ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • g৯৮ ১০/৮ পৃষ্ঠা ৩১
  • সে হাল ছেড়ে দেয়নি

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

  • সে হাল ছেড়ে দেয়নি
  • ১৯৯৮ সচেতন থাক!
১৯৯৮ সচেতন থাক!
g৯৮ ১০/৮ পৃষ্ঠা ৩১

সে হাল ছেড়ে দেয়নি

উনিশশো পঁচানব্বই সালের ৫ই অক্টোবর, ১৪ বছর বয়সী ম্যাট টেপিওর মস্তিষ্ককাণ্ডে একটি টিউমারের অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। টিউমারটি মারাত্মক সংক্রামক ছিল। পরবর্তী আড়াই বছরে তার অনেকগুলো অস্ত্রোপচার হয়েছিল, তবে এটিই ছিল প্রথম। এছাড়াও কেমোথেরাপি এবং রশ্মি চিকিৎসা চলেছিল।

ম্যাট, যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে থাকত এবং সেখানকার সরকারি বিদ্যালয়ে পড়াশুনা ও খ্রীষ্টীয় সভাতে যোগ দিত। সে সবসময় তার শিক্ষক ও সহপাঠীদের সঙ্গে তার বিশ্বাস সম্বন্ধে বলার সুযোগ নিত আর সেইসঙ্গে জনসাধারণ্যে পরিচর্যায় অংশ নিয়েও অন্যদের সঙ্গে কথা বলত। বেশ কয়েক বার হাসপাতালে থাকাকালে যাদের সঙ্গে তার দেখা হত তাদের কাছে সে শতাধিক বাইবেল সাহিত্যাদি অর্পণ করেছিল। তাকে তার জীবনের শেষ আড়াই বছরের ১৮ মাসই হাসপাতালে কাটাতে হয়েছিল।

অনেক বার মনে হয়েছিল যে ম্যাট আর বাঁচবে না কিন্তু প্রতিবারই সে মৃত্যুর দরজা থেকে ফিরে আসত। একবার, হাসপাতালে যাওয়ার পথে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে ও তার শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। পরক্ষণেই আবার হৃদ্‌যন্ত্র ও ফুসফুস কাজ করতে শুরু করে এবং সে চেতনা ফিরে পায়। জ্ঞান ফিরে আসার পর, সে কাঁদতে শুরু করে এবং চিৎকার করে বলতে থাকে: “আমি একজন যোদ্ধা! আমি একজন যোদ্ধা! আমি পরাজিত নই!” লোকেরা বলে যে ঈশ্বরের প্রতি তার বিশ্বাসই ম্যাটকে এতদিন বাঁচিয়ে রেখেছিল।

ম্যাটের হৃদয়ের একটি আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হয়েছিল যখন ১৯৯৬ সালের ১৩ই জানুয়ারি, সে যিহোবা ঈশ্বরের প্রতি তার উৎসর্গীকরণের প্রতীকস্বরূপ বাপ্তিস্ম নিয়েছিল। রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় তাকে আলাদা একটি জলাশয়ে বাপ্তিস্ম দেওয়া হয়েছিল। অল্প কয়েকদিন পর, আবারও অস্ত্রোপচার করার জন্য তাকে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল। ১৯৯৭ সালের আগস্ট মাসে ম্যাট কয়েক সপ্তাহ ধরে একটানা বমি করতে থাকে কিন্তু আবার অস্ত্রোপচারের পর সে কিছুটা সুস্থ হয়।

এত কিছু হওয়া সত্ত্বেও, ডাক্তার ও নার্সদের সঙ্গে ঠাট্টা করার মতো রসিকতাবোধ ম্যাটের ছিল। তারা বুঝতে পারতেন না যে কিভাবে সে এমন হাসি খুশি থাকত। একজন ডাক্তার তাকে বলেছিলেন: “ম্যাট, তোমার জায়গায় যদি আমি হতাম, আমি আমার চারপাশের পর্দা টেনে দিতাম আর আমার মুখ ঢেকে সবাইকে বলতাম আমার কাছ থেকে চলে যাও।”

১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ম্যাট শেষবারের মতো হাসপাতাল থেকে ঘরে ফিরে আসে। সে অত্যন্ত রোমাঞ্চিত হয়েছিল কারণ সে বেঁচে আছে এবং ঘরে ফিরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সে বলে: “আমি ভীষণ খুশি! এসো আমরা প্রার্থনা করি।” তারপর সে প্রার্থনায় যিহোবার কাছে তার আনন্দ প্রকাশ করে। অবশেষে দুই মাস পর, ১৯শে এপ্রিল সে ক্যান্সারে মারা যায়।

কিছুদিন আগে যিহোবার সাক্ষীদের স্থানীয় কিংডম হলে একটি সভায়, ম্যাটের রেকর্ডকৃত সাক্ষাৎকার চালানো হয়। তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: “আমাদের, যাদের ভাল স্বাস্থ্য রয়েছে আমাদেরকে পরিচর্যা ও খ্রীষ্টীয় সভাগুলি সম্বন্ধে তুমি কী বলবে?

ম্যাট উত্তর দিয়েছিল: “এখনই আপনি যতটুকু পারেন, করে নিন . . . কেননা কখন কী ঘটবে তা কেউই জানে না। . . . কিন্তু যাই ঘটুক না কেন, যিহোবার সম্বন্ধে সাক্ষ্য দেওয়া কখনই বন্ধ করবেন না।”

    বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
    লগ আউট
    লগ ইন
    • বাংলা
    • শেয়ার
    • পছন্দসমূহ
    • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
    • ব্যবহারের শর্ত
    • গোপনীয়তার নীতি
    • গোপনীয়তার সেটিং
    • JW.ORG
    • লগ ইন
    শেয়ার