ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • w৯২ ৩/১ পৃষ্ঠা ৮-৯
  • সপ্তম দিনে আরও কিছু শিক্ষা

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • সপ্তম দিনে আরও কিছু শিক্ষা
  • ১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
  • অনুরূপ বিষয়বস্ত‌ু
  • সপ্তম দিনে আরও শিক্ষাদান
    সর্বমহান পুরুষ যিনি কখনও জীবিত ছিলেন
  • প্রেরিতদের তাঁর প্রস্থানের জন্য প্রস্তুত করা
    সর্বমহান পুরুষ যিনি কখনও জীবিত ছিলেন
  • যীশুকে হত্যার আরও প্রচেষ্টা
    সর্বমহান পুরুষ যিনি কখনও জীবিত ছিলেন
  • “সেই সত্য তোমাদিগকে স্বাধীন করিবে”
    ১৯৯৮ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
আরও দেখুন
১৯৯২ প্রহরীদুর্গ যিহোবার রাজ্য ঘোষণা করে
w৯২ ৩/১ পৃষ্ঠা ৮-৯

যীশুর জীবন ও পরিচর্য্যা

সপ্তম দিনে আরও কিছু শিক্ষা

কুটির উৎসবের শেষ দিন, সপ্তম দিন, এখনও শেষ হয়নি। যীশু মন্দিরের সেই জায়গা থেকে শিক্ষা দিচ্ছেন যাকে বলা হয় “ভাণ্ডার।” ইহা অবস্থিত ছিল নারীগণের সমাবেশস্থানে যেখানে সিন্দুক রাখা ছিল এবং লোকেরা তাতে তাদের দান জমা দিত।

উৎসবের প্রত্যেক দিন রাত্রে, মন্দিরের এই এলাকাটি একটি বিশেষ আলোকসজ্জায় সাজানো হত। চারটি বিশাল বাতিদান এখানে বসানো হত, প্রত্যেকটির চারটি করে বড় তৈলাধার থাকত। ১৬টি জ্বলন্ত তৈলাধার থেকে আলো সমস্ত স্থানকে আলোকিত করত এবং রাত্রিবেলাতও বহু দূর পর্য্যন্ত তা ছড়িয়ে পড়ত। যীশু এখন যা বলেন তা তার শ্রোতাদের এই আলোকসজ্জার কথা মনে করিয়ে দিতে পারে। “আমি জগতের জ্যোতি,” যীশু ঘোষনা করেন। “যে আমার পশ্চাৎ আইসে, সে কোন মতে অন্ধকারে চলিবে না, কিন্তু জীবনের দীপ্তি পাইবে।”

ফরীশীরা প্রতিবাদ করে: “তুমি আপনার বিষয়ে আপনি সাক্ষ্য দিতেছ; তোমার সাক্ষ্য সত্য নহে।”

উত্তরে যীশু বলেন: “যদিও আমি আপনার বিষয়ে আপনি সাক্ষ্য দিই, তথাপি আমার সাক্ষ্য সত্য; কারণ আমি কোথা হইতে আসিয়াছি, কোথায়ই বা যাইতেছি, তাহা জানি; কিন্তু আমি কোথা হইতে আসি, কোথায়ই বা যাইতেছি, তাহা তোমরা জান না।” তিনি আরও যোগ দেন: “আমি আপনি আমার বিষয়ে সাক্ষ্য দিই, আর পিতা, যিনি আমাকে পাঠাইয়াছেন, তিনি আমার বিষয়ে সাক্ষ্য দেন।”

“তোমার পিতা কোথায়?” ফরীশীরা জানতে চায়?

“তোমরা আমাকেও জান না, আমার পিতাকেও জান না,” যীশু উত্তর দেন। “যদি আমাকে জানিতে, আমার পিতাকেও জানিতে।” যদিও ফরীশীরা এখনও চায় যীশুকে গ্রেপ্তার করা হোক, কেউ তার গায়ে হাত দেয় না।

“আমি যাইতেছি,” যীশু আবার বলেন। “আমি যেখানে যাইতেছি, সেখানে তোমরা আসিতে পার না।”

এই কথা শুনে যিহুদীরা চিন্তা করতে শুরু করে: “এ কি আত্মঘাতী হইবে, তাই বলিতেছে, ‘আমি যেখানে যাইতেছি, সেখানে তোমরা আসিতে পার না।’”

“তোমরা অধঃস্থানের,” যীশু ব্যাখ্যা করেন। “আমি ঊর্দ্ধস্থানের। তোমরা এ জগতের, আমি এ জগতের নহি।” তারপর তিনি যোগ দেন: “যদি বিশ্বাস না কর যে, আমিই তিনি, তবে তোমাদের পাপসমূহে মরিবে।”

যীশু, অবশ্যই, তার মনুষ্য-জন্মের পূর্বের অস্তিত্বের কথা এবং তিনি যে প্রতিজ্ঞাত মশীহ, খ্রীষ্ট, সেই সম্বন্ধে বলছেন। যাইহোক, তারা অত্যন্ত ঘৃণা সহকারে জিজ্ঞাসা করে: “তুমি কে?”

