জীবনের পথে নির্দেশকগুলি
আপনি যদি কোন অপরিচিত রাস্তা বা পথ দিয়ে যাচ্ছেন, আপনি কি দিক নির্দেশকগুলিকে বাধা হিসাবে দেখবেন? সম্ভবত না! আপনি নিশ্চয়ই এগুলিকে সহায়ক বলে মনে করবেন কারণ সেগুলি আপনাকে পথ না হারিয়ে আপনার গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে সাহায্য করবে।
জীবনের পথে যাত্রা সম্পর্কে কী বলা যায়? “নির্দেশকগুলি” ছাড়াই কি এখানে সফল হওয়া যেতে পারে? ঈশ্বরের একজন প্রাচীন ভাববাদী স্বীকার করেছিলেন যে এই বিষয়ে মানুষের সীমাবদ্ধতা আছে। তিনি বলেছিলেন: “হে সদাপ্রভু আমি জানি, মানুষের পথ তার নিজের হাতে নেই; আর মানুষ তার জীবনধারাও স্থির করতে পারে না।”—যিরমিয় ১০:২৩, নতুন ইংরাজি বাইবেল।
তাহলে কোথায় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাওয়া যেতে পারে? এইধরনের পরিচালনার নির্ভরযোগ্য উৎস হলেন মানুষের সৃষ্টিকর্তা এবং রূপক নির্দেশকগুলি বাইবেলেই পাওয়া যায়। যিহোবা তাঁর বাক্যের মাধ্যমে বলেন: “দক্ষিণে কি বামে ফিরিবার সময়ে তোমার কর্ণ পশ্চাৎ হইতে এই বাণী শুনিতে পাইবে, এই পথ, তোমরা এই পথেই চল।”—যিশাইয় ৩০:২১.
হ্যাঁ, আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ঈশ্বরের বাক্য নির্ভরযোগ্য পরিচালনা দিয়ে থাকে। (যিশাইয় ৪৮:১৭; ২ তীমথিয় ৩:১৬, ১৭) কিন্তু, দুঃখজনক যে অধিকাংশ লোকই ঈশ্বরের নির্দেশনা ছাড়াই জীবনের পথে চলেন। (মথি ৭:১৩) তবুও, “নির্দেশকগুলি” যথাস্থানে স্থিরভাবেই আছে! জীবনের পথে চলার সময় আপনি কি তা লক্ষ্য করেন?