ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৭ ১/১৫ পৃষ্ঠা ৩২
  • সমস্তই কি ঐশিক প্রকাশ?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • সমস্তই কি ঐশিক প্রকাশ?
  • ১৯৯৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
১৯৯৭ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৭ ১/১৫ পৃষ্ঠা ৩২

সমস্তই কি ঐশিক প্রকাশ?

ঈশ্বরের আত্মা যা পবিত্র বাইবেলকে অনুপ্রাণিত করেছিল, সেটি কি অন্যান্য পুস্তকগুলির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য যেগুলিকে কেউ কেউ পবিত্র বলে বিবেচনা করে থাকে? (২ তীমথিয় ৩:১৬) এই প্রশ্নটি একটি ইতালীয় জেসুইট্‌ পত্রিকা (লা সিভিলতা ক্যাটোলিকা) উত্থাপন করেছিল, যেটি “[ভ্যাটিক্যান] রাষ্ট্রের সচিববর্গের তত্ত্বাবধানের অধীনে” প্রকাশিত হয়েছিল আর তাই ক্যাথলিক গোষ্ঠীর মধ্যে কর্তৃত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়েছিল।

জেসুইট্‌ পত্রিকাটি বলেছিল, “ঈশ্বর পবিত্র আত্মার কাজের মাধ্যমে, বাক্যের বীজ এমনকি ন-যিহূদী এবং ন-খ্রীষ্টীয় পরম্পরার কিছু পবিত্র পুস্তকের মধ্যেও ছড়িয়ে দিয়েছেন।” জেসুইট্‌দের জন্য, “পবিত্র” পুস্তকগুলি, যেমন জরাথ্রুস্ট প্রবর্তিত আবেস্তা অথবা কনফিউশাসের চারটি পুস্তক, “পবিত্র আত্মার কোন বিশেষ প্রভাব ছাড়া” লেখা হয়নি আর “সেইজন্য তাতে কিছু মাত্রায় ‘ঐশিক প্রকাশ’ রয়েছে।”

কিন্তু, প্রবন্ধটি একটি সংশোধনী প্রদান করে। এটি জানায় “এই পবিত্র পুস্তকগুলির মধ্যে যা অন্তর্গত তার সবই ঈশ্বরের বাক্য নয়” এবং আরও বলে যে, যারা এই পুস্তকগুলি লিখেছিলেন তারা হয়ত যেখানে জীবনযাপন এবং কাজ করতেন তার “একটি বহুদেববাদী পারিপার্শ্বিক অবস্থা অথবা দার্শনিক পরিবেশের প্রভাব ভোগ করেছিলেন।” লা রেপুবলিকা নামক একটি ইতালীয় সংবাদপত্রের ভ্যাটিক্যান বিষয়ক সংবাদদাতা মার্কো পোলিতির মত অনুযায়ী, এই বিশ্বাস “ক্যাথলিক গির্জা এবং বিশিষ্ট ঐতিহাসিক ধর্মগুলির মধ্যে সম্পর্ককে উন্মুক্ত করে, পূর্বে যে বিষয়টির সম্ভাবনা অচিন্তনীয় ছিল,” এইভাবে ১৯৮৬ সালে অ্যাসিসিতে, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রার্থনা সভাগুলির মনোভাব প্রত্যাবর্তন করে যা ২য় জন পলের দ্বারা প্রেরণা সহকারে উন্নীত করা হয়েছিল।

যিহোবা গোলযোগ এবং বিভ্রান্তির ঈশ্বর নন। (১ করিন্থীয় ১৪:৩৩) সুতরাং আমরা সঠিকভাবে উপসংহার করতে পারি না যে তাঁর পবিত্র আত্মা অথবা সক্রিয় শক্তি, এমনকি কোন পুস্তকের একটি অংশও অনুপ্রাণিত করবে যার একটির সাথে তাঁর বাক্য বাইবেলের কোন মিল নেই। বিভিন্ন “ধর্মীয় পরম্পরাগুলির” মধ্যে সর্বজনীন হওয়ার জন্য উৎসাহিত করার পরিবর্তে বরং খ্রীষ্টীয় প্রেরিত পৌল লিখেছিলেন যে ‘একই প্রত্যাশা . . . প্রভু এক, বিশ্বাস এক, বাপ্তিস্ম এক।’—ইফিষীয় ৪:৪, ৫.

যীশু খ্রীষ্টের উপর বিশ্বাস রাখার সাথে ঐ ‘একই প্রত্যাশা’ সংযুক্ত। বাইবেল যথাযথভাবে বলে: “অন্য কাহারও কাছে পরিত্রাণ নাই; কেননা আকাশের নীচে মনুষ্যদের মধ্যে দত্ত এমন আর কোন নাম নাই, যে নামে আমাদিগকে পরিত্রাণ পাইতে হইবে।” (প্রেরিত ৪:১২) অন্য কোনও “পবিত্র পুস্তক” ঈশ্বরের উদ্দেশ্যগুলি সম্পূর্ণ করার ক্ষেত্রে যীশুকে প্রধান কার্যকারী হিসাবে উপস্থিত করে না। কেবলমাত্র যদি আমরা বাইবেলকে ঈশ্বরের বাক্য হিসাবে গ্রহণ করি, তাহলে এটি পরিত্রাণের জন্য যিহোবা ঈশ্বরের প্রেমময় ব্যবস্থা সম্বন্ধে আমাদের শেখাতে পারে।—যোহন ১৭:৩; ১ থিষলনীকীয় ২:১৩.

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার