিয়া, ঘানা, শ্রীলঙ্কা এবং ইংল্যান্ডে ঘরে ঘরে গিয়ে বাইবেল অধ্যয়ন