তাদের প্রত্যাখ্যানের সম্মুখীন হয়ে, যীশু উত্তর দেন: “কেনই বা আমি তোমাদের সাথে কথা বলি?” তবুও তিনি বলে চলেন: “যিনি আমাকে পাঠাইয়াছেন, তিনি সত্য, এবং আমি তাঁহার নিকটে যাহা যাহা শুনিয়াছি, তাহাই জগৎকে বলিতেছি।” যীশু আরও বলে চলেন: “যখন তোমরা মনুষ্যপুত্রকে উচ্চে উঠাইবে, তখন জানিবে যে, আমিই তিনি, আর আমি আপনা হইতে কিছুই করি না, কিন্তু পিতা আমাকে যেমন শিক্ষা দিয়াছেন, তদনুসারে এই সকল কথা কহি। আর যিনি আমাকে পাঠাইয়াছেন, তিনি আমার সঙ্গে সঙ্গে আছেন; তিনি আমাকে একা ছাড়িয়া দেন নাই, কেননা আমি সর্ব্বদা তাঁহার সন্তোষজনক কার্য্য করি।”

যখন যীশু এই কথা বলেন, অনেকে তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে। এই লোকদের যীশু বলেন: “তোমরা যদি আমার বাক্যে স্থির থাক, তাহা হইলে সত্যই তোমরা আমার শিষ্য, আর তোমরা সেই সত্য জানিবে, এবং সেই সত্য তোমাদিগকে স্বাধীন করিবে।”

“আমরা অব্রাহামের বংশ,” একতাবদ্ধ হয়ে তার বিপক্ষকারীরা বলে ওঠে, “কখনও কাহারও দাস হই নাই; আপনি কেমন করিয়া বলিতেছেন যে, ‘তোমাদিগকে স্বাধীন করা যাইবে’?”

যদিও যিহুদীরা প্রায়ই বিদেশীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে, তারা কোন আক্রমণকারীকে প্রভু হিসাবে মেনে নেয়নি। তারা দাস নামে আখ্যাত হওয়ার বিরোধিতা করে। কিন্তু যীশু দেখিয়ে দেন যে বাস্তবিকই তারা দাস। কিভাবে? “সত্য আমি তোমাদিগকে বলিতেছি,” যীশু বলেন, “যে কেহ পাপাচরণ করে, সে পাপের দাস।”

পাপের প্রতি দাসত্ব অস্বীকার করার জন্য যিহুদীরা এক বিপদজনক অবস্থায় পতিত হয়েছে। “দাস বাটীতে চিরকাল থাকে না,” যীশু ব্যাখ্যা করেন। “পুত্র চিরকাল থাকেন।” যেহেতু একজন দাসের উত্তরাধিকার হওয়ার কোন আশা নেই, তাকে যে কোন সময় বরখাস্ত করা হতে পারে। শুধুমাত্র পুত্র, যে হয় পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে অথবা যাকে দত্তক নেওয়া হয়েছে, সে “চিরকাল” অর্থাৎ যতদিন সে জীবিত থাকে ততদিন সেইখানে থাকে।

“অতএব পুত্র যদি তোমাদিগকে স্বাধীন করেন,” যীশু বলে চলেন, “তবে তোমরা প্রকৃতরূপে স্বাধীন হইবে।” তাই যে সত্য মানুষকে স্বাধীন করে তা হল পুত্র, যীশু খ্রীষ্ট সম্পর্কে সত্য। শুধুমাত্র তার সিদ্ধ মানব জীবনের উৎসর্গের মাধ্যমে কেউ মারাত্মক পাপ থেকে মুক্তি লাভ করতে পারে। যোহন ৮:১২-৩৬.

◆ সপ্তম দিনে যীশু কোথায় শিক্ষা দেন? রাত্রিতে সেখানে কি হয়, এবং যীশুর শিক্ষার সঙ্গে এর কি সম্পর্ক আছে?

◆ তার অস্তিত্ব সম্পর্কে যীশু কি বলেন, এবং তা থেকে তার পরিচিতি সম্পর্কে কি জানা যায়?

◆ কিভাবে যিহুদীরা দাস, কিন্তু কোন সত্য তাদের মুক্ত করবে? (w88 5/1)

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার