পৃথিবী গ্রহটির জন্য একটি অপূর্ব ভবিষ্যৎ
“গবেষণা দেখায় যে গত ৬০০ বছরের তুলনায় পৃথিবীর উষ্ণতা এখন সবচেয়ে বেশি,” টরান্টো গ্লোব অ্যান্ড মেইল বিবরণটি দেয়। ১৯৯৫ সালে মধ্য আমেরিকার শিকাগোতে এক আকস্মিক তাপপ্রবাহে ৫০০ জনেরও বেশি লোকের মৃত্যু হয়েছে। একই চরম অবস্থা ভারত ও অষ্ট্রেলিয়ায় ঘটে, যেখানে ইংল্যান্ড “২০০ বছরের মধ্যে তৃতীয় শুষ্কতম গ্রীষ্মটি” অভিজ্ঞতা করেছিল।
এর কারণ কী? কানাডার ফেডারেল পরিবেশ বিভাগের একজন জলবায়ু বিশারদ, হেন্রি হ্যাঞ্জভেল্ড বলেন: “অধিকাংশ প্রমাণ ইঙ্গিত দেয় যে পৃথিবীর জলবায়ুর উপর যথেষ্ট মানবীয় প্রভাব রয়েছে।” গ্লোব অ্যান্ড মেইল এর বিবরণ অনুসারে, “যেভাবে কম্পিউটারের নমুনাগুলি পৃথিবীর উষ্ণতার প্রভাবকে চিত্রিত করে তা এই অস্বাভাবিক আবহাওয়ার সাথে মিলে যায়, যা মূলতঃ ভূগর্ভস্থ প্তালানী পোড়ানোর দ্বারা ঘটেছে।”
বৈজ্ঞানিক মহলে পৃথিবীর উষ্ণতার অস্তিত্বটি এখনও বিতর্কিত রয়েছে। তবুও, দ্যা নিউ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা মন্তব্য করে: “মানবজাতি বায়ুমণ্ডল সংক্রান্ত পরিবেশটি বোঝার চেয়ে আরও দ্রুত এর অপব্যবহার করছে।”
আনন্দের বিষয় যে বাইবেল আমাদের বলে পৃথিবী “নিত্যস্থায়ী।” (উপদেশক ১:৪) এর কারণ সৃষ্টিকর্তা যিহোবা ঈশ্বর, মানুষকে অথবা কোন প্রাকৃতিক শক্তিকে এটি ধ্বংস করতে অনুমোদন করবেন না। এর বিপরীতে, তিনি “পৃথিবীনাশকদিগকে নাশ” করবেন।—প্রকাশিত বাক্য ১১:১৭, ১৮.
এছাড়াও, বাইবেল আমাদের নিশ্চয়তা দেয় যে আমাদের পৃথিবী নামক গ্রহটি এবং সমস্ত বাধ্য মানবজাতির জন্য যিহোবা ঈশ্বরের কাছে একটি অপূর্ব ভবিষ্যৎ সংরক্ষিত আছে। “মৃদুশীলেরা দেশের অধিকারী হইবে, এবং শান্তির বাহুল্যে আমোদ করিবে।” আমরা কত আনন্দিত হতে পারি যে পৃথিবীর ভবিষ্যৎ ঈশ্বরের হাতে থাকবে, মানুষের হাতে নয়!—গীতসংহিতা ৩৭:১১; ৭২:১৬; যিশাইয় ৬৫:১৭-২৫; ২ পিতর ৩:১৩.
যদি আপনি সচেতন থাক! পত্রিকার পরবর্তী সংখ্যাগুলি পেতে চান, তাহলে দয়া করে আপনার এলাকার যিহোবার সাক্ষীদের সাথে যোগাযোগ করুন অথবা ৫ পৃষ্ঠায় দেওয়া নিকটবর্তী কোন ঠিকানায় চিঠি লিখুন।
[৩২ পৃষ্ঠার চিত্র]
NASA photo