ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৬ ১/১ পৃষ্ঠা ২-৪
  • শান্তি আসা কি সম্ভব?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • শান্তি আসা কি সম্ভব?
  • ১৯৯৬ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • বাইবেল পারমাণবিক যুদ্ধ সম্বন্ধে কী বলে?
    অন্যান্য বিষয়
  • পারমাণবিক যুদ্ধের আশঙ্কা চিরকালের জন্য নিশ্চিহ্ন!
    ১৯৯৪ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
১৯৯৬ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৬ ১/১ পৃষ্ঠা ২-৪

শান্তি আসা কি সম্ভব?

“সর্বদা কোথাও না কোথাও যুদ্ধ লেগেই থাকবে। এটাই হল মানবজাতির ক্ষেত্রে এক দুঃখময় সত্য।” এই নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিটি সম্প্রতি নিউজউইক পত্রিকায় এক পাঠকের চিঠির মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে। আপনি কি এর সাথে একমত? যুদ্ধ কি অবশ্যম্ভাবী আর শান্তি কি অসম্ভব? ইতিহাসকে যদি বিচারের এক মাধ্যম বলে ধরা হয়, তাহলে এই দুটি প্রশ্নেরই উত্তরে, হ্যাঁ বলা কঠিন হবে না। যখন থেকে রেকর্ড রাখা শুরু হয়েছে, তখন থেকে মানবজাতি একটির পর একটি যুদ্ধের সাথে নিজেকে বিজড়িত করেছে আর যতই মানুষেরা একে অপরকে হত্যা করার ক্ষেত্রে কার্যকারী উপায়গুলি আবিষ্কার করছে, ততই তাদের সংঘর্ষগুলি অধিকতররূপে ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠেছে।

এক্ষেত্রে বিংশ শতাব্দী কোন ব্যতিক্রম নয়। অবশ্যই, এটি সবচাইতে রক্তাক্ত যুদ্ধগুলিকে প্রত্যক্ষ করেছে, কিন্তু এছাড়াও এটি একটি নতুন বিষয়ের প্রত্যক্ষদর্শী হয়েছে। পঞ্চাশ বছর আগে জাপানের উপর দুটি পারমাণবিক বোমা ফেলার দ্বারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এক নিউক্লিয়ার যুগের সূচনা করে। সেই সময় থেকে শুরু করে পাঁচ দশক ধরে দেশগুলি প্রচুর পরিমাণে পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করে চলেছে যা মানবজাতিকে বহুবার ধ্বংস করতে পারে। এই পারমাণবিক অস্ত্রের অস্তিত্ব কি পরিশেষে মানুষের মধ্যে যুদ্ধ করার ভীতি জাগিয়ে তুলবে? বাস্তব ঘটনাগুলিই এর উত্তর দেয়। ১৯৪৫ সালের পর থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ যুদ্ধে মারা গেছে—যদিও আর কোন পারমাণবিক বোমা ফেলা হয়নি।

কেন মানবজাতির মধ্যে এত যুদ্ধের প্রবণতা রয়েছে? এনসাক্লোপিডিয়া আমেরিকানা মানব সমাজের কিছু দিকের কথা উল্লেখ করে যা ঐতিহাসিকভাবে তাকে যুদ্ধের প্রতি পরিচালিত করেছিল। এর অন্তর্ভুক্ত ছিল ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা, সাম্প্রদায়িকতা, সাংস্কৃতিক ব্যবধান, বিবিধ মতবাদ (যেমন গণতন্ত্র এবং পুঁজিবাদ), জাতীয়তাবাদ ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের শিক্ষা, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সামরিক শাসনের প্রতি জনসাধারণের সমর্থন। যখন আপনি এই তালিকাটি পড়েন, তখন আপনার কি মনে হয় যে এগুলির মধ্যে এমন কিছু বিষয় আছে যা সম্ভবত অদূর ভবিষ্যতে পরিবর্তন হবে? নিজেদের সার্বভৌমত্বকে বজায় রাখতে, দেশগুলি কি কোন অংশে কম বদ্ধপরিকর হবে? সাম্প্রদায়িকতার ক্ষেত্রে মানুষেরা কি কম সচেতন হবে? ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাসীরা কি তাদের ধর্মান্ধতা একটু কমাবে? এটি হওয়া খুবই অসম্ভব।

একদিন যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং স্থায়ী শান্তি আসবে এই বিষয় কি আদৌ কোন আশা নেই? হ্যাঁ, আশা রয়েছে। এই বিক্ষুব্ধ জগতের মধ্যে, এমনকি বর্তমান দিনেও, শান্তি খুঁজে পাওয়া সম্ভব। লক্ষাধিক মানুষ তা করেছে। আসুন আমরা আপনাদের এইধরনের কিছু লোকের কথা বলি এবং দেখা যাক যে তাদের অভিজ্ঞতা আপনার কাছে কী অর্থ রাখে।

[২ পৃষ্ঠার চিত্র সৌজন্যে]

Background cover and page 32: Reuters/Bettmann

[৩ পৃষ্ঠার চিত্র সৌজন্যে]

Reuters/Bettmann

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার