ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৯ ২/১৫ পৃষ্ঠা ২৪-২৫
  • এক “পবিত্র” স্থানের জন্য লড়াই

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • এক “পবিত্র” স্থানের জন্য লড়াই
  • ১৯৯৯ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
১৯৯৯ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৯ ২/১৫ পৃষ্ঠা ২৪-২৫

এক “পবিত্র” স্থানের জন্য লড়াই

রোমের পোপের অনুমতিতে ঘটা প্রথম ধর্মযুদ্ধের উদ্দেশ্য পূর্ণ হয়েছিল যখন ১০৯৯ সালের ১৫ই জুলাই যিরূশালেমকে দখল করে নেওয়া হয়। যুদ্ধে যে হত্যা হয়েছিল তা ভয়ানক! কেবল রাজ্যপাল ও তার দেহরক্ষী বেঁচে ছিলেন কারণ তারা অনেক ঘুষ দিয়েছিলেন। পাদ্রি এন্টনী ব্রিজ ধর্মযুদ্ধ (ইংরাজি) নামে তার বইয়ে, ঐ শহরের বাকি মুসলমান ও যিহূদী লোকেদের কী হয়েছিল তা জানান: “ধর্মযুদ্ধকারীদের যখন নগরের মধ্যে তাদের ইচ্ছামতো কাজ করার জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল, তারা নগরে রক্তবন্যা বইয়ে দিয়েছিল। . . . সেই নগরে তারা যাদেরকেই পেয়েছিল তাদেরকেই পুরুষ, নারী, শিশু নির্বিচারে হত্যা করেছিল . . . যখন হত্যা করার মতো আর কেউ ছিল না তখন বিজয়ী সৈনিকেরা ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দেওয়ার জন্য নগরের রাস্তাগুলো দিয়ে দলে দলে শোভাযাত্রা করে চার্চ অফ দ্যা হোলি সেপলকরে গিয়েছিল।”

ধর্মযুদ্ধ করে যিরূশালেম দখল করার পর সেখানকার রোমান ক্যাথলিক গির্জা, পূর্ব অর্থোডক্স গির্জা ও খ্রীষ্টান বলে দাবি করে এমন অন্যান্য ধর্মগুলো নিজেদের মধ্যে ঝগড়া-লড়াই করে চলতেই থাকে। ১৮৫০ সালে যিরূশালেমের পবিত্র স্থান ও তার আশেপাশের জায়গা নিয়ে বিভিন্ন গির্জার নেতাদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয় আর এই ঝগড়াই ক্রিম্যান যুদ্ধের একটা বড় কারণ ছিল। ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও তুরস্ক রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল আর এই যুদ্ধে পাঁচ লক্ষ লোক তাদের জীবন হারিয়েছিল।

এই যুদ্ধ কিন্তু যিরূশালেম এবং এর পবিত্র স্থান নিয়ে খ্রীষ্টীয়জগতের মধ্যে যে ঝগড়া তা মেটাতে পারেনি। তখন সেই দেশে যে মুসলমান শাসনকর্তারা ছিলেন তারা শান্তি নিয়ে আসার চেষ্টায় এই পবিত্র স্থানকে বিভিন্ন ধর্মীয় দলগুলোর মধ্যে ভাগ করে দিয়েছিলেন। ড. মনাসে হারে তার এই হল যিরূশালেম (ইংরাজি) নামের বইয়ে বলেন, “এই নীতিকে . . . রাষ্ট্রসংঘ ১৯৪৭ সালের নভেম্বরে দেশ-বিভাগ সিদ্ধান্তের সঙ্গে স্বীকার করে নিয়েছিল। তাই এটা এখন আন্তর্জাতিক আইনের এক অংশ হয়ে গিয়েছে।” আর এর ফলে চার্চ অফ দ্যা হোলী সেপলকরকে রোমান ক্যাথলিক, গ্রিক অর্থোডক্স, আর্মেনীয়, সিরীয় ও কপ্টস লোকেদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। শেষে ইথিওপিয়া গির্জার কিছু লোকেরা এই গির্জার ছাদের ওপর কুঁড়ে ঘর বানিয়ে থাকতে শুরু করে আর তারা দাবি করে যে এই গির্জার ওপর তাদের দাবি আছে। অনেকে এই চার্চ অফ দ্যা হোলী সেপলকরকে খ্রীষ্টীয়জগতের সবচেয়ে পবিত্র স্থান বলে মনে করেন। এটা বেদী, মূর্তি ও ছবিতে ভরা। কিছু প্রোটেস্টান্টরা গর্ডন কালভেরি নামের একটা জায়গাকে পবিত্র স্থান বলে মানেন ও শ্রদ্ধা করেন কারণ তারা মনে করেন যে এইখানে যীশুকে হত্যা করা ও কবর দেওয়া হয়েছিল।

অনেক আগে কিছু স্থানকে পবিত্র বলে মনে করতেন এমন এক নারীকে যীশু বলেছিলেন: “এমন সময় আসিতেছে, যখন তোমরা না এই পর্ব্বতে, না যিরূশালেমে পিতার ভজনা করিবে। . . . প্রকৃত ভজনাকারীরা আত্মায় ও সত্যে পিতার ভজনা করিবে।” (যোহন ৪:২১-২৪) তাই সত্য খ্রীষ্টানেরা পবিত্র বলা হয় এমন কোন স্থানের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা রাখেন না। সা.কা. ৭০ সালে রোমীয়রা অবিশ্বস্ত যিরূশালেমকে ধ্বংস করে আর এই ধ্বংস খ্রীষ্টীয়জগতের জন্য এক সতর্কবার্তার মতো। খ্রীষ্টীয়জগতের প্রতিমাপূজা, এর মধ্যেকার দলভেদ ও রক্তপাত প্রমাণ করে যে খ্রীষ্টান হিসাবে তার দাবি মিথ্যা। তাই তার জন্য খুবই করুণ পরিণতি অপেক্ষা করছে যা ঈশ্বর মহতী বাবিলের অন্যান্য সব ধর্মগুলোর জন্য স্থির করে রেখেছেন।—প্রকাশিত বাক্য ১৮:২-৮.

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার