ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯৫ ১২/১৫ পৃষ্ঠা ৩-৪
  • দান করা—এটি কি প্রত্যাশিত?

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • দান করা—এটি কি প্রত্যাশিত?
  • ১৯৯৫ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • ধর্মীয় বৈচিত্র্যের প্রতিদ্বন্দ্বিতা
    যিহোবার সাক্ষীরা এবং শিক্ষা
  • দানশীলতার মনোভাব কি আপনার আছে?
    ১৯৯৫ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
১৯৯৫ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯৫ ১২/১৫ পৃষ্ঠা ৩-৪

দান করা—এটি কি প্রত্যাশিত?

আপনি হয়ত ভালভাবে জানেন যে প্রায়ই উপহার দেওয়ার বিষয়টি রীতিঅনুযায়ী হয়ে থাকে। অধিকাংশ সংস্কৃতিতে এমন কিছু উপলক্ষ আসে যখন উপহার আশা করা হয়। সেই উপহারগুলিকে হয়ত সম্মান বা প্রেমের এক নিদর্শন হিসাবে ধরে নেওয়া হয়। এদের মধ্যে অধিকাংশই হয়ত যাকে দেওয়া হয় তার দ্বারা ব্যবহৃত হয় না; আর অন্যগুলি প্রকৃত প্রয়োজনকে মেটায় আর এগুলির প্রতি গভীর উপলব্ধিবোধ প্রকাশ করা হয়।

ডেনমার্কে যখন কোন শিশুর জন্ম হয়, তখন বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজনেরা শিশুটিকে দেখতে যাওয়ার সময় সঙ্গে করে সেইসব উপহারগুলিকে নিয়ে আসে যা তারা মনে করে শিশুটির জন্য উপযোগী হবে। অন্যান্য দেশে, বন্ধুবান্ধবেরা হয়ত জন্ম হওয়ার আশায় কোন সমাবেশের আয়োজন করে যেখানে ঐধরনের কিছু উপহার দেওয়া হয়ে থাকে।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, বাৎসরিক কোন ঘটনাই উপহার দেওয়ার জন্য এক উপলক্ষ হয়ে ওঠে। যদিও ঐধরনের উদ্‌যাপনগুলি প্রাথমিক খ্রীষ্টানেরা পালন করত না, কিন্তু এইগুলি নামধারী খ্রীষ্টান এবং ন-খ্রীষ্টীয়দের মধ্যে খুবই প্রচলিত হয়ে উঠেছে। সন্তানেরা বড় হয়ে ওঠার সাথে সাথে হয়ত কিছু সংস্কৃতিতে জন্মদিনে উপহার দেওয়ার ব্যাপারটি লোপ পেতে শুরু করে, কিন্তু গ্রীক সংস্কৃতি অন্য কথা বলে। গ্রীক দেশে জন্মদিনের বিষয়টির উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এমনকি তারা একজন ব্যক্তিকে তার “নামকরণের দিনেও” উপহার দিয়ে থাকে। সেটি কী? ধর্মীয় রীতি অনুসারে বছরের প্রতিটি দিনকে বিভিন্ন “সাধু”-র সাথে সংযুক্ত করা হয় এবং অনেকের নাম “সাধুদের” নাম অনুসারে দেওয়া হয়ে থাকে। যখন কোন বিশেষ “সাধুর” দিন আসে, তখন সেই নির্দিষ্ট নামধারী ব্যক্তিরা উপহার পেয়ে থাকে।

ছেলেমেয়েদের জন্মদিনের উৎসব পালন করা ছাড়াও, কোরিয়ানরা জাতীয় উৎসব পালন করে যাকে বলা হয় শিশু দিবস। এটি এমন একটা সময় যখন পরিবারের সদস্যেরা একসাথে বেড়াতে যায় এবং জন্মের তারিখ ব্যতিরেকে ছোটদের উপহার দেওয়া হয়। এছাড়াও কোরিয়ানদের মধ্যে প্যারেন্টস ডে রয়েছে, যখন সন্তানেরা তাদের বাবামাকে উপহার দেয় এবং শিক্ষক দিবস রয়েছে, যখন ছাত্রেরা তাদের শিক্ষকদের প্রতি সম্মান দেখায় ও তাদের উপহার দেয়। কোরিয়ানদের রীতি অনুসারে যখন একজন ব্যক্তি ৬০ বছরে পৌঁছায় তখন একটি বিরাট সমাবেশের আয়োজন করা হয়। পরিবার ও বন্ধুবান্ধবেরা একসাথে মিলিত হয়ে তার দীর্ঘায়ু ও কুশল কামনা করে এবং সেই ব্যক্তিটিকে উপহার দেওয়া হয় যিনি জীবনের সেই পর্যায় এসে পৌঁছেছেন।

বিবাহ হল আরেকটি উপলক্ষ যখন প্রচলিত রীতি অনুসারে উপহার দেওয়া হয়ে থাকে। যখন কিনিয়ার কোন দম্পতি বিবাহিত হয় তখন এটা আশা করা হয় যে, ছেলের পরিবার মেয়ের পরিবারকে উপহার দেবে। অতিথিরাও উপহার নিয়ে আসে। যদি বর ও কনে রীতি মেনে চলে তাহলে তাদের একটি উচ্চস্থানে বসতে হবে এবং অতিথিরা তাদের কাছে উপহার নিয়ে আসবে। এক এক জন ব্যক্তি উপহার প্রদান করার সময় ঘোষণা করা হবে যে “অমুক ব্যক্তিটি দম্পতির জন্য উপহার এনেছে।” উপহার প্রদানকারী ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই অসন্তুষ্ট হয়ে থাকে যদি এইভাবে দানের প্রতি স্বীকারোক্তি না করা হয়।

লেবানীয়দের মধ্যে, যখন একজন বিবাহিত হয়, তখন বন্ধুবান্ধব ও প্রতিবেশীরা, এমনকি অপরিচিত লোকেরা বিবাহ হয়ে যাওয়ার পরেও আসতে এবং উপহার দিতে থাকে। ছোট থেকে তাদের শিক্ষা দেওয়া হয় যে উপহার দেওয়া হল ঋণ শোধ করার মত একটা দায়িত্ব। “যদি আপনি তা না করেন, তাহলে আপনি ভাল বোধ করবেন না,” একজন লেবানীয় ব্যক্তি বলে। “এটা হল একটা প্রথা।”

যতগুলি উপলক্ষ রয়েছে যেখানে উপহার আশা করা হয়, বেশ কয়েকটি দেশে কিন্তু এদের মধ্যে সবচাইতে বড় উপলক্ষ হল বড়দিন। আপনি যেখানে থাকেন সেখানেও কি তাই নয়? সম্প্রতি ১৯৯০ সালে, অনুমান করা হয়েছে যে আমেরিকানরা বছরে ৪,০০০ কোটির উপর ডলার খরচ করে বড়দিনের উপহারের পিছনে। অত্যন্ত জাঁকজমকের সাথে জাপানের বৌদ্ধ ও শিন্টো ধর্মাবলম্বীরা এই ছুটিকে পালন করে থাকে এবং বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান ইউরোপ, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার বিভিন্ন অংশে হয়ে থাকে।

বড়দিন এমন একটি সময় যখন আশা করা হয় যে লোকেরা খুশি থাকবে, কিন্তু অনেকে তা থাকে না। আর অনেকের কাছেই উপহার কেনা এবং বিলের টাকা দেওয়ার উৎকণ্ঠা তাদের এই আনন্দের মুহূর্তটিকে নষ্ট করে দেয়।

তবুও, বাইবেল বলে যে দান করার মধ্যে আনন্দ রয়েছে। অবশ্যই তা আছে, কিন্তু যে ধরনের মনোভাব নিয়ে দান করা হয়, তারই উপর এটি নির্ভর করে।—প্রেরিত ২০:৩৫.

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার